Archive for the ‘ইতিহাস’ Category

……..সুবাহানআল্লাহ


🌺শুক্রিয়া বেশুমার শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র কলি.. কে তুমি যাও পোস্টার লিফলেটের মুহব্বতে অলি গলি… রিজানুল গায়েব পেশে খেদমতে সাথে আল্লাহ পাক উনার ওলি..!! ……..সুবাহানআল্লাহ https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=687273008869890&id=100027615900409

একটি ইতিহাস বিশ্লেষণ: মূর্তি দ্বারা মুসলিম উচ্ছেদই হলো বাবরি মসজিদের শাহাদাতের শিক্ষা, যা এখনও মুসলমানরা অনুধাবন করতে পারছে না


বাবরি মসজিদ ধ্বংস ও তৎপরবর্তী যেসব ঘটনা, তার সূত্রপাত ঘটেছিল ১৯৪৯ সালের একটি রহস্যজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ঐ বছরের ডিসেম্বর মাসে কোনো এক মধ্যরাতে বাবরি মসজিদের মিহরাবের মধ্যে কল্পিত শিশু রামের একটি মূর্তি রেখে আসা হয়। সকালে রটিয়ে দেয়া হয় যে,

বিশ্বভ্রাতৃত্ব’, ‘বিশ্ব নিরাপত্তা’, ‘জাতিগত বন্ধুত্ব’ ইত্যাদির অযুহাতে নিধন করা হচ্ছে মুসলমানদের মুসলমানরা আধুনিক অস্ত্রসজ্জিত হলে শান্তি নষ্ট হয়, আর বিধর্মীরা অস্ত্রসজ্জিত হলে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা হয়!


কী ছিল সেই ইহুদী প্রটোকলে: ‘বিশ্বভ্রাতৃত্ব’, ‘বিশ্ব নিরাপত্তা’, ‘জাতিগত বন্ধুত্ব’ ইত্যাদির অযুহাতে নিধন করা হচ্ছে মুসলমানদের মুসলমানরা আধুনিক অস্ত্রসজ্জিত হলে শান্তি নষ্ট হয়, আর বিধর্মীরা অস্ত্রসজ্জিত হলে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা হয়! মুসলমানদের দমিয়ে রাখতে ইহুদীদের বহুল ব্যবহৃত তিনটি শব্দ- ‘বিশ্বভ্রাতৃত্ব’, ‘বিশ্ব

মুসলমানদের উচিত সপ্তাহের বারসমূহের নাম পবিত্র হাদীছ শরীফ অনুযায়ী উচ্চারণ করা।


একজন বয়োঃপ্রাপ্ত ও সুস্থ বিবেকসম্পন্ন মুসলমান পুরুষ-মহিলার জন্য দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামায আদায় করতে হয়। এ পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের নামকরণ পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারাই হয়েছে। যেমন ফজর, যুহর, আছর, মাগরিব ও ‘ইশা। আজ পর্যন্ত কোন মুসলমান এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাযকে ওয়াক্তের

বাংলাদেশে ‘সংখ্যালঘু নির্যাতনের মিথ্যাচার’ বিপরীতে ভারতে মুসলিম নির্যাতন


ভারতের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাগুলোতে যেভাবে মুসলমানদের উপর পাশবিকতা প্রদর্শন করা হয়, তা সারা বিশ্বেই নজিরবিহীন। হত্যা গণসম্ভ্রমহানি থেকে শুরু করে সন্তানসম্ভ্রাবা মুসলিম মহিলাদের পেট চিরে বাচ্চা বের করে ত্রিশূলের আগায় গেঁথে নিয়ে ভারতের বিধর্মীরা পাশবিক নৃত্য করে থাকে। ভারতে মুসলমানদের কোনো চাকরি

ইতিহাসের ধুম্রজালে যুগে যুগে শাসকদের বিধর্মীপ্রীতি এবং এর পরিণতি! সময়কাল: মুঘল আমল। রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে চক্রান্তের দোসর মালউন এবং মুরতাদদের পূর্বসূরিদের অপকর্ম প্রসঙ্গে


