Archive for the ‘ইতিহাস’ Category

অহিংসা পরম ধর্ম’, ‘জীবহত্যা মহাপাপ’ এসব গালসর্বস্ব বুলিই বৌদ্ধধর্মের একমাত্র বক্তব্য নয়


“বৌদ্ধরাও এই পঞ্চ ‘ম’ কারে অভ্যস্ত হয়েছিল। অনঙ্গবজ্রের প্রজ্ঞোপায় বিনিশ্চয়সিদ্ধি গ্রন্থে বলা হয়েছে যে, মহামুদ্রার অভিজ্ঞতার জন্য সাধককে নির্বিচারে নারী সম্ভোগ করতে হবে। শুধু তাই নয়, তত্ত্বযোগের চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সাধককে তার মাতা কন্যা ভগিনী ও ভাগিনেয়ীর সঙ্গে উপগত হতে

উপমহাদেশে ব্রিটিশদের রক্তাক্ত শাসনামলই ওদেরকে চেনার জন্য যথেষ্ট


১৭৫৭ সালের পলাশী যুদ্ধে মীরজাফরদের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে উপমহাদেশে মুসলিম স্বাধীনতা-সূর্য অস্তমিত হয়। আধিপত্যবাদী ইংরেজ বেনিয়ার চরম আক্রোশের শিকার হন মুসলমানগণ। মুসলমানরা রাজ্যশাসন, জমিদারী, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা-দীক্ষা, তাহযীব-তামাদ্দুন ইত্যাদি সব ব্যাপারে সীমাহীন যুলুম-নির্যাতনের শিকার হতে থাকেন। আর সে সময় কাপুরুষ ও সুবিধাবাদী হিন্দুরা

মূর্তিপূজারী সম্প্রদায়ের কৃত্রিম ‘আভিজাত্য’


পৃথিবীতে যেসব বংশ অভিজাত বংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, তাদের পূর্বপুরুষদের মধ্যে কোন না কোন বীরপুরুষ কিংবা স্বাধীনতাকামী রাজার সন্ধান মেলে। যে রাজা বা বীরপুরুষ কোন গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিয়েছে, কিংবা তাদের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছে। কিন্তু বাঙালি মূর্তিপূজারীদের ইতিহাসে কখনোই তাদের

ইতিহাস কথা বলে: আফসুস ! বাঙালি মুসলমান আজ মূর্তিপূজারীদের ‘ভাই’ বলে ডাকে!


ব্রিটিশ আমলে ভারতে কর্মরত ইংরেজ আমলা উইলিয়াম হান্টার লিখেছিল ‘দ্য ইন্ডিয়ান মুসলমানস’ নামক বইটি। চরম মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্যে পরিপূর্ণ এই বইটি লেখা হয়েছিল তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড মেয়োর একটি প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধানে, তাহলো “ভারতীয় মুসলমানগণ কি তাদের ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে

একটি ঐতিহাসিক পর্যালোচনা: বিধর্মীদের ক্ষমতায়িত করার করুণ পরিণতি


উইলিয়াম হান্টার নামে বাংলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত এক ব্রিটিশ প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ১৮৭১ সালে লিখেছিল ‘দি ইন্ডিয়ান মুসলমানস’ নামক তার ব্যাপক আলোচিত বইটি। বইটির একটি অধ্যায় রয়েছে ‘ব্রিটিশ শাসনে মুসলমানদের প্রতি অন্যায়’ শিরোনামে, যেখানে বিবৃত হয়েছে ব্রিটিশদের মদদে প্রশাসন ও বিচার বিভাগের প্রত্যেকটি ক্ষেত্র

সুন্নতি নালাইন ব্যবহার করা খাছ সুন্নত


সুন্নাতি নালাইন কাউকে হাদিয়া দেয়াও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু বর্ণনা করেন, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু’ফিতা বিশিষ্ট চামড়ার নালাইন শরীফ (স্যান্ডেল বা জুতা) পরিধান করতেন। (শামায়েলে তিরমিযী, জামউল ওসায়েল, আদাবুন নবী) অর্থাৎ

