Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

ভূল সংশোধন ও ক্ষমা চাওয়ার তরীকা


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কারো সম্পর্কে খারাপ কিছু জানতে পারলে নির্দিষ্ট করে তার সমালোচনা করতেন না বরং এভাবে বলতেন, “লোকদের কি হল যে তারা এমন এমন কুকর্ম করে”। -(তিরমিযী শরীফ, আবু দাউদ শরীফ) কেউ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি

সুস্বাস্থ্যের জন্য দোয়া করা যেমন সুন্নত আবার রোগ হলে চিকিৎসা করানোও সুন্নত !


একদা হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম তিনি আল্লাহ পাকের নিকট জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমার রব! রোগ কার পক্ষ থেকে? আল্লাহপাক বললেন, হে হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম! রোগ আমার পক্ষ থেকে। আবার তিনি প্রশ্ন করলেন, ঔষধ তার পক্ষ হতে? এরশাদ হল, ঔষধও আমার

পবিত্র কুরআনের মাঝে ৫৪০ টি রুকুই জীবন্ত প্রমাণ যে, তারাবীর নামায ২০ রাকাত


১৪০০ বছর ধরে চলে আসা একটি সুন্নত হলো তারাবীহ নামায আর এই তারাবীহ নামাযের ২০ রাকাত, তা ১০০% কুরআন শরীফ দ্বারা প্রমাণিত। বিস্তারিত অনেক দলিল থাকার পরও ছোট একটি চমকপ্রদ দলিল জেনে নিন পবিত্র কুরআন শরীফ থেকে। যাদ্বরুন মানুষরূপী শয়তানদের থেকে

শিয়া সম্প্রদায় ও তাদের কুফরি আকিদা


শিয়াদের পরিচিতি:  শিয়া একটি বাতিল বা ভ্রান্ত ফিরকা। যারা হযরত আলী আলাইহিস সালাম উনাকে অনুসরনের দোহাই দিয়ে সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের চরম বিরোধীতা করে তাদের শিয়া বলে। এদেরকে রাফেযী ও বলা হয়ে থাকে। ইসলামের বিরুদ্ধে ইহুদীদের এক সুদূরপ্রসারী চক্রান্তের ফসল

মুসলমানদের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতিই তাওয়াক্কুল বা ভরসা করতে হবে


নেক খাছলত বা নেক স্বভাবের অর্ন্তভুক্ত বিষয় সমূহের মধ্যে একটি বিষয় হচ্ছে তাওয়াক্কুল। বান্দা-বান্দী, জিন-ইনসান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্য ফরয মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতিই নির্ভরশীল হওয়া, ভরসা করা, তাওয়াক্কুল করা। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার একাধিক পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের মধ্যে তাওয়াক্কুলের

পবিত্র মসজিদ ভাঙ্গার সুক্ষ্ম ষড়যন্ত্র মুসলমান বরদাস্ত করবে না


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, إِنَّ عَذَابِي لَشَدِيدٌ অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার আযাব বড় কঠিন।”(সম্মানিত ও পবিত্র সূরা ইবরাহীম শরীফ; সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৭) মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, لَا تُحِلُّوا شَعَائِرَ

হাসি ও কান্নার সুন্নাত তরীকা


হাসির সুন্নত তরীকা ———————————– *হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র অভ্যাস ছিল যখন হাসি দিতেন মুচকি হাসি দিতেন, কোন রকম আওয়াজ হত না। (মাদারিজুন্নবুওয়াত) *তিনি কারো সাথে সাক্ষাৎ করতে প্রফুল্ল বদনে মুচকি হাসতে হাসতে সাক্ষাৎ দিতেন, যার প্রভাব

পবিত্র লাইলাতুম মুবারাকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ পবিত্র বরাত শরীফ উনার রাত্রিতে কি কি ইবাদত-বন্দেগী করতে হবে তার সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ


, * প্রথমতঃ বাজামায়াত পবিত্র ইশা উনার নামায আদায় করতঃ পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করে সংক্ষিপ্ত নছীহত করে তওবা-ইস্তিগফার করে দোয়া-মুনাজাত করবে। * অতঃপর দুই দুই রাকায়াত করে ৪ অথবা ৬ অথবা ৮ অথবা ১০ অথবা ১২ রাকায়াত

আজ দিবাগত রাতটিই পবিত্র লাইলাতুম মুবারাকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ মশহুর পবিত্র বরাত শরীফ উনার বরকতময় রাত।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যখন তোমরা লাইলাতুম মুবারকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ মশহুর পবিত্র বরাত শরীফ উনার রাত্র পাবে তখন সারারাত সজাগ থেকে ইবাদত করো এবং পরের দিন রোযা রাখো।”

মে দিবস পালন করা অজ্ঞতা ও মূর্খতারই নামান্তর


১লা মে তথাকথিত শ্রমিক দিবস, হিসেবে পালন করছে কাফিরদের সাথে অনেক মুসলমানরা। কিন্তু কেউ কী একবার ভেবে দেখেছে, এ দিবস কোথা থেকে এসেছে? কে এর প্রবক্তা? না জেনে, না শুনে অন্ধের মতো পালন করে যাচ্ছে ইহুদী-খ্রিস্টানদের প্রবর্তিত দিবসগুলো। কথিত শ্রমিক দিবস

ঘুমানোর পূর্বে সুন্নতসমূহ !


ঘুমানোর পূর্বে সুন্নতসমূহ, ১)ওযু অবস্থায় ঘুমানো ২)শয়নের পূর্বে কাপড় দ্বারা বিছানা ঝেড়ে নেয়া ৩)কাপড় পরিবর্তন করা ৪)শয়নের পূর্বে বিসমিল্লাহ বলে নিম্নের কাজগুলো করা *ঘরের দরজা বন্ধ করা *বাতি নিভিয়ে দেয়া *খাদ্যদ্রব্যের পাত্রের ‍মুখ ঢেকে রাখা, পাত্রের ঢাকনা না থাকলে একটি কাঠি

সরকারের প্রতি- রমাদ্বান শরীফ উনার পবিত্রতা রক্ষার্থে হারাম খেলাধুলা, নাচ, গান-বাজনা, বন্ধ করা, দ্রব্যমূল্য হ্রাস করা, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ করা এবং কমপক্ষে ঈদুল ফিতর সহ ৪৫দিন ছুটি ঘোষণা করা আবশ্যক।


মহান আল্লাহপাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন – يا ا يها الذين امنوا كتب عليكم االصيام كما كتب علي الذ ين من قبلكم لعلكم تتقون অর্থ: হে ঈমানদার বান্দা-বান্দীগণ! আপনাদের জন্য পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার মাসে পবিত্র ছিয়াম