Ahmad -blog


...


 


পবিত্র কুরবানিকে অস্বীকার করা যেমন কুফরি, ইহানত করাও তেমনি কুফরি


তথাকথিত তারকারা বলেছে, “কুরবানী না দিয়ে টাকাটা বন্যার্তদের দান করতে”। নাউযুবিল্লাহ। তাদের উপর কি অহী নাযিল হয়, যে তারা মহান আল্লাহ পাক যে ইবাদতকে ওয়াজিব করেছেন সেটা বদলে অন্য ইবাদত করতে বলে??? যারা এখন কুরবানীর বিরোধিতা করে কথিত মানবতাবাদী সাজছে তারা



মুনাফিক প্রসঙ্গে…


“তোমরা কি কিতাবের কিছু অংশ মানবে, আর কিছু অংশ অস্বীকার করবে? তোমাদের মধ্যে যারা এরূপ করবে (কিছু মানবে, কিছু অস্বীকার করবে), দুনিয়ায় তাদের বদলা বা শাস্তি হচ্ছে- লাঞ্ছনা-গঞ্জনা এবং ক্বিয়ামতের দিন তাদেরকে কঠিন শাস্তির দিকে ধাবিত করা হবে।” (সূরা বাক্বারা :



তিনটি বিষয় যথাযথ আদবের সাথে শিক্ষা না দিলে তা ক্ষতির কারণ হবে


অনলাইনে অনেক ইসলামিক ঘটনা বা হাদীস শরীফ দেখি। কিন্তু সেগুলোর স্টার্টিং দেখলেই আর পড়তে ইচ্ছা করেনা। একটা উদাহরণ দেই, একটা আর্টিকেল পড়তে গেলাম। তার হেডলাইন হল “মুহাম্মাদ (সঃ) এর আয়েশা (র) প্রতি ভালবাসা”।   আমাদের সম্মানিত নবী, যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালিন, যিনি



বাবা মায়ের নামে যারা কুরবানী করে, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক নামে তারা কুরবানী করে কি?


আমার বাবা মা, মামা, চাচা প্রায় সব আত্নীয়স্বজনকেই দেখেছি প্রতি কুরবানীতে নিজ নামে কুরবানী করার সাথে সাথে মৃত বাবা মায়ের জন্যও কুরবানী করতে। এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে উনারা জানান, “আমাদের উপর বাবা মায়ের হক্ব আছে। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন থেকে



যে তিনটি বিষয় সমস্ত উম্মতদের সবসময় স্মরণ রাখা প্রয়োজন…


তিনটি বিষয় উম্মতদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম উনাকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকটে পাঠালেন।   যতদিন ইচ্ছা দুনিয়ায় অবস্থান করুন, একদিন ইন্তেকাল করতেই হবে… অর্থাৎ, দুনিয়ায় মানুষের



দ্বীনি বিষয়ে সুশিক্ষিত মহিলারাই পারেন, আদর্শ জাতি গঠন করতে


ঘটনা একঃ এক মহিলা নামাযে সূরা ফাতিহা পড়ছে। সূরার শেষে যেখানে আমীন বলতে হবে সেখানে সে বলছে, “আমাদের ঘরের উনি”! এই কথার হাক্বীকত কি? হাক্বীকত হল, মহিলার স্বামীর নাম “আমীন”। স্বামীর নাম কিভাবে মুখে নেয়, এজন্য এই পন্থা অবলম্বন। আরেক মহিলা



মানুষ যদি দ্বীনদারিকে দুনিয়াদারির উপরে প্রাধান্য দিত তাহলে তার সমস্ত কাজের কুদরতি ফায়সালা হয়ে যেত


“আযান হয়ে গেছে? আচ্ছা এইতো হাতের কাজটা সেরেই নামায পড়তে যাচ্ছি……ওয়াক্ত আর বেশিক্ষণ নেই? কিন্তু রান্না যে এখনও চুলার উপরে……ওয়াক্ত শেষ? কি আর করব, ছেলেমেয়েদের খাওয়াতে হবে, পরে ক্বাযা পরে নেব।” কথাগুলো কি পরিচিত লাগছে? লাগারই কথা। ম্যাক্সিমাম মহিলাদের এটাই প্রতিদিনের



“কুরবানী না করে টাকাটা গরীব দুঃখীদের মধ্যে বিলিয়ে দিলেই তো ভালো!” -এই ধরনের উক্তিকারীদের জন্য


এক লোক ছিল, যে মোটামুটি ইবাদতগুজার। নামায কালাম, রোযা, দান সদকা ইত্যাদি সবকিছুই সে করত। শুধুমাত্র কুরবানী নিয়ে তার কিছু চু চেরা ছিল। যেমন এখন অনেকে বলে থাকে, “কুরবানী না করে টাকাটা গরীব দুঃখীদের মধ্যে বিলিয়ে দিলেই তো ভালো!” নাউযুবিল্লাহ! তো



মুসলিম প্রধান দেশে, “পূজা হবে ঘরে ঘরে, ঈদ হবে দূরে” এই ফর্মুলা কোনমতেই গ্রহণযোগ্য না!


পরিবারসহ সিলেট গিয়েছিলাম। একদিন বাইরে বের হয়ে দেখি বিকট শব্দে বাজনা হচ্ছে। রাস্তায় জ্যাম লেগে গেছে। কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা গেল, ইস্কনরা রথযাত্রা বের করেছে। হাতে গোণা কয়েকজন মাত্র সদস্যের সবাই উপজাতি। এই কয়জনই মেইন রোড দখল করে জ্যাম বাঁধিয়ে



যালিমদের নাযাত লাভ করার উপায়


মহান আল্লাহ পাক তিনি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সুসংবাদ মুবারক দিলেন যে, যত উম্মত হজ্জে মাবরুর অর্থাৎ কবুল হজ্জ করবে তাদের প্রত্যেককে ক্ষমা করে দেয়া হবে। শুধুমাত্র যালিম ব্যতীত। তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি মজলুমের পক্ষ হতে পাকড়াও



দুনিয়াতে একটি মসজিদ নির্মাণের প্রতিদান যদি জান্নাতের একটি বালাখানা হয়, তাহলে একটি মসজিদ ভাঙার পরিণতি কী হবে?


ঢাকায় মেট্রোরেল বানানো হচ্ছে। খুব ভালো কথা। কিন্তু কতজনের জানা আছে যে, এই প্রকল্প বানাতে মোট ২১টি মসজিদ ভাঙ্গা হবে?! কেউ কেউ মনে করতে পারেন উন্নয়নের জন্য এমনটা করাই যায়। না, যায় না। কোন জায়গা একবার মসজিদের জন্য ওয়াকফ করে দিলে



দ্বীন ইসলাম উনার সম্মানিত ধারক বাহকগণ যেমন ছিলেন…


আমার মেয়েকে যখন প্রথম টিকা দিতে নিয়ে যাই, তখন টিকা দেয়ার মহিলা বলেছিল, আপনি পারবেন তো বাচ্চা ধরে রাখতে? বেশিরভাগ মা-ই টিকা দেয়ার সময় বাচ্চার কান্নায় ঘাবড়ে যায়। এক মহিলা তো অস্থির হয়ে ইনজেকশন পুশ করার সময় বাচ্চাকে ঝটকা দিয়ে সরিয়ে