Archive for the ‘ইসলাম বিদ্বেষ’ Category

‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ ঈমান ধ্বংসের একটি পাঁয়তারার নাম


সংবাদ মাধ্যমগুলো খ্রিস্টান, মুশরিকদের অনুষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশেও প্রচার-প্রসারে উঠেপড়ে লেগেছে। কথিত ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ হচ্ছে সে রকম নোংরা অপসংস্কৃতির আরেকটি নাম। এদেশে তথাকথিত ভালোবাসা দিবস প্রচলনকারী হলো- কাট্টা ইসলামবিদ্বেষী ও নাস্তিক ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার প্রাক্তন মালিক শফিক রেহমান। সে ‘যায়যায়দিন পত্রিকার মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে

বৈশাখের চৈত্র মেলা বা হিন্দু মেলার ইতিহাস, মুসলিমবিদ্বেষীতার ইতিহাস


“হিন্দু পুনরুথানবাদী আন্দোলনের ধারায় একটি প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করে তা হলো চৈত্র মেলা বা হিন্দু মেলা। এই মেলা প্রতিষ্ঠা এবং মেলা কার্য্যক্রমের সাথে জোড়াসাকোর ঠাকুর পরিবার ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলো। ১৮৬৭ সালে নবগোপাল মিত্র এই মেলা প্রতিষ্ঠা করে। এই শতকের আশির

আজকের শিক্ষা মন্ত্রণালয় কেমন জাতি গঠন করতে চায়?


শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড- শিক্ষার গুরুত্ব বুঝানোর জন্য এই কথাটিই সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ যে জাতি যতবেশী শিক্ষিত সে জাতি ততবেশী দৃঢ় মেরুদন্ডের অধিকারী। মেরুদন্ডের ব্যবহার সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশী জানি যে দেহের আকৃতি ধরে রাখার জন্য মেরুদন্ডের কোন বিকল্প নেই। কিন্তু আমরা

হিন্দুদের প্যাঁনপ্যানানিই হিন্দুদের শক্তির উৎস


গত এক দশক ধরে বাংলাদেশে প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে হিন্দুরা। সরকার ও প্রশাসন উভয়ই হিন্দুদের তোয়াজ করতে ব্যস্ত। এরই সাইড ইফেক্ট গিয়ে পড়েছে মুসলমানদের উপর। দেশের মোট জনসংখ্যার ৯৫% এর বেশী হয়েও মুসলমানরা আজকে অবহেলিত, নির্যাতিত। হঠাৎ করে এমন কোন সিক্রেট ফর্মূলা পেয়ে গেল হিন্দুরা যার বদৌলতে

শাক দিয়ে মাছ ঢাকা না গেলেও, চেষ্টা কিন্তু ঠিক-ই অব্যাহত আছে !


ইতিহাস বিকৃতি নতুন কিছু নয়, বেধর্মীরা কিছু পারুক না পারুক মুসলানদের বীরত্বগাথাঁ ইতিহাস খুব ভালো বিকৃত করতে পারে , এর প্রমান মিলে অন-লাইন ইউটিউবে।   “যদি তোমরা ইসলাম গ্রহণ করো তাহলে কাপড় পড়ার অধিকার পাবে”। হযরত টিপু সুলতান রহমতুল্লাহি আলাইহির এই

আসল সন্ত্রাসী কারা? মুসলমানরা, নাকি কাফিররা?


১. হিটলার ১ কোটি ১০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিলো। সে কিন্তু মুসলিম ছিলো না, ছিলো খ্রিস্টান। ২. জোসেফ স্টালিন ২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও মুসলমান ছিলো না। নাস্তিক দাবি করতো। ৩. মাওসেতুং দেড় থেকে ২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও

মুনাফিক ধ্বংসের জন্য বদ-দোয়া করুন প্রতিনিয়ত


হে দেশপ্রেমিক মুসলমান! নিজের প্রিয় দ্বীন- পবিত্র ইসলামের অস্তিত্ব রক্ষায় সবাই মহান আল্লাহ পাকের শাহী দরবারে হাত তুলুন- গুমরাহ শাসক, মুনাফিক, ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। গুমরাহ শাসক ও মুনাফিকরা এবার দেশের মাদরাসা শিক্ষা থেকে ‘জিহাদ বিষয়ক অধ্যায়’ বাদ দিয়ে ২০১৮ সালের বই ছাপাচ্ছে।

রকেট/ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে পথপ্রদর্শক টিপু সুলতান। পরে ওই প্রযুক্তিই গ্রহণ করে ইউরোপীয়রা


মহীশূরের মহান মুসলিম শাসক ও বৈজ্ঞানিক টিপু সুলতানের প্রশংসা করে উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুদের তোপের মুখে ভারতের রাষ্ট্রপতি। যা ভারতীয় অসাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার ‘উজ্জ্বল’ দৃষ্টান্ত। কিন্তু কথায় বলে- ‘সত্য চেপে রাখা যায় না’। উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুরা যতই হিংসা প্রকাশ করুক সত্য প্রকাশ হবেই

“হিন্দু পুলিশ ডি চরম খারাপ”


গুরুত্বপূর্ণ  কাজে গিয়েছিলাম শরীয়তপুর নড়িয়ায়৷কাজ শেষে যখন নড়িয়া থেকে ভোজেশ্বর ফিরে আসছিলাম তখন একটি অটোতে উঠলাম৷ বসেছি সামনের সিটে ড্রাইভারের পাশেই৷ আমি স্বভাবতই গাড়িতে উঠলে চুপ করে থাকতে পারি না৷যাকে পাশে পাই তার সাথেই গল্প জোড়ে দেই৷আমার পাশে বসা ড্রাইভারের সাথেই

দাসপ্রথা ও ইসলাম


ইসলাম বিদ্বেষীরা প্রায়ই রটনা করে থাকে যে, ইসলাম দাসপ্রথাকে ত্বরান্বিত করেছে, দাসদের উপর যৌন নির্যাতন চালানোকে বৈধতা দিয়েছে, মানুষকে পণ্য-সামগ্রী হিসেবে কেনাবেচার বৈধতা দিয়েছে-ইত্যাদি।   যিনি খ্বালিক, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, فَكُّ رَقَبَةٍ অর্থ: “আর

ধর্মযাজক সেজে পাহাড়কে অগ্নিকুণ্ডে রূপান্তর করছে বুড্ডিস্ট সংগঠন ৯৬৯-এর সন্ত্রাসীরা


সবুজে ঘেরা পার্বত্য এলাকায় নতুন দাবানলের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এখানে মিয়ানমারের উগ্রপন্থী একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। সরকারের খাস জমি দখল করে বিশাল এলাকা নিয়ে গড়ে তুলছে ‘ভাবনা কেন্দ্র’ বা কিয়াং। ভাবনা কেন্দ্রে বসেই মিয়ানমারের উগ্রবাদী বৌদ্ধ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী

৪৭-এ ভারত ভাগ- ভারতীয় মালউনদের বৈষম্য ও পীড়নের খন্ড চিত্র


সালাউদ্দিন আবু আসাদ। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে ছিল আসাদের বাড়ি। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান ভাগের পর আসাদ চলে আসেন তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানে। দেশভাগের ৭০ বছর উপলক্ষে সালাউদ্দিন আবু আসাদের কথা। ১৯৪৬ সালের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে উগ্র হিন্দুদের সাম্প্রদায়িকতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। মুসলমানদেরকে সেখানে