Archive for the ‘ইতিহাস’ Category

উপজাতি-বৌদ্ধগুলোর রাজাকারগিরি ইতিহাস থেকে মুছে যায়নি


৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদের দুই প্রধান ত্রিদিব এবং অংশু প্রু পাকিস্তানের পক্ষ নেয়। ত্রিদিব সে প্রথম রাঙ্গামাটিতে পাকিস্তানি আর্মিদের নিয়ে আসে। এরপর আসে বিশুদ্ধানন্দের নাম। ‘একাত্তরের ঘাতক ও দালালেরা কে কোথায়’ বইতে উল্লেখ করা হয়েছে- স্বাধীনতা যুদ্ধের

মুসলিম শাসনামলে বাংলায় এবং উত্তরভারতে দেশবিভাগের আগপর্যন্ত শিক্ষিত বিধর্মীদের সংস্কৃতি ছিল ‘মুসলমানী সংস্কৃতি’


মুসলিম শাসনের সময়ে বাংলাদেশে শিক্ষিত বিধর্মীদের সংস্কৃতি নিয়ে প্রাবন্ধিক নীরদ সি চৌধুরী তার রচিত ‘আত্মঘাতী বাঙালী’ গ্রন্থে মন্তব্য করেছে- “বাঙালি বিধর্মী পুরুষ ইংরেজ রাজত্বের আগে একমাত্র মুসলমান নবাবের কর্মচারী হইলে মুসলমানী পোষাক পরিত, উহা অন্দরে লইয়া যাওয়া হইত না। বাহিরে বৈঠকখানার

‘উলুধ্বনি’কেও মূর্খরা হালাল বলতে চায়!!!


কিছু মূর্খ আছে বলে থাকে “শব্দের সঙ্গে ধর্মের কি সম্পর্ক? শব্দ একটি ভাষা আর ভাষা হলো সাহিত্য। এসব জাহিলরা আরও বলে- কা’বা শরীফে গিয়েও তো উলুধ্বনি দেয়া হয়।” নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! ভুলে গেলে চলবে না- ‘শব্দ’ অবশ্যই দ্বীন/ধর্মের সাথে সম্পর্কযুক্ত এবং

ইতিহাসে আলোচিত কিছু মুসলিম ব্যক্তিত্ব, যারা বিধর্মীদেরকে ভালোবেসে তাদের দ্বারাই প্রতারিত-নিগৃহীত-অপমানিত হয়েছিল


‘অসাম্প্রদায়িকতা’ ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ এসব চটকদার কথা আমাদের দেশের কথিত বুদ্ধিজীবীদের মুখে প্রতিনিয়তই শোনা যায়। টকশো-সর্বস্ব এসব বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী দালালদের বিপরীতে ইতিহাসে মশহুর এমনও কিছু প্রতিভাবান মুসলিম ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যারা প্রথমজীবনে বিধর্মীদের সমাদর করলেও পরবর্তীতে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত হয়েছিলেন। মুহম্মদ মনিরুজ্জামান রচিত,

যেখানে ভারতীয় পাঠ্যপুস্তকেও ক্ষুদিরাম-প্রফুল্ল চাকীদেরকে সন্ত্রাসবাদী বলে স্বীকার করা হয়েছে, সেখানে এদেশের পাঠ্যপুস্তকে কিনা…!


সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের মধ্যশিক্ষা পর্ষদ তাদের পাঠ্যপুস্তকে কথিত স্বদেশী আন্দোলনকে ‘সন্ত্রাসবাদী আন্দোলন’ বলে স্বীকার করেছে, যার ফলে হাহাকার পড়ে গিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে। ভারতীয় নিউজ ওয়েবসাইট জি নিউজ ডট কমে প্রকাশিত “মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পাঠ্য বইয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামীরা পেল সন্ত্রাসবাদী তকমা!” শিরোনামের খবরে বলা

বঙ্গবন্ধুর ইমেজকে পুঁজি করে আ’লীগের সুবিধাবাদী ভারতপন্থীরা নিজেদের রাজনীতি চালিয়ে নিতে চাইলেও কট্টর ভারতপন্থীরা এখন বঙ্গবন্ধুর সমালোচনায় উদ্যত


