Archive for the ‘অর্থনীতি’ Category

সরকারের ভিতরের ভারতীয় এজেন্টদের বিরোধিতায় গঙ্গা ব্যারেজ নির্মাণের ফাইল বারবার আটকে যাচ্ছে


ভারত কলকাতা বন্দরের নাব্যতা বৃদ্ধি এবং সিল্ট ফ্লাসিংয়ের উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি-ভাগীরথী নদীতে ৪০ হাজার কিউসেক পানি সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা আঁটে। এজন্যই গঙ্গা (পদ্মা) নদীর উজানে ফারাক্কা নামক স্থানে এই ব্যারেজ নির্মাণ করা হয়। আর ১৯৭৫ সালে তা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়

৭৮ হাজার কোটি টাকা সুদ দিয়ে এক লাখ এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে কেবলমাত্র রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রই নয়; এরপরে বরিশালেও নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ঘোষণা দেয়া! এসব প্রকল্প নিয়ে সরকার মহা ধিকৃত ও জননিন্দিত হবার পরও কেন নতুন নতুন ধ্বংসাত্মক ও বিতর্কিত কর্মসূচি নিচ্ছে?


সরকার ঘোষণা দিয়েছে, দেশের দ্বিতীয় পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলে নির্মাণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, আমরা ২৪শ’ মেগাওয়াট পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছি রূপপুরে। আমরা ইতোমধ্যে বরিশাল বিভাগের কয়েকটি দ্বীপ সার্ভে করেছি। আমার ভবিষ্যত পরিকল্পনা রয়েছে বরিশালের এই দ্বীপগুলোর

মূর্তি, মেট্রোরেল, ফ্লাইওভারের পিছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ না করে, সে টাকা দুর্গতদের জন্য খরচ করুন


প্রাপ্ত তথ্যমতে, ঢাকায় নির্মিতব্য মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যয় হবে ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এরমধ্যে জাপানের আন্তর্জাতিক ঋণ সংস্থা জাইকা দিবে ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকা। বাকিটা বাংলাদেশ সরকার বহন করবে। অন্যান্য ফ্লাইওভার নির্মাণেও ব্যয় হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশে ঘাপটি মেরে আছে ১২ লাখ ভারতীয়? না আরো বেশি? এদেশের চাকরীর বাজার দখল থেকে নাশকতা ও টাকা পাচার করছে এসব অবৈধ ভারতীয়।


একদিকে ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী শক্তি মুসলমানদের শহীদ করার জন্য উন্মত্ত হয়ে উঠেছে। নাঊযুবিল্লাহ! বাংলাদেশের স¦াধীনতা ও সার্বভৌমত্ব দখলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। অপরদিকে এ দেশে অবৈধভাবে থাকা ভারতীয়দের সংখ্যা কল্পনাতীতহাতে বাড়ছে। সেই সাথে বাড়ছে ঘাপটি মেরে থাকা ভারতীয়দের দ্বারা বিভিন্ন ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র

ভারত বাংলাদেশকে উন্নয়ন সহযোগিতা দিবে! নাকি শোষণ করতে থাকবে?


বিভিন্ন সময় ভারতীয় আমলা-কামলারা বলে থাকে, ভারত সবসময় বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বকে খুব গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বাংলাদেশকে সবধরনের উন্নয়ন সহযোগিতা দিয়ে যাবে। বাংলাদেশও যে ভারতকে সহযোগিতা করছে সেজন্যে ভারত বাংলাদেশের কাছে কৃতজ্ঞ।” এখানে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য একটু বিশ্লেষণ করলে প্রমাণিত হয় যে,

তিস্তায় পানি নেই, সীমান্তে শান্তি নেই; বাঙালিকে নেশাগ্রস্ত করে লটেপুটে খাচ্ছে ভারত


