Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

সব সরকার-শাসকদের নছীহত গ্রহণের মাস পবিত্র ছফর শরীফ মাস


পবিত্র ছফর শরীফ মাসটি শুরু হয়েছে। সরকার প্রধানগণ এ সম্মানিত মাস থেকে কতটুকু শিক্ষা গ্রহণ করার প্রস্তুতি নিয়েছেন- তা বুঝা যাচ্ছে না। বিধায় কিছু লিখতে বাধ্য হলাম। বাদশাহ আকবরের পরিচয় জানেন না এমন কোনো সরকার আছেন কিনা তা আমার জানা নেই।

১৩ বছরের শিশু মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পায়, কিন্তু ১৮ বছরের ছেলে- মেয়েরা কেন বাল্যবিবাহের স্বীকৃতি পায় না?


মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা ও বয়স নির্ধারণ করে গত ৮ নভেম্বর (২০১৬ঈসায়ী ) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নতুনভাবে অন্তর্ভূক্তির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার বয়স ২৬-০৩-১৯৭১ তারিখে ন্যূনতম ১৩ বছর হতে হবে। ১৯৭১ সালে ১৩ বছর বয়সী শিশুরা যারা

অসুবিধা শুধু ইসলাম পালন করলেই কেন?


পবিত্র ঈমানে মুফাসসাল উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, ‘আমি বিশ্বাস করলাম মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি, মহান আল্লাহ পাক উনার রাসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি, মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে প্রেরিত কিতাবসমূহের প্রতি, হযরত

রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ কোথায়-কিভাবে খরচ হচ্ছে তার জবাবদিহিতা প্রাপ্তি জাতির মৌলিক অধিকার


সরকার দেশের কর্ণধার, পরিচালক। একটি সরকার দেশের মালিক নয়, জাতির প্রতিনিধি মাত্র। তাকে রাষ্ট্রীয় যেকোনো কাজ করতে হলে যেমন জাতিকে অবহিত করতে হবে; অনুরূপ রাষ্ট্রীয় কোষাগারের আয়-ব্যয়ের হিসাবও সুস্পষ্টভাবে দিতে হবে। সরকারের ইচ্ছা হলেই কোনো খাতে রাষ্ট্রীয় টাকা ব্যয় করতে পারবে

‘আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার ৩০ তারিখে পালিত না হয়ে এ মাস উনার শেষ আরবিয়া শরীফ বা বুধবার পালিত হওয়ার হাক্বীক্বত


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১১ হিজরী সনের পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ আরবিয়া বা বুধবার সকাল বেলা মারীদ্বী শান মুবারক থেকে ছিহ্হাতী শান মুবারক প্রকাশ করেছিলেন। তাই উক্ত মুবারক দিন আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ

সংখ্যালঘুরা নয় বরং সংখ্যাগুরু মুসলিমরাই বেশি বঞ্চনার শিকার


স্বাভাবিক নিয়মেতো বটেই কথিত গণতান্ত্রিক নিয়মেও সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রাধান্য দেয়াই নিয়ম। সে হিসেবে বাংলাদেশের মুসলমানরাই দেশের সমস্ত ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাবে এটাই ছিলো স্বাভাবিক। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা কি সেটা প্রকাশ করে? না, বাস্তবতা কিন্তু তার বিপরীত। কারণ এখনো এদেশের কোটি কোটি মুসলমান

সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ। যা আসতে আর মাত্র ২০ দিন বাকি।সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফদ্বল ও রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’ সুবহানাল্লাহ! আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ

মুসলমানদের জন্য আত-তাক্বউইমুশ শামসী প্রণয়নের প্রেক্ষাপট: বিধর্মীদের প্রণীত যতগুলো ক্যালেন্ডার আছে প্রত্যেকটির সাথেই কুফরী-শিরকী জড়িত


গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির উদ্ভব: বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীতে প্রচলিত সৌরবর্ষপঞ্জিটি খ্রিস্টানদের তথাকথিত ধর্মযাজক পোপ গ্রেগরির নামানুসারে “গ্রেগরিয়ার বর্ষপঞ্জি” নামে পরিচিত। তবে আমাদের দেশে এই বর্ষপঞ্জিটি “ইংরেজি ক্যালেন্ডার” নামেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। পোপ গ্রেগরির প্রকৃত নাম উগো বেনকোমপাগনাই; সে ছিল ১৩তম পোপ। ১৫৮২ সালের

পরিশুদ্ধ অন্তর ব্যতীত কোনো কামিয়াবী নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “ক্বিয়ামতের দিন কেউ কোনো ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি দিয়ে ফায়দা হাসিল করতে পারবে না একমাত্র ঐ ব্যক্তি ছাড়া, যে সুস্থ অন্তকরণ নিয়ে এসেছে।” (পবিত্র সূরা আশ শুয়ারা: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৮-৮৯)

‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ পালন করা- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত


মহান আল্লাহ পাক উনার মা’রিফাত-মুহব্বতে দগ্ধীভূত ব্যক্তি তথা মুসলমানগণ উনারা যে দিনটিকে মা’রিফাত-মুহব্বত লাভের উসীলা সাব্যস্ত করে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অনুসরণে যুগ যুগ ধরে পালন করে আসছেন সেই মুবারক দিনটি ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ হিসেবে মশহুর।

মু’মিন-মুত্তাক্বীগণ উনারাই লাভ করেন ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ উনার নিয়ামত মুবারক


মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে সন্তুষ্ট করার জন্য মু’মিন-মুত্তাক্বীগণ উনারা সর্বদা উদগ্রীব থাকেন। সবসময় তালাশ করেন কিভাবে সেই শ্রেষ্ঠতম নিয়ামত মুবারক লাভ করা যায়, কোথায় পাওয়া যায়, কখন পাওয়া

নাজাতের সহজ পদ্ধতি হচ্ছে- পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা


সাধ্য-সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করে প্রত্যেক মুসলমানই নাজাত চায়, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুবারক সন্তুষ্টি চায়, রহমত চায়। আর পবিত্র নাজাত, মুবারক সন্তুষ্টির সহজ মাধ্যম হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক