Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

পবিত্র আশুরার শিক্ষা: কাফির-মুশরিকদের খিলাফ করতে হবে


সামনেই পবিত্র আশুরা (১০ মহররম শরীফ)। ঐ দিন পরিবারের লোকদের নিয়ে ভাল খাবারের আয়োজন করলে সারা বছর রিযিকে বরকত হয়। সুবহানাল্লাহ! মানুষ মনে করে থাকে বছরের প্রথম দিন ভাল খাবারের ব্যবস্থা করলে সারা বছর ভাল খাওয়া যাবে। নাউজুবিল্লাহ! এটা একটা কুফরী

পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার বরকতপূর্ণ আমল সম্পর্কে মুসলমানরা আজ পুরোই বেখবর


বর্তমানে আমরা দেখতে পাই আমাদের দেশে বাঙালি সংস্কৃতির নামে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে। যেমন: পহেলা বৈশাখ, বসন্ত উৎসব, নবান্ন উৎসবসহ আরো কতো উৎসব। যার কোনোটাই মুসলমানদের সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত নয় এবং এসব অনুষ্ঠান পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ

সম্মানিত ইছমিদ সুরমা মুবারক ব্যবহার করা খাছ সুন্নত মুবারক


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা হাশর শরীফ উনার ৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- وَمَا اَتَاكُمُ الرَّسُوْلُ فَخُذُوْهُ وَمَا نَـهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوْا অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের জন্য যা নিয়ে

বাজেট ঘাটতি পূরণে পবিত্র আশূরা পালনে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা জরুরী


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম উপলক্ষে তার পরিবারকে ভালো খাদ্য খাওয়াবে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে এক বছরের জন্য

আসন্ন পবিত্র ‘আশূরা শরীফ’ উপলক্ষে মুসলমান উনাদের জন্য করণীয় আমলসমূহ এখন হতেই জেনে নিন


(১) হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম (সম্মানিত নবী পরিবার) উনাদের ব্যাপক আলোচনা করা। ফযীলত: রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত, দয়া, দান, ইহসান ও কামিয়াবী লাভ হবে। (২) পরিবর্গকে সাধ্যমতো ভালো খাবার খাওয়ানো। ফযীলত: আগামী এক বছরের জন্য সচ্ছলতা লাভ হবে। (৩)

সুন্নত মুবারক উনার বিরোধিতাকারীরাই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতাকারী


হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুয়াত্তা শরীফ উনার মধ্যে বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদের জন্য দুটি পবিত্র নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি, এই দুটি

আজ সুমহান বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ বরকতময় ৮ই পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি আমার অন্যতম সর্বশ্রেষ্ঠ বানাত অর্থাৎ মেয়ে।” সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ বরকতময় ৮ই পবিত্র

পবিত্র আশুরা শরীফ পালনের মধ্যে মুসলমানদের যাবতীয় কল্যাণ নিহিত


পবিত্র আশুরা যিনি খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে বান্দাদের প্রতি অফুরন্ত দয়া ও ইহসান উনার নিদর্শন। কারণ পবিত্র আশুরা বান্দার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মুক্তি দানের উছিলা। মানুষ মাত্রেই সবসময়ই রুজী- রোজগার নিয়ে পেরেশানীতে থাকে। আর এই

প্রতিটি শ্রেণীতে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অন্তর্ভুক্ত চাই


“হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তারা যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে ‘ফযল ও রহমত’ পেয়েছে সে জন্য তারা যেনো খুশি প্রকাশ করে। নিশ্চয় তাদের এ খুশি প্রকাশ করাটা তাদের সমস্ত সঞ্চয়ের থেকে উত্তম।” সুবহানাল্লাহ!

ইয়াযীদ ও তার বাহিনী এখনো সমাজে বিদ্যমান ॥ আর এরাই উলামায়ে ‘সূ’ তথা ধর্মব্যবসায়ী মালানা


পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস আসলেই ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ উনাদের মন ভারাক্রান্ত হয়ে উঠে। স্মৃতিতে ভেসে উঠে পবিত্র কারবালা উনার হৃদয় বিদারক ঘটনা। এমন ঘটনা মানবজাতির ইতিহাসে দ্বিতীয় আর একটিও নেই। খিলাফতের দাবি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু

শানে সাইয়্যিদাতুনা হযরত নানী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা লুকমান শরীফ উনার ১৫ নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, وَاتَّبِعْ سَبِيْلَ مَنْ أَنَابَ إِلَيَّ অর্থ মুবারক:- “ওই ব্যক্তির অনুসরন কর, যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার দিকে রুজু হয়েছেন।” এমনই মহাসম্মানিত ও

পুরুষদের ন্যায় মহিলাদেরও দ্বীনী তা’লীম গ্রহণ করা ফরযে আইনের অন্তর্ভুক্ত


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলার জন্য ইলম অর্জন করা ফরয।” বর্তমানে দেখা যায়, দেশে-বিদেশে পুরুষরা বাইয়াত গ্রহণ করে, যিকির-ফিকির করে আমল করে। কিন্তু মেয়েদেরকে কিতাবাদি পড়তে বা যিকির-ফিকির করতে খুব একটা দেখা যায় না। বরং