কোথাও বড় ধরনের চুরি, লুটপাট বা ডাকাতি তখনই হয় যখন সেখানকার অধিবাসীরা ঘুমিয়ে থাকে অথবা খেলায় বা কোনো নেশায় বেহুঁশ হয়ে থাকে। এমন অবস্থায় শুধু চুরি ডাকাতি নয়, ব্যাপক খুন-খারাবি কিংবা গণহত্যাও সংঘটিত করা সহজ। ভারত ঠিক এই কাজটিই বাংলাদেশে করে

লোডশেডিংয়ে জর্জরিত দেশ নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার! এ যেন ফকিরের ঘর থেকে সাহায্য প্রার্থনা


আসলেই অবাক করার বিষয়! বিদ্যুৎ উৎপাদনে নিজ দেশের সক্ষমতা এবং পর্যাপ্ত উৎপাদন থাকার পরেও নেপালের মতো লোডশেডিংয়ে জর্জরিত দেশ থেকে কেন বিদ্যুৎ আমদানি করতে যাচ্ছে সরকার? যে দেশটিতে পানি সম্পদ ব্যবহার করে ৯০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভাবনা থাকলেও সেখানে

স্থলপথ নদীপথ ও এয়ার ট্রানজিট এবং বাংলাদেশের বিপন্ন স্বাধীনতা


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে পবিত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা জালিমও হয়ো না। আবার মজলুমও হয়ো না।” বর্তমানে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ভারতকে বিনাশর্তে ব্যবহার করতে দেওয়ার মাধ্যমে মূলত বাংলাদেশকেই আজ অনানুষ্ঠানিক করদরাজ্যে পরিণত করা হচ্ছে।

মাতৃভূমির স্বার্থ বিলিয়ে এ কেমন বন্ধুত্ব?


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “স্বদেশের প্রতি মুহব্বত পবিত্র ঈমান উনার অঙ্গ।” বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের স্বার্থের বিষয়ে বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে কোনো আপোস করেনি। বাংলাদেশ

মাত্র ১.৫ ভাগ সংখ্যালঘুর দুটির জন্য ৯৮ ভাগেরও বেশি বিশাল জনগোষ্ঠীকে বসিয়ে রাখার অর্থ কি?


একটি রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে হলে তাকে ছুটি দেয়ার সময় অবশ্যই লাভ-ক্ষতির হিসেব কষতে হবে। দেশের সামান্য কিছু লোকের ছুটির প্রয়োজনে গোটা দেশের মানুষের ছুটি দিয়ে দিলে নিয়ম-শৃঙ্খলা বলে কিছু থাকবে না। কেননা একদিন ছুটি দেয়া মানে দেশের অর্থনীতিকে পুরোপুরি অবশ

ঢাকা শহরের কারণে দেশের অন্যান্য জেলাগুলো বৈষম্যের শিকার


রাজনীতি, সুনীতি, দুর্নীতি, অপরাজনীতি, বাণিজ্যনীতি, তোষণনীতি, শাসননীতি প্রভৃতি সব কিছুর রাজধানী ও কেন্দ্রভূমি হচ্ছে ঢাকা। সরকারের সব ধরনের প্রশাসনিক চিন্তার কেন্দ্রভূমি হচ্ছে ঢাকা। যেহেতু ঢাকাতেই সরকারের সচিবালয় অবস্থিত। এরকম সব নীতির রাজধানী বা কেন্দ্রভূমি ঢাকা মহানগরীতে হওয়ার কারণে উপকার থেকে অপকার

জিএম ফুড, গোল্ডেন রাইস এগুলো আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ


জিএম-ফুড বা জিনগত বিকৃত খাদ্যদ্রব্য সমূহের মধ্যে এক ভয়ংকর খাদ্যদ্রব্য হলো গোল্ডেন রাইস। যা প্রচলিত হলে ধ্বংস হয়ে যাবে সমগ্র মুসলিম বিশ্বের কৃষি ব্যাবস্থা। কাজেই নীল চাষের নব্য প্রেতাত্মা গোল্ডেন রাইসের বাজারজাতকরণের প্রচেষ্টা বন্ধ করুন। আবার বিটা ক্যারোটিন হাইড্রোফোবিক বলে শরীরে