Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে রোগ বলতে কিছু নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদেরকে পরীক্ষা করবো কিছু বিষয় দ্বারা। সেগুলো হচ্ছে: ভয়-ভীতি, ক্ষুধা দ্বারা এবং মাল, জীবন ও খাদ্যশস্যের ক্ষতি দ্বারা। তবে ধৈর্যশীলদের জন্য সুসংবাদ রয়েছে।” অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার তাফসীরে বলা হয়েছে যে, রোগ

একই ফাঁদে বাংলার মুসলমান


বিশ্বখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা এই বাংলার প্রাচুর্যতা দেখে বলেছিলেন- ‘জান্নাতের দরজা’। এই ‘জান্নাতের দরজা’কে করায়ত্ত করার জন্য কাফিরদের ছিলো ব্যাপক খায়েশ। কিন্তু এদেশের মুসলমানদের ঈমানী জোশ আর জযবার কাছে তারা পরাস্ত হয়েছে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এক সময় মুসলমানরা মহান আল্লাহ

ওলীআল্লাহ উনাদের ছোহবতে যাওয়া ব্যতীত কারো পক্ষে প্রকৃত মু’মিন-মুসলমান হওয়া সম্ভব নয়!!!


মহান আল্লাহ পাক উনার হুকুম মুবারকগুলো বান্দাদেরকে বাস্তবে প্রতিপালনের জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে পাঠিয়েছেন এবং সর্বশেষ নবী ও রসূল হিসেবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাঠিয়েছেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর

ছোঁয়াচে রোগ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অজ্ঞতা


যিনি খালিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “কাফির-মুশরিকরা হিংসাবশত চায় কীভাবে মুসলমানের পবিত্র ঈমান আনার পর আবার কাফির বানানো যায়।” কাফির-মুশরিকদের ষড়যন্ত্রের আরেকটি সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র হলো ছোঁয়াচে রোগ বলে

যাদের ঈমান-আক্বীদা বিশুদ্ধ নয় তাদেরকে যাকাত প্রদান করা যাবে না


মহান আল্লাহ পাক তিনি নির্দেশ মুবারক প্রদান করেন- يَآ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا اٰمِنُوْا بِاللهِ وَرَسُوْلِهِ وَالْكِتَابِ الَّذِيْ نَزَّلَ عَلٰى رَسُوْلِهٖ وَالْكِتَابِ الَّذِيْٓ اَنْزَلَ مِنْ قَبْلُ ۚ অর্থ : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার উপর পরিপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করো অর্থাৎ

সকল মুসলমানদের উচিত- রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার মাঝে অবস্থিত ‘আন্তর্জাতিক সুন্নত প্রচার কেন্দ্রে’ এসে পবিত্র সুন্নত মুবারক সম্পর্কে জানা এবং তদানুযায়ী আমল করে ধন্য হওয়া


যিনি খলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য সম্পর্কে উনার পবিত্র ও সম্মানিততম কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللّهُ

গান-বাজনা বাদ দিয়ে না’ত শরীফ পাঠ দ্বারা সমস্ত অনুষ্ঠান শুরু করতে হবে


বাংলাদেশ মুসলমানের দেশ। এ দেশে শতকরা ৯৮ ভাগ মানুষ মুসলমান। আর মুসলমানের দ্বীন হচ্ছে পবিত্র ইসলাম। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমাকে প্রেরণ করা হয়েছে

সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে খেলাধুলা হারাম। একটি হারাম খেলা বহু হারামকে টেনে আনে


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হারাম থেকে হারামেরই সৃষ্টি হয়।” এ চিরন্তন সত্য কথার আলোকে হারাম খেলাধুলা থেকে আরও বহু হারাম পয়দা হয়। যেমন- ১. সময় নষ্ট হয়। ২. পয়সা নষ্ট হয়। ৩. কাজ নষ্ট হয়। ৪. নামায

প্রকৃতপক্ষে মুসলমানদের উসীলাতেই কাফির-মুশরিকসহ সকলেই রিযিকপ্রাপ্ত হয়ে থাকে।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যমীনে সর্বদাই কিছু ওলীআল্লাহ, গউছ, কুতুব থাকেন; উনাদের উসীলায় মানুষ বৃষ্টি, রহমত ও রিযিক লাভ করে থাকে।” সুবহানাল্লাহ! প্রকৃতপক্ষে মুসলমানদের উসীলাতেই কাফির-মুশরিকসহ সকলেই রিযিকপ্রাপ্ত হয়ে থাকে। কিন্তু অনেকেই

পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস ৭টি দোযখ থেকে মুক্তির মাস, পবিত্র জান্নাত হাছিল করার মাস


হিজরী সনের ৭ম মাস হলো ‘রজবুল আছাম্ম শরীফ’ অর্থাৎ বধির মাস। এ মাস বান্দাদের গুনাহের সাক্ষী হয় না বলেই এ মাসকে রজবুল আছাম্ম বলা হয়। অত্র মাহে রজব শরীফ উনার পহেলা তারিখের রাতে বান্দার যে কোনো দুয়া মহান আল্লাহ পাক তিনি

যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল-মুহব্বত বা বন্ধুত্ব রাখবে সে ব্যক্তি সেই সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদাররা! তোমরা ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একজন আরেকজনের বন্ধু। মু’মিনদের মধ্যে যে ব্যক্তি বিধর্মীদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে সে তাদের দলভুক্ত বলেই গণ্য হবে।’ নাউযুবিল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন কায়িনাতবাসীর জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত। সুতরাং সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত মুবারক লাভ করার কারণে সর্বশ্রেষ্ঠ বা সর্বোত্তমভাবে খুশি মুবারক প্রকাশ করতে হবে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلا رَحْمَةً لِلْعَالَمِينَ অর্থ: আমার হাবীব মাহবুব মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমি আপনাকে সমস্ত আলমের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি। সুবহানাল্লাহ!