Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

আজ সুমহান পবিত্র ও বরকতময় ৯ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হযরত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা হলেন তোমাদের জন্য হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার নৌকার মতো। যে তাতে আরোহণ করবে, সে নাজাত পাবে। সুবহানাল্লাহ! আর যে তা হতে

নূরে মুজাসসাম, হূযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি প্রথম সৃষ্টি- এ বিষয়ে দলীল


ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার শায়েখ হযরত ইবনে সা’দ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “আত তবাকাতুল কুবরা” কিতাবের ১ খন্ড ১৪৯ পৃষ্ঠায় হাদীছ বর্ণনা করেছেন, عَنْ قَتَادَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : كُنْتُ أَوَّلَ النَّاسِ فِي الْخَلْقِ وَآخِرَهُمْ

মহাসম্মানিত আহলে বাইত শরীফ উনাদেরকে মুহব্বত করার প্রতিদানসমূহ 


সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরানী, পূত-পবিত্র আহলু বাইত শরীফ অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম এবং সম্মানিত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম, আলাইহিন্নাস সালাম

মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ওই ব্যক্তি অধিক সম্মানিত, যিনি বেশি তাকওয়াধারী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ওই ব্যক্তি অধিক সম্মানিত, যিনি বেশি তাকওয়াধারী।’ যিনি যতবেশি মুত্তাক্বী হবেন তথা মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি ততবেশি মর্যাদা বা সম্মানের

সংক্ষেপে মো./সাঃ/দঃ/ ঝ.গ ইত্যাদি লেখার বিষয়ে শরীয়ত কি বলে


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিইয়ীন,নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার নাম মুবারক শুনে দুরূদ শরীফ পাঠ করা ফরয। আম ফতওয়া হলো একই মজলিসে একাধিকবার নাম মুবারক উচ্চারিত হলে একবার দুরূদ শরীফ পাঠ করা ওয়াজিব, আর প্রতিবারই দুরূদ

প্রসঙ্গ: রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম


সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি

পবিত্র ৯ই জুমাদাল ঊলা শরীফ! ঈদে বিলাদতে আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম


৯ জুমাদাল ঊলা! মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং প্রাণের আক্বা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনারা দয়া করে আমাদেরকে হাদিয়া করেছেন ঈদে বিলাদতে আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত

কাফিরগুলো মুসলমানদের বিরুদ্ধে এক, কিন্তু…


মহান আল্লাহ পাক তিনি যে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন- মুসলমানদের প্রধান শত্রু ইহুদী অতঃপর মুশরিক অর্থাৎ সমস্ত বিধর্মীরা মুসলমাদের শত্রু। আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “সমস্ত কাফিররা মুসলমানদের বিরুদ্ধে এক”। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান

বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করলে মুসলমান থাকা যায় না 


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে স্বয়ং যিনি খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের জন্য যা নিয়ে এসেছেন বা তিনি তোমাদেরকে যা দিয়েছেন

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিসবত মুবারক লাভের মাঝেই উম্মত হবার সার্থকতা নিহিত 


রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা আস সাফফাহ মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত ৬৩ দিনব্যাপী মজলিস উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “উম্মতকে রিযিক তালাশ করার জন্য প্রেরণ করা হয়নি, তাদেরকে হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে নিসবত স্থাপনের

হে মুসলিম আপনি- কোথায় থাকবেন, কার সাথে থাকবেন, কোন বিষয় থেকে দূরে থাকবেন? 


প্রসিদ্ধ তারিখ ও সীরাত গ্রন্থসমূহে উল্লেখ রয়েছে, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ অবস্থান মুবারক করার সময় কতিপয় যুবক তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করে। কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া

মুত্তাক্বি হতে পারলেই মহান আল্লাহপাক উনার নিয়ামত পাওয়া সহজ হয় 


প্রত্যেক বান্দা-বান্দির উচিত, তাকওয়া অবলম্বন করা। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করে গুনাহর কাজ হতে বিরত থাকা। তাহলেই মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকওয়া অবলম্বনকারীকে অর্থাৎ মুত্তাক্বিকে এমন নিয়ামত দান করবেন, যে সকল নিয়ামত প্রয়োজন বান্দারা অর্থাৎ বান্দা চায় বা আশা