কিছুদিন আগে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা একটি বই নিয়ে যথেষ্ট অস্বস্তি প্রকাশ করছে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধের উপ-প্রধান সেনাপতি এ. কে. খন্দকারের লেখা ‘১৯৭১: ভেতরে বাহিরে’ নামক একটি বই নিয়ে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টরাই তাকে ‘কুলাঙ্গার’ বলে ডাকতে

ইতিহাস পর্যালোচনা:‘আমার সোনার বাংলা’ মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিধর্মীদেরকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য লিখিত


আমার সোনার বাংলা বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হলেও এর রচনার মূলে ছিল রবীন্দ্রের মুসলিমবিদ্বেষী মনোভাব এবং বাংলাদেশ সৃষ্টির বিরুদ্ধাচরণ। ১৯০৫ ঈসায়ী সালে বঙ্গভঙ্গ আইনের দ্বারা বাংলা প্রদেশকে ভাগ করে পূর্ব-বাংলা এবং পশ্চিম-বাংলা নামে দুটি প্রদেশে রুপান্তর করা হয়। পূর্ব-বাংলার অংশে যোগ হয়

বাংলাদেশ নামের এই ভূখণ্ড পুরোটাই মুসলমানদের অবদান


বাংলাদেশ নামের এই ভূখণ্ড মুসলমানরাই আবাদ করেছেন। পৃথিবীর বুকে এক সমৃদ্ধ মানচিত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন; কিন্তু কোনো বিধর্মী কখনই বাংলার ভালো চায়নি। বিধর্মীরা বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত দেশ হিসাবে গড়া তো দূরে থাক; কিভাবে এই দেশের স্বাধীন সত্ত্বাকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা যায়

বিধর্মীরা যতটুকু সভ্যতা পেয়েছে তা মুসলিম শাসনামলে, বর্বরোচিত সতীদাহ প্রথাও বন্ধ করেছিলেন মুসলিম শাসকগণ


একথা সবারই জানা রয়েছে, একটি গোঁড়া বর্বর প্রথার নাম হচ্ছে ‘সতীদাহ প্রথা’। এ বর্বর নির্মম প্রথা অনুসারে স্বামীর মৃত্যুর পর চিতায় মৃত স্বামীর সাথে জীবন্ত স্ত্রীকেও পুড়িয়ে হত্যা করা হতো। মহিলাটি পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করলে, হিন্দুরা তাকে টেনে-হেঁচড়ে, পিটিয়ে এরপর অগ্নিকুন্ডের

ছি! অমুসলিম-বিধর্মীরা কতবেশি দুর্গন্ধময়!!


ইউরোপিয়ান খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের নাকে শাস্তি স্বরূপ অনেকেই গোলাপফুল শুঁকাতো। কারণ খ্রিস্টানগুলো গোলাপের সুগন্ধি সহ্য করতে পারতো না। কথায় আছে- শুকর শুঁকতে পারে না- আতরের ঘ্রাণ। ইউরোপিয়দের এই দুর্গন্ধময় ইতিহাস নিয়ে তাদের নিজস্ব ঘরানার ঐতিহাসিক সেন্ডর মারাই লিখেছে, ইউরোপিয়ান বারজিউসরা উনবিংশ শতাব্দীর

An Introduction to Mu’hammadia Jaami’ah Shareef Madrasa


Assalamu ‘Alaikum Dear Brothers! Today you shall learn about a unique Islamic Institute in the world named Mu’hammadia Jaami’ah Shareef Madrasa, Orphanage and Lillah Boarding. Basically, this institute engages in such national and international activities on the basis of the sacred

অশ্লীলতা ও বিকৃতরুচিতে ভরপুর মূর্তিপূজকদের গোটা সমাজজীবন


“সেকালে বাঙালীদের (মূর্তিপূজকদের) মধ্যে ‘শাশুড়ে’ এবং ‘বৌও’ বলিয়া দুটি গালি শোনা যাইত, উহার প্রথমটির অর্থ শাশুড়িরত, ও দ্বিতীয়টির অর্থ পুত্রবধূরত। শ্বশুর-পুত্রবধূর ব্যাপার সম্ভবত খুব কমই দেখা যাইত, কিন্তু শাশুড়ি-জামাই ঘটিত ব্যাপার বিরল ছিল না।” (সূত্র: বাঙালি জীবনে রমণী, নীরদ সি চৌধুরী,