Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

:::::::::ক্বিয়ামত::::::::::


অন্যান্য মাখলূকাতের মধ্যে পাহাড় সবচেয়ে শক্তিশালী।কারণ কোনো কোনো পাহাড় পাথরের তৈরি আর কোনো কোনো পাহাড় লোহার মত শক্ত পদার্থ দিয়ে তৈরি।এ পাহাড় দিয়ে মহান আল্লাহ পাক পৃথিবীকে স্থির করেন।অর্থাৎ পৃথিবী যখন সৃষ্টি করা হয়েছিল তখন পৃথিবী দুলতেছিলো।এ দোদুল্যমান অবস্থা থেকে পৃথিবীকে

মহাসম্মানীত যাকাত ব্যবস্থা


*** ১. যাকাত অর্থ কি? যাকাত অর্থ বরকত বা বৃদ্ধি, পবিত্রতা বা পরিশুদ্ধি। অর্থাৎ যাকাতের সাথে যারা সংস্লিষ্ট হবেন তাদের বরকত ও বৃদ্ধি হবে এবং পবিত্রতা ও পরিশুদ্ধি হাছিল হবে। কোথায় হবে? মালী, জীসমানী এবং রূহানী। ‘মালী’ হচ্ছে মাল-সম্পদ। মাল-সম্পদে বরকত

শবে বরাত


শবে বরাত কি ? শব অর্থ রাত্রি বা রজনী,বরাত অর্থ ভাগ্য = ভাগ্য রজনী । শবে বরাত শব্দটি ফারসী । হাদীস শরীফ উনার ভাষায় লাইলাতুন নিছফি মিন শাবান । সম্মানীত কুরআন শরীফ উনার ভাষায় লাইলাতুম মুবারাকা = বরকত পূর্ণ রজনী ।

আজ দিবাগত রাতটিই সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতপূর্ণ রাত।


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতময় রাতে আমি মহান আল্লাহ পাক উনাকে সর্বোত্তমভাবে দেখেছি।” অর্থাৎ, সরাসরি দীদার মুবারক লাভ করেছি। সুবহানাল্লাহ। আজ দিবাগত রাতটিই সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মি’রাজ

আচ্ছা! বৃষ্টি এলে রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কি করতেন?


  তিনি কিন্তু মোটেই বৃষ্টি থেকে দূরে সরে যেতেন না বরং প্রচণ্ড খুশি হতেন। খুব সাবধানতার সাথে উনার পবিত্র জিসিম মুবারকের কিছু অংশ উন্মুক্ত করে বৃষ্টির পরশ বুলাতেন। (সুবহানাল্লাহ) হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন – “আমরা যখন রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি

বৈশাখী পূজা নয়, ঈদে মিলাদে হাবীবি উপলক্ষে ভাতা বোনাস চাই


বৈশাখী পূজা নয়, ঈদে মিলাদে হাবীবি উপলক্ষে ভাতা বোনাস চাই ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে হিন্দুয়ানী পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে নয়, বরং ‘১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উপলক্ষে বোনাস’ দিতে হবে। সম্প্রতি (১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ) খবরে এসেছে পহেলা বৈশাখে ‘বাংলা নববর্ষ ভাতা’

Image may contain: text বৈশাখী পূজা নয়, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই একমাত্র সার্বজননীন উৎসব।


****************************************************************************** সবাই বলে পহেলা বৈশাখ একটা সার্বজনীন উৎসব। ধর্ম যার যার আর উৎসব সবার। তাদের যুক্তি কতটূকু ঠিক। এমন উৎসব কি আমরা পালন করতে পারি যা আমাদের ধর্মের বিরুদ্ধে যায়? এমন উৎসব আমরা পালন করতে পারি না যা আমাদের ইসলাম ধর্মের

হিন্দুদের বৈশাখী পূজা উপলক্ষে বোনাস বাতিল করতে হবে |


=================================== ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে হিন্দুয়ানী পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে নয়, বরং ‘১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উপলক্ষে বোনাস’ দিতে হবে। সম্প্রতি (১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ) খবরে এসেছে পহেলা বৈশাখে ‘বাংলা নববর্ষ ভাতা’ নামে একটি উৎসব ভাতা চালু করতে যাচ্ছে সরকার। সরকারি

পহেলা বৈশাখ পালন করা কেন হারাম ??


নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজরতের পর মদীনা শরীফ গিয়ে ঐ এলাকাবাসীর দুটি উৎসব বন্ধ করেছিলেন। একটি হচ্ছে, বছরের প্রথম দিন উদযাপন বা নওরোজ; অন্যটির নাম ছিলো ‘মিহিরজান’। এ উৎসবের দুটির বিপরীতে চালু হয় মুসলমানদের দুই ঈদ। (তাফসিরসমূহ দেখতে পারেন)

হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে অফিস-আদালত ও প্রতিষ্ঠানসমূহ জাতীয়ভাবে ছুটি ঘোষণা করে সারা দেশব্যাপী পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ, ওয়াজ শরীফ ও পবিত্র সামা শরীফ ও দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করে গরিব-মিসকীনদের মাঝে তাবারক বিতরণের ব্যবস্থা করা


‘পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ বিরোধী কোনো আইন পাস হবে না’- এই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তারা যদি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মতো

ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, চতুর্থ খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার বিশেষ খুছুছিয়াত তথা বৈশিষ্ট্য এবং গুণাবলী মুবারক


শেরে খোদা, বাবুল ইলম ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার খুছুছিয়াত ও গুণাবলী মুবারক বহুবিধ। প্রথমতঃ তিনি হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুলল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া

ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার তাক্বওয়াপূর্ণ ন্যায়বিচার সকলের জন্যই অনুসরণীয়


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে তাক্বওয়া সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন, إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِندَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ. অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্বাধিক সম্মানিত যিনি