Archive for the ‘ইতিহাস’ Category

স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দেয়ার প্রথা মুসলমানদের নয়


‘স্মৃতিস্তম্ভ’ ইংরেজিতে বলা হয়- `Monument’. World book -এ লেখা হয়েছে- monument is a structure usually a building or statue built in memory of a person or an event. অর্থাৎ স্মৃতিস্তম্ভ হচ্ছে- একটি অবকাঠামো, যা সাধারণত দালান জাতীয় অথবা মূর্তি, যেটা কোন

একটি ইতিহাস পর্যালোচনা: দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধিতায় মূর্তিপূজারী পুরুষদের চেয়ে পূজারী নারীরা কোন অংশেই কম নয়!


বাংলায় ২০০ বছরব্যাপী সুলতানী আমলের শ্রেষ্ঠ শাসক হযরত গিয়াসউদ্দীন আযমশাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি উনার অধীনস্থ এক বিশ্বাসঘাতক বিধর্মী কর্মচারী গণেশের চক্রান্তে শহীদ হয়েছিলেন। এই গণেশ পরবর্তীতে বাংলাদেশের শাসনক্ষমতা হাতে পেয়ে মুসলিম ওলীআল্লাহ ও ছূফী-দরবেশগণ উনাদের শহীদ করতে শুরু করে। ফলশ্রুতিতে বাংলায়

এক স্বঘোষিত ঈমানহারা, বেঈমানের মুখোশ উন্মোচন


‘অসীম ইলম মুবারক উনার অধিকারী’ বিশ্বাস করলে বা বললে যদি ঈমানহারা হতে হয়, তাহলে আইনুল হুদা ওরফে আইনুশ শয়তান লা’নাতুল্লাহি আলাইহি সদরল আমিনকে মাওলানা বলে এবং মাদরাসা থেকে ফারেগ হওয়া ব্যক্তিদেরকে মাওলানা বলা জায়েয বলে, সে নিজেই ঈমানহারা হয়ে বেঈমান হয়ে

হে পিতা-মাতা! আপনার সন্তান পাঠ্যবই থেকে কি শিখছে?


আপনিতো খুব করে ভাবছেন আপনার সন্তান স্কুল-কলেজে গিয়ে খুব করে পড়াশুনা করে অনেক বড় কিছু হবে। কিন্তু আপনি কি ভেবে দেখেছেন আপনার এ সন্তান আপনারই আদর্শ থেকে ছিটকে পড়ছে। আপনি যে দ্বীন-ধর্ম শিক্ষা করে বড় হয়েছেন, যে ঈমান নিয়ে আপনি পিতা-মাতা

মুসলমান ঈমানী বলে বলীয়ান হলে কাফিরদের উপর বিজয় নিশ্চিত


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “মু’মিন-মুসলমানগণকে সাহায্য করাই মহান আল্লাহ পাক উনার হক্ব।” (পবিত্র সূরা রূম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৭) সুবহানাল্লাহ! মহাপবিত্র কুরআন শরীফে নাযিলকৃত পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত

বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যই বিধর্মীরা ভারতবর্ষের মুসলিম শাসকদের ইতিহাসকে বিকৃত করে থাকে


“মহোদয়গণ, এখানে ঐ ছবির সামনে দাঁড়িয়ে (দেয়ালে টাঙ্গানো শিবাজির ছবি দেখিয়ে) আমরা কি তার জীবন থেকে অনুপ্রেরণা লাভ করতে পারি না।… আমি জানি শিবাজি বার বার বঙ্গদেশে হামলা করেছিল (হাস্য), তার বাহিনী আমাদের সম্পদ লুট করেছে, আমাদের মন্দির ও গৃহদেবতা পর্যন্ত

বিধর্মীরাই/অমুসলিমরাই বিশ্ব অপরাধের শীর্ষে: পৃথিবীর সবচাইতে কুখ্যাত কিছু নৌদস্যু


ঠোঁট কেটে রান্না করা লোয়া: জন্ম ইংল্যান্ডে। ১ম দিকে ছিলো পকেটমার। এরপর চুরিসহ অনেক অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। তারপর আমেরিকায় এসে ১৭২২ সালে একটি দস্যু দলের নেতৃত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে নৌদস্যু হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে লোয়া। গোড়ার দিকে পোর্ট রোজওয়েতে নোঙর

পবিত্র ঈমান ধ্বংসে উলামায়ে সূ’রা অনেক কঠিন ও ভয়ঙ্কর ফিতনা


হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গাযযালী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার লিখিত বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘বিদায়াতুল হিদায়া’তে এসেছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اَنَا مِنْ غَيْرِ الدَّجَّالِ اَخْوَفُ عَلَيْكُمْ مّـِنَ الدَّجَّالِ فَقِيْلَ وَمَا هُوَ يَا رَسُوْلَ اللهِ

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হচ্ছে বলে যাদের মায়াকান্না, তাদের জন্য….


কিছু লোক প্রচার করে বেড়ায়, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নাকি অনেক নির্যাতিত হয়ে থাকে, কিন্তু ভারতের মুসলমানরা অনেক সুখে-শান্তিতে বসবাস করে। যারা এ ধরনের ডাহা মিথ্যা প্রচারনা করে থাকে- তাদের উত্তরে বলতে হয়, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকে ভারতে মুসলিম নিধনে দাঙ্গার লিস্ট

উপজাতি-বৌদ্ধগুলোর রাজাকারগিরি ইতিহাস থেকে মুছে যায়নি


৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদের দুই প্রধান ত্রিদিব এবং অংশু প্রু পাকিস্তানের পক্ষ নেয়। ত্রিদিব সে প্রথম রাঙ্গামাটিতে পাকিস্তানি আর্মিদের নিয়ে আসে। এরপর আসে বিশুদ্ধানন্দের নাম। ‘একাত্তরের ঘাতক ও দালালেরা কে কোথায়’ বইতে উল্লেখ করা হয়েছে- স্বাধীনতা যুদ্ধের

মুসলিম শাসনামলে বাংলায় এবং উত্তরভারতে দেশবিভাগের আগপর্যন্ত শিক্ষিত বিধর্মীদের সংস্কৃতি ছিল ‘মুসলমানী সংস্কৃতি’


মুসলিম শাসনের সময়ে বাংলাদেশে শিক্ষিত বিধর্মীদের সংস্কৃতি নিয়ে প্রাবন্ধিক নীরদ সি চৌধুরী তার রচিত ‘আত্মঘাতী বাঙালী’ গ্রন্থে মন্তব্য করেছে- “বাঙালি বিধর্মী পুরুষ ইংরেজ রাজত্বের আগে একমাত্র মুসলমান নবাবের কর্মচারী হইলে মুসলমানী পোষাক পরিত, উহা অন্দরে লইয়া যাওয়া হইত না। বাহিরে বৈঠকখানার

‘উলুধ্বনি’কেও মূর্খরা হালাল বলতে চায়!!!


কিছু মূর্খ আছে বলে থাকে “শব্দের সঙ্গে ধর্মের কি সম্পর্ক? শব্দ একটি ভাষা আর ভাষা হলো সাহিত্য। এসব জাহিলরা আরও বলে- কা’বা শরীফে গিয়েও তো উলুধ্বনি দেয়া হয়।” নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! ভুলে গেলে চলবে না- ‘শব্দ’ অবশ্যই দ্বীন/ধর্মের সাথে সম্পর্কযুক্ত এবং