যিলযাল -blog


...


 


যিনি যতবেশি তাক্বওয়া অবলম্বন করবেন তথা মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি ততবেশি


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ওই ব্যক্তি অধিক সম্মানিত, যিনি বেশি তাক্বওয়াধারী।’ সুবহানাল্লাহ! তাই যিনি যতবেশি তাক্বওয়া অবলম্বন করবেন তথা মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি ততবেশি



ভারতে মুসলমানরা কেন বিধর্মীদের তাঁবেদারি করছে? বিধর্মীপ্রীতিতে উৎসাহদাতা ধর্ম ব্যবসায়ীরাই এর মূল কারণ?


ভারতে মুসলমানরা কেন বিধর্মীদের তাঁবেদারি করছে? বিধর্মীপ্রীতিতে উৎসাহদাতা ধর্ম ব্যবসায়ীরাই এর মূল কারণ? বর্তমানে উগ্র বিধর্মীরা লাফালাফি-ঝাপাঝাপি করলেও ইতিহাস থেকে প্রমাণিত যে, ভারতবর্ষ মুসলমানরাই সাজিয়েছিলো প্রায় ৭০০ বছর শাসন করে। কিন্তু মুসলমানদের এই সকল অবদান ভুলে গিয়ে অকৃতজ্ঞ বেইমান বিধর্মীরা আজ



“তাক্বওয়া অর্জনের মাধ্যমেই সন্তুষ্টি মুবারক হাছীল করা সম্ভব”


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সবচেয়ে সম্মানিত ঐ ব্যক্তি, যে সবচেয়ে বেশি পরহেযগার বা মুত্তাক্বী।” এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার দ¦ারা সুস্পষ্টভাবে বুঝা যায় যে, যে ব্যক্তি তাক্বওয়া হাছীল করবে, অর্থাৎ যে যত



হক্কানী রব্বানী ওলীআল্লাহ উনাদের মুবারক ছোহবত ছাড়া কোন কামিয়াবী নেই


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবরক করেন- اِنَّ رَحْمَةَ اللهِ قَرِيْبٌ مِّنَ الْمُحْسِنِيْنَ অর্থ : “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত হক্কানী রব্বানী ওলীআল্লাহগণ উনাদের নিকট রয়েছে।” আর মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ছাড়া কোনো ব্যক্তিই দুনিয়াবী কোনো



নাজাতের সর্বশ্রেষ্ঠ উত্তম উসীলা পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি উম্মতদেরকে বলে দিন মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল ও রহমত লাভ করার কারণে তারা যেন আনন্দ, খুশি প্রকাশ করে।”



পবিত্র রমাদ্বান মাসের চাঁদ তালাশ করা ওয়াজিবে কিফায়া


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি চাঁদ তালাশের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন: যেমন পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- عَنْ حضرت أَبِي هُرَيْرَةَ رضى الله تعالى عنه، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صُومُوا



যারা হিজাব বা বোরকার বিরুদ্ধে বলবে, তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে মুসলমান থাকবে না; বরং মুরতাদ ও গুমরাহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাধ্যমে পর্দা বা বোরকা ফরয করেছেন। হিজাব বা বোরকা মুসলমানদের দ্বীনি অধিকার আর খাছ করে মুসলিম মহিলাদের সম্মান এবং



সুমহান বরকতময় আযীমুশ্শান ২০শে জুমাদাল উখরা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা আন নূরুর রবিয়াহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন আন নূরুর রবিয়াহ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি মহিলাগণ উনাদের সাইয়্যিদাহ।’ আজ সুমহান বরকতময় আযীমুশ্শান ২০শে জুমাদাল উখরা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু



এখনই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন!


আফসোস সিরিয়ার মুসলমানদের জন্য! সিরিয়ার অধিবাসীদের শতকরা ৮৫ ভাগ লোক ছিল সুন্নী মুসলমান, ১২ ভাগ শিয়া এবং বাকী ৩ ভাগ অন্যান্য ধর্মের। কিন্তু শতকরা ১২ ভাগ মাত্র শিয়াদের অত্যাচারে ৮৫ ভাগ সুন্নীরা আজ দেশান্তরী। এ অবস্থায় কখনও পড়তে হবে, সিরিয়ার জনগণ



মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার সাথে সংশ্লিষ্ট বিশুদ্ধ আক্বীদাসমূহ


১. সমস্ত হযরত নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা মাছুম বা নিষ্পাপ। উনাদের কোনো প্রকার দোষ-ত্রুটি এমনকি কোনো অপছন্দনীয় কাজ ও নেই। উনারা হচ্ছেন পবিত্র ওহী মুবারক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। (আকাইদে নসফী) ২. হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ছিলেন জলীলুল ক্বদর ছাহাবী,