Archive for the ‘ইসলাম বিদ্বেষ’ Category

লালন নতুন কোন মতবাদের প্রবর্তক নয় পর্ব- (১)


বর্তমান বিশ্বে লালনের অনুসারী নামে পরিচিত বাউল সম্প্রদায়, তথা গাঁজা সেবনকারী একটি দল হর হামেশায় দাবী করেন যে, লালন হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খৃষ্টান ধর্ম বাদ দিয়ে নিজেই একটি নতুন ধর্ম বা মতবাদের প্রবর্তক। আর সে ধর্ম বা মতবাদটি অসাম্প্রদায়িক বাউল

অল্প বয়সে বিয়ে হলে অনেক সুবিধা (!) কিন্তু অসুবিধা কি ?


  অল্প বয়সে বিয়ে হলে নানান অসুবিধা হয় বলে প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু অল্প বয়সে বিয়ে হলে যে অনেক সুবিধা হয়, সেটার ফিরিস্তি কিন্তু প্রচার করা হয় না। যেমন ধরুন- একটা ছেলে ও একটা মেয়ের অল্প বয়সে বিয়ে হলো। এতে তাদের

শিয়া সম্প্রদায় ও তাদের কুফরি আকিদা


শিয়াদের পরিচিতি:  শিয়া একটি বাতিল বা ভ্রান্ত ফিরকা। যারা হযরত আলী আলাইহিস সালাম উনাকে অনুসরনের দোহাই দিয়ে সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের চরম বিরোধীতা করে তাদের শিয়া বলে। এদেরকে রাফেযী ও বলা হয়ে থাকে। ইসলামের বিরুদ্ধে ইহুদীদের এক সুদূরপ্রসারী চক্রান্তের ফসল

নানা প্রলোভনে উত্তরাঞ্চল এবং পার্বত্যাঞ্চলের জনগোষ্ঠীকে খ্রিষ্টান বানাচ্ছে বৈদেশিক বিভিন্ন এনজিও।


বাংলাদেশে খ্রিষ্টান জনগোষ্ঠী বৃদ্ধি করে আলাদা খ্রিষ্টান রাষ্ট্র তৈরীর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে এনজিওগুলো। বিষয়টি অদূর ভবিষ্যতে গভীর শঙ্কার। রহস্যজনক কারণে নীরব সরকার। —————- একদিকে উত্তরাঞ্চল অপরদিকে পার্বত্য এলাকাকে ঘিরে এনজিও এবং আন্তর্জাতিক খ্রিস্টান লবি খ্রিস্টীয় সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ধর্ম প্রচারের লক্ষ্যে

‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ ঈমান ধ্বংসের একটি পাঁয়তারার নাম


সংবাদ মাধ্যমগুলো খ্রিস্টান, মুশরিকদের অনুষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশেও প্রচার-প্রসারে উঠেপড়ে লেগেছে। কথিত ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ হচ্ছে সে রকম নোংরা অপসংস্কৃতির আরেকটি নাম। এদেশে তথাকথিত ভালোবাসা দিবস প্রচলনকারী হলো- কাট্টা ইসলামবিদ্বেষী ও নাস্তিক ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার প্রাক্তন মালিক শফিক রেহমান। সে ‘যায়যায়দিন পত্রিকার মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে

বৈশাখের চৈত্র মেলা বা হিন্দু মেলার ইতিহাস, মুসলিমবিদ্বেষীতার ইতিহাস


“হিন্দু পুনরুথানবাদী আন্দোলনের ধারায় একটি প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করে তা হলো চৈত্র মেলা বা হিন্দু মেলা। এই মেলা প্রতিষ্ঠা এবং মেলা কার্য্যক্রমের সাথে জোড়াসাকোর ঠাকুর পরিবার ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলো। ১৮৬৭ সালে নবগোপাল মিত্র এই মেলা প্রতিষ্ঠা করে। এই শতকের আশির

আজকের শিক্ষা মন্ত্রণালয় কেমন জাতি গঠন করতে চায়?


শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড- শিক্ষার গুরুত্ব বুঝানোর জন্য এই কথাটিই সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ যে জাতি যতবেশী শিক্ষিত সে জাতি ততবেশী দৃঢ় মেরুদন্ডের অধিকারী। মেরুদন্ডের ব্যবহার সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশী জানি যে দেহের আকৃতি ধরে রাখার জন্য মেরুদন্ডের কোন বিকল্প নেই। কিন্তু আমরা

হিন্দুদের প্যাঁনপ্যানানিই হিন্দুদের শক্তির উৎস


গত এক দশক ধরে বাংলাদেশে প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে হিন্দুরা। সরকার ও প্রশাসন উভয়ই হিন্দুদের তোয়াজ করতে ব্যস্ত। এরই সাইড ইফেক্ট গিয়ে পড়েছে মুসলমানদের উপর। দেশের মোট জনসংখ্যার ৯৫% এর বেশী হয়েও মুসলমানরা আজকে অবহেলিত, নির্যাতিত। হঠাৎ করে এমন কোন সিক্রেট ফর্মূলা পেয়ে গেল হিন্দুরা যার বদৌলতে

শাক দিয়ে মাছ ঢাকা না গেলেও, চেষ্টা কিন্তু ঠিক-ই অব্যাহত আছে !


ইতিহাস বিকৃতি নতুন কিছু নয়, বেধর্মীরা কিছু পারুক না পারুক মুসলানদের বীরত্বগাথাঁ ইতিহাস খুব ভালো বিকৃত করতে পারে , এর প্রমান মিলে অন-লাইন ইউটিউবে।   “যদি তোমরা ইসলাম গ্রহণ করো তাহলে কাপড় পড়ার অধিকার পাবে”। হযরত টিপু সুলতান রহমতুল্লাহি আলাইহির এই

আসল সন্ত্রাসী কারা? মুসলমানরা, নাকি কাফিররা?


১. হিটলার ১ কোটি ১০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিলো। সে কিন্তু মুসলিম ছিলো না, ছিলো খ্রিস্টান। ২. জোসেফ স্টালিন ২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও মুসলমান ছিলো না। নাস্তিক দাবি করতো। ৩. মাওসেতুং দেড় থেকে ২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও

মুনাফিক ধ্বংসের জন্য বদ-দোয়া করুন প্রতিনিয়ত


হে দেশপ্রেমিক মুসলমান! নিজের প্রিয় দ্বীন- পবিত্র ইসলামের অস্তিত্ব রক্ষায় সবাই মহান আল্লাহ পাকের শাহী দরবারে হাত তুলুন- গুমরাহ শাসক, মুনাফিক, ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। গুমরাহ শাসক ও মুনাফিকরা এবার দেশের মাদরাসা শিক্ষা থেকে ‘জিহাদ বিষয়ক অধ্যায়’ বাদ দিয়ে ২০১৮ সালের বই ছাপাচ্ছে।

রকেট/ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে পথপ্রদর্শক টিপু সুলতান। পরে ওই প্রযুক্তিই গ্রহণ করে ইউরোপীয়রা


মহীশূরের মহান মুসলিম শাসক ও বৈজ্ঞানিক টিপু সুলতানের প্রশংসা করে উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুদের তোপের মুখে ভারতের রাষ্ট্রপতি। যা ভারতীয় অসাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার ‘উজ্জ্বল’ দৃষ্টান্ত। কিন্তু কথায় বলে- ‘সত্য চেপে রাখা যায় না’। উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুরা যতই হিংসা প্রকাশ করুক সত্য প্রকাশ হবেই