দিগ্বিজয়ী -blog


...


 


শয়তানের প্ররোচনা থেকে বাঁচতে হলে- হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনার নিকট বাইয়াত হয়ে ইলমে তাছাউফ শিক্ষা করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই!


শয়তানের প্ররোচনা থেকে বাঁচতে হলে- হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনার নিকট বাইয়াত হয়ে ইলমে তাছাউফ শিক্ষা করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই! মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করোনা, সে হচ্ছে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।”



বাল্যবিবাহ রোধের নামে সমাজে অস্থিরতা ও অশ্লীলতাকে উস্কে দেয়া হচ্ছে; যা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে


কয়েকটা মানুষ, কয়েকটা এনজিও, কয়েকটা আমলা, আর কয়েকটা দেশের মধ্যে সারাদিন যেন চুলকানী লেগেই থাকে একটি ব্যাপারে। আর সেটা হলো- কি করে বাংলাদেশের মুসলিম সমাজ ব্যবস্থা হতে খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহকে উচ্ছেদ করা যায়। কোথাও খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহ হলে এদের ঘুম যেন



সাইয়্যিদাতুন নিসা, মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহহিরাহ হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনিই সেই সুমহান ব্যক্তিত্ব মুবারক যিনি সর্বপ্রথম এককভাবে ‘…..’ এ


বর্তমান সমাজের দিকে তাকালে মনে পড়ে যায়, সেই শত-সহস্র বছর আগের কথা। কিতাবাদীতে পড়া আইয়্যামে জাহিলিয়াতের আঁধারের ছাপ যেন আজ চোখের সামনেই ভাসমান। সর্বপ্রকার হারাম-নাজায়িজ কাজের পাশাপাশি আরেকটি কুপ্রথাও জেগে আছে বেশ তাজাভাবে। আর তা হল ‘সন্তানহীনাদেরকে নিন্দার চোখে দেখা’। শুধু



খেলাধুলাকারীরাই শয়তানের ভাই!!


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই।” (পবিত্র সূরা বনী ইসরাইল শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৭) পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, “পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সৌন্দর্যই হচ্ছে অহেতুক অপ্রয়োজনীয় সর্বপ্রকার



হারাম ও নাজায়িয কাজ থেকে বিরত থাকার একমাত্র উপায় ক্বলবে যিকির জারি করা


খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘সূরা কাহাফ শরীফ’ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা ওই ব্যক্তিকে অনুসরণ করো না যার ক্বলব আমার যিকির থেকে গাফিল, যিকির থেকে গাফিল হওয়ার কারণে সে নফসের পায়রবী করে এবং তার কাজগুলো সম্মানিত ইসলামী



পবিত্র ১৯ শাওওয়াল শরীফ বিশেষ নিয়ামত লাভের বিশেষ দিন ॥ সকল মু’মিন-মু’মিনা, সালিক-সালিকার স্মরণীয় দিন


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وذكرهم بايام الله ان فى ذلك لايات لكل صبار شكور. অর্থ: “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার দিনগুলির কথা স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই উহার মধ্যে



মুসলমানকে মুসলমান হতে হবে এবং ঈমানী দায়িত্ব তাদের মধ্যে জাগ্রত করতে হবে


মুসলমান মানেই হচ্ছেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে দায়িম-ক্বায়িম থাকা এবং সম্মানিত শরীয়ত উনার আদেশ, নির্দেশ পরিপূর্ণভাবে পালন করা। কিন্তু এখন মুসলমানরা ইসলামী শরীয়ত উনার আদেশ নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করতে পারে না। যার জন্য মুসলিম জাতির ঈমানী কুওওয়াত (শূণ্যের) কোঠায়। নাঊযুবিল্লাহ!



বর্তমান জমিনে একমাত্র ব্যক্তিত্ব–


বর্তমান জমিনে একমাত্র ব্যক্তিত্ব– ১) যিনি কুরআন শরীফ হাফিজ তো অবশ্যই এর সাথে শতাধিক তাফসীর উনার ঠোটস্থ। ২) লক্ষ লক্ষ হাদীছ শরীফ উনার শানে নূযূল, সনদ, মতন , শরাহসহ হাফিজ। ৩) ইজমা শরীফ ও ক্বিয়াস শরীফ উনার শত শত গ্রন্থের যিনি



মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর হচ্ছেন পবিত্র মসজিদ সেই পবিত্র মসজিদ কখন অবৈধ হতে পারে না


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পৃথিবীতে পবিত্র মসজিদসমূহ হচ্ছে আমার ঘর। যেভাবে নক্ষত্রসমূহ পৃথিবীর জন্য আলোর বিচ্ছুরণ ঘটায়, তেমনভাবে মসজিদসমূহ আকাশের জন্য আলোর বিচ্ছুরণ ঘটায়।” মসজিদ ব্যবহার করে জনগণ, যারা গণতান্ত্রিক



পিতা-মাতা উনাদের আনুগত্য করার বিধান


মুসলমান পিতা-মাতা উনাদের আনুগত্য করার বিধান হলো, মুসলমান পিতা-মাতা উনাদের খিদমত করা ও উনাদের আনুগত্য করা সন্তানের উপর ওয়াজিব। উনাদের অবাধ্য হওয়া কবীরা গুনাহ। পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার সীমাতে এ আনুগত্য সীমিত থাকবে। তবে পিতা-মাতা উনারা সন্তানকে কুফর, শিরক বা ইসলামী



আল হাদী, আলুল্লাহ, আকরামুল উম্মাহ, ছালিছুল ক্বওম, খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সুমহান শান


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ইজ্জত ও সম্মান হচ্ছে কেবলমাত্র মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার জন্য এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য আর যারা ঈমানদার



মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল ‘আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা


হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ছিলেন মোট ১৩ জন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নেয়ার ধারাবাহিকক্রম মুবারক অনুযায়ী সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল ‘আলামীন,