ভারত সম্ভ্রমহানির দেশ হয়েছে মুশরিকদের কথিত বীরদের (!) অনুপ্রেরণায়


মুশরিকদের তথাকথিত এক বীরপুরুষের নাম হলো শিবাজি। এই দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী শিবাজির অধীনস্থ মারাঠা দস্যু বাহিনী বাংলায় ব্যাপক লুটতরাজ চালিয়েছিল, যা বাংলার ইতিহাসে ‘বর্গী হামলা’ নামে মশহুর। ‘খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো, বর্গী এলো দেশে’ ছড়াটি এখনো বর্গীদের নৃশংসতার সাক্ষর বহন করছে। মুশরিক

বিজাতীয়-বিধর্মীদের লেখা কথিত জাতীয় সংগীত পরিবর্তনদের দাবি রাখে


বাংলার ইতিহাসে মুশরিক জমিদাররা এদেশের মুসলমানদের উপর যে অমানবিক যুলুম নির্যাতন আর শোষণ করেছে তার ইতিহাসও রয়েছে। রবীন্দ্রও ছিলো সেই শ্রেণীর জমিদারদের কাতারে। তার বহু কাব্য রচনার মধ্যে মুসলিমবিদ্বেষী মনোভাব প্রখরভাবে ফুটে উঠে। উদাহরণস্বরূপ- তার ‘প্রায়শ্চিত্ত’ নামক নাটকে প্রতাপাদিত্যের উক্তি- ‘খুন

বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যই বিধর্মীরা ভারতবর্ষের মুসলিম শাসকদের ইতিহাসকে বিকৃত করে থাকে


“মহোদয়গণ, এখানে ঐ ছবির সামনে দাঁড়িয়ে (দেয়ালে টাঙ্গানো শিবাজির ছবি দেখিয়ে) আমরা কি তার জীবন থেকে অনুপ্রেরণা লাভ করতে পারি না।… আমি জানি শিবাজি বার বার বঙ্গদেশে হামলা করেছিল (হাস্য), তার বাহিনী আমাদের সম্পদ লুট করেছে, আমাদের মন্দির ও গৃহদেবতা পর্যন্ত

কথিত ‘জাতীয় সঙ্গীত’ পরিবর্তনের যৌক্তিকতা


সরকারি আমলা ও প্রশাসন হিন্দুত্ববাদী রবীন্দ্রও তার মতাদর্শকে যেভাবে প্রচার-প্রসারে নেমেছে তা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ তথা ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠি মুসলমানদের সংস্কৃতির সাথে কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ, সেটা ভেবে দেখা অত্যন্ত জরুরী। নচেৎ প্রশ্ন থেকে যায়, তাহলে কি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার তাহযীব-তামাদ্দুন অসম্পুর্ণ?

বৃটিশ ও ভারতীয় বিধর্মীরা মিলেমিশে মুসলমানদের ক্ষতিসাধন করেছে


প্রশাসনের শীর্ষে বিধর্মী কর্মকর্তারা যে কতবড় সর্বনাশের কারণ হতে যাচ্ছে মুসলমানদের জন্য সেটা আজ এই বঙ্গবাসী মুসলমানেরা কল্পনাও করতে পারছে না। বাস্তব এটাই যে এই বিধর্মীরাই এই পাক ভারত উপমহাদেশে তিলে তিলে মুসলমানদের শোষণ করেছে। অথচ ইতিহাসের শিক্ষা এটাই যে মানুষ

বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যই বিধর্মীরা ভারতবর্ষের মুসলিম শাসকদের ইতিহাসকে বিকৃত করে থাকে


“মহোদয়গণ, এখানে ঐ ছবির সামনে দাঁড়িয়ে (দেয়ালে টাঙ্গানো শিবাজির ছবি দেখিয়ে) আমরা কি তার জীবন থেকে অনুপ্রেরণা লাভ করতে পারি না।… আমি জানি শিবাজি বার বার বঙ্গদেশে হামলা করেছিল (হাস্য), তার বাহিনী আমাদের সম্পদ লুট করেছে, আমাদের মন্দির ও গৃহদেবতা পর্যন্ত