Ahmad -blog


...


 


মৃত্যু আসার আগেই মারা যেতে হবে, তবেই বাচা সম্ভব


-আমার হাসবেন্ড পছন্দ করেন না, তাই বোরখা পড়তে পারি না। -আমার ওয়াইফ আনস্মার্ট ভাবে, তাই দাড়ি রাখতে পারি না। -আমার বাবা মা ভয় পান, তাই দ্বীনি তালিমে যেতে পারি না। -আমার সন্তান রাগ করে, তাই নামায রোযা করতে জোর করতে পারিনা।



সম্মানিত মিরাজ শরীফে উম্মতের প্রতি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল মুহব্বত মুবারক প্রকাশ


পবিত্র মিরাজ শরীফ উনার রাত্রিতে যখন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নুরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খলিক্ব, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক উনার সাক্ষাত মুবারকে তাশরীফ আনেন, তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু



জাহান্নামের এক মূহুর্তই পার্থিব সমস্ত সুখ-সাচ্ছন্দ্য ভুলিয়ে দেবার জন্য যথেষ্ট!


আজকাল কি কেউ ১০০ বছর বাঁচে? আচ্ছা যদি বাঁচেও, তার এই দীর্ঘ জীবন পরকালীন জীবনের কতটুকুর সমান? বড়জোর ৩ ঘন্টা! ভাবতেও অবাক লাগে, এই তিন ঘন্টার জীবন নিয়ে মানুষের কত আক্ষেপ আর কত উল্লাস!   জান্নাতের অধিবাসীদের মাঝে যে এই দুনিয়াতে



“হ্যাঁ,কালকে আমি পালিয়েই বাঁচছি,ওই ব্যাটাকে ধরায় দেয়ার মতো কিছু করতে পারি নাই”-একজন বখাটে পিটানো মেয়ের আত্মোপলব্ধি


একটি মেয়ের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা পড়লাম। রাত ৯টায় ধানমন্ডি এলাকায় তিনি কিভাবে কিডন্যাপার চক্রের হাতে পড়েছিলেন এবং কিভাবে বুদ্ধি খাটিয়ে তাদের কবল থেকে রক্ষা পেলেন সেই কাহিনী (পুরো ঘটনার স্ক্রিনশট দেয়া আছে। চাইলে পড়ে নিবেন)।   ঘটনাটি যে অংশ সবচাইতে বেশী



পবিত্র মি’রাজ শরীফ সংক্রান্ত বিশুদ্ধ আক্বীদা




“নো বীফ” সাইনওয়ালা খাবারের দোকান মুসলমানদের জন্য মোটেও নিরাপদ না


কোন খাবারের দোকানে “নো বীফ” সাইন দেখলে আমার সবচেয়ে প্রথমে যা মনে আসে তা হল, নিশ্চয়ই এই দোকানের মালিক/ব্যবস্থাপক হিন্দু বা কারিগর হিন্দু। নইলে কোন মুসলমান কেন এমন চমৎকার ও জনপ্রিয় হালাল জিনিস বর্জন করবে তা আমার মাথায় আসে না। কেউ



প্রত্যেক আলেম দাবিদার লোকের উচিত হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ওয়াকেয়া থেকে নসিহত হাসিল করা


একদিন খুব বৃষ্টি হচ্ছে। কিছু বাচ্চা ছেলেকে দৌড়ে যেতে দেখে, বিখ্যাত অলীআল্লাহ হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, বাবারা! সাবধানে যাও। রাস্তা পিচ্ছিল; পড়ে গেলে মাথা ফেটে যেতে পারে। উনার কথা শুনে একজন ছেলে দাঁড়িয়ে গেল, বলল, হুযুর! আপনি ঠিকই



আহা! অসাম্প্রদায়িকতার কী নমুনা!


“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদের ক্যান্টিন থেকে গরুর গোশত দিয়ে তৈরি তেহারি খাওয়ানোর ঘটনা ঘটেছে। এতে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ক্যান্টিনে ভাঙচুর করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ঘটনাকে দুঃখজনক উল্লেখ করে এতে কোনো ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখার কথা বলেছেন।”  



জোরপূর্বক সবার উপর পহেলা বৈশাখ ও অমঙ্গল শোভাযাত্রা চাপিয়ে দেয়ার কিছু পজিটিভ দিক


বাড়িওয়ালার বাসা থেকে অনেক চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ আসছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, বাড়িওয়ালা সংবাদ দেখে মহাক্ষিপ্ত হয়েছেন। কোন সংবাদ? পহেলা বৈশাখ ও অমঙ্গল শোভাযাত্রা পালন করা যে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে সেই সংক্রান্ত খবর। তিনি চেঁচিয়ে বাড়ি মাথায় করেছেন, গভর্মেন্ট কি মগের



হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারাই যে সমস্ত নিয়ামতের মালিক তার একটি মুবারক দৃষ্টান্ত


একবার জনৈক ব্যক্তি হযরত ইমামুছ ছাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত ইমাম জাফর ছদিক্ব আলাইহিস সালাম উনার কাছে দশ হাজার দীনার নিয়ে এসে বলল, “আমি হজ্জে যাচ্ছি। আপনি আমার জন্য এই দীনার দিয়ে কোন একটি সরাইখানা কিনবেন,



সুমহান ১৩ই রজবুল হারাম শরীফ মুবারক হো!




“ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে ভাতা চাই” এই দাবী সরকারের চোখে পড়ানোর উপায়


সরকার এখন পহেলা বৈশাখ (পড়ুন হিন্দু, বৌদ্ধ, উপজাতিদের ১৭ রকম পূজা) উপলক্ষে বোনাস চালু করেছে। খুব ভালো! ২% জনগন এতে খুশি হবে সন্দেহ নাই। কিন্তু বাকি ৯৮% মুসলমানের কী হবে? তারা তো এই বোনাস নিতে পারে না। কেননা এতে পরোক্ষভাবে পূজাকে