wauliullah -blog


...


 


বাতিলপন্থীরা বলে থাকে মীলাদ বা মীলাদুন্নবী শব্দের ব্যবহার নাকি কুরআন শরীফ হাদীস শরীফে কোথাও নাই।


বাতিলপন্থীরা বলে থাকে মীলাদ বা মীলাদুন্নবী শব্দের ব্যবহার নাকি কুরআন শরীফ হাদীস শরীফে কোথাও নাই। এটা নাকি মনগড়া এবং নতুন উদ্ধাবিত শব্দ। তাহলে আসুন দেখা যাক মীলাদ ও মীলাদুন্নবী শব্দ কুরআন শরীফ ও হাদীস শরীফে আছে কিনাঃ মিলাদ শব্দটির মূল অক্ষর



ফল-ফসল এর উশর আদায় করুন ৷ আর উশর দেয়ার একমাত্র স্হান ,যেখানে উশর দিলে নিঃসন্দেহে কবুল হবে সেটা হলো




মাদারিজুন নুবুওওয়াহ কিতাবে বর্ণিত আছে….. ” যে ব্যক্তি দস্তরখানা হতে খাদ্য তুলে খাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে অভাব,


মাদারিজুন নুবুওওয়াহ কিতাবে বর্ণিত আছে….. ” যে ব্যক্তি দস্তরখানা হতে খাদ্য তুলে খাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে অভাব, অনটন, ধবল ও কুষ্ঠ রোগ হতে মুক্তি দিবেন……. এবং তার সন্তানদেরকে নেককার, আল্লাহ ওয়ালা বানাবেন, তাকে নির্বুদ্ধিতা থেকে হিফাযত করতঃ সকল বালা



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হওয়ার অকাট্য দলীলসমূহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক ﺍﻟﻨﺒﻰ ﺍﻭﻟﻰ ﺑﺎﻟـﻤﺆﻣﻨﻴﻦ ﻣﻦ ﺍﻧﻔﺴﻬﻢ ﻭﺍﺯﻭﺍﺟﻪ ﺍﻣﻬﺎﺗﻬﻢ অর্থ: নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মু’মিনদের প্রাণ হতেও অধিকতর নিকবর্তী আছেন এবং উনার পবিত্র আযওয়াজুম মুত্বাহহারাত আলাইহিন্নাস সালামগণ উনারা হচ্ছেন মু’মিনগণের সম্মানিতা



মুজাদ্দিদে আ’যম হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম-উনার ক্বওল শরীফ


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যারা ছবি তুলবে ও তোলাবে প্রত্যেকেই জাহান্নামী হবে।’ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার আলোকে ছবি তোলা, আঁকা, রাখা হারাম। অথচ সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরেও



সাইয়িদুল আ ইয়াদ শরীফ


খলীফাতু রসুলিল্লাহ হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন – “যে ব্যক্তি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মীলাদ শরীফ পাঠ (মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপলক্ষ্যে এক দিরহাম ব্যয় করবে সে জান্নাতে আমার বন্ধু হয়ে থাকবে।” (সুবহানাল্লাহ্) (আন্ নি’মাতুল



আইডি কার্ডের জন্য ছবি তুলতে বাধ্য করায় কি মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার ক্ষুন্ন হচ্ছে না?


আইডি কার্ডের জন্য ছবি তুলতে বাধ্য করায় কি মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার ক্ষুন্ন হচ্ছে না?……. মুসলিম অধ্যুষিত এই দেশে শতকরা ৯৮ ভাগই মুসলমান এবং দেশের রাষ্ট্রীয় দ্বীন ইসলাম। যা সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। ধর্মপালন এবং প্রচারের ক্ষমতা সংবিধানে উল্লেখ আছে। তৎপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ



মুজাদ্দিদে আ’যম হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম-উনার ক্বওল শরীফ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘সূরা আল কাওছার শরীফ’ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আপনার মহান রব তায়ালা উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের উদ্দেশ্যে পবিত্র নামায আদায় করুন এবং পবিত্র কুরবানী করুন।’ প্রতি বৎসর পবিত্র কুরবানী আসলেই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিদ্বেষী মালউন