Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

লকডাউন কখনো কাউকে মৃত্যু থেকে রক্ষা করতে পারে না, তাই করোনা থেকে বাচঁতে লকডাউন দেয়া সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং বোকামীও বটে


খলিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ অর্থ:“প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৮৫) মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ

যারা ‘আন্তর্জাতিক মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ উনার আমিল হবেন, প্রচার-প্রসার ও তৎসংশ্লিষ্ট কাজে শরীক থাকবেন উনারাই খাছ ‘খলীফা’ হিসেবে মনোনীত এবং খাছ রহমতপ্রাপ্ত বলে বিবেচিত হবেন


বর্তমান সমাজ ক্রমশঃ এক ভয়াবহ পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে অপসংস্কৃতি জেঁকে বসেছে। ন্যায়-নীতি এখানে বিলুপ্ত প্রায়। যুলুম-অত্যাচার, গুম, হত্যা, লুণ্ঠন প্রভৃতি পাপাচারের বিষবাষ্পে জাতি দিশেহারা। এক্ষুণে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কোপানল থেকে সমাজকে রক্ষা করতে হলে পবিত্র সুন্নত মুবারক

অবিস্মরণীয়, মহাপবিত্রতম কোটি কণ্ঠে মীলাদ শরীফ মাহফিল শরীফে যে বা যারা আর্থিক ও শারীরিকভাবে শরীক থাকতে পারবেন, খুশি প্রকাশ করতে পারবেন, উপস্থিত থাকতে পারবেন উনাদের জন্য পবিত্র জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে


মহাপবিত্র আযীমুশ শান সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনে সীমাহীন ফাযায়িল ফযীলত সম্পর্কে সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- قَالَ رَسُوْلُ

অভিমত: করোনা মুসলমানদের জন্য কোনো সমস্যা নয়; বরং কাফিরদের উপর নিপতিত এক মহা গযব


করোনা হলো ইসলামবিদ্বেষী ও মুসলিমবিদ্বেষী চীন থেকে শুরু করে বিশ্বের সকল কাফিরগোষ্ঠীর উপর নাযিল হওয়া অত্যন্ত কঠিন এক গযব। এই গযবে পড়ে হাঁকডাক দেয়া বিশ্বের সকল কুফরী শক্তিগুলো আজ কুপোকাত। তারা আজ নিজেদের অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। মূলত মুজাদ্দিদে আযম রাজারবাগ শরীফ

একজন ‘সুলত্বানুল আরেফীন’ উনার মুবারক কথা


খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমার ওলীগণ আমার কুদরতী জুব্বা মুবারকের নিচে অবস্থান মুবারক করেন। উনাদেরকে আমার ওলীগণ ব্যতিত অন্য কেউ হাক্বীক্বীভাবে চিনতে পারেনা।” অর্থাৎ, সত্যিকার আল্লাহওয়ালা উনাদেরকে সাধারণ মানুষ হাক্বীক্বীভাবে

আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেহেতু “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফ” মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। সুবহানাল্লাহ! আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেহেতু “মহাসম্মানিত ও

মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ উনার সম্মানার্থে: প্রত্যেক মাসের ১২ তারিখে মহাপবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার অবিস্মরণীয় আয়োজন- -বিশ্বজুড়ে একযোগে কোটি কোটি কণ্ঠে পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ -সুসজ্জিত পরিবহনে শহর প্রদক্ষিণ এবং বিভিন্ন স্থানে তাবারুক বিতরণ -গরু-খাসী জবেহের মাধ্যমে বিশেষ আক্বীকা মুবারক


আহলু বাইতে রসূলিল্লাহ, মুজাদ্দিদে আযম রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক তত্ত্বাবধানে ও পৃষ্ঠপোষকতায় মহাসম্মানিত রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার আয়োজনে মহাসম্মানিত সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উপলক্ষে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ ১২ই শরীফ উনার সম্মানার্থে আজ

সম্মানিত ১২ শরীফ যে কারণে স্মরণীয় ও খুশি প্রকাশের দিন


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সবচেয়ে মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী করে সৃষ্টি করেছেন। শুধু তাই নয়, উনাকে এত অধিক মর্যাদা-মর্তবার অধিকারী করেছেন যে, উনার সাথে নিসবতযুক্ত

সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে কাতারে ফাঁক বন্ধ করা ওয়াজিব; তাই নামাযে দুরত্ব বজায় রাখা বা কাতারে ফাকা ফাকা হয়ে দাঁড়ানো জায়িয নেই


জামায়াতে নামায আদায় করার ব্যাপারে সম্মানিত শরীয়ত উনার বিধান হচ্ছে, কাতার সোজা করা ওয়াজিব এবং ফাঁক বন্ধ করা ওয়াজিব। কাতারে ফাক থাকলে ওয়াজিব তরক হওয়ার কারনে নামায মাকরুহ তাহরীমী হবে। আর নামাযে মাকরুহ তাহরীমী হলে নামায দোহরায়ে পড়া ওয়াজিব হয়ে যায়।

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী কখনও ফকীর হবেনা


হযরত ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন- “যে ব্যক্তি খুশির সাথে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপন করে রৌপ্যের অথবা স্বর্ণের দিরহামসমূহের উপর ফুঁক দেয়, অতঃপর তা অন্য জাতীয় মুদ্রার সাথে মিশায় তাহলে তাতে

প্রসঙ্গঃ ‘নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে বলা’- দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি বিদ্বেষ ও মুসলমানদের প্রতি বিদ্বেষ থেকেই এ ধরণের উদ্ভট চিন্তা-ভাবনা


(১). আবহমানকাল থেকে মুসলমানদের ঘরে ঘরে কুরবানীর পশু জবাই হয়ে আসা কোনো দেশ কিংবা সমাজ বা পরিবেশের ক্ষতির কথা কোন সুস্থ বিবেকবান মানুষ ভাবেনি বরং অনেকে কুরবানীর তাজা রক্ত হাতে কিংবা রোগে আক্রান্ত স্থানে রোগ আরোগের জন্য ব্যবহার করে আসছেন। যা

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা ইমাম মামদুহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলইহিস সালাম উনার মা’রিফাত-মুহব্বত মুবারক, সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক পেতে হলে সাইয়্যিদুল উমাম হযরত শাহ নাওয়াসা ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম করা প্রত্যেকের জন্য ফরয


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছ, عَنْ حَضْرَتْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰی عَنْهُ قَالَ: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في حَضْرَتْ الحسن عَلَيْهِ السَّلَامُ و حَضْرَتْ الحسين عَلَيْهِ السَّلَامُ من أحبني فليحب هذين