Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

তাযকিয়া ও সম্মান পেতে চাইলে সকলকে শুকরিয়া আদায় করতে হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন: يَعْرِفُونَ نِعْمَتَ اللَّـهِ ثُمَّ يُنكِرُونَهَا وَأَكْثَرُهُمُ الْكَافِرُونَ অর্থ: “তারা মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত চেনে, তারপরও তা অস্বীকার করে, আর তাদের অধিকাংশই কাফির।” (পবিত্র সূরা নাহল শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৩) তাযকিয়া ও সম্মান

পবিত্র যাকাত আদায় নিয়ে চু-চেরা করা ঈমানদারের লক্ষণ নয়


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে একটি ঘটনা বর্ণিত আছে। একবার একজন মহিলা ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার দুই শিশু সন্তানকে কোলে নিয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক সাক্ষাতে আসলেন। তখন ওই দুই শিশু সন্তানদের হাতে

সন্তানদের পবিত্র কুরআন শরীফ ও আরবী ভাষা শিক্ষা দেয়া পিতা-মাতার দায়িত্ব


সবাই বলে- আপনার সন্তানদের বেশি বেশি বই পড়ান, যত পড়বে তত জানবে, তত শিখবে। ভালো কথা। কিন্তু এটা কি শুধুই গল্প-উপন্যাস আর আউট নলেজের নামে এমন কিছু শিখানো, যেখানে ইসলাম নেই, মুসলমানিত্ব নেই? যদি তা নাই হয়- তাহলে সন্তানকে সবই শিখাচ্ছেন

তারা জাহিল ও মূর্খ, তাই বেপর্দা হয়ে চলাফেরা করে 


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহিলারা ঘরে অবস্থান করবে, জাহিলিয়াত যুগের মেয়েদের মতো সৌন্দর্য প্রদর্শন ঘুরে বেড়িও না”। এই সম্মানিত আয়াত শরীফ থেকে আমরা সহজেই বুঝতে পারি মেয়েদেরকে পর্দার সাথে ঘরে অবস্থান করতে হবে। প্রয়োজনে ঘর থেকে বের

হক্ব-নাহক্বের পার্থক্য বিচারে বাল্যবিবাহ প্রসঙ্গটিই যথেষ্ট 


সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার মধ্যে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যে রয়েছেন উত্তম আদর্শ মুবারক”। সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর

যারা স্বেচ্ছায় বেপর্দা হয়, তারা ইবলিসের ক্বায়িম-মাক্বাম বা উত্তরসূরি 


সর্বপ্রথম লা’নত বা অভিসম্পাত দেয়া হয়েছিল ইবলিসকে। সে সাইয়্যিদুনা হযরত আবুল বাশার ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা দেয়নি। সিজদা করার মুবারক নির্দেশ ছিল খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার। ইবলিস যখন সিজদা করার বিষয়টি অস্বীকার করলো, তখন মহান আল্লাহ পাক

পথহারা, বেদিশা ও পথভ্রষ্টদের বলছি… 


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করে বান্দা-বান্দীকে দোয়া শিক্ষা দেন, ‘ইয়া আল্লাহ পাক, আমাদেরকে দুনিয়া এবং আখিরাত উভয় জাহানে কল্যাণ দান করুন এবং জাহান্নামের আযাব থেকে পানাহ দান করুন। আপনারা সবাই এ পবিত্র

ইতিহাস থেকে প্রমাণ- যে আমল মুবারক কখনো কোনভাবেই নষ্ট হয়নি এবং হয়না 


মুঘল শাসক আকবরের নাম শুনেনি এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তার সময়কার এক ক্ষমতাধর দুনিয়াদার গুমরাহ বাদশাহ। মূলত, মুঘল বাদশাহদের দাপট তৎকালীন দুনিয়ায় এতই প্রবল ছিল যে অন্যান্য রাজা-বাদশাহরা সবসময় ভয়ে তটস্থ থাকতো- কখন না জানি মুঘলদের রোষানলে পড়ে ক্ষমতাহীন হতে

বিধর্মী বিজাতীদের বিপরীত আমল করার শিক্ষা ‘পবিত্র ইফতারী’


আজকাল অনেকে বলে থাকে, সর্বক্ষেত্রে কি ইহুদী-নাছারাদের সাথে মিল না রেখে, তাল না মিলিয়ে চলা যাবে? নাউযুবিল্লাহ! অথচ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “যে ব্যক্তি যে জাতি বা কওমের সাথে মিল-মুহব্বত রাখবে, ক্বিয়ামতের ময়দানে তার হাশর-নশর তাদের সাথেই

উন্নয়নের কথা বলে পবিত্র মসজিদগুলো ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে! নাউযুবিল্লাহ!


পবিত্র মসজিদ হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর। সম্মানিত মুসলমানগণের ইবাদত- বন্দেগীর স্থান। বাংলাদেশ ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশ। সঙ্গতকারণে অতিব প্রয়োজনে বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে পবিত্র মসজিদসমূহ। প্রতিটি এলাকার মুসল্লিগণের অর্থে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এসব পবিত্র মসজিদ। অথচ নানা অজুহাত দাঁড় করিয়ে

প্রসঙ্গ: বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন: সরকার কি মুসলমানদের স্বাধীনতা ও অধিকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায়?


বাংলাদেশের সংবিধান এদেশের একজন ব্যাক্তিকে তার স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য অধিকার দিয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধান এদেশের মুসলমান উনাদেরকে তাদের পারিবারিক বিষয়সমূহ পারিবারিকভাবে সমাধা করার অধিকার দিয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধান এদেশের নাগরিককে তার ধর্মীয় অধিকার প্রয়োগ করার, পালন করার, প্রচার করার পূর্ন অধিকার দিয়েছে।

সুন্নত মুবারক উনার আমলের কোন মেছাল নেই


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো বা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও, তবে তোমরা আমার অনুসরণ