Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

‘নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী’ করার কথা বলা চরম পর্যায়ের জুলুম; যা পবিত্র কুরবানী উনাকে অবমাননা করার শামিল


সরকার বিগত কয়েক বছর থেকে পবিত্র ঈদুল আজহায় মুসলমানদেরকে স্বাধীনভাবে ও সুবিধাজনক স্থানে পশু জবাই করতে বাধা দিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে বাধ্য করার চেষ্টা করছে। নাউযুবিল্লাহ! যুক্তি হিসেবে তারা ময়লা-আবর্জনা ও যানজটের কথা উল্লেখ করে। এমন অযৌক্তিক চিন্তাধারার ফলে কি

আয় আল্লাহ পাক! আপনি তাদের ধ্বংস করে দিন


আয় আল্লাহ পাক, যে সকল ইহুদী বশংবদ ওহাবী-সালাফী, ধর্মব্যবসায়ী মালানা, উলামায়ে সূ’রা নূর নবীজি হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে, উনার পবিত্র রওযা শরীফ নিয়ে, উনার সংশ্লিষ্ট পবিত্র বিষয় নিয়ে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে, চক্রান্ত করছে,

এ যুগেতো হযরত নবী-রসূল উনারা আসবেন না : তাই আখিরী রসূল উনার নায়িব, যামানার ইমাম, মুজাদ্দিদে আ’যম তিনি এসেছেন; উনার মুবারক সান্নিধ্যে নিজেকে ধন্য করুন


আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি শেষ নবী, আমার পরে আর কোনো নবী নেই।” সুতরাং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম,

বিধর্মীদের প্রতি আমাদের কিরূপ মনোভাব পোষণ করতে হবে? আসুন পবিত্র কুরআন শরীফ থেকে শিক্ষা নেই


কাফির কিংবা অমুসলিমদের প্রসঙ্গ আসলে অনেকেই মনগড়া ভাবে কিংবা শোনা কথায় দীক্ষিত হয়ে এরূপ মন্তব্য করেন যে, ‘ইসলাম সব ধর্মের প্রতি সমান অধিকার দিয়েছেন।’ কেউ বলে, ‘ইসলাম সম্প্রীতি শিক্ষা দেয়।’ কিন্তু এরা জানেনা, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক

পর্দা করা মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই ফরয


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “যে দেখে এবং যে দেখায়, তাদের উপর মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত।” কাজেই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম পর্দাকে ফরয করেছেন। সেহেতু পর্দা পালন করা সমস্ত মুসলমান উনাদের জন্য ফরয। পাশাপাশি শান্তি লাভের অন্যতম কারণ।

ইবলিশ জানে….!


লক্ষ লক্ষ বছর ইবাদত করে ফেরেশতাদের মুয়াল্লিম হয়েও যদি প্রথম নবী ও রসূল হযরত আদম ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার একটা বিষয়ে চু-চেরা করার কারনে সমস্ত কিছু নষ্ট হয়ে মালউন চির জাহান্নামী হতে হয়, তাহলে মানুষও যত বড় কিছু করুক না কেন,

বিধর্মীদের সাথে বন্ধুত্ব, মুসলমানগণের সাথে বিরোধিতা!


পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, মুসলমানগণের ফরয আমল তথা পর্দার বিরোধিতা, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মানহানি করা, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানি করা, মুসলমানগণের পবিত্র মসজিদ তৈরিতে

উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাবিয়াহ (যয়নাব বিনতে জাহাশ) আলাইহাস সালাম উনার সাথে সংশ্লিষ্ট ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’ হাক্বীক্বতে পালন করা অন্যান্য ইবাদত বন্দেগীর চেয়ে লক্ষ কোটিগুণ ফযীলতের কারণ


ইমামুল মুফাসসিরীন মিনাল আউওয়ালীন ইলাল আখিরীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন: ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত

নাপাক স্থানে নামায পড়লে যেমন নামায আদায় হয় না, তেমনি যেখানে সেখানে যাকাত, কুরবানীর চামড়া ইত্যাদি দিলে তা আদায় হবে না


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আর তোমরা নামায কায়িম করো ও যাকাত প্রদান করো এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্য কর।” (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৬) উপরোক্ত আয়াত শরীফ উনার

ঢাকার নদীগুলো বাঁচাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কঠিন হলেও, কঠিন নয় নদীতে মূর্তি বিসর্জন ঠেকানো; প্রয়োজন আদালতের একটি আদেশ


সাধারণ মানুষ ও প্রশাসনের অসচেতনতা ও অপরিকল্পিত কার্যকলাপের কারণে নগরের চার পাশে থাকা বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীর প্রতিবেশ ব্যবস্থা বছরের পর বছর ভয়াবহ সঙ্কটের দিকে ধাবিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে নদীগুলো অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়ার আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে। একদিক থেকে দেখা যাচ্ছে,

হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্মানিত জবান মুবারক-এ উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাবি‘য়াহ্ আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত প্রশংসা মুবারক


উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, وَلَمْ أَرَ امْرَأَةً قَطُّ خَيْرًا فِي الدِّينِ مِنْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ السَّابِعَةِ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اَطْوَلُ يَدًا عَلَيْهَا السَّلَامُ (سَيِّدَتَنَا حَضْرَتْ زينب عَلَيْهَا السَّلَامُ). وَأَتْقَى لِلَّهِ وَأَصْدَقَ حَدِيثًا، وَأَوْصَلَ لِلرَّحِمِ، وَأَعْظَمَ صَدَقَةً،

বলতে গেলে সরকারি কর্তৃপক্ষই ৯৮% অধিবাসী মুসলিমদের উপর অবিচার ও যুলুম করে আসছে


নির্বাচনের সময় পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ও মুসলমানের উপর দরদ দেখিয়ে ক্ষমতার মসনদে বসে নির্বাচনের ইশতেহার ভুলে যায়। শুধু ভুলেই যায় না; বরং উল্টো পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধিতায় মেতে উঠে। এদেশে ৯৮% মুসলমান বাস করে। তাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে তাদের