Ahmad -blog


...


 


উত্তম আচরণ সম্পর্কে…


এক বৃদ্ধা আপনমনে গজগজ করতে করতে তার বাক্স পেটরা গোছাচ্ছে। মুসলমানগণ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক নেতৃত্বে পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় করেছেন। যদিও কাফিরদের প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে, তবুও অনেক কাফিরই পবিত্র মক্কা শরীফ ছেড়ে পালিয়ে



“সত্যি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি এমনই ছিলেন! তিনি এমনই ছিলেন!”—পবিত্র হাদীছ শরীফ


উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা সাইয়্যিদাতুনা হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন যে, “আমি উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খাদিজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে দেখিনি। তবে উনার প্রতি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার



সাইয়্যিদে ঈদে আযম! সাইয়্যিদে ঈদে আকবর! সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ!


মহান আল্লাহ পাক নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে ইরশাদ মুবারক করেন, কাফেররা আল্লাহ পাক উনার “নূর” উনাকে মূখের ফুৎকারে নিভিয়ে দিতে চায়,অথচ আল্লাহ পাক উনার “নূর” উনাকে অবশ্যই পূর্ন করবেন। যদিও কাফেররা তা পছন্দ



সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ, মু’মিন ও মুনাফিক্বদের পার্থক্যকারী


একবার একটা কথা শুনেছিলাম, “১২ই রবীউল আঊয়াল শরীফ আসলেই মু’মিন আর মুনাফিক্বদের পার্থক্য করা যায়।” কথাটা অনেক চিন্তা করে দেখেছি, আসলেও বিষয়টা তাই। রবীউল আঊয়াল শরীফ নিকটবর্তী হলেই হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আশিক্ব উম্মতগণ, নতুন উদ্যমে নবীজী উনার



১০ই রবীউল আউওয়াল শরীফঃ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস


দুনিয়াবী দৃষ্টিতে যখন হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বয়স মুবারক মাত্র ছয়, তখন উনার মহাসম্মানিতা আম্মা আলাইহাস সালাম উনাকে নিয়ে মদীনা শরীফ যান। উনাদের সাথে হযরত উম্মু আইমন আলাইহাস সালাম তিনিও ছিলেন। উনারা মদীনা শরীফে বেশ কিছু দিন অবস্থান



হে কায়িনাতের মা! খোশ আমদেদ স্বাগতম!


একবার একটা বিষধর সাপ হযরত ইমাম আবু হানিফা রহমতুল্লাহি উনার দর্সগৃহে প্রবেশ করে উনাকে দংশন করল। তিনি তখন দরস দিচ্ছিলেন। তিনি এতো অধিক হুজুরী ও আদবের সাথে কুরআন শরীফ-হাদীস শরীফের তালীম দিতেন যে, একটু নড়াচড়া তো করলেনই না, এমনকি উফ শব্দ



সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা আলাইহাস সালাম উনার তুলনা কেবল তিনি নিজেই


  যদি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার না’লাইন (স্যান্ডেল) শরীফ উনার ধূলাবালি মুবারকের স্পর্শে আরশে আযীম ধন্য হয়ে যান, সৃষ্টিজগতের উপর ফখর করেন…..তাহলে যিনি উনাকে দীর্ঘ আট মাস বারো দিন নিজ রেহেম শরীফে ধারণ মুবারক করলেন, উনার ফায়সালা কি?!



৪ঠা রবীউল আউওয়াল শরীফ মুবারক হো!


  হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন যে, উনার সম্মানিত পিতা ইন্তেকালের সময়ে বারবার বলছিলেন, “আমি আমার অন্তরে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত অনুভব করছি।” সুবহানাল্লাহ! পিতার ঐ কথাটি তিনি তখন ফিকির করেননি। কিন্তু পরে চিন্তা করে



সুমহান ৩রা রবীউল আউওয়াল শরীফ মুবারক হো!


এক লোক নিজেকে মোটামুটি পরহেজগার মনে করত। কিন্তু তার আক্বীদা ছিল যে, দ্বীন ইসলাম উনার তৃতীয় খলিফা, হযরত উছমান যুন্নুরাইন আলাইহিস সালাম তিনি ইহুদী ছিলেন। নাউযুবিল্লাহ! এই বিষয়টা সেই সময়ের একজন প্রখ্যাত ওলীআল্লাহ উনার কর্ণগোচর হল। তিনি লোকটিকে ডেকে পাঠালেন। সে



আহলান সাহলান ইয়া শাহরুল আযম!


আজকের সন্ধ্যায় তারাই আকাশে চাঁদ খুঁজেছেন, তাদের কণ্ঠই তাকবীরে মুখরিত হয়েছে, তারাই খুশি প্রকাশ করেছেন; যারা হাক্বীকিভাবেই, সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার প্রতীক্ষায় ছিলেন। সারাবছর ব্যাপী যে মহান মাসের জন্য হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



মুসলমানদের বোধোদয় এখন সময়ের দাবি


হুজুগে বাঙ্গালীর নতুন হুজুগ হল “পদ্মাবতী”। নায়িকা কত কেজি সোনার গয়না পরেছে, কত কেজি ওজনের লেহেঙ্গা পরেছে, এসব তথ্যের পাশাপাশি খুব কৌশলে আরো যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে তা হল, এটি নাকি ইতিহাস নির্ভর সিনেমা! অর্থাৎ এখন ম্যাক্সিমাম মানুষের মনে গেঁথে



কাঠমোল্লাগুলি অজ্ঞানে যা বলতে পারছে, সজ্ঞানে তা কখনওই পারত না


গ্রাম্য এক নাপিত। সেই সেখানকার বড় ডাক্তার! টোটকা ওষুধ দেয়া থেকে শুরু করে ছোট-বড় অপারেশন সবই সে করে। এসব করতে ডাক্তাররা কত রকম প্রস্তুতি নেন! নানা রকম পরীক্ষা নিরীক্ষা, যন্ত্রপাতি বাছাই করা, সেগুলো জীবাণুমুক্ত করা, নিজেরা জীবাণুমুক্ত হওয়া! নাপিত কিন্তু এসবের