Ahmad -blog


...


 


সুমহান ৯ই জুমাদাল ঊলা শরীফ মুবারক হো!




সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উপলক্ষে খরচ করুন… ইহকালীন ও পরকালীন সমস্ত কামিয়াবী হাসিল করুন!


মূলে কিন্তু সেই চিরাচরিত সাবান-ই! কিন্তু কালক্রমে তার কতরূপই আমাদের ঘরবাড়িতে শোভা পাচ্ছে! কাপড় ধোয়া, বাসন ধোয়া, মেঝে ধোয়া, শরীর ধোয়া, মুখ ধোয়া, চুল ধোয়া, হাত ধোয়া, পা ধোয়া থেকে শুরু করে মহিলা, পুরুষ, বাচ্চা, বুড়া সবার জন্য আলাদা আলাদা নামে



দুনিয়া সৃষ্টি হয়েছে আমাদের খিদমতের জন্য, আর আমরা সৃষ্টি হয়েছ আখিরাতের জন্য


প্রতিটি মানুষকে দুটি বিষয় খুব জোরে আকর্ষণ করে, যা থেকে তার রেহাই নেই। একটি হল তার রিযিক অন্যটি তার মৃত্যুস্থল। অর্থাৎ রিযিক নিয়ে পেরেশান হবার কোন প্রয়োজন নেই। যার জন্য যতটুকু নির্ধারিত ততটুকু তার কাছে পৌঁছাবেই। আবার মৃত্যুকে ভুলে থাকার চেষ্টা



বিশুদ্ধ ঈমান ব্যতীত কবরে সুওয়ালের জওয়াব দিতে পারা যাবে না


ছোটবেলায় দেখতাম, বয়স্ক আত্নীয়স্বজনেরা একত্রিত হলেই, কবর নিয়ে আলোচনা করতেন। কবরে কি কি সুওয়াল করা হবে, সেগুলো পারলে কেমন নেয়ামত পাওয়া যাবে আর না পারলে কেমন আযাব হবে, এসব নিয়ে অনেক পেরেশান হতেন। আমার তখন মনে হত তিনটা মাত্র সুওয়াল করা



সুমহান ১৯শে রবীউছ ছানী শরীফ মুবারক হো!




মেয়েদের মাতৃত্বের সময়টা খুবই সংক্ষিপ্ত


মেয়েকে বিয়ে দিতে ইচ্ছুক প্রায় সব বাবা-মাকেই একটা কমন আপত্তি শুনতে হয়, “এতো তাড়াতাড়ির কি আছে?” বলাবাহুল্য যে আপত্তিটা সাধারণত তাঁদের মেয়েরই হয়! আবার বিবাহিতা মেয়েকে সন্তানের প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলেও একই কথা, “এতো তাড়াতাড়ির কি আছে?”   এখন সাধারণত মেয়েদের বিয়েই



‘পবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম’ উনার শিক্ষা: ইন্তেকালের পূর্বেই হাক্বীকি মুসলমান হতে হবে


“হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ্ পাক উনাকে ভয় করার মতো ভয় করো। অর্থাৎ হাক্বীক্বীভাবে ভয় করো। তোমরা মারা যেও না মুসলমান না হওয়া পর্যন্ত।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: ১০২) গাউছুল আ’যম হযরত শায়েখ সাইয়্যিদ বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি, এই



থার্টিফার্স্ট নাইট-নিউ ইয়ার সচেতনভাবে পরিহার করুন


মক্কা শরীফের কিছু কাফির নেতা, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে তাদের আরজু পেশ করল। কি আরজু? হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে এতো বিপুল পরিমাণে ধনৈশ্বর্য পেশ করা হবে যে, তিনি মক্কা শরীফের সর্বাধিক



যেমন কুকুর তেমন মুগুর!


‘শ্যামল দত্তের’ ভোরের কাগজে লিড নিউজ করেছে ‘অভিজিৎ ভট্টাচার্য’, “মাদ্রাসা বইয়ে অশ্লীলতা”। নাউযুবিল্লাহ! যে পবিত্র হাদীস শরীফকে তারা অশ্লীল আখ্যা দিয়েছে তা মায়ের ঘরে প্রবেশের পূর্বে অনুমতি নেয়া বিষয়ক; ‘একদা এক ব্যক্তি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন,



শানে হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম


একজন বুজুর্গ ব্যক্তি মনে মনে চিন্তা ফিকির করছিলেন, হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের এমন অতুলনীয় শান মান ফযীলত মর্যাদার কারণ কী? উনারা হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অত্যন্ত মুহব্বত তাযীম তাকরীম মুবারক করেছেন, খিদমত মুবারকের আঞ্জাম দিয়েছেন,



সুমহান ৩রা রবিউছ ছানী মুবারক হো!


“কোনো বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত মু’মিন হতে পারবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত সে তার নিজের জান থেকে আমাকে বেশি মুহব্বত করতে না পারবে এবং আমার সম্মানিত বংশধরগণ উনাদেরকে তার নিজের বংশধর থেকে বেশি মুহব্বত না করবে। আর আমার সম্মানিত আত্মীয়-স্বজন উনাদেরকে তার আত্মীয়-স্বজন থেকে



ছখী বনাম বখীল


একবার একজন মহিলা, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে এসে আরয করলেন, উনার অবশ হাতটি ভালো করে দিতে। হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তো সবই জানেন, সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত ইলিমই উনাকে হাদিয়া করা