Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

বিজাতীয় শব্দ ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা মুসলমানদের জন্য জরুরী


বিধর্মী বিজাতীরা বহুরূপে বহুকায়দায় বহু ছুরতে সহজ সরল দ্বীনদার মুসলমান উনাদেরকে গুমরাহ করে ঈমান আমলহারা করে দিতে সদা অপতৎপর থাকে। এর মধ্যে তারা তাদের পূজনীয় শব্দগুলো সম্মানিত মুসলমানদের মধ্যে জারী করার মাধ্যমেও তাদের অনুগামী করতে চায়। নাউযুবিল্লাহ! বলার অপেক্ষা রাখেনা কালক্রমে,

সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার উসূল আর দেওবন্দীদের উসূল সম্পূর্ন আলাদা 


তাইতো বলি, কেনো মানুষ দেওবন্দী মালানাদেরকে এত ঘৃনা করে। কেনো মানুষ এদেরকে বাতিল বলে। কেনো মানুষ এদেরকে খারেজী বলে। কেনো মানুষ এদেরকে হিন্দু মুশরিকদের পুজারী বলে। কেনো মানুষ এদেরকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত হতে বহিষ্কৃত ফিরকা বলে। এদের নিয়মনীতি, চলা ফেরা,

ধর্মব্যবসায়ীদের পরিচয়? 


  সম্মানিত ঈমান-আমল হিফাযত করতে হলে ধর্মব্যবসায়ীদেরকে চিনতে ও চিহ্নিত করতে হবে। তাহলে মুসলমানগণ তাদের ঈমান ও আমল হিফাযত করতে পারবে। বর্তমানে তাই দেখা যাচ্ছে, ধর্মব্যবসায়ীদেরকে না চিনার কারণে সাধারণ লোকরা মনে করে- গণতন্ত্র মহাপবিত্র দ্বীন ইসলাম উনারই অংশ (নাঊযুবিল্লাহ!), ছবি

পবিত্র কুরআন শরীফ উনার দৃষ্টিতে- বিধর্মীদের সাথে মুসলমানদের সম্পর্ক যেরূপ


অনেক নামধারী মুসলমান অসাম্প্রদায়িকতার পরিচয় দিতে গিয়ে কাফির-মুশরিকদের ‘ভাই’ বলে কাছে টেনে নেয়, কাফির-মুশরিকদের পূজা, ক্রিসমাস, বৈসাবীতে অংশগ্রহণ করে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে কাফিরদের প্রতি কঠোর মনোভাব পেশ করেছেন। মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক

যামানার মুজাদ্দিদ তথা মুজাদ্দিদ যামান উনাকে চেনা ও জানা ফরয 


  মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি যুগে যুগে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে পাঠিয়েছেন। হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ধারাবাহিকতা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর শুরু হয়েছে ইমাম-মুজতাহিদ, আউলিয়ায়ে কিরামগণ এবং ওলীআল্লাহগণ অর্থাৎ মুজাদ্দিদগণ উনাদের যুগ। ধারাবাহিকভাবে মহান আল্লাহ পাক প্রত্যেক

মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি আমাদেরকে, কায়িনাতবাসীকে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বোত্তম বিষয়সমূহ তা’লীম মুবারক দান করছেন


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, উনার মহাসম্মানিত হযরত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের, মহাসম্মানিত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের এবং মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অর্থাৎ উনাদের প্রত্যেকের বেমেছাল সম্মানিত শান মুবারক সম্পর্কে

যারা দ্বীন ইসলাম উনার নামে ভোট-নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে, এরা ক্ষমতালোভী, ধোঁকাবাজ এদের ধোঁকা থেকে ঈমান হিফাযত করুন


সম্মানিত হাদীস শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে শাসন ক্ষমতা চায় তাকে শাসন ক্ষমতা দেয়া হয় না।” অর্থাৎ যে ব্যক্তি শাসন ক্ষমতা চাবে, সে তো ক্ষমতা লোভী, তাকে কখনো শাসন

একখানা মহাসম্মানিত সুন্নাত মুবারক উনার উপর আমল করলে, মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে ৪টি বিশেষ নিয়ামত মুবারক হাদিয়া


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, مَنْ حَفِظَ سُنَّتِـىْ اَكْرَمَهُ اللهُ تَعَالـٰى بِاَرْبَعِ خِصَالٍ اَلْـمَحَبَّةُ فِـىْ قُلُوْبِ الْبَرَرَةِ وَالْـهَيْبَةُ فِـىْ قُلُوْبِ

মুহলিকাত বা বদ খাছলত এবং মুনজিয়াত বা নেক খাছলত অর্জন করতেই প্রয়োজন ইলমে তাছাউফ


মুহলিকাত (مهلكات) ওইসব বদ খাছলত বা কুস্বভাবকে বলা হয়, যেসব বদ খাছলত বা কুস্বভাব মানুষকে হালাক বা ধ্বংস করে দেয়। এ প্রসঙ্গে জনৈক কবি তিনি বলেছেন- “তুমি যদি চাও, তোমার অন্তর আয়নার মতো পরিষ্কার হোক, তবে তুমি তোমার অন্তর থেকে বদ

মহান আল্লাহ পাক উনার শুকরিয়া আদায় করতে পারা একটি বিশেষ নিয়ামত


শুকরিয়া আদায় অনেক রকম হয়ে থাকে। একটি হলো ফরয অর্থাৎ ফরয কাজগুলো সম্পাদন করা এবং নিষিদ্ধ কাজগুলো বর্জন করা। এমনটি করা অত্যাবশ্যক এবং শুকরিয়া আদায়ের জন্য এমনটি করাই যথেষ্ট। আবার শুকরিয়া হলো পাপ কাজ পরিত্যাগ করা। শুকরিয়া হলো কোনো নিয়ামত ব্যবহার

মাসের সংখ্যা বিন্যাসের ক্ষেত্রে আত তাক্বউইমুশ শামসীতে সুবিধা ও অন্যান্য সৌরসনের অসুবিধা 


ঈসায়ী সনের হিসাব : মহাকাশবিজ্ঞানের উন্নতির ফলে এক সময় মানুষ জানতে পারে যে, এক সৌর বছর সমান ঠিক ৩৬৫ দিন ৬ ঘন্টা বা ৩৬৫.২৫ দিন নয়। বরং তার চেয়ে কিছুটা কম। তাছাড়া রোমান ক্যাথলিক চার্চ ৩২৫ ঈসায়ী সনে হিসাব করে ২১

দাইয়্যূছ কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না। দাইয়্যূছ কে? 


মানুষ মৃত্যুর পর হয়তো জান্নাতে যাবে নতুবা জাহান্নামে। দু’টির একটিতে অবশ্যই যেতেই হবে। তবে যারা দাইয়্যূছ তারা কখনো জান্নাতে যেতে পারবে না। কেননা জান্নাত উনার দরজায় লিখা রয়েছে- الَدَّيُّوْثُ لَا يَدْخُلُ الْجَنَّة অর্থ: “দাইয়্যূছ কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না।” অতএব যারা