যিকরান -blog


...


 


পবিত্র ২৯শে শা’বান মুবারক দিনটিও ‘আইয়্যামুল্লাহ শরীফ’ উনার অন্তর্ভুক্ত


اَيَّامُ اللهِ (আইয়্যামুল্লাহ) অর্থ মহান আল্লাহ পাক উনার দিনসমূহ। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, وَذَكِّرْهُمْ بِأَيَّامِ اللهِ ۚ اِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَاٰيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ অর্থ: “তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার দিনসমূহের



পবিত্র সুন্নত উনাকে অনুসরণ করলেই বিরাট সফলতা লাভ করা যাবে


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইতায়াত করবে সে বিরাট সফলতা লাভ করবে।” সুবহানাল্লাহ! মূলত, একজন বান্দা-বান্দীর কামিয়াবী



প্রসঙ্গ পর্দা পালন: কোন ঈমানদার-মুসলমানই লানতগ্রস্ত হতে চায় না


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “দাইয়ুছ পবিত্র জান্নাত উনার মধ্যে প্রবেশ করতে পারবে না।” যে ব্যক্তি নিজে পর্দা করে না এবং তার অধীনস্থদের পর্দা করায় না- সে ব্যক্তিই দাইয়্যুছ। এ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার থেকে বুঝা গেল যে,



সাইয়্যিদুনা হযরত হাদীউল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অর্ন্তভুক্ত: হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস


এটি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেকে মনে করে থাকে যে, যিনি আওলাদে রসূল তিনিই আহলু বাইত শরীফ। আওলাদে রসূল এবং আহলু বাইত শরীফ উনাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। নাঊযুবিল্লাহ! আবার অনেকে মনে করে থাকে যে, আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



আক্বীদা শুদ্ধ করার মাস হচ্ছে ‘পবিত্র ছফর শরীফ মাস’


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদাররা! তোমরা ঈমান আনো। অর্থাৎ পবিত্র আক্বীদা উনাকে বিশুদ্ধ করো।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র আক্বীদা শুদ্ধ করার মাস হচ্ছে ‘পবিত্র ছফর শরীফ মাস’। সুবহানাল্লাহ! যার আক্বীদা শুদ্ধ সেই মু’মিন বা মুসলমান। আর যার আক্বীদা শুদ্ধ



ইতিহাসের পাতা থেকে: সমগ্র পৃথিবীতে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ জাতীয়ভাবে পালন হতো তার প্রমাণ


ইমামুল মুহাদ্দিসীন হযরত মোল্লা আলী ক্বারী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি যিনি সমগ্র বিশ্বে সকলের কাছে এক নামে স্বীকৃত একজন মুহাদ্দিস। এখন থেকে প্রায় পাঁচশত বছর পূর্বে উনার বিলাদত শরীফ। তিনি পবিত্র ইলমে হাদীছ শরীফ উনার জ্ঞান অর্জন করতে পবিত্র মক্কা শরীফ শরীফ,



নকশায় হায়দার, শাফিউল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ আউওয়াল আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন ‘যুন নূরীল মুজাদ্দিদীল আযীম’। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি যাঁকে ইচ্ছ উনাকেই উনার জন্য মনোনীত করেন। আর মহান আল্লাহ পাক উনার মনোনীত করার বিষয় সম্পর্কে তিনিই সর্বাধিক জ্ঞাত। আমরা আমাদের যাহিরী দৃষ্টিতে দেখতে পাই- আমাদের সাইয়্যিদুনা হযরত মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি এবং



মুসলমানদের বিয়ের বয়স নির্ধারন করে দেয়া রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম অবমাননার শামিল


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিধান অনুসারে একজন মুসলমান যে কোন বয়সে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবেন। বিবাহের জন্য নারী পুরুষের কোন সুনির্দিষ্ট বয়সকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মাঝে নির্ধারন করে দেয়া হয়নি। তার মানে রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনাকে যারা মেনে চলবেন উনারা



ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার তাক্বওয়াপূর্ণ ন্যায়বিচার সকলের জন্যই অনুসরণীয়


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে তাক্বওয়া সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন, إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِندَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ. অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্বাধিক সম্মানিত যিনি



মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক


তাহলে এখান থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কতো বেমেছাল। সুবহানাল্লাহ! যদি তাই হয়, তাহলে মহাসম্মানিত হযরত আবনাউ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের, মহাসম্মানিতা



সাইয়্যিদুনা মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আমি আপনার আলোচনা বা সম্মান মুবারক উনাকে বুলন্দ করেছি।” মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার



জগতসমূহের শ্রেষ্ঠ নিয়ামত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- لئن شكرتم لا زيد نكم ولئن كفرتم ان عذابى لشديد. “তোমরা যদি আমার নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করো, তাহলে তোমাদের উপর আমার নিয়ামত আরো বহুগুণে বাড়িয়ে দিবো। আর যদি আমার নিয়ামত পাওয়ার পর অস্বীকার করে