Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই বাইয়াত গ্রহণ করা, তরীক্বার সবক নেয়া, তরীক্বার সবক্ব আদায় করা, ছোহবত ইখতিয়ার করা এবং এর মাধ্যমে ফয়েয তাওয়াজ্জু হাছিল করা ফরযে আইন।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে ঈমানদাররা! তোমরা ছদিক্বীন বা সত্যবাদী অর্থাৎ আল্লাহওয়ালা উনাদের ছোহবত ইখতিয়ার করো। প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই বাইয়াত গ্রহণ করা, তরীক্বার সবক নেয়া, তরীক্বার সবক্ব আদায় করা, ছোহবত ইখতিয়ার করা এবং এর মাধ্যমে ফয়েয

সুন্নতী পোশাক টুপির বর্ননা:


হযরত আবু কাবশা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের টুপি ছিল গোল। [তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ] অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু

সাবধান হে মুসলিম! সরকারী আমলাদের মাধ্যমে পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে বহুমুখী চক্রান্ত করা হচ্ছে


এ দেশের মুসলমানগণ গৌড় গোবিন্দের ইতিহাসের আর কখনো পুনরাবৃত্তি হবে এমনটি ধারণাও করেননি। কিন্তু আজ আবারো সেই গৌর গোবিন্দের ভাবশিষ্যদের আস্ফালন দেখা যাচ্ছে। কুরবানী বিরোধীদের কূটকৌশল ও অপপ্রচারের কারনে সরকারী আমলারাও নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে ও পশুর হাটের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে বাল্য বিবাহের স্পষ্ট দলীল


পবিত্র সূরা নিসা শরীফ উনার ৩নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, َإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَىٰ فَانكِحُوا مَا طَابَ لَكُم مِّنَ النِّسَاءِ مَثْنَىٰ وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ অর্থ: “আর যদি তোমরা ভয় কর যে, ইয়াতীম মেয়েদের

মুসলমানদের জন্য কুরবানী উনার মাসয়ালা মাসায়িল শিক্ষা করা ওয়াজিব


সম্মানিত শরীয়ত উনার পরিভাষায় খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার নামে নির্দিষ্ট তারিখে নির্দিষ্ট নিয়মে নির্দিষ্ট প্রাণী যবেহ করার নাম পবিত্র কুরবানী। অর্থাৎ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ১০, ১১ ও

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সীমাহীন ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা সম্পর্কে জানা প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরয।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আমি আপনার সম্মানিত যিকির বা মর্যাদাকে সমুন্নত করেছি।’ সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সীমাহীন ফযীলত,

উলামায়ে ‘সূ’ ধর্মব্যবসায়ীদের মাদ্রাসায় পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়া দিলে গুনাহ হবে


বর্তমানে অধিকাংশ মাদ্রাসাগুলোই হচ্ছে জামাতী, ওহাবী, খারিজী; দেওবন্দী ক্বওমী মতাদর্শের তথা সন্ত্রাসী তৈরির কেন্দ্র। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দোহাই দিয়ে, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নামে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক স্বার্থ ও প্রতিপত্তি হাছিলের প্রকল্প। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নামে নির্বাচন করার ও ভোটের

কথিত ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ বিষয়ে অপব্যাখ্যা এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের প্রতি মিথ্যা অপবাদের খণ্ডনমূলক জবাব


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বওল মুবারক দ্বারা প্রমাণিত ‘তোমরা সিংহের আক্রমণ থেকে যেভাবে পলায়ন করো, কুষ্ঠরোগীর থেকেও সেভাবে পলায়ন করো’ এটা মাওযূ হাদীছ আর অসুস্থ ব্যক্তিকে সুস্থ ব্যক্তির সামনে

সুমহান মহাপবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস উনার ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪ এবং ১৬ তারিখ সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভূক্ত।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! সুমহান মহাপবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস উনার ৮, ১১,

মহল্লায় মহল্লায় পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট চাই!


আমাদের দেশের শতকরা ৯৮ ভাগ লোক মুসলমান এবং পবিত্র কুরবানী একটি সম্মাানিত ওয়াজিব আমল। পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে পবিত্র কুরবানী উনার ফাযায়িল-ফযীলত স¤পর্কে অনেক বর্ণনা রয়েছে। কুরবানীদাতা অনেক নেকী হাছিল করে থাকেন। সুবহানাল্লাহ! আবার এই নেক

বিধর্মীদের কুকীর্তিগুলো লিখিত রূপ দেয়নি কোনো লেখক, ফলে তাদের অপকীর্তিগুলো মুসলমানদের জানার আড়ালেই থেকে যাচ্ছে


ব্রিটিশ আমলে যখন বাঙালি হিন্দুরা ইংরেজদের সহায়তায় সাহিত্যক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন থেকেই তারা শুরু করে মুসলমান উনাদের চরিত্রে অপবাদ দিয়ে অশ্লীল সাহিত্য ও নাটক রচনা। বুযূর্গ বাদশাহ হযরত আলমগীর রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে শুরু করে উনার কন্যা ও বোনদের নিয়ে বঙ্কিমচন্দ্র তার

সুন্নতি নালাইন ব্যবহার করা খাছ সুন্নত


সুন্নাতি নালাইন কাউকে হাদিয়া দেয়াও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু বর্ণনা করেন, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু’ফিতা বিশিষ্ট চামড়ার নালাইন শরীফ (স্যান্ডেল বা জুতা) পরিধান করতেন। (শামায়েলে তিরমিযী, জামউল ওসায়েল, আদাবুন নবী) অর্থাৎ