Archive for the ‘আন্তর্জাতিক’ Category

মূর্তি এবং ভাস্কর্যের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।


প্রাণীর প্রতিকৃতি যেকোনো উদ্দেশ্যে তৈরি করা হোক না কেন, সবই মূর্তির অন্তর্ভুক্ত। মূর্তি এবং ভাস্কর্যের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। যারা মূর্তি এবং ভাস্কর্যের মাঝে পার্থক্য করতে চায়, তারা আশাদ্দুদ দরজার জাহিল ও মূর্খ। দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারিভাবে অসংখ্য মূর্তি স্থাপনে একদিকে

হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই বাল্যবিবাহ করেছেন। যা মূলতঃ মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র ওহী মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত।


কাজেই বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা মানে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরই বিরুদ্ধে বলা; যা কাট্টা কুফরী। কারণ, বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নত মুবারক। অতএব হক্কানী রব্বানী আলিম উলামাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য

পবিত্র ছলাত বা দুরূদ শরীফ পাঠ করার বেমেছাল ফযীলত ,,,,


পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করার ফযীলত সম্পর্কে হযরত আউলিয়া কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের ক্বওল শরীফ: (১) শাইখ আহমদ ইবনে ছাবিত আল মাগরিবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘কিতাবুত তাফাক্কুর ওয়াল ইতিবার’ নামক কিতাবে লিখেন, ‘আমি পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠের মাধ্যমে যে সকল

What does Bangladesh really need right now?


“Bangladesh” has been a frequent word for last few years in world politics, be it the Rohingya issue or the newly discovered unthinkable amount of natural gas resource (goo.gl/49Ucmq). One way or the other, Bangladesh is going to encounter the league

আইএসকে অস্ত্র সরবরাহ করে যুক্তরাষ্ট্র: সউদী আরব


সিরিয়া ও ইরাক-ভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ‘আইএস’ যে অস্ত্রে যুদ্ধ করছে, তার প্রায় এক তৃতীয়াংশই যুক্তরাষ্ট্র ও সউদী আরবের। সিরিয়া-ইরাকের যুদ্ধক্ষেত্রে রিয়াদ-ওয়াশিংটন তাদের মদদপুষ্ট পক্ষকে এই অস্ত্র সরবরাহ করে। এভাবে হাত বদল হয়ে তা পৌঁছানো হয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটির হাতে। জরিপ চালিয়ে এ

আসল সন্ত্রাসী কারা? মুসলমানরা, নাকি কাফিররা?


১. হিটলার ১ কোটি ১০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিলো। সে কিন্তু মুসলিম ছিলো না, ছিলো খ্রিস্টান। ২. জোসেফ স্টালিন ২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও মুসলমান ছিলো না। নাস্তিক দাবি করতো। ৩. মাওসেতুং দেড় থেকে ২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও

রকেট/ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে পথপ্রদর্শক টিপু সুলতান। পরে ওই প্রযুক্তিই গ্রহণ করে ইউরোপীয়রা


মহীশূরের মহান মুসলিম শাসক ও বৈজ্ঞানিক টিপু সুলতানের প্রশংসা করে উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুদের তোপের মুখে ভারতের রাষ্ট্রপতি। যা ভারতীয় অসাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার ‘উজ্জ্বল’ দৃষ্টান্ত। কিন্তু কথায় বলে- ‘সত্য চেপে রাখা যায় না’। উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুরা যতই হিংসা প্রকাশ করুক সত্য প্রকাশ হবেই

৪৭-এ ভারত ভাগ- ভারতীয় মালউনদের বৈষম্য ও পীড়নের খন্ড চিত্র


সালাউদ্দিন আবু আসাদ। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে ছিল আসাদের বাড়ি। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান ভাগের পর আসাদ চলে আসেন তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানে। দেশভাগের ৭০ বছর উপলক্ষে সালাউদ্দিন আবু আসাদের কথা। ১৯৪৬ সালের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে উগ্র হিন্দুদের সাম্প্রদায়িকতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। মুসলমানদেরকে সেখানে

প্রাসঙ্গিক ভাবনা- ইসলামী সভ্যতা


(বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রিধারী যেসব জাহেল গোষ্ঠী জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি-সভ্যতা সব কিছুতেই পশ্চিমা কাফিরদেরকে গুরু মানে তাদের বোধোদয়ের জন্য) ============ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে HP (Hewlett-Packard Company)-এর তৎকালীন CEO কার্লি ফিওরিনা (Carly Fiorina) মোটিভেশনাল স্পীচ দিয়েছিল। ২০০৫ সাল পর্যন্ত ফিওরিনা ছিলো Fortune 500 কোম্পানির

আপনি জানেন কি “গাযওয়াতুল হিন্দ” কি? এর সম্পর্কে কে ভবিষ্যৎবানী করেছিলেন?


গাযওয়াতুল হিন্দ বা হিন্দুস্থানের যুদ্ধ হাদীস শরিফে বর্নিত আছে উগ্রবাদী, মৌলবাদী, হিন্দুদের ধ্বংসকারী গাযওয়াতুল হিন্দ অত্যাসন্ন ও অবশ্বাম্ভাবী। সারা পৃথিবীতে সবচে’ বড় জিহাদ যেটা হবে সেটা হবে হিন্দুস্তান তথা ভারতের মুশরিকদের সাথে। এই জিহাদে যাঁরা শরীক থাকবেন, উপস্থিত থাকবেন, অংশ গ্রহণ

মৃত্যু যেহেতু আছেই, তবে প্রকৃত ঈমানদার-মুসলমান হয়েই মৃত্যুবরণ করুন।


মৃত্যু যেহেতু আছেই, তবে প্রকৃত ঈমানদার-মুসলমান হয়েই মৃত্যুবরণ করুন। মৃত্যু যে শ্বাশত সত্য- এটা মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেছেন। প্রত্যেক নফসকে, প্রত্যেক মানুষকে তথা জিন-ইনসানসহ সমস্ত মাখলুকাতকে মৃত্যুবরণ করতে হবে।” সূরা আল ইমরান শরীফ:

পহেলা মে: ইহুদী-নাছারাদের একটি সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা তোমাদের রব উনার হুকুম বা আদেশের প্রতি দৃঢ় থাকো। কোনো অবস্থাতেই গুনাহগার ও কাফিরদের অনুসরণ করো না।’ ‘পহেলা মে’ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালিত হওয়ার নেপথ্যেও রয়েছে এই ইহুদী-নাছারা ও মুশরিকদের সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র।