যিকরান -blog


...


 


ইবনাতু আবীহা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ সংরক্ষণ


ইবনাতু আবীহা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসম বা নাম মুবারক যে কারণে ইতিহাসের পাতায় ও মু’মিনদের মনে অত্যান্ত মর্যাদার সাথে লেখা হয়ে আছে তাহলো তিনি ছিলেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার



মুহইউস সুন্নাহ, আহলে বাইতে রসূল, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল অভূতপূর্ব তাজদীদ মুবারক! ‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক


পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার ফযীলত মুবারক প্রকাশে সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, নূরে মুকাররম, হাবীবুল্লাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কূল মাখলুকাতের ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার শ্রেষ্ঠতম ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



আন নি’মাতুল কুবরা কিতাব সম্পর্কে অপপ্রচারের জবাব,


সর্বশ্রেষ্ট সাহাবী ও ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম বলেন, مَنْ اَنْفَقَ دِرْهَمًا عَلَى قِرا ةَ مَوْ لِدِ النَّبىُ صلي اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَان رفيقي فىِ الجَنّةِ অর্থাৎ- “যে ব্যক্তি মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষ্যে এক দিরহাম খরচ



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত; আর উনাকে পাওয়ার


মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে সমগ্র জগতের জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরন করেছি। (সূরা আম্বিয়া ১০৭) সমগ্র জগতে রহমত হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন,ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। উনাকে রহমত



সাপ, কুমির, কচ্ছপের খামার কেন? পবিত্র কুরবানীর পশুর খামারে গুরুত্ব দিন


আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি চাহিদা ও সবচাইতে বেশি লাভবান হলো গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া ইত্যাদির লালন-পালন। যুগযুগ ধরে আমাদের দেশের মানুষও এসব প্রাণী লালন-পালনে অভ্যস্ত ও অভিজ্ঞ। আমাদের দেশের অর্থনীতিতেও এসব প্রাণী থেকে প্রাপ্ত দুধ, গোশত, চামড়া, পশম ইত্যাদির অবদান অনেক



পবিত্র ২৯শে শা’বান মুবারক দিনটিও ‘আইয়্যামুল্লাহ শরীফ’ উনার অন্তর্ভুক্ত


اَيَّامُ اللهِ (আইয়্যামুল্লাহ) অর্থ মহান আল্লাহ পাক উনার দিনসমূহ। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, وَذَكِّرْهُمْ بِأَيَّامِ اللهِ ۚ اِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَاٰيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ অর্থ: “তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার দিনসমূহের



পবিত্র সুন্নত উনাকে অনুসরণ করলেই বিরাট সফলতা লাভ করা যাবে


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইতায়াত করবে সে বিরাট সফলতা লাভ করবে।” সুবহানাল্লাহ! মূলত, একজন বান্দা-বান্দীর কামিয়াবী



প্রসঙ্গ পর্দা পালন: কোন ঈমানদার-মুসলমানই লানতগ্রস্ত হতে চায় না


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “দাইয়ুছ পবিত্র জান্নাত উনার মধ্যে প্রবেশ করতে পারবে না।” যে ব্যক্তি নিজে পর্দা করে না এবং তার অধীনস্থদের পর্দা করায় না- সে ব্যক্তিই দাইয়্যুছ। এ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার থেকে বুঝা গেল যে,



সাইয়্যিদুনা হযরত হাদীউল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অর্ন্তভুক্ত: হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস


এটি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেকে মনে করে থাকে যে, যিনি আওলাদে রসূল তিনিই আহলু বাইত শরীফ। আওলাদে রসূল এবং আহলু বাইত শরীফ উনাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। নাঊযুবিল্লাহ! আবার অনেকে মনে করে থাকে যে, আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



আক্বীদা শুদ্ধ করার মাস হচ্ছে ‘পবিত্র ছফর শরীফ মাস’


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদাররা! তোমরা ঈমান আনো। অর্থাৎ পবিত্র আক্বীদা উনাকে বিশুদ্ধ করো।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র আক্বীদা শুদ্ধ করার মাস হচ্ছে ‘পবিত্র ছফর শরীফ মাস’। সুবহানাল্লাহ! যার আক্বীদা শুদ্ধ সেই মু’মিন বা মুসলমান। আর যার আক্বীদা শুদ্ধ



ইতিহাসের পাতা থেকে: সমগ্র পৃথিবীতে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ জাতীয়ভাবে পালন হতো তার প্রমাণ


ইমামুল মুহাদ্দিসীন হযরত মোল্লা আলী ক্বারী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি যিনি সমগ্র বিশ্বে সকলের কাছে এক নামে স্বীকৃত একজন মুহাদ্দিস। এখন থেকে প্রায় পাঁচশত বছর পূর্বে উনার বিলাদত শরীফ। তিনি পবিত্র ইলমে হাদীছ শরীফ উনার জ্ঞান অর্জন করতে পবিত্র মক্কা শরীফ শরীফ,



নকশায় হায়দার, শাফিউল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ আউওয়াল আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন ‘যুন নূরীল মুজাদ্দিদীল আযীম’। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি যাঁকে ইচ্ছ উনাকেই উনার জন্য মনোনীত করেন। আর মহান আল্লাহ পাক উনার মনোনীত করার বিষয় সম্পর্কে তিনিই সর্বাধিক জ্ঞাত। আমরা আমাদের যাহিরী দৃষ্টিতে দেখতে পাই- আমাদের সাইয়্যিদুনা হযরত মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি এবং