Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

আপনি কি সম্মানিত রহমত উনার সমস্ত দরজা সমূহ খোলাতে চান? মাগফিরাত এবং নাজাত লাভ করতে চান? তাহলে পরিবার-পরিজন, পাড়া-প্রতিবেশী সকলকে নিয়ে পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালন করুন


“হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত যে, একদা তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আমির আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার গৃহে উপস্থিত হয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর

মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর হচ্ছেন পবিত্র মসজিদ সেই পবিত্র মসজিদ কখন অবৈধ হতে পারে না


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পৃথিবীতে পবিত্র মসজিদসমূহ হচ্ছে আমার ঘর। যেভাবে নক্ষত্রসমূহ পৃথিবীর জন্য আলোর বিচ্ছুরণ ঘটায়, তেমনভাবে মসজিদসমূহ আকাশের জন্য আলোর বিচ্ছুরণ ঘটায়।” মসজিদ ব্যবহার করে জনগণ, যারা গণতান্ত্রিক

মুসলমানরা কি তাদের ক্বিবলা পরিবর্তন করে ফেলেছে?


পবিত্র কা’বা শরীফের দিকে ফিরে নামায পড়তে হয়। অন্য কোনো দিকে ফিরে হাজার হাজার রাকায়াত নামায পড়লেও নামায আদায় হবে না। বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ অনেক কিছুতে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করেছে, ডিগ্রি নিচ্ছে, পিএইচডি করছে,

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই হচ্ছেন পবিত্র ঈমান; তাই উনার পবিত্র শানে বিন্দুতম চু-চেরা করে কেউ মুসলমান থাকতে পারে না


পবিত্র ঈমান উনার মূলই হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। উনার প্রতি পরিপূর্ণ পবিত্র ঈমান না আনা পর্যন্ত, পরিপূর্ণ হুসনে যন বা সুধারণা পোষণ না করা পর্যন্ত, উনাকে সবচেয়ে মুহব্বত

প্রসঙ্গ: দ্বীন ইসলাম নিয়ে কটূক্তি: অন্ততঃপক্ষে জবানে হলেও প্রতিবাদ জানাতে হবে, নচেৎ ঈমানদার থাকা যাবে না


কিতাবে বর্ণিত আছে, একবার একজন ব্যক্তির উপস্থিতিতে একটি মজলিসে কিছু লোক উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম উনাদের সম্পর্কে কটূক্তি করলো। কিন্তু সে লোক প্রতিবাদে কোনো কথাও বললো না। ওইদিন রাতেই সে স্বপ্নে দেখলো- স্বয়ং নূর নবীজি হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক

পবিত্র যাকাত পৌঁছাতে হবে- নায়েবে নবী ওরাসাতুল আম্বিয়া উনাদের কাছে


আজকাল পবিত্র যাকাত সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়ে গেছে। পবিত্র যাকাত উনার জন্য মেলারও আয়োজন হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ পবিত্র যাকাত কোথায় দিতে হবে, সে উত্তর নিতে হবে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার থেকে। মনগড়াভাবে কিছু করলে সকল মানুষের ফরয আদায়ের ত্রুটির দায়ভার

মহিলাদের জামায়াতের ব্যাপারে ধর্মব্যবসায়ীদের মুনাফিকী


উটপাখিকে বোঝা নিতে বললে সে বলে, আমি তো ভাই পাখি। বোঝা বইবো কী করে? আবার উড়তে বলা হলে জবাব দেয়, আমি তো উট, উড়তে জানি না। একই অবস্থা খারিজী, ওহাবী, দেওবন্দী, তাবলীগী, মওদুদী, জামাতী গংসহ তাবৎ বাতিল ৭২ ফিরক্বার। তারা পবিত্র

সন্তানদের পবিত্র কুরআন শরীফ ও আরবী ভাষা শিক্ষা দেয়া পিতা-মাতার দায়িত্ব


সবাই বলে- আপনার সন্তানদের বেশি বেশি বই পড়ান, যত পড়বে তত জানবে, তত শিখবে। ভালো কথা। কিন্তু এটা কি শুধুই গল্প-উপন্যাস আর আউট নলেজের নামে এমন কিছু শিখানো, যেখানে ইসলাম নেই, মুসলমানিত্ব নেই? যদি তা নাই হয়- তাহলে সন্তানকে সবই শিখাচ্ছেন

মুসলমান নর-নারী হাক্বীক্বী পর্দা করলে দেশ থেকে বেশিরভাগ ফিতনা দূর হয়ে যাবে


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “যে দেখে এবং দেখায় তার উপর মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত।” কাজেই এই লা’নত থেকে বাঁচার জন্য এবং মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া

গরুর খামার গড়ে তুলতে সহযোগিতা জরুরী


পবিত্র কুরবানী ছাড়াও প্রতিদিনই হাজার হাজার গরু আমাদের এ দেশে জবাই হয়ে থাকে। এদেশের মানুষের নিত্যদিনের খাবারের অন্যতম একটি উপাদেয় খাবার হলো গরুর গোশত। অথচ গরুর গোশতের দাম বেড়েই চলছে হু হু করে। মূলত সরকারের অসহযোগিতা ও গরু জবাই বিরোধী একটি

ক্বলবী যিকির ব্যতীত দায়িমীভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরে মশগুল থাকা সম্ভব নয়


বর্তমানে দেখা যায় অনেকে বলে থাকে যে, ক্বলবী যিকির উনার তেমন একটা গুরুত্ব নেই। আর ক্বলবী যিকির বলে কোনো যিকিরের অস্তিত্বও পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে নেই। নাউযুবিল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ

পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনাকে অশুভ ও কুলক্ষণ মনে করা কাট্টা কুফরীর শামিল


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সংক্রামক রোগ বলতে কিছু নেই। পেঁচার