তাজদীদ -blog


...


 


হারাম ছবির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো ফরয-ওয়াজিব


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “কোনো মু’মিন পুরুষ-মহিলার জন্য জায়িয হবে না- মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যে ফায়ছালা করেছেন, সেই ফায়ছালার মধ্যে স্বীয়



নাস্তিকদের প্রচারণা- ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’ কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের দলিল প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ইসলাম কায়েম রাখার জন্য


বাংলাদেশের আলো বাতাসে হৃষ্টপুষ্ট, কিন্তু বিদেশীদের উচ্ছিষ্টভোগী কিছু নাস্তিক মহল আছে যারা প্রচার করে থাকে, ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’। এই প্রচারণার ভিত্তিতেই তারা বাংলাদেশের সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলের কথা বলে থাকে। অথচ ১৯৭১ সালে সংগঠিত মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি কখনোই ধর্মনিরপেক্ষতা ছিলো



নেককার ব্যক্তিগণের সংস্পর্শে থাকলে কী হবে? একটি শিক্ষণীয় উদাহরণ


একটি ইটের ভাটায় কোটি কোটি ইট বানানো ও পোঁড়ানো হয়। এর মধ্যের কোন ইটকে দলানে লাগানো হয়, কোনটি মসজিদে, মাদ্রাসায়, রাস্তা-ঘাটে, অফিস-আদালতে, কোনটি পায়খানায় লাগানো হয়। এখানে কোন ইটকে কোথায় লাগানো হবে তা মালিকের খুশি। এতে ইটের কিছুই বলার থাকে না।



যশোরে স্কুলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে অভিনয়কারী থেকে শুরু করে জড়িত


নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!! নাউযুবিল্লাহ!!! রক্তহিম হয়ে যাওয়ার মতো বিষয়!!! মুসলমানদের অস্তিত্ব নাশ হওয়ার মতো বিষয়!!!! গত ২৬শে মাচ, ২০১৬ ঈসায়ীতে যশোর সদরের নওয়াপাড়া শংকরপাশা হাইস্কুল মাঠে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি



এক নজরে- সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত


আফদ্বলুন নিসা ওয়ান নাস বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত ফাত্বিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত পীর ছহীব তিনি কে?


একনজের সংক্ষিপ্ত কিছু তথ্যঃ ১) রাজারবাগের পীর সাহেব একমাত্র ব্যক্তিত্ব বর্তমানে যিনি মাদ্রাসায় না পড়ে ও কুরআনে হাফেজ, হাদীছে হাফেজ, হাকীমে হাদীছ, অসংখ্য তাফসীরে হাফেজ, ফিক্বহ শাস্রে হাফেজ । এ ছাড়াও উছূল, মানতিক, বালাগাত, ফাছাহাত, নাহু, ছরফ, সাহিত্য, কাব্য,ইতিহাস, ভূগোল, দর্শন, বিজ্ঞানসহ



মুক্তিযুদ্ধের দলিলও প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ইসলাম কায়েম রাখার জন্য


নাস্তিকদের প্রচারণা- ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’ কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের দলিল প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ইসলাম কায়েম রাখার জন্য বাংলাদেশের আলো বাতাসে হৃষ্টপুষ্ট, কিন্তু বিদেশীদের উচ্ছিষ্টভোগী কিছু নাস্তিক মহল আছে যারা প্রচার করে থাকে, ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’। এই প্রচারণার ভিত্তিতেই তারা বাংলাদেশের



সাম্প্রদায়িকতায় প্রশ্নবিদ্ধ প্রধান বিচারকের নিরপেক্ষতা


সংবিধান ভঙ্গের কারণে মানহানীর শিকার ও শাস্তির মুখোমুখি দুই মন্ত্রী; সাম্প্রদায়িকতায় প্রশ্নবিদ্ধ প্রধান বিচারকের নিরপেক্ষতা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রধান বিচারকদের পদে থাকা অবস্থায় কখনো আদালতের বাইরে, কোন মিডিয়ার সামনে, টক শো’তে কোন সেমিনারে কিংবা কোন পাবলিক ফাংশনে দেখার নজির খুব একটা পাওয়া



রাষ্ট্রধর্ম রিট খারিজ: আবেদনকারী সংগঠনের রিট করার এখতিয়ার নেই


নিউজ নাইন২৪ডটকম, ঢাকা: সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে অন্তর্ভুক্তির বিধান চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেছে ‘স্বৈরাচার ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ কমিটি’। সোমবার (২৮ মার্চ) এই রিট আবেদন খারিজ করে হাইকোর্ট বলেছে, এই রিট করার এখতিয়ার সংগঠনটির নেই। সোমবার দুপুর বিচারক নাঈমা হায়দারের নেতৃত্বে



মুক্তিযুদ্ধের দলিল প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ইসলাম কায়েম রাখার জন্য


নাস্তিকদের প্রচারণা- ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’ কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের দলিল প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ইসলাম কায়েম রাখার জন্য। বাংলাদেশের আলো বাতাসে হৃষ্টপুষ্ট, কিন্তু বিদেশীদের উচ্ছিষ্টভোগী কিছু নাস্তিক মহল আছে যারা প্রচার করে থাকে, ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’। এই প্রচারণার ভিত্তিতেই তারা বাংলাদেশের



তবে কি ’গণতন্ত্র’ জনগণকে ধোঁকা দেয়ার যন্ত্র?


রাষ্ট্রধর্ম ‘ইসলাম’ থাকবে কিনা তা নির্ভর করছে কেবল ৩ জন বিচারকের সিদ্ধান্তের উপর; তবে কি গণতন্ত্র জনগণকে ধোঁকা দেয়ার যন্ত্র? আজ ২৮ মার্চ (২০১৬ ঈসায়ী) সুপ্রীম কোর্টের তিনজন বিচারক রায় দেবে ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকবে কিনা। যদিও



জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে আদালতের মাধ্যমে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল করলে সরকার গণতন্ত্র বিরোধী বলে প্রমাণিত হবে


বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ। গণতন্ত্র বলা হচ্ছে জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য এবং জনগণের শাসনব্যবস্থাকে। অর্থাৎ গণতন্ত্রের ভাষা অনুযায়ী জনগণই তার মতামত ভোটের মাধ্যমে ব্যক্ত করে দেশের পরিচালক বা শাসকমহল নির্বাচিত করে। জনগণই আবার চাইলে ভোটের মাধ্যমে পূর্বে নির্বাচিত শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতা ছিনিয়ে