Ahmad -blog


...


 


ঈদে বিলাদতে “সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম” মুবারক হো!


যে সুমহান ব্যক্তিত্বা মুবারক উনার সম্মানার্থে পহেলা শাওওয়াল শরীফ সম্মানিত হয়েছেন, সৌন্দর্যমন্ডিত হয়েছেন, ধন্য হয়েছেন; উনার সাথে আমার প্রথম সাক্ষাতের সৌভাগ্য হয় যখন উনার বয়স মুবারক অনেক অল্প। আমিও তখন ছোট, প্রাইমারী স্কুলে পড়তাম। তিনি মুছাফাহা করার জন্য উনার হাত মুবারক



জীবিত, মৃত সবার জন্যই যেন ঈদ খুশি বয়ে আনে…


বাসায় যদি কখনও একা থাকতে হয়, কেমন যেন গা ছমছম করে। কোথাও একটু শব্দ হলেই চমকে উঠি। কি যেন হল! কে যেন আসলো! সময়টা যদি রাত হয় সেটা হয় আরো ভয়ংকর। আর যদি কারেন্ট না থাকে তাহলে তো আর কোন কথাই



হাজার মাস অপেক্ষা মহিমান্বিত রজনী, পবিত্র শব ই ক্বদর


এই শবে বরাতে আমাদের ভাগ্যে যা নির্ধারিত হয়েছে, সেটাই জারি হবে শবে ক্বদরের রাত থেকে। এজন্য শবে বরাতকে লাইলাতুত্ তাজবীজ অর্থাৎ ফায়সালার রাত্রি এবং শবে ক্বদরকে লাইলাতুল তানফীয অর্থাৎ নির্ধারিত ফায়সালা কার্যকরী করার রাত্রি বলা হয়। (তাফসীরে মাযহারী, তাফসীরে খাযীন, তাফসীরে



যাচাই বাছাই করে যাকাত দিন; এর উপর আপনার যাকাতের কবুলিয়ত নির্ভর করছে


একজনের কাছে যাকাত চাইলাম আমাদের মাদ্রাসা ও ইয়াতিমখানার জন্য। তিনি বললেন, উনার যাকাত বিতরণ শেষ। কোথায় কোথায় দিয়েছেন তাও জানালেন। একজনের অপারেশনের জন্য, আরেকজনের মেয়ের বিয়ের জন্য, আরেকজনের ঋণ পরিশোধের জন্য যাকাত দিয়েছেন। তাছাড়া বুয়া দারোয়ান এদেরও তো কিছু দিতে হয়।



তিনি মহাবীর সিংহ পুরুষ, তিনি যুদ্ধংদেহী, তিনি দুর্বার…..


দ্বীন ইসলাম উনার কোন জিহাদের প্রসঙ্গ আসলেই সবার আগে যে মহান ব্যক্তিত্ব উনার নাম মুবারক মনে আসে তিনি হলেন ইমামুল আউওয়াল, সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম। উনার বীরত্ব, সাহসিকতা, শক্তি এককথায় অতুলনীয়। আসাদুল্লাহ, জুলফিকার, হায়দার প্রভৃতি লক্বব মুবারকে উনার



সুমহান ১৮ই রমাদ্বান শরীফ মুবারক হো!


তখন দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম জিহাদ, ঐতিহাসিক বদর জিহাদের জোরসোরে প্রস্তুতি চলছে। নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে নিয়ে জিহাদে গমন করেন। কিন্তু তিনি বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত উছমান যুন্নুরাইন আলাইহিস



উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি নিজ মাক্বাম মুবারকে অনন্যা


উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে দশটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য মুবারক হাদিয়া করা হয়েছে। নিয়ামতের শুকরিয়াস্বরুপ তিনি নিজেই এই খুছুছিয়াত মুবারক গুলোর কথা বলতেন।   ১। হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মাঝে কেবল তিনি বাকেরা (কুমারী) অবস্থায় হুযূর পাক



স্বয়ং মহান রব্বুল আলামীন তিনি যাঁর পক্ষ হতে সুওয়ালের জওয়াব দিয়ে দেন তিনি কেমন মহিমাময়ী!


কেউ মারা গেলে তাকে দাফন করার পর তালক্বীন দেয়া হয়। এই তালক্বীন কিভাবে আসল জানেন?   উম্মুল মু’মিনীন হযরত খাদিজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি অন্তিম শয্যায় নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে আরজ করেছিলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ,



সুমহান ১৭ই রমাদ্বান শরীফ মুবারক হো!


আজকের এই সুমহান দিনে তিনজন বিশেষ ব্যক্তিত্ব মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার দীদার পাকে তাশরীফ নিয়েছেন। উনারা হলেন, উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা হযরত খাদিজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা হযরত আয়িশা ছিদ্দ্বীকা আলাইহাস সালাম এবং ইমামুল আউওয়াল হযরত আলী



“উশর” সংক্রান্ত কিছু কথা…


প্রাইমারি ক্লাসের কোন একটিতে আমাদের ইসলাম শিক্ষা বইতে একটা ওয়াকেয়া ছিল। এক লোকের বিরাট বড় একটী ফলের বাগান ছিল। ফল পাকলেই তিনি সমস্ত ফল নামিয়ে তিন ভাগ করতেন। একভাগ গরীব দুঃখী প্রতিবেশীদের দান করতেন, আরেক ভাগ নিজের পরিবারের জন্য রাখতেন আর



আঞ্জুমানে মফিদুল আর কোয়ান্টামঃ প্রতারণার দুই নাম


একটা গল্পের বই পড়তে গিয়ে প্রথম জেনেছিলাম, মৃত মানুষের লাশ জ্বাল দিয়ে তার কঙ্কাল আলাদা করে মেডিক্যালের স্টুডেন্টদের কাছে বিক্রি করা হয়। খুবই লাভজনক ব্যবসা! তখন ভেবেছিলাম এগুলো গল্পের বইয়েই হয়। এখন জানছি, এই ঘৃণিত কাজ বাস্তবে অহরহ তো হয়ই, এমনকি



রমাদ্বান শরীফ মাসে সাহরী-ইফতারির জন্য নির্ভরযোগ্য একটি সময়ের চার্ট ব্যবহার করা উচিত


ছোটবেলায় আমার একজন আত্মীয়কে দেখতাম সামনে ইফতারি সাজিয়ে বসে থাকতেন। যে মসজিদের আযান আগে শোনা যেত, সেটা শুনেই রোযা ভাংতেন। এর কারণ হিসেবে বলতেন, দ্বীন ইসলামে তাড়াতাড়ি রোযা ভাঙার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই চিন্তাধারা থেকে এখনো প্রচুর মানুষ দেখি আযান শুনতে