Ahmad -blog


...


 


দ্বীন ইসলাম উনার সম্মানিত ধারক বাহকগণ যেমন ছিলেন…


আমার মেয়েকে যখন প্রথম টিকা দিতে নিয়ে যাই, তখন টিকা দেয়ার মহিলা বলেছিল, আপনি পারবেন তো বাচ্চা ধরে রাখতে? বেশিরভাগ মা-ই টিকা দেয়ার সময় বাচ্চার কান্নায় ঘাবড়ে যায়। এক মহিলা তো অস্থির হয়ে ইনজেকশন পুশ করার সময় বাচ্চাকে ঝটকা দিয়ে সরিয়ে



শিরক থেকে বাঁচার জন্য ক্বলবী যিকিরের বিকল্প নেই


একলোকের সাথে তার স্ত্রীর তুমুল কথা কাটাকাটি চলছে। বিষয় হল, স্বামীর আরেকটি বিয়ে করার ইচ্ছা। স্ত্রী স্বামীকে বলল যে, তার যেকোন শর্তই সে মেনে নিতে পারবে, কিন্তু দ্বিতীয় বিয়ে মানতে পারবে না। তাদের প্রতিবেশী ছিলেন হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি। উনার



কুরবানীকে এতো কঠিন করে ফেলার কি কারণ থাকতে পারে?


“ছোট থেকে দেখে আসছি কুরবানীর ঈদে আমার আব্বু নিজে হাটে গিয়ে পছন্দ করে গরু-খাসি কিনে আনেন। কখনও এর ব্যতিক্রম হয়নি। যত ব্যস্ততাই থাকুক এই কাজের ভার তিনি অন্য কারো উপর দিতেন না। আমাদের বলতেন কুরবানী করতে হয় পছন্দনীয় উত্তম বস্তু। আমার



“রব্বির হাম হুমা কামা রব্বা ইয়ানি সগীরা”


“রব্বির হাম হুমা কামা রব্বা ইয়ানি সগীরা” এই দুয়া মুবারক পাঠ করলে তার সওয়াব শুধুমাত্র পিতা মাতার আমলনামাতেই পৌঁছায় না, বরং সমস্ত পূর্বপুরুষগণ হয়ে একেবারে হযরত আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার পর্যন্ত পৌঁছায়। সুবহানআল্লাহ! সব মানুষেরই উচিত এই দুয়া বেশি বেশি



“হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজের মেয়েদের বিয়ে দিয়েছিলেন কত বছর বয়সে?”- এই প্রশ্নকারীদের জ্ঞাতার্থে…


একটা বিষয় লক্ষ্য করেছি, “বাল্যবিবাহ সুন্নত” (যেহেতু উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার ছয় বছর বয়স মুবারকে পবিত্র আক্বদ মুবারক সম্পন্ন হয়েছিল) এই কথাটা বললেই একশ্রেণীর মানুষ পাল্টা প্রশ্ন করে, “হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজের মেয়েদের



মহান রব তায়ালা ও রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সুমহান শান মুবারক


আমার যিনি রব তিনি কেমন? তিনি তো এমন যে, উনার আরশে আযীমের একটিমাত্র নূরের তাজাল্লী তূর পাহাড় বরদাশত করতে পারেনি; টুকরা টুকরা হয়ে গিয়েছিল। এমনকি সুদূর মিশর থেকে তিন টুকরা গিয়ে পড়েছিল মক্কা শরীফে; যাদের আমরা হেরা, সাওর ও সাবির পাহাড়



“নিসবাতুল আযীম” মুবারক হো…!


বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফে বর্ণিত হয়েছে, “আপনারা আমাকে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার ব্যাপারে কষ্ট দিবেন না। কেননা, একমাত্র উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি ছাড়া আর কোনো উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে একই চাদর মুবারক-এ



হাজার বছরের দুয়া আবার জারি হয়েছে যে মহান ব্যক্তিত্ব উনার মাধ্যমে…


হযরত উমর ফারুক্ব আলাইহিস সালাম তিনি যখনও জাহিরিভাবে দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেননি, সেই সময়, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দোয়া মুবারক করেছিলেন, “হে মহান আল্লাহ্‌ পাক! আপনি হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মাধ্যমে দ্বীন ইসলাম



ঢাকাকে বসবাসযোগ্য করার উপায় নিহিত রয়েছে ঈদের মধ্যে


ঢাকা এখন ফাঁকা! কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত, এতো এতো ফ্লাইওভার, এতো বছরে যা করতে পারেনি, ঈদের মাত্র তিনদিন ছুটি তা করে দেখিয়েছে। মূল বিষয়টা তাহলে কি দাঁড়াল? ফ্লাইওভার, মেট্রোরেল এগুলো কোন সমাধান না। শুধুই আমজনতার অর্থ লুটপাট আর তাদের ভোগান্তি



ঈদে বিলাদতে “সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম” মুবারক হো!


যে সুমহান ব্যক্তিত্বা মুবারক উনার সম্মানার্থে পহেলা শাওওয়াল শরীফ সম্মানিত হয়েছেন, সৌন্দর্যমন্ডিত হয়েছেন, ধন্য হয়েছেন; উনার সাথে আমার প্রথম সাক্ষাতের সৌভাগ্য হয় যখন উনার বয়স মুবারক অনেক অল্প। আমিও তখন ছোট, প্রাইমারী স্কুলে পড়তাম। তিনি মুছাফাহা করার জন্য উনার হাত মুবারক



জীবিত, মৃত সবার জন্যই যেন ঈদ খুশি বয়ে আনে…


বাসায় যদি কখনও একা থাকতে হয়, কেমন যেন গা ছমছম করে। কোথাও একটু শব্দ হলেই চমকে উঠি। কি যেন হল! কে যেন আসলো! সময়টা যদি রাত হয় সেটা হয় আরো ভয়ংকর। আর যদি কারেন্ট না থাকে তাহলে তো আর কোন কথাই



হাজার মাস অপেক্ষা মহিমান্বিত রজনী, পবিত্র শব ই ক্বদর


এই শবে বরাতে আমাদের ভাগ্যে যা নির্ধারিত হয়েছে, সেটাই জারি হবে শবে ক্বদরের রাত থেকে। এজন্য শবে বরাতকে লাইলাতুত্ তাজবীজ অর্থাৎ ফায়সালার রাত্রি এবং শবে ক্বদরকে লাইলাতুল তানফীয অর্থাৎ নির্ধারিত ফায়সালা কার্যকরী করার রাত্রি বলা হয়। (তাফসীরে মাযহারী, তাফসীরে খাযীন, তাফসীরে