Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

১ লা রজবুল হারাম শরীফ হযরত আবু রসূলিনা ও উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস


সময়টি ছিল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের ৮ মাস ১২ দিন পূর্বে মহাসম্মানিত রজবুল হারাম শরীফ উনার পহেলা তারিখ লাইলাতুল জুমুয়াহ শরীফ। এই মহাসম্মাণিত দিনে সাইয়্যিদুনা হযরত যবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম ও

৬ ই রজবুল হারাম শরীফ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস


সম্রাট আলমগীর (আড়ঙ্গজেব) রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একদা হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মাজার শরীফ জিয়ারত করতে গেলেন৷ সেখানে তিনি দরবার শরীফে ফরিয়াদ রত এক অন্ধকে দেখতে পেলেন। অন্ধ ব্যক্তিটি আরজ করছেন, “ইয়া খাজা মুঝে আঁখ দে দো” অর্থ্যাৎ “ওহে

পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা রজবুল হারাম মাস উনার নামকরণ:


পবিত্র রজব মাসের নাম রজব হওয়ার ব্যাপার নানারূপ মতো রয়েছে। মূলত, রজব শব্দটি ‘তারজীব’ শব্দ হতে নির্গত। তারজীব শব্দের অর্থ কোনো জিনিস তৈরি করা বা অগ্রসর হওয়া। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “মাহে রজবে

পবিত্র সুন্নত উনাকে অনুসরণ করলেই বিরাট সফলতা লাভ করা যাবে


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইতায়াত করবে সে বিরাট সফলতা লাভ করবে।” সুবহানাল্লাহ! মূলত, একজন বান্দা-বান্দীর কামিয়াবী

মুসলমানকে মুসলমান হতে হবে এবং ঈমানী দায়িত্ব তাদের মধ্যে জাগ্রত করতে হবে


মুসলমান মানেই হচ্ছেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে দায়িম-ক্বায়িম থাকা এবং সম্মানিত শরীয়ত উনার আদেশ, নির্দেশ পরিপূর্ণভাবে পালন করা। কিন্তু এখন মুসলমানরা ইসলামী শরীয়ত উনার আদেশ নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করতে পারে না। যার জন্য মুসলিম জাতির ঈমানী কুওওয়াত (শূণ্যের) কোঠায়। নাঊযুবিল্লাহ!

আজ সুমহান পবিত্র ৯ই রজবুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আওলাদে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত সাইয়্যিদাতুল উমাম আল খ্বমিসাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র আক্বীক্বা মুবারক উনার দিন। সুবহানাল্লাহ!


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে, “প্রত্যেক সন্তানই তার আক্বীক্বার সাথে আবদ্ধ।” নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার ৭ম দিনে আক্বীক্বা

পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা রজবুল হারাম মাস উনার নামকরণ:


পবিত্র রজব মাসের নাম রজব হওয়ার ব্যাপার নানারূপ মতো রয়েছে। মূলত, রজব শব্দটি ‘তারজীব’ শব্দ হতে নির্গত। তারজীব শব্দের অর্থ কোনো জিনিস তৈরি করা বা অগ্রসর হওয়া। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “মাহে রজবে

পবিত্র রজবুল হারাম মাসে ইবাদতের পুরস্কার


হিজরী পঞ্চম শতাব্দীর মুজাদ্দিদ, হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গাযযালী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার সুপ্রসিদ্ধ ‘মুকাশাফাতুল কুলূব’ কিতাবে বর্ণনা করেন, “এক মহিলা রজব মাসে প্রতিদিন বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ-এ গিয়ে বারো হাজারবার সূরা ইখলাছ পাঠ করতেন। উনার আদত ছিল, রজব মাসে তিনি নিয়মিত

বিধর্মী-কাফিরদের সাথে মুসলমানদের সম্পর্কের রূপ সম্পর্কিত আয়াত শরীফসমূহ


অনেক নামধারী মুসলমান অসাম্প্রদায়িকতার পরিচয় দিতে গিয়ে কাফির-মুশরিকদের ‘ভাই’ বলে কাছে টেনে নেয়, কাফির-মুশরিকদের পূজা, ক্রিসমাস, বৈসাবীতে অংশগ্রহণ করে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে কাফিরদের প্রতি কঠোর মনোভাব পেশ করেছেন। মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক

বছরে দুইবার উলামায়ে সূরা বিশেষভাবে কাফির হয়


প্রতি বছরই দুই বার উলামায়ে সূ’রা কাফির হয়ে জাহান্নামের কীটে পরিণত হয়। প্রথমবার যখন সম্মানিত সাইয়্যিদুশ শুহূর পবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ মাস আসেন তখন তারা এই বলে কাফির হয় যে, পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

প্রতিবাদ না করে চুপচাপ থাকার কঠিন পরিণতি


কিতাবে একটি ঘটনা বর্ণিত আছে। একবার এ ব্যক্তি কোনো একটি মজলিসে বসা ছিলো। তার উপস্থিতিতেই কিছু লোক সেখানে উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের নিয়ে কটূক্তিকর কিছু কথা বললো। লোকটি শুনেও না শুনার ভান করে থাকলো। অতঃপর সে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়ার

টিভি চ্যানেলগুলোই পরিবার ব্যবস্থা ভেঙ্গেচুরে দিচ্ছে


আজ টিভি চ্যানেলগুলো মুসলমানদের ঈমান-আমল নষ্ট করতে, চরিত্র নষ্ট করতে সস্তায়, অনেকক্ষেত্রে বিনামূল্যে ৯০-১০০টি চ্যানেল দেখার সুযোগ দিচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! বর্তমানে এদেশের বহু মানুষ টিভি চ্যানেলগুলোর এই অশ্লীল-অশালীন, কুপ্রবৃত্তিক উস্কানো চ্যানেলে আক্রান্ত যা আমাদের প্রজন্মের জন্য, আমাদের সমাজের জন্য খুবই ভয়ঙ্কর। এসব