Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র আযীমুশ শান ১৮ই রবীউছ ছানী শরীফ। সুবহানাল্লাহ!


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র আযীমুশ শান ১৮ই রবীউছ ছানী শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

জিহাদ থেকেও বেশি ফযীলতপূর্ণ হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের খিদমত করা, উনাদের গোলামীর আনজাম দেয়া


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি (উম্মতদেরকে) বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোনো প্রতিদান চাই না। আর তোমাদের পক্ষে তা দেয়াও সম্ভব নয়।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছানিয়া আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল মুহব্বতপূর্ণ সম্পর্ক মুবারক


বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাদের মাঝে বেমেছাল মিল-মুহব্বত মুবারক বিদ্যমান ছিলো। আরবের লোকজন বলাবলি করতো এবং এই কথাটি উপমায় পরিণত হয়েছিলো যে, اَحْسَنُ زَوْجَيْنِ

ই.ফা. প্রকাশিত আবু দাউদ শরীফ কিতাবের হাদীছ শরীফ উনার ভুল অর্থ করে মূর্তি জায়িয বানানোর অপচেষ্টা


ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিকরা মূর্তিকে হালাল করার জন্য ইসলামী ফাউন্ডেশন (ই.ফা.) থেকে প্রকাশিত আবু দাউদ শরীফের একটা হাদীছ শরীফ পেশ করলো। এটা দিয়ে তারা বোঝাতে চেয়েছে ছবি ভাস্কর্য জায়িয। নাউযুবিল্লাহ! হাতুড়ে ডাক্তার যে মানুষের জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ এটাই এখন প্রমাণ হবে। ইসলামী ফাউন্ডেশনের

সম্মানীত দ্বীন ইসলাম নিয়ে কটূক্তির জবাব দেয়া ঈমানের দাবি


‘ইসলাম’ শান্তির দ্বীন। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অনুসরণে মুসলমান-ঈমানদারগণ শান্তিতে থাকেন ও শান্তিতে থাকতে চাইবেন এটাই স্বাভাবিক। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম উছুল হলো- ফিতনা-ফাসাদ হলো- খুন বা হত্যার চেয়েও বেশি ঘৃণিত ও ভয়ঙ্কর। মুসলমান-ঈমানদারদের এই শান্তিপ্রিয়তা ও শান্তভাবকে অমুসলিম-বিধর্মীরা সুযোগ

মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্পর্কে কিরূপ আক্বীদা পোষণ করতে হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হবেন আমি (মহান আল্লাহ পাক) তাকে গাইরুল্লাহ থেকে বের হওয়ার সমস্ত রাস্তা দেখিয়ে দিব এবং এমন রিযিক দান করব যা সে কল্পনাও করতে পারবে না। সুবহানাল্লাহ! এই পবিত্র আয়াত শরীফ

পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য মুসলমানদের উচিত তওবা করে নেক আমলে ফিরে আসা


যত রকমের গযব দুনিয়ার যমীনে নাযিল হয় তার মূলত প্রধান দুটি কারণ। প্রথম কারনটি হচ্ছে সারা দুনিয়াব্যাপী সমস্ত বিধর্মীরা মুসলমানদের উপর মারাত্মক যুলুম-নির্যাতন চালিয়ে লক্ষ-লক্ষ মুসলমান উনাদের শহীদ করে মুসলমানদের মাল-সম্পদ লুট করে যাচ্ছে। বিধর্মীদের এই বদ আমলের কারণে মহান আল্লাহ

যারা কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হবে না, তারা গুমরাহ বা পথভ্রষ্ট


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি গোমরাহীর মধ্যে দৃঢ় থাকে, কোনো ওলীয়ে মুর্শিদ (কামিল শায়েখ) তার নছীব হয় না।” (পবিত্র সূরা কাহফ্ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৭) পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ

কাফির-মুশরিকদের অনুসরণের কারণেই মহান আল্লাহ পাক উনার গায়েবী মদদ থেকে বঞ্চিত মুসলিম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আমার শত্রু এবং তোমাদের শত্রুকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না।” (পবিত্র সূরা মুমতাহিনাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১) পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদের শত্রু একথা বারবার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়ার

সমস্ত বিধর্মীরাই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের চরম শত্রু।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা নেকী ও পরহেযগারীর মধ্যে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। পাপ ও শত্রুতার মধ্যে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না।’ ইহুদী, মুশরিক, বৌদ্ধ, মজুসী, নাছারা অর্থাৎ সমস্ত বিধর্মীরাই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের চরম শত্রু। এরা

‘ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ’ বিষয়ে চূড়ান্ত ফায়ছালা


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বেমেছাল তাজদীদ মুবারক ‘ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ’ বিষয়ে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক

🌺সায়েখ আমার জ্ঞানের জ্যোতি🌺


🌺সায়েখ আমার জ্ঞানের জ্যোতি সদা বিলান হীরা মতি.. যে চায় সেই পায় চায়না যে জন নিরুপায়.. যদি করেন দয়া দান ইহসান তবে হবেরে মোর পরিত্রান… কিবা দিবা কিবা নিশি তিনি মোর ইলমী শশী… উপচে পড়া ইলম প্লাবিত সুর খোদায়ী রওশন হাবিবি