Archive for the ‘অর্থনীতি’ Category

গোল্ডেন রাইস (জিএমও শস্য) চাষ করার বুদ্ধিদাতা খলনায়করা দেশ ও জাতির শত্রু


বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ জিএমও ক্রপ্স (জেনেটিক্যাল মডিফাইড খাদ্য শস্য) বাংলাদেশের মতো খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি দেশে কী করে অনুমোদিত হতে পারে, তা সত্যিই আশ্চর্যের বিষয়। আমাদের দেশে এই আত্মঘাতী বীজ বাণিজ্যিকিকরণের পেছনে কে বা কারা কাজ করছে তাদেরকে চিহ্নিত করা ও খুঁজে বের

দেশের গ্যাসখনি থেকেও উঠছে জ্বালানী তেল, তবুও…


গ্যাসফিল্ড থেকে গ্যাস উত্তোলনের সময় গ্যাসের সঙ্গে উচ্চমাত্রার সিসাযুক্ত কনডেনসেট (গ্যাসের সহজাত ক্রুড অয়েল বা অপরিশোধিত তেল) বেরিয়ে আসে। রিগ মেশিনে গ্যাস ও কনডেনসেট আলাদা হয়ে যায়। পরে উত্তোলিত কনডেনসেট রিফাইনারিতে রিফাইনের জন্য পাঠানো হয়। গ্যাসের এই উপজাত পরিশোধন করে অকটেন,

এদেশে সংখ্যালঘুদের ছুটি ঐচ্ছিক করুন: অর্থনীতির চাকা সচল রাখুন


বাংলাদেশের জনসংখ্যার ক্ষদ্র থেকে ক্ষুদ্রতম একটি অংশ অমুসলিমরা। এই গুটিকয়েক সংখ্যালঘুদের জন্য দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে ছুটি কাটাতে হয়। অর্থাৎ মাত্র কয়েক ভাগ অমুসলিমদের ছুটিতে দেশের ৯৮ ভাগ জনসংখ্যাকে অলস বসিয়ে রাখায় দেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এক্ষেত্রে সরকারের উচিত হবে মাত্র

প্রসঙ্গ: সুদভিত্তিক চলমান পুঁজিবাদী অর্থনীতির অসম চিত্র ও বৈষম্য এবং সুদবিহীন ব্যাংকিং পদ্ধতি


ঋণখেলাপীরা নামে-বেনামে কথিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে ঋণ নিয়ে তাদের ইচ্ছানুযায়ী বিভিন্ন খাতে খরচ করে বা পাচার করে বলে যে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়ে গেছে, এখন আর ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব না ইত্যাদি ইত্যাদি। তখন ব্যাংকেরও কিছু করার থাকে

জিএমও ফুড নিয়ে দেশের সকল মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে


২০০৪ সালে মানব খাদ্য হিসাবে জিএম ভুট্টা বিটি-১১ এর যখন অনুমোদন দেয়া হয় ৫টি দেশ ছিল বিপক্ষে এবং একটি দেশ ভোট দানে বিরত থাকে। সারা বিশ্বের বেশ কিছু বিজ্ঞানী তখন এ অনুমোদনের বিরোধিতা করেছিলো। তাদের মাঝে মে-ওয়ান হো এবং জো কমিনস

সয়াবিন তেলের কর্পোরেট আগ্রাসনে হারিয়ে গেছে স্বাস্থ্যসম্মত সরিষার তেল


২৫ কোটি মানুষের দেশের খাদ্যের বাজার বিশাল। কৃষিভিত্তিক দেশ হয়েও খাবারের বাজারের নিয়ন্ত্রন বুঝে বা না বুঝে আস্তে আস্তে তুলে দেয়া হচ্ছে বহুজাতিক কোম্পানির হাতে। তার একটি উদাহারন হলো সরিষার তেল। ৮০ দশক পর্যন্ত বাংলাদেশে মুল ভোজ্য তেল ছিল সরিষার তেল।

হিমাগারের অভাবে হাজার হাজার টন সবজি নষ্ট হয়


বাংলাদেশে প্রতি শীত মৌসুমে যে পরিমাণ শাক, সবজি, ফলমূল উৎপাদন হয় তা পর্যাপ্ত হিমাগারের অভাবে সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। এক জরিপে দেখা গেছে এ সমস্ত সবজি সংরক্ষণ করা গেলে দেশের সারা বছরের চাহিদা মিটিয়ে রফতানী করা সম্ভব। প্রতি বছরের ন্যায় টমেটো

স্থল নদীপথ ও এয়ার ট্রানজিট এবং বাংলাদেশের বিপন্ন স্বাধীনতা


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে পবিত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা জালিমও হয়ো না। আবার মজলুমও হয়ো না।” বর্তমানে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ভারতকে বিনাশর্তে ব্যবহার করতে দেওয়ার মাধ্যমে মূলত বাংলাদেশকেই আজ অনানুষ্ঠানিক করদরাজ্যে পরিণত করা হচ্ছে।

সরকারের ভিতরের ভারতীয় এজেন্টদের বিরোধিতায় গঙ্গা ব্যারেজ নির্মাণের ফাইল বারবার আটকে যাচ্ছে


ভারত কলকাতা বন্দরের নাব্যতা বৃদ্ধি এবং সিল্ট ফ্লাসিংয়ের উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি-ভাগীরথী নদীতে ৪০ হাজার কিউসেক পানি সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা আঁটে। এজন্যই গঙ্গা (পদ্মা) নদীর উজানে ফারাক্কা নামক স্থানে এই ব্যারেজ নির্মাণ করা হয়। আর ১৯৭৫ সালে তা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়

৭৮ হাজার কোটি টাকা সুদ দিয়ে এক লাখ এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে কেবলমাত্র রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রই নয়; এরপরে বরিশালেও নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ঘোষণা দেয়া! এসব প্রকল্প নিয়ে সরকার মহা ধিকৃত ও জননিন্দিত হবার পরও কেন নতুন নতুন ধ্বংসাত্মক ও বিতর্কিত কর্মসূচি নিচ্ছে?


সরকার ঘোষণা দিয়েছে, দেশের দ্বিতীয় পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলে নির্মাণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, আমরা ২৪শ’ মেগাওয়াট পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছি রূপপুরে। আমরা ইতোমধ্যে বরিশাল বিভাগের কয়েকটি দ্বীপ সার্ভে করেছি। আমার ভবিষ্যত পরিকল্পনা রয়েছে বরিশালের এই দ্বীপগুলোর

মূর্তি, মেট্রোরেল, ফ্লাইওভারের পিছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ না করে, সে টাকা দুর্গতদের জন্য খরচ করুন


প্রাপ্ত তথ্যমতে, ঢাকায় নির্মিতব্য মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যয় হবে ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এরমধ্যে জাপানের আন্তর্জাতিক ঋণ সংস্থা জাইকা দিবে ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকা। বাকিটা বাংলাদেশ সরকার বহন করবে। অন্যান্য ফ্লাইওভার নির্মাণেও ব্যয় হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশে ঘাপটি মেরে আছে ১২ লাখ ভারতীয়? না আরো বেশি? এদেশের চাকরীর বাজার দখল থেকে নাশকতা ও টাকা পাচার করছে এসব অবৈধ ভারতীয়।


একদিকে ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী শক্তি মুসলমানদের শহীদ করার জন্য উন্মত্ত হয়ে উঠেছে। নাঊযুবিল্লাহ! বাংলাদেশের স¦াধীনতা ও সার্বভৌমত্ব দখলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। অপরদিকে এ দেশে অবৈধভাবে থাকা ভারতীয়দের সংখ্যা কল্পনাতীতহাতে বাড়ছে। সেই সাথে বাড়ছে ঘাপটি মেরে থাকা ভারতীয়দের দ্বারা বিভিন্ন ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র