Archive for the ‘ইসলাম বিদ্বেষ’ Category

সুন্নতি নালাইন ব্যবহার করা খাছ সুন্নত


সুন্নাতি নালাইন কাউকে হাদিয়া দেয়াও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু বর্ণনা করেন, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু’ফিতা বিশিষ্ট চামড়ার নালাইন শরীফ (স্যান্ডেল বা জুতা) পরিধান করতেন। (শামায়েলে তিরমিযী, জামউল ওসায়েল, আদাবুন নবী) অর্থাৎ

বিজাতীয়-বিধর্মীদের লেখা কথিত জাতীয় সংগীত পরিবর্তনদের দাবি রাখে


বাংলার ইতিহাসে মুশরিক জমিদাররা এদেশের মুসলমানদের উপর যে অমানবিক যুলুম নির্যাতন আর শোষণ করেছে তার ইতিহাসও রয়েছে। রবীন্দ্রও ছিলো সেই শ্রেণীর জমিদারদের কাতারে। তার বহু কাব্য রচনার মধ্যে মুসলিমবিদ্বেষী মনোভাব প্রখরভাবে ফুটে উঠে। উদাহরণস্বরূপ- তার ‘প্রায়শ্চিত্ত’ নামক নাটকে প্রতাপাদিত্যের উক্তি- ‘খুন

জান ও মাল দ্বারা অবারিত খিদমত মুবারকের আন্জাম!


হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের মধ্যে

এক স্বঘোষিত ঈমানহারা, বেঈমানের মুখোশ উন্মোচন


‘অসীম ইলম মুবারক উনার অধিকারী’ বিশ্বাস করলে বা বললে যদি ঈমানহারা হতে হয়, তাহলে আইনুল হুদা ওরফে আইনুশ শয়তান লা’নাতুল্লাহি আলাইহি সদরল আমিনকে মাওলানা বলে এবং মাদরাসা থেকে ফারেগ হওয়া ব্যক্তিদেরকে মাওলানা বলা জায়েয বলে, সে নিজেই ঈমানহারা হয়ে বেঈমান হয়ে

হে পিতা-মাতা! আপনার সন্তান পাঠ্যবই থেকে কি শিখছে?


আপনিতো খুব করে ভাবছেন আপনার সন্তান স্কুল-কলেজে গিয়ে খুব করে পড়াশুনা করে অনেক বড় কিছু হবে। কিন্তু আপনি কি ভেবে দেখেছেন আপনার এ সন্তান আপনারই আদর্শ থেকে ছিটকে পড়ছে। আপনি যে দ্বীন-ধর্ম শিক্ষা করে বড় হয়েছেন, যে ঈমান নিয়ে আপনি পিতা-মাতা

বুলডোজার দিয়ে উইঘুর মুসলিমদের মসজিদ ভাঙছে চীন


জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসরত মুসলমানরা শত শত বছর ধরে সেখানে বসবাস করছে। বিশেষ করে মুসলিম উইঘুর সম্প্রদায়। বসবাসের পাশাপাশি আবার দীর্ঘদিন ধরেও চীনের কট্টর মুসলিমবিদ্বেষী সরকার উইঘুর মুসলিমদের উপর চালাচ্ছে অবর্ননীয় অত্যাচার নির্যাতন। ১০ লাখেরও বেশি উইঘুর মুসলিমকে আটক রেখেছে বন্দী শিবিরে।

গান্ধী, হিরাক্লিয়াস ও বিধর্মীদের কথিত বিশেষ লোকদের ইসলামপ্রীতির স্বরূপ!


বর্তমান মুসলমানদের মধ্যে একটি স্বভাব প্রায়ই লক্ষ্য করা যায়। তারা বিভিন্ন বিধর্মী লেখক ও রাজনীতিবিদদের বিভিন্ন কোটেশন তুলে ধরে, যেখানে তারা দ্বীন ইসলাম উনার প্রশংসা করে বক্তব্য দিয়েছে। দ্বীন ইসলাম উনার মাহাত্ম্য তুলে ধরতে গিয়ে বার্নাডশ, রবীন্দ্র, গান্ধী এদের কোটেশন তুলে

এত দ্বীন ইসলাম বিরোধী মনোভাব কেনো মন্ত্রী-এমপিদের?


ইহুদী-মুশরিকরা ৩শ বছরের পরিকল্পনা এঁটেছিল- মুসলমানদের সমস্ত দেশগুলো দখল করার জন্য। তাদের পরিকল্পনার মূল সূত্র ছিলো, যেভাবেই হোক দ্বীন ইসলাম থেকে মুসলমানদের ধীরে ধীরে সরিয়ে দিতে হবে এবং মুসলমানদের তাহযীব-তামাদ্দুন বিনষ্ট করে দিতে হবে। কারণ তারা এটা জানে পবিত্র হাদীছ শরীফ

31st নাইট পালন করা মুসলমানদের জন্য হারাম


। উদযাপন করা কুফুরি । ৩১st নাইট পালন করলে মুসলমানরা যা যা পাবে – ১. ঈমান নষ্ট হয়ে হয়ে যাবে । ২. বিয়ে করে থাকলে বউ তালাক হয়ে যাবে । ৩. বাবার ওয়ারিস্বত্ব নষ্ট হয়ে যাবে। মানে সে বাবার কোন সম্পত্তিতে

জুতা চোর তারাই যারা ৮ রাকায়াত তারাবি পড়ে পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায়!


২০ রাকায়াত তারাবীহ নামায আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। কোনো জরুরত ছাড়া যারা ৮ রাকায়াত তারাবীহ পড়ে (৮ রাকায়াতে বিশ্বাসী) পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায় তারা নিশ্চয় জুতা চোর। এদের কে যেখানে পাবেন গণধোলাই দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দিন। – নূরে মুজাসসাম

পোলট্রি মুরগীর মতো মুসলমান !!!


আজ সকালে নিউজে দেখলাম – গত শনিবার রাতে আসামের তিনসুকিয়া জেলার ডুমডুমাতে ২ জন বাঙালী মুসলিমকে ( ইদ্রিস আলী ও শেখ মুহম্মদ) গলা কেটে খুন করেছে রাজু গোর নামে এক হিন্দু ( পদবী অনুযায়ী বোঝা যায় যে মারোয়াড়ী)। তাদের ২ জনকে

চুষিলদের নির্লজ্জ ডাবল ষ্ট্যাণ্ডার্ড এবং মুসলিম বিদ্বেষ


সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে সংগীতকার আল্লারাখা রহমান (এ আর রহমান) কে নিন্দা ও গালিগালাজ করছে তথাকথিত চুষিলরা। এই চুষিলদের মধ্যে ২ ধরণের লোকেরা আছে – হিন্দু ও ভণ্ড নাস্তিক ( ছুপা হিন্দু)।   সংগীতকার আল্লারাখা রহমান (এ আর রহমান) কে তথাকথিত চুষিলরা