Archive for the ‘ইতিহাস’ Category

বাংলাদেশ নামের এই ভূখণ্ড পুরোটাই মুসলমানদের অবদান


বাংলাদেশ নামের এই ভূখণ্ড মুসলমানরাই আবাদ করেছেন। পৃথিবীর বুকে এক সমৃদ্ধ মানচিত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন; কিন্তু কোনো বিধর্মী কখনই বাংলার ভালো চায়নি। বিধর্মীরা বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত দেশ হিসাবে গড়া তো দূরে থাক; কিভাবে এই দেশের স্বাধীন সত্ত্বাকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা যায়

বিধর্মীরা যতটুকু সভ্যতা পেয়েছে তা মুসলিম শাসনামলে, বর্বরোচিত সতীদাহ প্রথাও বন্ধ করেছিলেন মুসলিম শাসকগণ


একথা সবারই জানা রয়েছে, একটি গোঁড়া বর্বর প্রথার নাম হচ্ছে ‘সতীদাহ প্রথা’। এ বর্বর নির্মম প্রথা অনুসারে স্বামীর মৃত্যুর পর চিতায় মৃত স্বামীর সাথে জীবন্ত স্ত্রীকেও পুড়িয়ে হত্যা করা হতো। মহিলাটি পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করলে, হিন্দুরা তাকে টেনে-হেঁচড়ে, পিটিয়ে এরপর অগ্নিকুন্ডের

ছি! অমুসলিম-বিধর্মীরা কতবেশি দুর্গন্ধময়!!


ইউরোপিয়ান খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের নাকে শাস্তি স্বরূপ অনেকেই গোলাপফুল শুঁকাতো। কারণ খ্রিস্টানগুলো গোলাপের সুগন্ধি সহ্য করতে পারতো না। কথায় আছে- শুকর শুঁকতে পারে না- আতরের ঘ্রাণ। ইউরোপিয়দের এই দুর্গন্ধময় ইতিহাস নিয়ে তাদের নিজস্ব ঘরানার ঐতিহাসিক সেন্ডর মারাই লিখেছে, ইউরোপিয়ান বারজিউসরা উনবিংশ শতাব্দীর

An Introduction to Mu’hammadia Jaami’ah Shareef Madrasa


Assalamu ‘Alaikum Dear Brothers! Today you shall learn about a unique Islamic Institute in the world named Mu’hammadia Jaami’ah Shareef Madrasa, Orphanage and Lillah Boarding. Basically, this institute engages in such national and international activities on the basis of the sacred

অশ্লীলতা ও বিকৃতরুচিতে ভরপুর মূর্তিপূজকদের গোটা সমাজজীবন


“সেকালে বাঙালীদের (মূর্তিপূজকদের) মধ্যে ‘শাশুড়ে’ এবং ‘বৌও’ বলিয়া দুটি গালি শোনা যাইত, উহার প্রথমটির অর্থ শাশুড়িরত, ও দ্বিতীয়টির অর্থ পুত্রবধূরত। শ্বশুর-পুত্রবধূর ব্যাপার সম্ভবত খুব কমই দেখা যাইত, কিন্তু শাশুড়ি-জামাই ঘটিত ব্যাপার বিরল ছিল না।” (সূত্র: বাঙালি জীবনে রমণী, নীরদ সি চৌধুরী,

জুতা চোর তারাই যারা ৮ রাকায়াত তারাবি পড়ে পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায়!


২০ রাকায়াত তারাবীহ নামায আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। কোনো জরুরত ছাড়া যারা ৮ রাকায়াত তারাবীহ পড়ে (৮ রাকায়াতে বিশ্বাসী) পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায় তারা নিশ্চয় জুতা চোর। এদের কে যেখানে পাবেন গণধোলাই দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দিন। – নূরে মুজাসসাম

‘অমঙ্গল যাত্রা’র কলঙ্কিত ইতিহাসটি জেনে নিন


এক শ্রেণীর সুবিধাভোগী এবং কথিত কু-বুদ্ধিজীবি ‘অপসাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব’ পহেলা বৈশাখের ‘অমঙ্গল যাত্রা’ নিয়ে হৈচৈ শুরু করেছে। পহেলা বৈশাখের অমঙ্গল যাত্রা যেন অঞ্চলের অপসংস্কৃতির মূল। ব্যবসায়িক স্বার্থে ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়াগুলোতে পহেলা বৈশাখে অমঙ্গল যাত্রাকে সংস্কৃতি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। বেসরকারি টিভি মিডিয়াগুলো ব্যবসায়িক

১৯৫৮ সালে শুরু হওয়া পহেলা বৈশাখ হাজার বছরের ঐতিহ্য হয় কি করে?


বর্তমানে আমাদের দেশে প্রচলিত বাংলা সন আদৌ বাঙালির কোনো সন নয়। বরং এটি শাষক আকবর কর্তৃক প্রবর্তিত এ অঞ্চলের ক্ষেত-খামারে উৎপাদিত ফসলের হিসাব-নিকাশ সহজবোধ্য করার জন্য একটি নতুন সন। যাকে ‘ফসলী সন’ বলা হয়। এটার সাথে এদেশবাসী কিংবা বাঙালি জাতির কোনো

ভারতবর্ষে বিধবাবিবাহের প্রচলন করেছেন মুসলমানগণ; ব্রিটিশ দালাল ঈশ্বরচন্দ্র নয়


আমরা জানি যে, হিন্দুদের মধ্যে বিধবাদের বিয়ে দেয়া নিষিদ্ধ। ব্রিটিশআমলের শুরুর দিকে এই কুসংস্কারাচ্ছন্ন হিন্দু সমাজের অনুকরণে ভারতবর্ষের মুসলিম সমাজেও বিধবাদের বিয়ে না দেয়ার অপরীতি প্রচলিত হয়েছিল। তখন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নিজে বিধবাবিবাহ করে এই হিন্দুয়ানী

শহীদে বালাকোট হযরত সাইয়্যিদ আহমদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি – তিনি ভারতীয় উপমহাদেশে স্বাধীনতা আন্দোলনের জনক ! – পর্ব ১


প্রিয় বন্ধুগণ! আমরা নানা সময়ে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের নিয়ে আলোচনা করে থাকি কিন্তু মহান মুজাদ্দিদ শহীদে বালাকোট হযরত সাইয়্যিদ আহমদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে আলোচনা হয় খুবই কম। আলোচনা হওয়া তো দূরের কথা, ব্রিটিশরা ও তাদের অনুগতরা উনার উপরে

পহেলা রবিউল আউয়াল শরীফ, সম্মাণিত হিজরত মুবারক দিবস


মুসলিম জাতির মাঝে কে আছে যে হযরত আবু আইয়ূব আল-আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নাম জানে না? উনার সুনাম, খ্যাতি, মর্যাদা, মর্তবা আল্লাহপাক এবং উনার রাসূল শাহীদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমুন্নত করেছেন সমগ্র বিশ্বে। উনার মর্যাদা, খ্যাতি বৃদ্ধির অন্যতম কারন,

হযরত কুতুবুদ্দীন আইবেক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জীবনি সংক্ষেপে


  তিনি যখন ছোট ছিলেন জৈনিক সওদাগর তুর্কিস্থান থেকে নিশাপুর নিয়ে আসে।এবং উনাকে কাজী ফখরুদ্দীন ইবনে আব্দুল আজীজের কাছে বিক্রি করে দেয়। কাজী সাহেব ছিলেন হযরত ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি উনার বংশধর। কাজীসাব উনাকে কৃতদাসের মত রাখলেন না বরং পুত্রসুলভ ব্যবহার