Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

অবিলম্বে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস তো অবশ্যই বরং সর্বসময়ের জন্য ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে সব সময়ের জন্য হারাম খেলাধুলা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হোক


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সর্বপ্রকার খেলাধুলাই হারাম।’ মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে সমস্ত প্রকার খেলাধুলাই হারাম। কেননা বিশ্বকাপ ফুটবল ও ক্রিকেট এবং এ জাতীয় সমস্ত খেলাধুলার উদ্ভাবক হচ্ছে কাফির-মুশরিকরা। নাউযুবিল্লাহ! তাই মুসলমানদের

ভারতীয় টিভি চ্যানেলগুলোই সম্ভ্রমহরণসহ তরুণ প্রজন্ম ধ্বংসের প্রধান কারণ


সংস্কৃতি একটি দেশ ও জাতির পরিচয় বহন করে। ৯৭ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত আমাদের বাংলাদেশ সারা বিশ্বের বুকে ইসলামী দেশ হিসেবে তারকার মতো জ্বাজল্যমান। কিন্তু অতি দুঃখের বিষয় যে, এমন একটি মুসলিম দেশে (জাতিগতভাবে মুসলমানদের দ্বিতীয় প্রধান শত্রু) বিধর্মীদের অপসংস্কৃতিতে ছেয়ে গেছে।

সম্মানিত খলীফা উনার কাছেই যাকাত, উশর, ফিতরা ইত্যাদি যাবতীয় ফরয ওয়াজিব দান-ছদক্বা পৌঁছাতে হবে


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত যাকাত উনার বিধান নাযিল পূর্বক ইরশাদ মুবারক করেন- خُذْ مِنْ أَمْوَالِهِمْ صَدَقَةً تُطَهِّرُهُمْ وَتُزَكِّيْهِم بِهَا وَصَلِّ عَلَيْهِمْ إِنَّ صَلَاتَكَ سَكَنٌ لَّهُمْ ۗ وَاللهُ سَمِيْعٌ عَلِيْمٌ অর্থ: (আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)

জুতা চোর তারাই যারা ৮ রাকায়াত তারাবি পড়ে পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায়!


২০ রাকায়াত তারাবীহ নামায আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। কোনো জরুরত ছাড়া যারা ৮ রাকায়াত তারাবীহ পড়ে (৮ রাকায়াতে বিশ্বাসী) পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায় তারা নিশ্চয় জুতা চোর। এদের কে যেখানে পাবেন গণধোলাই দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দিন। – নূরে মুজাসসাম

শিশুরাও অপসংস্কৃতির আগ্রাসনের শিকার!


স্যাটেলাইট টিভি, ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে বিজাতি-বিধর্মীদের অপসংস্কৃতি মহামারি রূপে ছড়িয়ে পড়ছে। এর দ্বারা মুসলিম তাহযীব-তামাদ্দুন আস্তে আস্তে ভুলে যাচ্ছে এদেশের জনসাধারণ। এই অপসংস্কৃতি সবচেয়ে বেশি বদ-তাছীর করছে শিশুতোষ মেধা ও মননে। এ ব্যাপারে আমি একটি বাস্তব ঘটনা বর্ণনা করছি; আমি এক

রোযা অবস্থায় ইনজেকশন, ইনসুলিন, স্যালাইন, ইনহেলার ইত্যাদি নিলে অবশ্যই রোযা ভঙ্গ হবে


সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- রোযা অবস্থায় যেকোনো ইনজেকশন নিলে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে। যেমন, “হিদায়া মা’য়াদ দিরায়া” কিতাবের ১ম খন্ডের ২২০ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, ومن احتقن … افطر لقوله صلى الله عليه وسلم الفطر مما دخل. অর্থ:- “এবং যদি কোনো

মহিলাদের জন্য মসজিদে গিয়ে জামায়াতে নামায পড়া জায়িয নয়


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- হযরত উম্মু হুমাইদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি একবার সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমতে হাজির হয়ে আরয করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি

পবিত্র রমাদ্বান মাসের চাঁদ তালাশ করা ওয়াজিবে কিফায়া


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি চাঁদ তালাশের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন: যেমন পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- عَنْ حضرت أَبِي هُرَيْرَةَ رضى الله تعالى عنه، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صُومُوا

মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মর্যাদা-মর্তবা মুবারক উপলব্ধি করার কোশেশ করা উম্মাহর দায়িত্ব-কর্তব্য


মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ উনাদের সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন- قُل لَّا اَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ اَجْرً‌ا اِلَّا الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْ‌بٰى অর্থ: “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি (উম্মতদেরকে) বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোন বিনিময় চাই না, অর্থাৎ

পবিত্র যাকাত প্রদানকারীর সীমাহীন ফাযায়িল-ফযীলত


ক) কবর, হাশর, মীযান, পুলছীরাত সব জায়াগায় তথা দুনিয়া ও আখিরাতে প্রশান্তির কারণ: এ সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- خُذْ مِنْ اَمْوَالِـهِمْ صَدَقَةً تُطَهّرُهُمْ وَتُزَكّيْهِمْ بِـهَا وَصَلّ عَلَيْهِمْ اِنَّ صَلاتَكَ سَكَنٌ لَّـهُمْ وَاللهُ سَـمِيْعٌ عَلِيْمٌ. অর্থ: (ইয়া রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!)

বেমেছাল শান-মান ও মর্যাদা মুবারকে সাইয়্যিদাতাল উমাম আলাইহিমাস সালাম উনারা অভিষিক্ত


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে ইচ্ছা উনার রহমতে খাছ দ্বারা পরিবেষ্টন করে নেন।’ অর্থাৎ মুরাদ বা বা মাহবুব তথা একান্ত আপন করে নেন। উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার হাক্বীক্বী

২০ রাকায়াত তারাবীহ নামায আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- مَنْ قَاَم رَمَضَانَ اِيْـمَـانًا وَّاِحْتِسَابًا غُفِرَ لَه مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِه অর্থ: “যে ব্যক্তি রমাদ্বান মাসে ঈমান ও ইহসানের সাথে তারাবীহ নামায আদায় করবে তার পূর্বের সমস্ত গুনাহখতা