Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

সালাম দাঁড়িয়ে দেয়াই সম্মানিত শরীয়ত উনার নির্দেশ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে সালাম শরীফ পেশ করার নিয়ম ও আদব সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহ তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يُسَلِّمُ

বর্তমান জমিনে একমাত্র ব্যক্তিত্ব–


বর্তমান জমিনে একমাত্র ব্যক্তিত্ব– ১) যিনি কুরআন শরীফ হাফিজ তো অবশ্যই এর সাথে শতাধিক তাফসীর উনার ঠোটস্থ। ২) লক্ষ লক্ষ হাদীছ শরীফ উনার শানে নূযূল, সনদ, মতন , শরাহসহ হাফিজ। ৩) ইজমা শরীফ ও ক্বিয়াস শরীফ উনার শত শত গ্রন্থের যিনি

রাজারবাগ দরবার শরীফ থেকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার স্বার্থে পরিচালিত কার্যক্রমের কিছু নমুনা


সাম্রাজ্যবাদীরা গণতন্ত্রের মত এক অর্থহীন- অচল- অকার্যকর পদ্ধতি বিশ্বে চাপিয়ে দিয়ে এবং তার মাধ্যমে নিজেদের সুবিধা আদায়ে সহায়ক শাসক শ্রেণী বসিয়ে বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে। এইসব শাসক শ্রেণী কেবল ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সাম্রাজ্যবাদীদের সুবিধাটুকুই দেখে প্রকারান্তরে বঞ্চিত থাকে আপামর জনগোষ্ঠী।

হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সংখ্যা নিয়ে ইখতিলাফ বা মতবিরোধের সঠিক ফায়সালা 


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অনেক বিষয়ে ও অনেক মাসয়ালার ক্ষেত্রে ইখতিলাফ রয়েছে। এর বহুবিধ কারণও রয়েছে। একটি অন্যতম কারণ হচ্ছেন বর্ণনাকারী। যার কাছে যেভাবে বর্ণনা পৌঁছেছে তিনি সেভাবে বর্ণনা করেছেন। উনাদের মধ্যে কেউ কেউ কম তাহক্বীক্ব করেছেন আবার কেউ কেউ একটু

বিজাতীয় পন্থায় দ্বীন ইসলাম কায়িম করার অলীক স্বপ্ন 


ক্ষমতালোভী ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘সূ’রা গণতন্ত্র করে। তাদের যুক্তি হচ্ছে- গণতন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় গিয়ে তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিধিবিধান জারি করবে। তারা হারাম নারী নেতৃত্ব মেনে থাকে। এক্ষেত্রে তারা ধোঁকাপূর্ণভাবে বলে থাকে- পবিত্র দ্বীন ইসলাম কায়িমের জন্য সাময়িক সময়ের জন্য এটা

নাস্তিক্যবাদী পাঠ্যসূচীর কারণেই সামাজিক অবক্ষয় ও অস্থিরতা 


যেকোনো শিক্ষা ব্যবস্থার প্রধান ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অংশ বা ভিত্তি হলো প্রাথমিক শিক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষাকে সঠিকভাবে রূপায়ন করা গেলে সার্বিকভাবে শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্ভব হবে। কেননা, এ স্তরের প্রধান অংশ হলো শিশু, যার কচি হৃদয় ও মস্তিষ্ক থাকে সমস্ত পঙ্কিলতামুক্ত। যার

শরীয়তসম্মত পদ্ধতি থাকতে হারাম পদ্ধতি কেন? 


  এদেশের শতকরা প্রায় ৯৮ ভাগ মানুষ মুসলমান। কিন্তু আফসুস, ইদানীং দেশের প্রশাসন বা সরকারি আমলাদের প্রতি লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে- তারা সময়ের অজুহাতে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে, এদেশের মুসলমানদের উপর শরীয়তবিরোধী আইন চাপিয়ে দিতে চায়, বাধ্য করতে চায়। ওই সকল আমলা

খেলাধুলা মানুষকে নির্বোধ ও অনুভূতিশূন্য করে দিচ্ছে 


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মুতাবিক ফুটবল, ক্রিকেটসহ সমস্ত প্রকার খেলাধুলা হারাম ও নাজায়িয। অথচ আফসুস, এসব খেলাধুলার জন্য খেলোয়াড়রাসহ দর্শকরাও হার-জিতে আবেগ-অনুভূতি প্রকাশ করে। এই সকল লোকদের মাঝে অনেকেই আবার নিজেদেরকে ঈমানদার মুসলমান দাবি করে থাকে। অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি ও

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম উনার ব্যাপারে ইতিহাসের একটি কুফরী দিক এবং তার খণ্ডন মূলক জবাব 


একটি বিষয় খুব ভালোভাবে উপলব্ধি আবশ্যক যে, শুধু যাহিরী বা কিতাবী বর্ণনার দ্বারা সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতিটি বিষয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ের ফায়ছালা দেয়া কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিষয়টি এরূপ ঘটে থাকে যে, যাহিরী বা কিতাবী বর্ণনা এক রকম

মসজিদে চেয়ারে নামায পড়ে বেয়াদবরা! 


  সারা রাস্তায় হেঁটে হেঁটে এসে মসজিদে এসেই টুপ করে চেয়ারে বসেই নিজেকে কি জানি মনে করা হচ্ছে? এটা ভুলে যাওয়া চলবে না- এটা ক্ষমতা দেখানোর জায়গা নয়, এটা সমস্ত ক্ষমতার যিনি মালিক, যিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা দেন ও যার থেকে

হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরানী জিসিম মুবারক উনার মুবারক ছায়া ছিল না


যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার শ্রেষ্ঠতম রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বেমেছাল খুছূছিয়াত ও ফযীলত মুবারক হাদিয়া করেছেন তন্মধ্যে একখানা বিশেষ খুছূছিয়াত ও ফযীলত মুবারক হচ্ছে উনার নূরানী জিসিম মুবারক উনার

প্রসঙ্গ: মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না বলে লক্বব মুবারক যথা রসূলিল্লাহ ও হাবীবিল্লাহ বলা এবং সালাম পেশ করার সময় আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবীবাল্লাহ বলা


  নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন আখিরী নবী ও রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। উনার আনুষ্ঠানিক সম্মানিত নুবুওওয়াতী ও সম্মানিত রিসালাতী শান মুবারক প্রকাশের পর অতীতের সম্মানিত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি ওহী মুবারক