Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

যারা তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াতের সাথে পবিত্র কুরবানী করেছেন তারাই মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রেযামন্দি মুবারক হাছিল করেছেন।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পবিত্র কুরবানী উনার পশুর গোশত, রক্ত পৌঁছে না; বরং তোমাদের তাক্বওয়া পৌঁছে থাকে।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র কুরবানী উনার মূল বিষয়ই হচ্ছে তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াত। সুবহানাল্লাহ! যারা তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াতের সাথে

মুসলমানদের মাঝে লজ্জাহীনতা ও বেহায়াপনা প্রবেশ করানোর জন্য কাফেরদের প্রচেষ্টা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘লজ্জা হচ্ছে ঈমানের অঙ্গ’। মুসলমানদের যেহেতু ঈমান রয়েছে, সেহেতু উনাদের মধ্যে লজ্জা বিদ্যমান। কিন্তু কাফির-মুশরিকরা ঈমানহীন হওয়ার কারণে চরম লজ্জাহীন ও বেহায়া হয়ে থাকে। আর তাই তারা সবসময় চায় মুসলমানরাও যেন তাদের মতো

আফসুস! নির্জীব মুসলমানদের জন্য!


কাফির-মুশরিকদের সুদূরপ্রসারী মহাপরিকল্পনার ফাঁদে আটকে মুসলমানগণ ঈমান হারিয়ে এখন আত্মাবিহীন মৃত মানুষে পরিণত হয়েছে। মৃতের লাশ ইচ্ছেমত কাটাছেঁড়া করা যায়। কারণ মৃত ব্যক্তির প্রতিবাদ করার শক্তি নাই। বর্তমান আখিরী যানামায় সারা বিশ্বের মুসলমানদের অবস্থাও মৃত ব্যক্তির মতোই। পৃথিবীতে প্রায় সাড়ে তিনশ

কাফির-মুশরিকদের অনুসরণের কারণেই মহান আল্লাহ পাক উনার গায়েবী মদদ থেকে বঞ্চিত মুসলিম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আমার শত্রু এবং তোমাদের শত্রুকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না।” (পবিত্র সূরা মুমতাহিনাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১) পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদের শত্রু একথা বারবার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়ার

জনগণসহ গোটা দেশই যখন জিম্মি


বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য শুধু তেল-গ্যাস নয়; বরং গণতান্ত্রিক সব সরকারকেই দেশের সমস্ত খনিজ সম্পদ, কৃষি খাত, তৈরী পোশাক শিল্প, পোল্ট্রি শিল্প, মৎস্য শিল্প, কল-কারখানা, বিদ্যুৎ, ব্যবসা-বাণিজ্য, অবকাঠামো নির্মাণ ইত্যাদি সমস্ত কিছুই বিদেশ নির্ভর হতে দেখা যায়। যদিও বিদেশীদের চেয়েও

ব্রিটিশরা যখন মুসলমানদের অর্থ কেড়ে নিতো, তখনও কিন্তু বাঙালি মুসলমানগণ জিহাদের জন্য যাকাতের অর্থ আলাদা করে রাখতে ভুলতো না


ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত পরাধীন ভারতের প্রথম দেড়শ বছরে ব্রিটিশ সীমান্তের গা ঘেঁষে সিত্তানা অঞ্চলে মুসলমান মুজাহিদ উনাদের একটি সেনানিবাস বিদ্যমান ছিল। সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন উক্ত ব্রিটিশবিরোধী সৈন্যবাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা। উক্ত সেনাবাহিনীর অর্থ ও লোকবল সরবরাহের খিদমত আঞ্জাম দিয়েছিলেন

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার নামে শিশুদেরকে হারামে মশগুল করা হচ্ছে


ছোটবেলা থেকেই একটি শিশু যা বলতে শুনে তাই বলে, যা করতে দেখে তাই করে। অর্থাৎ ছোটবেলায় তাকে যা শেখানো হয় সে তাই শেখে। তাকে যে বিশ্বাসে বিশ্বাসী করে তোলা হয় সে বিশ্বাসেই সে বড় হয়ে উঠে। ইদানীং দেখা যায়, বিভিন্ন এলাকায়

জিহাদ হতে পশ্চাদপসরণ হতে স্বয়ং আল্লাহপাক তিনি নিষেধ করে দিয়েছেন


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا لَقِيتُمُ الَّذِينَ كَفَرُوا زَحْفًا فَلَا تُوَلُّوهُمُ الْأَدْبَارَ অর্থ: “হে ঈমানদারগণ, আপনারা যখন কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদে মুখোমুখী হবেন, তখন আপনারা পশ্চাদপসরণ করবেন না।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা

পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার যে কোন বিষয়ে কার ফতওয়া সঠিক ও গ্রহন করা ফরয ও কার ফতওয়া গ্রহন করা হারাম?


পবিত্র ক্বুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনার আলোকে দুই জনের ফতওয়ার সাথে বিপরীত বা পরস্পর বিরোধী হলে, তাদের দুই জনের বাহ্যিক আমলকে যাঁচাই করা ও তল্লাশী করা ফরয। তা হলো:- ১। প্রথমেই তাদের দুই জনের, কে ফাসিক ও কে মুত্তাক্বী এটা

সর্বাবস্থায় সম্মানিত সুন্নতী পোশাক পরিধান করা ফরয


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يَا بَنِي آدَمَ قَدْ أَنزَلْنَا عَلَيْكُمْ لِبَاسًا يُوَارِي سَوْآتِكُمْ وَرِيشًا ۖ وَلِبَاسُ التَّقْوَىٰ ذَٰلِكَ خَيْرٌ ۚ ذَٰلِكَ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ لَعَلَّهُمْ يَذَّكَّرُونَ অর্থ: হে বনী আদম! আমি তোমাদের জন্য পোশাক নাযিল করেছি। যাতে তোমরা

নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ওই ব্যক্তি অধিক সম্মানিত, যিনি বেশি তাক্বওয়াধারী।’ সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ওই ব্যক্তি অধিক সম্মানিত, যিনি বেশি তাক্বওয়াধারী।’ সুবহানাল্লাহ! যিনি যতবেশি তাক্বওয়া অবলম্বন করবেন তথা মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি ততবেশি মর্যাদা

‘দান করলে সম্পদ কমে না’ এই মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বাস্তব দৃষ্টান্ত


একবার আখিরী রসূল, নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে উনার সম্মানিত দামাদ আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি এসে আরজি করলেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম; আমাকে আমার সম্পদ কমে