Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

‘ ন ডরাই ‘ সিনেমা সম্মানিত মুসলমান উনাদের অন্তরে আঘাত দিচ্ছে – হাইকোর্টের সেন্সর সার্টিফিকেট বাতিলে নির্দেশ


১) ‘ন ডরাই’–এর সেন্সর সার্টিফিকেট বাতিলে নির্দেশ কেন নয়: হাইকোর্টের রুল। (প্রথম আলো, bit.ly/2E4540Y) ২) ‘ন ডরাই’ সিনেমা নিয়ে হাইকোর্টের রুল। (চ্যানেল আই অনলাইন, bit.ly/38ltnFo) ৩) ‘ন ডরাই’ নিয়ে হাইকোর্টের রুল। (সারা বাংলা, bit.ly/2YwdTdg) ৪) ‘ন ডরাই’ চলচ্চিত্রের সেন্সর সনদ বাতিলে

মিজান আযহারীর জনৈক ভক্ত আবুলের সাথে কথোপকথন


আমি: আবে হালা আবুইল্লা কেমন আছোছ? তোর বাপ হালায় কেমন আছে? আবুল: মুখ সামলে কথা বলেন। এটা কি ভদ্রলোকের ভাষা? আমার বাপকে গালি দিচ্ছেন কেন? আমি: আরে নাহ! গালি দিলাম কই মুহব্বত কইরা কইলাম । তোমার বাপ শুনছিলাম মূর্খ ছিলো। ১,২,৩

নিষিদ্ধ করতে হবে ইসলাম বিদ্বেষী সিনেমা ‘ন ডরাই’


ভারতীয় লেখক শ্যামল সেনগুপ্তের চিত্রনাট্যে নির্মিত চরম অশ্লীল চলচ্চিত্র ‘ন ডরাই’ মুসলিম বাংলাদেশে মুক্তি পেয়েছে গত ২৯ নভেম্বর। ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারপারসন মাহবুব রহমানের এই অশ্লীল চলচ্চিত্রটি পশ্চিমা নারী স্বাধীনতার কনসেপ্ট নিয়ে রচিত। ছবিটির বিভিন্ন দৃশ্য এতটাই অশ্লীল যে, পশ্চিমা ভোগবাদী

ইমামুল আউয়াল মিন আহলু বাইতি রসুলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার মুবারক শানের খিলাফের জবাব


মিজান আযহারী সহ যেসকল বাতিল ফির্কা এখানো আহলে বাইত শরীফের বিরোধিতা করে তিরমিযী শরীফের ঐ হাদীছ সামনে নিয়ে ভাবছো হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম মদ পান করেছিলেন। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক। তাদের জবাব আল্লাহ রব্বুল আলামীন কুরআন শরীফেই দিয়ে দিয়েছেন। يَا

আমিরুল মু’মিনিন, আহলে বাইতে রসূল হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার বিরুদ্ধে ইবলিসের চ্যালা মিজানুর রহমান আযহারীর মিথ্যাচারের জবাব


অনলাইনে যখন মিজানের একটা বক্তব্য ভাইরাল হলো, সে বলেছে হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম মদ পান করে সূরা কাফিরুন ভুল পাঠ করেছেন। নাউযুবিল্লাহ। আম জনতা সেটার প্রতিবাদ করলো। সে মূহূর্তে কিছু মিজান ভক্ত মিজানের বক্তব্য সঠিক প্রমাণের জন্য সূরা নিছা

কওমী খারেজীদের উস্তাদ-গুরুদের কারণে হারাম খেলাধুলা হালাল হয়ে যাবে না


পুরো অনলাইন জুড়ে তোলপাড় একটি ছবিকে কেন্দ্র করে। সেটা হলো, পাকিস্তানের দেওবন্দী খারেজী মুফতে শফী’র ছেলে মুফতে তাকী ওসমানী ক্রিকেট ব্যাট হাতে নিয়ে বল মারার জন্য অপেক্ষা করছে। মডারেট দেওবন্দীদের অন্যতম একজন লেখকতো খুশিতে লেখেই বসলো- “আমাদের আস্থার প্রতীক তাকী ওসমানী।

সর্বোচ্চ নিয়ামত মুবারক হলেন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা স্পষ্টভাবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারণে খুশি প্রকাশ করা প্রমাণিত। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শানে দায়িমীভাবে ছানা-ছিফত বা প্রশংসা মুবারক করার পদ্ধতি বা নিয়ম মুবারক


কোন পদ্ধতি বা নিয়মে মহান আল্লাহ পাক উনার শ্রেষ্ঠতম রসূল, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শানে দায়িমীভাবে ছানা-ছিফত মুবারক করতে হবে সে ব্যাপারে কাউকে কোনরূপ চিন্তা-ফিকির করার কোনই প্রয়োজন

প্রত্যেক মুসলমান ও মুসলমান দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- কাফির বা বিধর্মী, বিদয়াতী ও ফাসিক ব্যক্তিদের প্রশংসা, তা বক্তব্যে হোক বা লেখালেখিতে হোক অথবা পাঠ্যপুস্তকে হোক অর্থাৎ সর্বক্ষেত্রেই তাদের প্রতি সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো বিদয়াতীকে সম্মান দেখালো, সে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতিসাধনে সাহায্য করলো।’ নাউযুবিল্লাহ! সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে কোনো কাফির বা বিধর্মী, বিদয়াতী ও ফাসিকদের প্রশংসা

এদেশে রাজনৈতিক পিতার সমালোচনা করলে শাস্তি হয়, কিন্তু দ্বীন ইসলাম নিয়ে কটূক্তি করলে শাস্তি হয় না!!


দেশের মানুষ এখন অনেক বেশি রাজনীতিতে সচেতন হয়েছে, আইন আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়েছে, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সম্মান দিতে শিখেছে। তাইতো এদেশে কোনো রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের সমালোচনা হলে, কটূক্তি করা হলে প্রশাসন তাদের হন্যে হয়ে খুঁজে, তাদের জেল দেয়, জরিমানা দেয়। কেউ আদালত অবমাননা

প্রচলিত ‘জাতীয় সঙ্গীত’ পরিবর্তনের দাবির যৌক্তিকতা রয়েছে


সরকারি আমলা ও প্রশাসন হিন্দুত্ববাদী রবীন্দ্রও তার মতাদর্শকে যেভাবে প্রচার-প্রসারে নেমেছে তা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ তথা ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠি মুসলমানদের সংস্কৃতির সাথে কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ, সেটা ভেবে দেখা অত্যন্ত জরুরী। নচেৎ প্রশ্ন থেকে যায়, তাহলে কি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার তাহযীব-তামাদ্দুন অসম্পুর্ণ?

দেশকে সঠিকভাবে পরিচালিত করতে হলে সরকারি আমলাদের ওলী-আউলিয়াগণ উনাদের ছোহবত মুবারকে আসতে হবে


এটা এখন কারোই অজানা নয়, আমাদের দেশে শুধু গ্যাস এবং চিংড়ি নয়, বহু প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। এই সমস্ত বিপুল সম্পদের দিকে অমুসলিম, কাফিরদের সব সময়ই রয়েছে লোলুপ শকুনি দৃষ্টি। বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের দেশগুলো থেকে নানা চাতুরতায় তাদের ধন-সম্পদ লুন্ঠন করার বিষয়ে মুখ