Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

‘সারা বছর ইবাদত-বন্দেগী না করে পবিত্র লাইলাতুম মুবারকাহ, লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান, পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ পালন করে লাভ নেই’- এ কথা বলা চরম জিহালতী


যেখানেই ধর্মব্যবসায়ী আলেমদের ওয়াজ ও কথিত প্রগতিবাদীদের মিটিং-সমাবেশ হয়, সেখানেই চলে ইহুদী-খ্রিস্টানদের প্রশংসা ও মুসলমানগণকে ঈমান ও আমল তথা মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইহসান থেকে দূরে রাখার

সালাফীদের মূল মুরুব্বী ইবনে তাইমিয়া, আলবানী, উসাইমিন- এরা পবিত্র লাইলাতুম মুবারকাহ অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাতের ফযীলত ও আমল স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে


বর্তমান সালাফী-ওহাবীরা লাইলাতুম মুবারকাহ, লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাত শরীফ আসলে বিরোধিতায় মেতে উঠে। অথচ তাদের পূর্বসূরি মুরুব্বীরা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র তাফসীর শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, হযরত সলফে ছালিহীন উনাদের আমলে ব্যাপকতার কারণে অসীকার করার কোনো সাহসই

৯ প্রকার লোকের লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান বা সম্মানিত বরাত উনার রাতের ফযীলত নছীব হবে না


সীমাহীন রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত নাযিলের রাত লাইলাতুন নিছফি মিং শা’বান তথা শবে বরাত। এ মহিমান্বিত রাতে যারাই ক্ষমাপ্রার্থনা করবে সবাইকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। শুধু তাই নয়, এ মহিমান্বিত রাতে যে যা চাইবে তাকে তা দিয়ে দেয়া হবে। তবে ৯

সালাফীদের মূল মুরুব্বী ইবনে তাইমিয়া, আলবানী, উসাইমিন- এরা পবিত্র লাইলাতুম মুবারকাহ অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাতের ফযীলত ও আমল স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে


বর্তমান সালাফী-ওহাবীরা লাইলাতুম মুবারকাহ, লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাত শরীফ আসলে বিরোধিতায় মেতে উঠে। অথচ তাদের পূর্বসূরি মুরুব্বীরা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র তাফসীর শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, হযরত সলফে ছালিহীন উনাদের আমলে ব্যাপকতার কারণে অসীকার করার কোনো সাহসই

পবিত্র শা’বান শরীফ মাস হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার নিকটবর্তী হওয়ার মাস।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই আমি লাইলাতুম মুবারকাহ বা বরকতময় রজনীতে (মশহুর পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ উনার মধ্যে) পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করেছি অর্থাৎ নাযিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র শা’বান শরীফ মাস হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার

মে দিবস পালন করা অজ্ঞতা ও মূর্খতারই নামান্তর


১লা মে তথাকথিত শ্রমিক দিবস, হিসেবে পালন করছে কাফিরদের সাথে অনেক মুসলমানরা। কিন্তু কেউ কী একবার ভেবে দেখেছে, এ দিবস কোথা থেকে এসেছে? কে এর প্রবক্তা? না জেনে, না শুনে অন্ধের মতো পালন করে যাচ্ছে ইহুদী-খ্রিস্টানদের প্রবর্তিত দিবসগুলো। কথিত শ্রমিক দিবস

মসজিদে সিসি ক্যামেরা!! উলামায়ে ছু’দের বদ আমলই কি এর জন্য দায়ী নয়?


কিছুদিন আগে ঢাকার একটি মসজিদে নামাযের জন্য যাওয়া হলো। মসজিদে প্রবেশ করতেই আমি অত্যন্ত বিস্মিত হয়ে থমকে দাঁড়ালাম। কিন্তু মসজিদে আসা যাওয়া করা বহু মানুষের কারো মধ্যেই সামান্যতম অস্বাভাবিকতা দেখলাম না। এমনকি মসজিদে দাঁড়ি টুপি এবং লম্বা জামা পরিধান করা লোকদেরও

কুকুর মরলে দুঃখ পাবো, কাফির মরলে নয়


একদিন বিকেলে, রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময়ে রাস্তার মাঝখানে প্রায় দশ-বারোটি কুকুরছানা আমার চোখে পড়লো। ছানাগুলো একটি মাদী কুকুরকে ঘিরে কাড়াকাড়ি করে দুধ খাচ্ছে। একেকটি ছানার দুধ খাওয়া শেষ হচ্ছে, আর সেই ছানাটি এগিয়ে গিয়ে মাদী কুকুরটির মুখ চেটে দিচ্ছে। দৃশ্যটি দেখে

সন্ত্রাসীদের বইকে ‘জিহাদী বই’ না বলে ‘সন্ত্রাসী বই’ বলতে হবে


অমুসলিম তথা ইসলামবিদ্বেষীদের একটা বড় ধরনের কুট-কৌশল হলো পবিত্র ইসলামের বিভিন্ন বিষয়গুলোকে বিকৃত করা কটাক্ষ করা ও হেয় করে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে লেখালেখির মাধ্যমে প্রকাশ করা। তারই একটা ঘৃণ্য উদাহরণ হলো- উগ্র সন্ত্রাসীদের বইগুলোকে ‘সন্ত্রাসী বই’ বলে না বলে ‘জিহাদী বই’

ফসলের ৪২ ভাগ যায় রাজাকার ত্রিদিবের সন্তান দেবাশীষের ঘরে। স্বাধীন বাংলা দেশে উপজাতি সন্ত্রাসী চৌকিদারকে কেন রাজা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হবে?


স্বঘোষিত রাজা ও রাণী কোন যুক্তিতে সাধারণ পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে চাঁদা আদায় করেন একর প্রতি জুম ফসলের ৪২ ভাগ? এই অথোরিটি বাংলাদেশের কোন আইনে সিদ্ধ? কে দিয়েছে তাদের? বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে আমি তাই উচ্চকিত চিৎকারে বলি, “এই কথিত রাজার

আমাদের সর্বপ্রথম পরিচয় আমরা মুসলিম, এরপর অন্য পরিচয়…


কিছুদিন আগে আমাদের দেশের একজন মন্ত্রী বলেছে- সে প্রথমে মানুষ, এরপর বাঙালি, এরপর সে মুসলমান।’ শুধু কেবল এই একজন মন্ত্রীর কথা নয়, এ কথা এখন সারা বিশ্বের বহু মুসলিমরাই এরকম বলে থাকে। মূলত, এই তত্ত্বটি(!) তথাকথিত মানবতাবাদীদের জঘন্যতম একটি বুলি। এই

যে দেশের সরকার ও যে দেশের মানুষ- শাহরুল আ’যম সাইয়্যিদুশ শুহূর পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ এবং পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি যথাযথ সম্মান ও তা’যীম-তাকরীম করবে, সে দেশ ও জাতিকে কখনোই বিদেশী কোনো অপশক্তি পরাভূত করতে পারবে না। ইনশাআল্লাহ!


আলোচনার শুরু হোক পবিত্রতম একটি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে নিয়ে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের মুসলমানদের উপর এমন একটি সময় আসবে, তোমাদের উপর যুলুম-নির্যাতন