সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

তাজদীদ -blog


...


 


রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত পীর ছহীব তিনি কে?


একনজের সংক্ষিপ্ত কিছু তথ্যঃ ১) রাজারবাগের পীর সাহেব একমাত্র ব্যক্তিত্ব বর্তমানে যিনি মাদ্রাসায় না পড়ে ও কুরআনে হাফেজ, হাদীছে হাফেজ, হাকীমে হাদীছ, অসংখ্য তাফসীরে হাফেজ, ফিক্বহ শাস্রে হাফেজ । এ ছাড়াও উছূল, মানতিক, বালাগাত, ফাছাহাত, নাহু, ছরফ, সাহিত্য, কাব্য,ইতিহাস, ভূগোল, দর্শন, বিজ্ঞানসহ



মুক্তিযুদ্ধের দলিলও প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ইসলাম কায়েম রাখার জন্য


নাস্তিকদের প্রচারণা- ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’ কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের দলিল প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ইসলাম কায়েম রাখার জন্য বাংলাদেশের আলো বাতাসে হৃষ্টপুষ্ট, কিন্তু বিদেশীদের উচ্ছিষ্টভোগী কিছু নাস্তিক মহল আছে যারা প্রচার করে থাকে, ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’। এই প্রচারণার ভিত্তিতেই তারা বাংলাদেশের



সাম্প্রদায়িকতায় প্রশ্নবিদ্ধ প্রধান বিচারকের নিরপেক্ষতা


সংবিধান ভঙ্গের কারণে মানহানীর শিকার ও শাস্তির মুখোমুখি দুই মন্ত্রী; সাম্প্রদায়িকতায় প্রশ্নবিদ্ধ প্রধান বিচারকের নিরপেক্ষতা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রধান বিচারকদের পদে থাকা অবস্থায় কখনো আদালতের বাইরে, কোন মিডিয়ার সামনে, টক শো’তে কোন সেমিনারে কিংবা কোন পাবলিক ফাংশনে দেখার নজির খুব একটা পাওয়া



রাষ্ট্রধর্ম রিট খারিজ: আবেদনকারী সংগঠনের রিট করার এখতিয়ার নেই


নিউজ নাইন২৪ডটকম, ঢাকা: সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে অন্তর্ভুক্তির বিধান চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেছে ‘স্বৈরাচার ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ কমিটি’। সোমবার (২৮ মার্চ) এই রিট আবেদন খারিজ করে হাইকোর্ট বলেছে, এই রিট করার এখতিয়ার সংগঠনটির নেই। সোমবার দুপুর বিচারক নাঈমা হায়দারের নেতৃত্বে



মুক্তিযুদ্ধের দলিল প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ইসলাম কায়েম রাখার জন্য


নাস্তিকদের প্রচারণা- ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’ কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের দলিল প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ইসলাম কায়েম রাখার জন্য। বাংলাদেশের আলো বাতাসে হৃষ্টপুষ্ট, কিন্তু বিদেশীদের উচ্ছিষ্টভোগী কিছু নাস্তিক মহল আছে যারা প্রচার করে থাকে, ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’। এই প্রচারণার ভিত্তিতেই তারা বাংলাদেশের



তবে কি ’গণতন্ত্র’ জনগণকে ধোঁকা দেয়ার যন্ত্র?


রাষ্ট্রধর্ম ‘ইসলাম’ থাকবে কিনা তা নির্ভর করছে কেবল ৩ জন বিচারকের সিদ্ধান্তের উপর; তবে কি গণতন্ত্র জনগণকে ধোঁকা দেয়ার যন্ত্র? আজ ২৮ মার্চ (২০১৬ ঈসায়ী) সুপ্রীম কোর্টের তিনজন বিচারক রায় দেবে ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকবে কিনা। যদিও



জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে আদালতের মাধ্যমে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল করলে সরকার গণতন্ত্র বিরোধী বলে প্রমাণিত হবে


বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ। গণতন্ত্র বলা হচ্ছে জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য এবং জনগণের শাসনব্যবস্থাকে। অর্থাৎ গণতন্ত্রের ভাষা অনুযায়ী জনগণই তার মতামত ভোটের মাধ্যমে ব্যক্ত করে দেশের পরিচালক বা শাসকমহল নির্বাচিত করে। জনগণই আবার চাইলে ভোটের মাধ্যমে পূর্বে নির্বাচিত শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতা ছিনিয়ে



সংবিধান ও রাষ্ট্রের অন্যতম চালিকা শক্তি রাষ্ট্রধর্মের বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কেন রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা হবে না?


যেসব ষড়যন্ত্রকারীরা ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশ থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম তুলে দিতে বদ্ধপরিকর। তারা নিঃসন্দেহে রাষ্ট্রের স্বকীয়তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। শুধু তাই নয়, তাদের অবস্থান সংবিধানেরও বিরুদ্ধে। কেননা সংবিধানের একটি অনুচ্ছেদ যেখানে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামের কথা উল্লেখ রয়েছে, আরো একটি অনুচ্ছেদ যেখানে



বিশ্বের অনেক দেশেই ইসলাম রাষ্ট্র ধর্ম হিসেবে স্বীকৃত, অনেক গণতান্ত্রিক দেশেই ‘রাষ্ট্রধর্ম’ আছে


মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অনেক দেশে ইসলাম রাষ্ট্র ধর্ম হিসেবে স্বীকৃত, যেমন- আলজেরিয়া, বাহরাইন, ব্রুনেই, কমোরস, মিসর, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, লিবিয়া, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ,মরক্কো, ওমান, কাতার সোমালিয়া তিউনিসিয়ায় ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম। ইন্দোনেশিয়ায় ইসলাম ছাড়াও অন্য কয়েকটি ধর্মকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। ইউরোপের অধিকাংশ দেশেই খৃস্টধর্ম রাষ্ট্রধর্ম



দোস্ত কি দেখাইল! বিয়ে করল, চাকরি করল, মারা গেল..


আল্লামা ইকবাল বলেছিলেন, ‘আমার দোস্ত কি দেখাইল! বিয়ে করল, চাকরি করল, মারা গেল। আমার দোস্ত কি দেখাইল..’ কবি এখানে মানুষের হায়াতকে ইঙ্গিত করে বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন। মানুষ শিশু থেকে যুবক হয়। দেখতে না দেখতেই তরুন হয়, তারপর বৃদ্ধ। এই সময়টুকুর মধ্যেই



আমাদের সর্বপ্রথম পরিচয় আমরা মুসলিম, এরপর অন্য পরিচয়….


কিছুদিন আগে আমাদের দেশের একজন মন্ত্রী বলেছে- সে প্রথমে মানুষ, এরপর বাঙালি, এরপর সে মুসলমান।’ শুধু কেবল এই একজন মন্ত্রীর কথা নয়, এ কথা এখন সারা বিশ্বের বহু মুসলিমরাই এরকম বলে থাকে। মূলত, এই তত্ত্বটি(!) তথাকথিত মানবতাবাদীদের জঘন্যতম একটি বুলি। এই



কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা ও ক্বিয়ামত-এর তথ্য


অধুনা পুলিশী রাষ্ট্রের পরিবর্তে কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণার প্রবর্তন হয়েছে। কিছুটা অনুশীলন হচ্ছেও বলে দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু কল্যাণমূলক ধারণার প্রকৃত ব্যাপ্তি নির্দেশিত হয়েছে কুরআন শরীফ-এ। ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হে মহান আল্লাহ পাক! আপনি আমাদের দুনিয়াবী কল্যাণ দান করুন এবং পরকালীন কল্যাণ