zajiba ahmad -blog


mamduh


 


স্বামীর অনুমতি ছাড়া বাইরে বের হওয়া এবং স্বামীর প্রতি বিদ্বেষ প্রসন করার শাস্তিঃ


স্বামীর অনুমতি ছাড়া বাইরে বের হওয়া এবং স্বামীর প্রতি বিদ্বেষ প্রসন করার শাস্তিঃ একবার নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কাঁদছিলেন, কান্নার কারণ জ্ঞিগাসা করা হলে তিনি বললেন, যখন মিরাজ শরীফে গিয়েছিলাম তখন দেখলাম এক মহিলার কঠিন



মুসলমান এখনো জান্নাত আশা করে জাহান্নামকে ভয় পায়।


মুসলমান এখনো জান্নাত আশা করে জাহান্নামকে ভয় পায়। আর জান্নাত-জাহান্নামের আমল সম্পর্কেও তারা অজ্ঞাত নয়। যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে জান্নাত-জাহান্নামের মূলত মালিক- আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মর্যাদা মুবারক, মূল্যায়ন মুবারক, শান-মান



‘শ্রমিক দিবস’-এর মাধ্যমে তারা প্রকারান্তরে শ্রমিকদের হেয় প্রতিপন্নই করছে।


আসছে ১ লা মে অর্থাৎ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস । শুধু এই একটি দিনই শ্রমিকের অধিকার নিয়ে সমাজে খুব আলোচনা সভা করা হয়। শ্রমিক ও পেশাজীবী সংগঠনগুলো সমাবেশ মাধ্যমে খুব ঘটা করে এ দিবস উদযাপন করে। আর বাকী দিনগুলিতে কি অধিকার আদায়



যে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও খুব সূক্ষ্ম সেটা হল সম্মানিত ঈমান ।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-“ঈমানদাররা ঈমান আনো, মু’মিনে কামিল হয়ে যাও তখনই তোমাদের জন্য কামিয়াবী। সময় কিন্তু কারো জন্য অপেক্ষা করে না, মৃত্যু যথাসময় হয়ে যাবে”।প্রত্যেকের জন্য মৃত্যু রয়েছে। যখন মৃত্যু এসে যাবে তখন এক সেকেন্ড আগেও হবে না



স্ত্রীর ন্যায়সঙ্গত অধিকার দেনমোহর ও খোরপোশ না দিলে স্ত্রীর প্রতি জুলুম করা হবে।


স্ত্রীর ন্যায়সঙ্গত অধিকার দেনমোহর ও খোরপোশ না দিলে স্ত্রীর প্রতি জুলুম করা হবে। পবিত্র হাদীস শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে, কেয়ামতের দিন পর্যায়ক্রমে একে একে প্রত্যেক নারী পুরুষকে বন্দী অবস্হায় সমবেত সকল হাশরবাসীর সামনে হাযির করা হবে এবং বলা হবে, এ হচ্ছে



কিয়ামতের দিন সকল পাওনাদারের পাওনা আদায় করে দেয়া হবে


হাশরের ময়দানে কোন বান্দা এটা পছন্দ করবে না যে, তার সাথে এমন একজনের দেখা হয়ে যাক, কারণ দেখা হলে চিনতে পারবে যে, সে তার প্রতি নির্যাতন চালিয়েছিল, যার দরুন সে তার প্রতি জুলুমের প্রতিশোধ তলব করবে। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক



মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন-“তোমরা স্ত্রীদের সাথে সদাচরণ কর”।


স্ত্রীকে যেমন স্বামীর মনোতুষ্টি বিধানের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে, ঠিক একইভাবে স্বামীকেও স্ত্রীর সাথে সদ্বব্যবহার, নরম কোমল আচরণ করার জন্য আদেশ দেয়া হয়েছে। স্ত্রীর কাছ থেকে যদি কোন অসদাচরণ বা দুর্ব্যবহার ইত্যাদি দেখা দেয়, তবে তাতে উদার-সহিষ্ণু চিত্তে ধর্যাবলম্বন এবং স্ত্রীর



সম্মানিত শরিয়ত উনার হুকুম- আহকাম মেনে চললে অবশ্যই সমাজের ফেৎনা ফ্যাসাদ দূর হবে এবং সবার সংসারে শান্তি বজায় থাকবে


সমাজে সবচেয়ে বেশী যে বিষয়টি নিয়ে ফেৎনা সেটা হচ্ছে নারী । যদিও সকল নারী এক নয়,অনেক নারী রয়েছেন সংসারী ও পূণ্যবান। আবার অনেক নারী রয়েছেন যারা এক নারী হয়ে আর এক নারীর ঘর ভাঙ্গছে  ।  দ্বীনের বুঝ না থাকায় সংসারে হয়



মহান আল্লাহ পাক ও উনার রাছুল হুজুরপাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের লানতের উপযুক্ত হয়


কোন মহিলা যখন পুরুষের ন্যায় সংক্ষিপ্ত পোশাক পরিধান করে, তখনই সে পুরুষের বেশ ধারণের ঘোষণাভুক্ত এবং মহান আল্লাহ পাক ও উনার রাছুল হুজুরপাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের লানতের উপযুক্ত হয় । আর যদি তার স্বামী এই উচ্ছৃঙ্খলতা সমর্থন করে এবং



মহিলারা মহান আল্লাহ পাক উনার বিধান অমান্য করার কারণে আজ নির্যাতিত,


মহিলারা মহান আল্লাহ পাক উনার বিধান অমান্য করার কারণে আজ নির্যাতিত,অপমানিত। নিজেদের সম্মান নিজেরাই নষ্ট করছে। আর এর সব কিছুর মূলে রয়েছে বেপর্দা। বেপর্দার কারণেই এত ফেতনা। তাই মহিলাদের ইজ্জত সম্মান ফিরে পেতে হলে তাদেরকে পর্দার মধ্যে আবৃত হতে হবে।



মানুষ বড় বিচিত্র ।


মানুষ বড় বিচিত্র । আজকে এক রিক্সাওয়ালা কে বললাম তিলপাপাড়া যাবা রিক্সাওয়ালা বলল যাবো, উঠে গেলাম রিক্সায়।পরে খেয়াল করলাম সে রেডিওতে খেলার খবর শুনছে। আমি বললা,দেখ খেলা-ধুলা হারাম তার খবর শুনাও হারাম। সুতরাং তোমার রেডিও বন্ধ করো তা না হলে তোমার



আপনার সন্তান হয়তো কোন একটি বিষয়ে ভালো করতে পারছে না। এক্ষেত্রে তাকে হতাশ করে এমন কণ কথা না বলে


  দ্রুতগতির এই পৃথিবীতে আপনার সন্তান বেড়ে উঠছে প্রতিনিয়ত একরাশ পরিবর্তনকে চোখের সামনে দেখে দেখে। অনেক সময় আপনার ছোট্ট সন্তানটি হয়তো তার ছোট্ট ভাবনার পৃথিবীতেই সম্মুখীন হয় অনেক জটিলতার। যা হয়তো সে কারো সাথে বলতে পারে না। ক্রমাগত চেপে রাখতে রাখতে