Ahmad -blog


...


 


“ইসলাম বাবা মা কে এতো বেশি অধিকার দিয়েছে যে, এর ফলে আমার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে!”


অনলাইনে একবার পারিবারিক বিষয়ে এক ভদ্রলোকের সুওয়াল দেখেছিলাম। উনার বক্তব্য হল, ইসলাম বাবা মা কে এতো বেশি অধিকার দিয়েছে যে এর ফলে উনার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে! তিনি স্ত্রী-সন্তানের তুলনায় সবসময় উনার মা ও বোনদের প্রাধান্য দিয়েছেন, তাদের কথা অনুযায়ী চলেছেন।



সুমহান ২২শে জুমাদাল উখরা শরীফ মুবারক হো!


খলীফাতু রসূলিল্লাহ, হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম তিনি যখন খুব অসুস্থ তখন তিনি হযরত উছমান যূন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে ডেকে বললেন, “আপনি লিখুন আমার পরে আমি খলীফা মনোনীত করলাম…..। এই কথা বলে হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি বেহুঁশ



সুমহান ২১শে জুমাদাল উখরা শরীফ মুবারক হো!


সাধারনভাবে শরীয়তের বিধান হচ্ছে, কতলের বদলা কতল। কিন্তু একজন বিশেষ ব্যক্তিত্বা মুবারক উনার ক্ষেত্রে এই নিয়মের ব্যতিক্রম হয়েছিল। হিজরত মুবারকের সময় উনাকে কিছু সংখ্যক কুরাইশ আক্রমণ করেছিল। সেই আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে সারিয়্যাহ প্রেরণ করেছিলেন স্বয়ং রউফুর রহীম, রহমাতুল্লিল আলামীন, আমাদের প্রাণপ্রিয় নবীজী



সুমহান ২০শে জুমাদাল উখরা শরীফ মুবারক হো!


তিনি এমন এক সুমহান ব্যক্তিত্বা মুবারক… …যাঁর বিলাদত শরীফের সময় খিদমত মুবারকের আঞ্জাম দিয়েছেন উম্মুল বাশার সাইয়্যিদাতুনা হযরত হাওওয়া আলাইহাস সালাম, রব্বাতু কালীমিল্লাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত আসীয়া আলাইহাস সালাম, উখতু কালীমিল্লাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু কুলছুম আলাইহাস সালাম, উম্মু রুহিল্লাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মারইয়াম



#চিরস্থায়ীভাবে_সংবিধানে_রাষ্ট্রধর্ম_ইসলাম_বহাল_চাই


একবার কিছু ইহুদী এসে খলিফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত উমর ফারুক্ব আলাইহিস সালাম উনাকে বললো, “হে খলিফাতুল মুসলিমীন! আপনাদের কুরআন শরীফ উনার মধ্যে একখানা আয়াত শরীফ নাজিল হয়েছে; তা এত গুরুত্বপূর্ন যে, সেটা যদি ইহুদীদের তাওরাত শরীফে, তাদের ধর্মে নাযিল হত, তাহলে



সন্তান কতটুকু হক্বদার?


বাবা মা মাত্রই সন্তানকে বিনাশর্তে মুহব্বত করেন। তাঁরা যত পরিশ্রমই করেন না কেন সমস্তই সন্তানের “ভালাইয়ের” জন্য। কিন্তু এই ভালাইয়ের সঙ্গা একেকজনের কাছে একেকরকম। তাই আসলেই সন্তানের ভালাই এবং তার প্রতি দ্বায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে শরীয়ত কি বলে সেটা আমাদের জানতে হবে।



“বড়” ও “ছোট” উভয়ের হক্বই যথাযথভাবে আলোচিত হওয়া উচিত


আমাদের সমাজে “বড়”র প্রতি “ছোট”র দ্বায়িত্ব কর্তব্য যতখানি আলোচিত হয়, “ছোট”র প্রতি “বড়”র দ্বায়িত্ব কর্তব্য ততখানি আলোচিত হয়না। পিতা-মাতার হক্ব প্রতি পদে পদে শিখানো হয়, কিন্তু সন্তানের হক্ব কয়জন বাবা মা ঠিকমত জানে? স্বামীর হক্ব মেয়েদের রীতিমত মুখস্ত করানো হয়, কিন্তু



“উম্মু আবীহা” আলাইহাস সালাম উনার শান মুবারকে…


বাবা-মা মেয়েদেরকে “মা” বলে সম্বোধন করে থাকেন। কারন মেয়েরা মায়ের মত নিজের পিতামাতার খিদমত করে থাকে। কিন্তু পিতা-মাতা ও কন্যাসন্তানের মাঝে এই গভীর মুহব্বতপূর্ন সম্পর্ক তো জাহিলিয়াতের যুগে ছিলনা। তাহলে কায়িনাতবাসী তা কিভাবে শিক্ষা করেছে? হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



মোহরানা প্রদানের উদ্দেশ্য স্ত্রীকে কিনে নেয়া না, বরং তাকে সম্মান প্রদর্শন করা


বেশ কিছুদিন ধরে একটা অদ্ভুত কথা শুনছি। সেটা হল, বিয়েতে মেয়েকে মোহরানা দেয়ার মানে নাকি তাকে টাকা দিয়ে কিনে নেয়া! এতে নাকি বিয়েটা বাজারের পণ্য হয়ে যায়! নাউযুবিল্লাহ! কোন মানুষের মূল্য কি অর্থ দিয়ে পরিমাপ করা যায়, নাকি তার দাম চুকানো



চোখের যাবতীয় অসুখ-বিসুখ থেকে পরিত্রাণ পাবার এবং শাফায়াত মুবারক লাভের একটি সহজ আমল


চোখের যাবতীয় অসুখ-বিসুখ থেকে পরিত্রাণ চান? একটা সহজ আমল জানিয়ে দেই। মুয়াজ্জিন আযান দেয়ার সময় যখন প্রথম “আশহাদুআন্না মুহাম্মাদার রসুলুল্লাহ” উচ্চারণ করেন তখন, “ছল্লাল্লাহু আলাইকা ইয়া রসুলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” এবং দ্বিতীয় শাহাদত উচ্চারণ করার সময়, “কুররতু আইনী বিকা ইয়া



দুনিয়াতে যেমন স্বাবলম্বী হওয়া পছন্দ করেন, তেমনি পরকালেও স্বাবলম্বী থাকার ব্যবস্থা করুন


ভিক্ষা করতে, সাহায্যের আশায় মানুষের দিকে তাকিয়ে থাকতে, পরমুখাপেক্ষী হতে কেউই পছন্দ করে না। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল, প্রতিনিয়ত মানুষ নিজের ভিক্ষাবৃত্তির রাস্তাই প্রসারিত করছে। কিভাবে? পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, “প্রত্যেক নফস মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে” (সূরা আল



হাতুড়ে ডাক্তারের চেয়েও হাতুড়ে মোল্লাকে বেশি ভয় করা উচিত


ধরুন আপনি খুব অসুস্থ। হাসপাতালে গিয়েছেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাতে। ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ওষুধ আর সাজেশান দিয়ে দিলেন। ফেরার পথে পূর্বপরিচিত ফুটপাতের দাঁতের মাজন বিক্রেতার সাথে দেখা হল। সে আপনার হাসপাতালে আগমনের কারন জানতে পেরে, আপনার সব উদ্বেগ হেসে উড়িয়ে