Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

এত সুন্দর নামায! সুবহানাল্লাহ!


আজ থেকে অনেক বছর আগের কথা, আনুমানিক ১৯৯৫/১৯৯৬ খৃঃ সনে হবে। পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ সংলগ্ন রাস্তাটি হচ্ছে ৫নং সার্কুলার রোড নামে পরিচিত। এ রোডের সাথে ঘেঁষে ছিল তিন তলা বিশিষ্ট মার্কেট। মাঝ বরাবর সুন্নতী জামে মসজিদ গেইট এবং রাস্তার বিপরীত

প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলের জন্যই ফরযে আইন হচ্ছে- যথাযথভাবে পাঁচ ওয়াক্ত পবিত্র ছলাত বা নামায যথা সময়ে আদায় করে নেয়া।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই পবিত্র ছলাত বা নামায মু’মিনদের উপর ফরয নির্দিষ্ট সময়ে’। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, পবিত্র ছলাত বা নামায হচ্ছেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার স্তম্ভ, যে

জান ও মাল দ্বারা অবারিত খিদমত মুবারকের আন্জাম!


হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের মধ্যে

এক স্বঘোষিত ঈমানহারা, বেঈমানের মুখোশ উন্মোচন


‘অসীম ইলম মুবারক উনার অধিকারী’ বিশ্বাস করলে বা বললে যদি ঈমানহারা হতে হয়, তাহলে আইনুল হুদা ওরফে আইনুশ শয়তান লা’নাতুল্লাহি আলাইহি সদরল আমিনকে মাওলানা বলে এবং মাদরাসা থেকে ফারেগ হওয়া ব্যক্তিদেরকে মাওলানা বলা জায়েয বলে, সে নিজেই ঈমানহারা হয়ে বেঈমান হয়ে

মুসলমান ঈমানী বলে বলীয়ান হলে কাফিরদের উপর বিজয় নিশ্চিত


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “মু’মিন-মুসলমানগণকে সাহায্য করাই মহান আল্লাহ পাক উনার হক্ব।” (পবিত্র সূরা রূম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৭) সুবহানাল্লাহ! মহাপবিত্র কুরআন শরীফে নাযিলকৃত পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত

গান-বাজনা হারাম; যা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে স্পষ্ট করেই বলে দেয়া হয়েছে


পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের বিধান মুবারক দ্বারা গান বাজনা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে لَـهْوَ الْـحَدِيْثِ “লাহওয়াল হাদীছ” উনার দ্বারা গান বাজনাকেই বুঝানো হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِىْ

চারু ও কারু বলতেই কেন পাঠ্যপুস্তকে ছবি-ভাস্কর্য নিয়ে আসা হচ্ছে? বাংলার মুসলিম শাসনামলের ক্যালিগ্রাফি ও স্থাপত্যশিল্পগুলো কি কারো চোখে পড়ে না?


পবিত্র মুসলিম শরীফ উনার একখানা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে যে, “হযরত সাঈদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, এক ব্যক্তি হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নিকট এসে বললো, আমি এমন এক ব্যক্তি যে প্রাণীর ছবি অংকন করি, সুতরাং

মুসলমানদের ইবাদত-বন্দেগী নষ্ট করতে চাঁদ নিয়ে ষড়যন্ত্র


সউদী সরকার তবৎড় সড়ড়হ অনুযায়ী নতুন চন্দ্রমাস শুরু করে, যা শরীয়তসম্মত নয়। কারণ শরীয়তে চাঁদ চাক্ষুষ দেখা শর্ত। মূলত, Zero moon অনুযায়ী সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার চন্দ্র তারিখ ঘোষণা করার করণে এই তারিখ অনুযায়ী কেউ যদি রোযা শুরু করে, তবে যে

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং মহান আল্লাহ পাক উনারা ঈমানদারদের বিবাহের বয়স নির্দিষ্ট করে দেননি।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “একমাত্র মনোনীত পরিপূর্ণ সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত, অপরিবর্তনীয় সম্মানিত দ্বীন হচ্ছেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম।” স্মরণীয় সম্মানিত শরীয়ত অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অর্থাৎ স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দীদার মুবারক


বাতিল ফিরকাদের একটা দাবি হচ্ছে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনাকে দেখেননি। নাউযুবিল্লাহ। নাউযুবিল্লাহ। নাউযুবিল্লাহ। মূলত তারা উনার সুমহান শান মুবারক সম্পর্কে সম্পূর্ণ বেখবর হওয়ার কারণে এ বিষয়সমূহ বুঝতে

আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় ২৯শে জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! নিশ্চয়ই আপনারা অন্য কোনো মহিলাদের মতো নন।” সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় ২৯শে জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আফদ্বালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা

উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত হাদিয়া আশার আলাইহাস সালাম উনার বিভিন্ন বিষয়ে উম্মতদেরকে তা’লীম প্রদান


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শরীয়ত মুবারক উনার বিষয়ে উম্মত উনাদেরকে তা’লীম প্রদান: এ সম্পর্কে ‘বুখারী শরীফ’-এ বর্ণিত রয়েছে, عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ قَالَتْ لَمَّا جَاءَ نَعْيُ أَبِي سُفْيَانَ مِنَ الشَّأْمِ، دَعَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا بِصُفْرَةٍ فِي اليَوْمِ الثَّالِثِ فَمَسَحَتْ