zajiba ahmad -blog


mamduh


 


মহান আল্লাহ পাক তিনি স¦য়ং উনার পবিত্র বিছাল শরীফ উনার সময় উনার মর্যাদা ও মর্তবার প্রমাণ পেশ করলেন। সুবহানাল্লাহ!


পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের মধ্যে যে সমস্ত হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনাদের ছানা-ছিফত, শান-মান, বুযুর্গী ফযীলতের নিখুঁত বর্ণনা রয়েছে উনাদের মধ্যে হযরত সুলত্বানুল হিন্দ, খাজা গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হচ্ছেন অন্যতম।



হে মুসলমানগণ এখনও সময় আছে তওবা করুন।


হে মুসলমানগণ এখনও সময় আছে তওবা করুন।পহেলা বৈশাখ বর্জন করুন।ফিরে আসুন, ঈমান হিফাজত করুন ।বৈশাখীর পুজা বন্ধ করুন। গযবের পূর্বাভাস দেখা যাচ্ছে মহান আল্লাহ পাক ভূমিকম্প দ্বারা সতর্ক করে দিয়েছেন ।  হে মুসলমানগণ ! ফিরে আসুন!! ফিরে আসুন!!



এ পবিত্র মাস উনার প্রথম জুমুয়ার রাত্রটি হচ্ছে ‘পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ’


পবিত্র শাহরুল্লাহিল হারাম রজবুল আছম্ম মাস উনার মর্যাদা-মর্তবা বলার অপেক্ষা রাখে না। বছরের যে পাঁচটি রাতে বিশেষভাবে দোয়া কবুল হয় ‘পবিত্র শাহরুল্লাহিল হারাম রজবুল আছম্ম উনার পহেলা রাত্রটি’ সর্বপ্রথম। অতঃপর এ পবিত্র মাস উনার প্রথম জুমুয়ার রাত্রটি হচ্ছে ‘পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব



অজ্ঞতাই বিপথগামিতার মূল কারণ।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি প্রেরিত হয়েছি মূর্তিপূজা ও বাদ্যযন্ত্র ধ্বংস করার জন্য।” পহেলা বৈশাখ উৎসবের মূল উপকরণই হচ্ছে বিভিন্ন প্রাণীর প্রতীকী মূর্তি, বাঁশি, ঢোল, ডুগডুগি ইত্যাদি বাদ্যযন্ত্র। তাহলে এই বিজাতীয় অপসংস্কৃতি



একজন মুসলমানের জন্য ইসলামের যে বিষয়টা রয়েছে সেটা তাকে ফিকির করতে হবে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি সেটা পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন- لتجدن اشد الناس عداوة للذين امنوا اليهود والذين اشركوا মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, হে আমার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন উম্মতদেরকে, তোমরা



সিলেটবাসী জেগে উঠুন।


সিলেটবাসী জেগে উঠুন।  যে ভূমিতে হযরত শাহজালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি গরু জবাইয়ের অধিকার লাভ করতে গৌরগোবিন্দকে পরাজিত করেছিলেন। আজ সেই ভূমিতে এক সামান্য হিন্দু গরুর গোশতের ইস্যু তুলে মুসলমান ক্যান্টিন মালিককে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়ে দিলো।  আপনারা কি মুসলমান ? নাস্তিক হত্যা, শাহজালাল



আসুন এ মাসের বিশেষ দিনগুলির তারিখ জেনে নেই।


১লা রজবুল হারাম শরীফ হলো-দোয়া কবুলের খাছ রাত এবং আবু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ও সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা আলাইহাস সালাম উনাদের সুমহান বরকতময় আযীমুশ শান নিকাহিল আযীম শরীফ দিবস। এবং ২রা রজবুল হারাম শরীফ হলো- আবূ রসূলিল্লাহ



রজবুল আছম্ম মাস উনার পহেলা রাতে নিশ্চিতভাবে দোয়া কবুল হয়।


পবিত্র শাহরুল্লাহিল হারাম রজবুল আছম্ম মাস উনার পহেলা রাতে নিশ্চিতভাবে দোয়া কবুল হয়। তাই সকল মুসলিম উম্মাহ উনাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- এ মুবারক রাতে পবিত্র মীলাদ শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করে বিশেষভাবে দোয়া-মুনাজাত করা এবং পরের দিন রোযা



আশ্চর্য হলাম এমন একটি বিশেষ দোয়া কবুলের রাতে একটি মানুষও মসজিদে নাই।


রাত ১১ টায় বাসায় ফিরলাম। ফিরার পথে লক্ষ করলাম মসজিদগুলোতে  একটি করে লাইট জ্বলছ্‌   ভিতরে একটি লোকও নেই বাইরে তালা মারা। আশ্চর্য হলাম এমন একটি বিশেষ দোয়া কবুলের রাতে একটি মানুষও মসজিদে নাই। এবং কোন আলোচনা নেই, দোয়াও নেই। চিন্তা



রজুবুল আছাম্ম বা বধির মাস


পবিত্র রজব মাসকে হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রজুবুল আছাম্ম বা বধির মাস বলা হয়েছে। পবিত্র মাসটি বান্দা-বান্দীর গুনাহের সাক্ষী হয় না। এ সম্মানিত রজব মাস উনার প্রথম রাত জিন-ইনসান বান্দা-বান্দীর সকল দোয়া যিনি খলিক্ব যিনি মালিক মহান আল্লাহ্ পাক তিনি কবুল



আহলান সাহলান হে পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই দোয়া পাঁচ রাত্রে কবুল হয়ে থাকে। পবিত্র শাহরুল্লাহিল হারাম রজবুল আছম্ম মাস উনার পহেলা রাতে, পবিত্র দুই ঈদ উনার



বাংলা নববর্ষ হিন্দুদের খাছ ধর্মীয় উৎসবের দিন


বাংলা নববর্ষ হিন্দুদের খাছ ধর্মীয় উৎসবের দিন। এর আগের দিন তাদের চৈত্র সংক্রান্তি। আর পহেলা বৈশাখ হলো ঘট পূজার দিন।হযরত ইমাম আবু হাফস্ কবীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “নওরোজ বা নববর্ষ উপলক্ষে যদি কেউ একটা ডিমও দান করে তার ৫০ বৎসরের