যিকরান -blog


...


যিকরান
 


আপনি কি জানেন, সউদী আরবে কিভাবে হারাম টেলিভিশন প্রবেশ করেছিলো?


অনেকেই দাবি করে থাকে, সউদী আরবে যদি হারাম টিভি থাকে, তবে অন্যস্থানে রাখতে সমস্যা কোথায়? নাউযুবিল্লাহ! এর উত্তরে বলতে হয়, সউদী আরব পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দলিল নয়, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দলিল হচ্ছে পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ।



ইতিহাসের পাতায় ওলীআল্লাহগণ উনাদের অঢেল অর্থ খরচের উদাহরণ এবং সেই অর্থের প্রতি বিধর্মীদের লোলুপ দৃষ্টি


চিশতীয়া তরীক্বা উনার একজন প্রধান ওলীআল্লাহ হযরত নিযামউদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি। দিল্লীতে ছিল উনার খানকা শরীফ। ইতিহাসে লেখা রয়েছে, খানকা শরীফ ও লঙ্গরখানার খরচ বহনের জন্য তিনি উনার খাদিমকে নির্দেশ মুবারক দিয়ে রেখেছিলেন, যদি কখনো অর্থের দরকার হয় অমুক তাকের মধ্যে



যে ১০ কারণে একজন মুসলমান কিছুতেই পহেলা বৈশাখ পালন করতে পারে না


(১) ‘এসো হে বৈশাখ’ বলা নিষেধ। কারণ এর দ্বারা মাখলুকের নিকট কল্যাণ কামনা করা হয়। অথচ কল্যাণের মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি। (২) মূর্তি নিয়ে বড় বড় র‌্যালি বের করা যাকে অমঙ্গল শোভাযাত্রা বলা হয়, এটা নিরেট হিন্দুদের ধর্মীয় কাজ।



বাংলাদেশ-ইতালি বাণিজ্য সম্পর্ক নষ্ট করতেই কী ভারতীয় ইশারায় ইতালীয় নাগরিকের হত্যা?


ভারতের বিজেপি’র সাথে ইতালির একটা রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব রয়েছে সেটা স্পষ্ট। তাই বিজেপি কখনই সহ্য করবে না বাংলাদেশের সাথে ইতালির ভালো কোনো সম্পর্ক তৈরি হোক। এছাড়াও বাংলাদেশের বাণিজ্য খাতের উপর ভারতের প্রতিহিংসামূলক আচরণ আগেও ছিলো, এখনো পোশাক শিল্পসহ গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক খাতগুলোতে ভারতের



পশ্চিমবঙ্গ থেকে কথিত ‘বাংলাদেশী মুসলিম’দের বিতাড়নে সক্রিয় বিজেপি


ভারতের আসাম রাজ্যে কথিত ‘বাঙালি মুসলিম অনুপ্রবেশকারী’দের নাগরিকত্বের দাবি উঠলেও পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশী মুসলিমদের বিতাড়নের লক্ষ্যে কাজ করবে বিজেপি। আসামের কোকরাঝাড়ের এমপি নবকুমার শরণীয়া ওরফে হীরা শরণীয়া হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলিমদেরও নাগরিকত্ব দেয়ার দাবি জানিয়েছে। রোববার ‘অ-বোড়ো সুরক্ষা মঞ্চ’-এর এক সভায় সে বলেছে,



ছি! ছি!! ছি!!! হিন্দুরা কত নাপাক


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মুশরিকরা তথা হিন্দুরা নাপাক বা অপবিত্র।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ০২) অন্যত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই সমস্ত প্রাণীর মাঝে মহান আল্লাহ



তথাকথিত আশেকে রসূল শাহ আলমের আপত্তিকর ও প্রতারণামূলক বক্তব্য এবং তার খণ্ডনমূলক জবাব (১)


তথাকথিত আশেকে রসূল শাহ আলম কর্তৃক সম্পাদিত “পবিত্র কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর আলোকে ছবি, খেযাব (কলপ) ও স্বর্ণ ব্যবহার নাযায়েজ নয়।” নামক চটি বইয়ের ২য় পৃষ্ঠায় লিখেছে, “পবিত্র কুরআন শরীফ-এ ছবি বা প্রতিকৃতি সম্পর্কে বেশ দলীল পাওয়া যায়। ছবি বা



কথিত মে দিবস পালনের মাধ্যমে একদিকে শ্রমিকদেরকে হেয় প্রতিপ্রন্ন করা হচ্ছে অন্যদিকে মুসলমানরা রোমান দেব-দেবীর স্মরণ করতে বাধ্য হচ্ছে!


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, ‘শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকানোর আগেই তার প্রাপ্য মজুরি দিয়ে দাও।’ (ইবনে মাযাহ) এ হাদীছ শরীফ-এর প্রেক্ষিতে সুস্পষ্টভাবেই বুঝা যায় যে, ইসলাম আজ থেকে চৌদ্দশ’ বছর