যিকরান -blog


...


যিকরান
 


নকশায় হায়দার, শাফিউল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ আউওয়াল আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন ‘যুন নূরীল মুজাদ্দিদীল আযীম’। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি যাঁকে ইচ্ছ উনাকেই উনার জন্য মনোনীত করেন। আর মহান আল্লাহ পাক উনার মনোনীত করার বিষয় সম্পর্কে তিনিই সর্বাধিক জ্ঞাত। আমরা আমাদের যাহিরী দৃষ্টিতে দেখতে পাই- আমাদের সাইয়্যিদুনা হযরত মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি এবং



মুসলমানদের বিয়ের বয়স নির্ধারন করে দেয়া রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম অবমাননার শামিল


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিধান অনুসারে একজন মুসলমান যে কোন বয়সে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবেন। বিবাহের জন্য নারী পুরুষের কোন সুনির্দিষ্ট বয়সকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মাঝে নির্ধারন করে দেয়া হয়নি। তার মানে রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনাকে যারা মেনে চলবেন উনারা



ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার তাক্বওয়াপূর্ণ ন্যায়বিচার সকলের জন্যই অনুসরণীয়


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে তাক্বওয়া সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন, إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِندَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ. অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্বাধিক সম্মানিত যিনি



মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক


তাহলে এখান থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কতো বেমেছাল। সুবহানাল্লাহ! যদি তাই হয়, তাহলে মহাসম্মানিত হযরত আবনাউ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের, মহাসম্মানিতা



সাইয়্যিদুনা মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আমি আপনার আলোচনা বা সম্মান মুবারক উনাকে বুলন্দ করেছি।” মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার



জগতসমূহের শ্রেষ্ঠ নিয়ামত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- لئن شكرتم لا زيد نكم ولئن كفرتم ان عذابى لشديد. “তোমরা যদি আমার নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করো, তাহলে তোমাদের উপর আমার নিয়ামত আরো বহুগুণে বাড়িয়ে দিবো। আর যদি আমার নিয়ামত পাওয়ার পর অস্বীকার করে



কারামতে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম


সমস্ত প্রশংসা ও ছানা-ছিফত যিনি গউছুল আ’যম, ইমামুল উমাম, আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম এবং উনার পূতপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের জন্য। মহান আল্লাহ পাক উনার লক্ষ্যস্থল ওলী রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার শান-মান



সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত মহাসম্মানিত ১২ খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনারা হচ্ছেন


(১). খলীফায়ে আউওয়াল- ছিদ্দীক্বে আকবর সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম, (২). খলীফায়ে ছানী- ফারূক্বে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত উমর ইবনুল খত্ত্বাব আলাইহিস সালাম, (৩). খলীফায়ে ছালিছ- রফিকুল জান্নাত সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান যুন নূরাঈন আলাইহিস সালাম, (৪). খলীফায়ে রাবি’- আসাদুল্লাহিল গালিব



বনী ইসরাঈলের ২০০ বছরের গুনাহগার বান্দা জান্নাতী ………….


বনী ইসরাঈলের ২০০ বছরের গুনাহগার বান্দা যদি হযরত নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নাম মুবারক মুহব্বত করে জান্নাতী হতে পারে, তাহলে আমরা উম্মতরা নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন উপলক্ষে খুুশি প্রকাশ করলে কি নিয়ামত পাবো সেটা হিসাব করুন।



ইমামুল মুসলিমীন, মুকতাদায়ে জামীয়ে উমাম, ইনায়েতে হিলম, পেশওয়ায়ে আহলে বাছীরাত, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি


একথা দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিকট ইলমসহ সমস্ত নিয়ামতরাজি পুঞ্জীভূত। যা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



আসাদুল্লাহিল গালিব, বাবুল ইলিম ওয়াল হিকাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার


(১) হঠাৎ করে একদিন এক অশ্বারোহীর অশ্বের পদাঘাতে মরুর বালু উড়ছিল। সে বাতাসের বেগে পবিত্র মদীনা শরীফ উনার দিকে ছুটে আসছিল, আর চিৎকার দিয়ে বলতে লাগলো, হে মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত রসূল, কুরাইশরা চুক্তি ভঙ্গ করেছে। কুরাইশদের পক্ষ থেকে চুক্তি



আপনি কি জানেন, সউদী আরবে কিভাবে হারাম টেলিভিশন প্রবেশ করেছিলো?


অনেকেই দাবি করে থাকে, সউদী আরবে যদি হারাম টিভি থাকে, তবে অন্যস্থানে রাখতে সমস্যা কোথায়? নাউযুবিল্লাহ! এর উত্তরে বলতে হয়, সউদী আরব পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দলিল নয়, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দলিল হচ্ছে পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ।