Archive for the ‘অর্থনীতি’ Category

তিস্তায় পানি নেই, সীমান্তে শান্তি নেই; বাঙালিকে নেশাগ্রস্ত করে লটেপুটে খাচ্ছে ভারত


কোথাও বড় ধরনের চুরি, লুটপাট বা ডাকাতি তখনই হয় যখন সেখানকার অধিবাসীরা ঘুমিয়ে থাকে অথবা খেলায় বা কোনো নেশায় বেহুঁশ হয়ে থাকে। এমন অবস্থায় শুধু চুরি ডাকাতি নয়, ব্যাপক খুন-খারাবি কিংবা গণহত্যাও সংঘটিত করা সহজ। ভারত ঠিক এই কাজটিই বাংলাদেশে করে

লোডশেডিংয়ে জর্জরিত দেশ নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার! এ যেন ফকিরের ঘর থেকে সাহায্য প্রার্থনা


আসলেই অবাক করার বিষয়! বিদ্যুৎ উৎপাদনে নিজ দেশের সক্ষমতা এবং পর্যাপ্ত উৎপাদন থাকার পরেও নেপালের মতো লোডশেডিংয়ে জর্জরিত দেশ থেকে কেন বিদ্যুৎ আমদানি করতে যাচ্ছে সরকার? যে দেশটিতে পানি সম্পদ ব্যবহার করে ৯০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভাবনা থাকলেও সেখানে

স্থলপথ নদীপথ ও এয়ার ট্রানজিট এবং বাংলাদেশের বিপন্ন স্বাধীনতা


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে পবিত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা জালিমও হয়ো না। আবার মজলুমও হয়ো না।” বর্তমানে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ভারতকে বিনাশর্তে ব্যবহার করতে দেওয়ার মাধ্যমে মূলত বাংলাদেশকেই আজ অনানুষ্ঠানিক করদরাজ্যে পরিণত করা হচ্ছে।

মাতৃভূমির স্বার্থ বিলিয়ে এ কেমন বন্ধুত্ব?


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “স্বদেশের প্রতি মুহব্বত পবিত্র ঈমান উনার অঙ্গ।” বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের স্বার্থের বিষয়ে বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে কোনো আপোস করেনি। বাংলাদেশ

মাত্র ১.৫ ভাগ সংখ্যালঘুর দুটির জন্য ৯৮ ভাগেরও বেশি বিশাল জনগোষ্ঠীকে বসিয়ে রাখার অর্থ কি?


একটি রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে হলে তাকে ছুটি দেয়ার সময় অবশ্যই লাভ-ক্ষতির হিসেব কষতে হবে। দেশের সামান্য কিছু লোকের ছুটির প্রয়োজনে গোটা দেশের মানুষের ছুটি দিয়ে দিলে নিয়ম-শৃঙ্খলা বলে কিছু থাকবে না। কেননা একদিন ছুটি দেয়া মানে দেশের অর্থনীতিকে পুরোপুরি অবশ

ঢাকা শহরের কারণে দেশের অন্যান্য জেলাগুলো বৈষম্যের শিকার


রাজনীতি, সুনীতি, দুর্নীতি, অপরাজনীতি, বাণিজ্যনীতি, তোষণনীতি, শাসননীতি প্রভৃতি সব কিছুর রাজধানী ও কেন্দ্রভূমি হচ্ছে ঢাকা। সরকারের সব ধরনের প্রশাসনিক চিন্তার কেন্দ্রভূমি হচ্ছে ঢাকা। যেহেতু ঢাকাতেই সরকারের সচিবালয় অবস্থিত। এরকম সব নীতির রাজধানী বা কেন্দ্রভূমি ঢাকা মহানগরীতে হওয়ার কারণে উপকার থেকে অপকার

জিএম ফুড, গোল্ডেন রাইস এগুলো আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ


জিএম-ফুড বা জিনগত বিকৃত খাদ্যদ্রব্য সমূহের মধ্যে এক ভয়ংকর খাদ্যদ্রব্য হলো গোল্ডেন রাইস। যা প্রচলিত হলে ধ্বংস হয়ে যাবে সমগ্র মুসলিম বিশ্বের কৃষি ব্যাবস্থা। কাজেই নীল চাষের নব্য প্রেতাত্মা গোল্ডেন রাইসের বাজারজাতকরণের প্রচেষ্টা বন্ধ করুন। আবার বিটা ক্যারোটিন হাইড্রোফোবিক বলে শরীরে

বিকেন্দীকরণের পথে না গিয়ে কথিত উন্নয়ন প্রকল্পের ভারে বিপর্যয়ের মুখে রাজধানী ঢাকা


অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড-, বাজারের চাহিদা ও বিশ্বায়নের প্রভাবে রাজধানীমুখী মানুষের চাপ প্রতি বছরই বাড়ছে। রাজধানীতে বাস করছে দুই কোটির বেশি মানুষ। মাত্র ৬০০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় তারা বাস করছে। এ বিপুলসংখ্যক মানুষের চলাচলে কোনো অঞ্চলেই সঠিক পরিকল্পনায় ফুটপাত হয়নি। পর্যাপ্ত সড়কও নেই। অপর্যাপ্ত

দেশের সমুদ্রসীমায় ৪০ ট্রিলিয়ন গ্যাস থাকলেও বিদেশ থেকে আমদানি করা হচ্ছে উচ্চমূল্যের এলএনজি


দেশে গ্যাসের ঘাটতি মেটাতে অত্যন্ত ব্যয়বহুল এলএনজি বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির দিকেই সরকারের ঝোঁক বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমদানি করা এলএনজি সার্বিক উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দেবে। সরকার বর্তমানে যে দামে গ্রাহকদের কাছে গ্যাস বিক্রি করছে, আমদানি করা গ্যাস সেই দামে বিক্রি

সুদভিত্তিক অর্থনীতিই দারিদ্র্যতার মূল কারণ


সম্মানিত কুরআন শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ অনুযায়ী সুদ হচ্ছে হারাম। হারাম থেকে কখনো হালাল বা ভালো কিছু বের হয় না। হারাম থেকে হারামই বের হয়। পাত্রে আছে যা, ঢালিলে পড়িবে তা। পাত্রে ময়লা রেখে ঢাললে মধু পড়বে- এরূপ চিন্তা করা

বহু সমস্যার একমাত্র সমাধান নগর বিকেন্দ্রীকরণ


বর্তমানে যেসমস্ত জাতীয় সমস্যার সমাধান বের করতে সরকারকে রীতিমতো গলধঘর্ম হতে হচ্ছে এবং যেগুলোর সমাধান বিগত কোনো সরকারও দিতে পারেনি সেই সমস্যাগুলো হচ্ছে- রাজধানীর যানজট নিরসন, সারাদেশে বেকারত্ব, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সামাজিক ও নৈতিকতার অবক্ষয়, মাদক নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি। অথচ এই সমস্ত সমস্যার

চামড়ার দাম কমানোর নেপথ্যে রয়েছে মাদরাসা বন্ধের কারসাজি সহ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতিসাধন


পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়া এটা মুলত গরীব ইয়াতীমদের হক্ব তথা ইয়াতীম তলিবে ইলিমদের হক্ব। বাংলাদেশে অনেক মাদরাসা রয়েছে যাদের বাৎসরিক আয়ের বড় একটি উৎস হচ্ছে পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়া। এর মাধ্যমে মাদরাসা পরিচালনার ক্ষেত্রে আর্থিক সচ্ছলতা লাভ করে। এশিয়া মহাদেশের মধ্যে