Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

ভারতের মতো বাংলাদেশের প্রশাসনও কি মুসলিমশূন্য হতে চলেছে?


সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগে, প্রতিটি পদে বিধর্মী, অমুসলিম, উপজাতিদের গণহারে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এদের সংখ্যাধিক্য দেখলে এটাই স্পষ্ট যে, পরিকল্পিতভাবেই এধরণের বৈষম্যমূলক নিয়োগ চলছে। আমাদের এই দেশে ৯৮ ভাগ মুসলমান। সে হিসেবে দেশের প্রশাসনসহ প্রতিটি বিভাগে চাকরি-বাকরিতে মুসলমানদের প্রাধান্য থাকবে

সাইয়্যিদাতুন নিসা, মুতহ্হারাহ্, মুতহ্হিরাহ্, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহামূল্যবান নছীহত মুবারক


হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা অন্য কারো মতো নন, উনারা বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক উনার অধিকারিণী সাইয়্যিদাতুন নিসা, সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, মুতহ্হারাহ্, মুতহ্হিরাহ্, উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার সূরা মারইয়াম

নামে মুসলমান, বাস্তবে তারা মুনাফিক ও মুরতাদ


বর্তমান সময় হচ্ছে আখেরী যামানা। বলা হয়, এক হাজার হিজরী সনের পর হতে আখেরী যামানা। এই আখেরী যামানার বিষয়ে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে মুসলমানের ঈমান- আক্বীদা, আমল-আখলাক্ব বিপর্যয় হওয়া সম্পর্কে বিভিন্ন বর্ণনা উল্লেখ রয়েছে। যেমন এক বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে, আখেরী

পবিত্র কুরবানীতে শর্তারোপ করা ইবলিসী খাছলত


প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুরবানীর পশুর প্রয়োজন মাফিক বাাড়ানো হয়নি। এরপরও দেখা যাবে সিন্ডিকেট করে বেপারীদের দুরে কোথাও আটকে রেখে অল্প অল্প করে গরু ছাড়বে যাতে কুরবানীদাতা চড়া দামে পশুটা কিনতে বাধ্য হয়। ঢাকায় ঢোকার প্রতিটি মুখে সিন্ডিকেট বসিয়ে

খাবারে লুকিয়ে থাকা হারাম উপাদান


রেনেট বা রেনিন (Rennet or Rennin): সদ্য হত্যাকরা প্রানীর পেট থেকে রেনেট এনজাইম সংগ্রহ করা হয় যা পনির বানানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। তবে পাশ্চ্যাতে রেনেট সংগ্রহ করা হয় শুকোরের পেট থেকে। এটি হারাম । এ কারণে বিদেশী (মুসলিম দেশ ছাড়া)

পবিত্র কুরবানীর সময় বেশি ছুটি প্রদান দেশের অর্থনীতির জন্যও লাভজনক


আমাদের দেশে একটি রীতি একরকম প্রচলিত হয়ে গেছে যে, পবিত্র কুরবানীর সময় তিন দিন ছুটি দেয়া হয়। সম্ভবত ব্রিটিশ বেনিয়ারা এটা জারি করেছিল কিন্তু অদ্যাবধি তার কোনো সংস্কার করা হয়নি। শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে এটার সংস্কার করার দরকার ছিল। কারণ,

সুস্থ মানুষকে সুস্থ মানুষ থেকে দূরে থাকার ব্যাপারে ইফা’র ফতওয়া ও সরকারী নির্দেশনা সম্পূর্ণরূপে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী হওয়ার কারণে কাট্টা কুফরী হয়েছে কারণ তারা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শরীয়ত মুবারক পরিবর্তন করেছে


১) করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশংকায় পবিত্র নামাযের কাতারে মুকতাদিদের ফাঁক ফাঁক করে দাঁড়ানো। নাউযুবিল্লাহ! মসজিদ মহান আল্লাহপাক উনার ঘর মুবারক উনাতে নামাযের কাতারের ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীল্লাহ হুযূর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের

ঢাকা শহরের মতো জনবহুল শহরে নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে বলা- এটা তো স্পষ্ট মূর্খতা


বাঙালি মুসলমানদের শত-সহস্র বছরের ঐতিহ্য হচ্ছে ‘ঘরে ঘরে কুরবানী’। কুরবানীর ঈদ বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে গরুর হাট, মুসল্লিদের তাকবীর ধ্বনি সম্বলিত পশু কুরবানী, গোশত ভাগাভাগি এবং বিতরণ, চামড়া সংগ্রহ, ঘরে ঘরে গোশত দিয়ে তৈরি হরেক রকম খাবারের সুবাস। এই ঐতিহ্যের

কুরবানীর পশুর হাট কমালে বা দূরে নিলে সমস্যা আরও বাড়বে


মহান আল্লাহ্ পাক উনার এবং উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন্্ নাবিয়্যীন নূরে মুজাস্্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুবারক আদেশে সৃষ্টির শুরু থেকে মুসলমানগণ পবিত্র কুরবানী মুবারক প্রতিটি ঘরে ঘরে, পাড়ায়-পাড়ায়, মহল্লায়-মহল্লায় করে আসছেন। কিন্তু ৯৮

পবিত্র মসজিদ রহমত-বরকতের স্থান, রোগ-শোক থেকে সুস্থ ও নিরাপদ থাকার স্থান


মুসলমান দ্বীন ইসলাম মানে এবং মানবে। পবিত্র কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা শরীফ ও ক্বিয়াস শরীফ মানে এবং মানবে। শরীয়তের এই সীমার বাইরে কোন ডাক্তারি ফরমুলা, কোন বৈজ্ঞানিক থিওরি বা কোন প্রকা- আকৃতির ব্যক্তি বা মানুষকে দ্বীন ইসলাম স্বীকার করে না

বাজারের কোন পণ্য হারাম আর কোনটা হালাল, সেটা চেনা ও জানা ফরজ-ওয়াজিব


হালাল বিষয়ের বিরোধিতা করা আর হারামের প্রচার করা কুফরী- এ বিষয়টিও প্রায় মানুষেরই জানা আছে। কিন্তু সমস্যা হয়ে থাকে- হালাল বিষয় আর হারাম বিষয় আলাদা করার মধ্যে। এ পর্যায়ে একটি উদাহরণ দিচ্ছি, যদিও তা আজকের আলোচ্য বিষয় নয়, তবু উপলব্ধির জন্যই

শাফিউল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ আউওয়াল ক্বিবলা আলাইহিস সালাম একজন খাছ আওলাদে রসূল; উনাকে সম্মান, মুহব্বত ও অনুসরণ করা সকলের জন্য ফরয


আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ان اولادى كسفينة نوح عليه السلام من دخلها نجا . অর্থ: “আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা হচ্ছেন হযরত নূহ আলাইহিস