বাংলাদেশবিদ্বেষী সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী হিন্দুরা প্রায় সময় প্রোপাগান্ডা করে থাকে যে- ‘মুসলমানরা এই উপমহাদেশ দখল করেছে, অনেক মন্দির ভেঙ্গে মসজিদ করেছে। আর ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনও তাদের সৃষ্টি’। নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু ইতিহাসের ধুম্রজালে হারিয়ে গিয়েছে অনেক সত্য, ক’জন জানে প্রকৃত ঘটনাগুলো। এই উপমহাদেশে ইংরেজদের বিরুদ্ধে

অহিংসা পরম ধর্ম’, ‘জীবহত্যা মহাপাপ’ এসব গালসর্বস্ব বুলিই বৌদ্ধধর্মের একমাত্র বক্তব্য নয়


“বৌদ্ধরাও এই পঞ্চ ‘ম’ কারে অভ্যস্ত হয়েছিল। অনঙ্গবজ্রের প্রজ্ঞোপায় বিনিশ্চয়সিদ্ধি গ্রন্থে বলা হয়েছে যে, মহামুদ্রার অভিজ্ঞতার জন্য সাধককে নির্বিচারে নারী সম্ভোগ করতে হবে। শুধু তাই নয়, তত্ত্বযোগের চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সাধককে তার মাতা কন্যা ভগিনী ও ভাগিনেয়ীর সঙ্গে উপগত হতে

উপমহাদেশে ব্রিটিশদের রক্তাক্ত শাসনামলই ওদেরকে চেনার জন্য যথেষ্ট


১৭৫৭ সালের পলাশী যুদ্ধে মীরজাফরদের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে উপমহাদেশে মুসলিম স্বাধীনতা-সূর্য অস্তমিত হয়। আধিপত্যবাদী ইংরেজ বেনিয়ার চরম আক্রোশের শিকার হন মুসলমানগণ। মুসলমানরা রাজ্যশাসন, জমিদারী, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা-দীক্ষা, তাহযীব-তামাদ্দুন ইত্যাদি সব ব্যাপারে সীমাহীন যুলুম-নির্যাতনের শিকার হতে থাকেন। আর সে সময় কাপুরুষ ও সুবিধাবাদী হিন্দুরা

মূর্তিপূজারী সম্প্রদায়ের কৃত্রিম ‘আভিজাত্য’


পৃথিবীতে যেসব বংশ অভিজাত বংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, তাদের পূর্বপুরুষদের মধ্যে কোন না কোন বীরপুরুষ কিংবা স্বাধীনতাকামী রাজার সন্ধান মেলে। যে রাজা বা বীরপুরুষ কোন গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিয়েছে, কিংবা তাদের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছে। কিন্তু বাঙালি মূর্তিপূজারীদের ইতিহাসে কখনোই তাদের

ইতিহাস কথা বলে: আফসুস ! বাঙালি মুসলমান আজ মূর্তিপূজারীদের ‘ভাই’ বলে ডাকে!


ব্রিটিশ আমলে ভারতে কর্মরত ইংরেজ আমলা উইলিয়াম হান্টার লিখেছিল ‘দ্য ইন্ডিয়ান মুসলমানস’ নামক বইটি। চরম মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্যে পরিপূর্ণ এই বইটি লেখা হয়েছিল তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড মেয়োর একটি প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধানে, তাহলো “ভারতীয় মুসলমানগণ কি তাদের ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে

একটি ঐতিহাসিক পর্যালোচনা: বিধর্মীদের ক্ষমতায়িত করার করুণ পরিণতি


উইলিয়াম হান্টার নামে বাংলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত এক ব্রিটিশ প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ১৮৭১ সালে লিখেছিল ‘দি ইন্ডিয়ান মুসলমানস’ নামক তার ব্যাপক আলোচিত বইটি। বইটির একটি অধ্যায় রয়েছে ‘ব্রিটিশ শাসনে মুসলমানদের প্রতি অন্যায়’ শিরোনামে, যেখানে বিবৃত হয়েছে ব্রিটিশদের মদদে প্রশাসন ও বিচার বিভাগের প্রত্যেকটি ক্ষেত্র

সুন্নতি নালাইন ব্যবহার করা খাছ সুন্নত


সুন্নাতি নালাইন কাউকে হাদিয়া দেয়াও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু বর্ণনা করেন, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু’ফিতা বিশিষ্ট চামড়ার নালাইন শরীফ (স্যান্ডেল বা জুতা) পরিধান করতেন। (শামায়েলে তিরমিযী, জামউল ওসায়েল, আদাবুন নবী) অর্থাৎ