Archive for the ‘ঈদে মীলাদুন্নবী’ Category

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফই কুল-কায়িনাত সকলের জন্য সবচেয়ে বড় ঈদ, যা পালন করা ফরয। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ফযল-করম এবং রহমত মুবারক হিসেবে উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে হাদিয়াস্বরূপ

যারা বিনা হিসাবে জান্নাত লাভ করতে চায়, তাদের জন্য ফরয হচ্ছে ‘পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ’ পালন করা


প্রত্যেক মুসলমান মাত্রই সম্মানিত জান্নাত প্রত্যাশী। আর তা সম্ভব কেবল পবিত্র ঈমান উনার সাথে দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে পারলেই। অতএব, যারা চায় তাদের দুনিয়া থেকে বিদায়টা হোক পবিত্র ঈমান উনার সাথে, তাদের জন্য বিশেষ খোশ সংবাদ হচ্ছে, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার কয়েকটি খুছুছিয়ত বা বৈশিষ্ট্য মুবারক


১) পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা ছোট-বড়, পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই ফরয। ২) পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ এমন একটি আমল যা জিন ও মানুষ ছাড়া সমস্ত মাখলুকাতই দায়েমীভাবে পালন করে থাকে। ৩) পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফই একমাত্র আমল যা দায়েমীভাবে সারা

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ থেকেই খ্রিস্টানরা কথিত ক্রিসমাস থিউরী গ্রহণ করেছে


কিছু মূর্খ দাবি করে থাকে, খ্রিস্টানদের ক্রিসমাস থেকে মুসলমানরা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতে শিখেছে। নাউযুবিল্লাহ! মূলত, এ শ্রেণীর লোকরা এবং গ-মূর্খ কাফিরদের কাজের দ্বারা হীনম্মন্য হয়ে পড়েছে। ইতিহাসই বলে দেয়, সেই শুরু থেকেই মুসলমানদের মধ্যে পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَااَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَوْعِظَةٌ مّـِنْ رَّبّـِكُمْ وَشِفَاء لّـِمَا فِى الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لّـِلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مّـِمَّا يَـجْمَعُوْنَ. অর্থ: “হে মানুষেরা! হে সমস্ত জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসী!

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শানে দায়িমীভাবে ছানা-ছিফত বা প্রশংসা মুবারক করার পদ্ধতি বা নিয়ম মুবারক


কোন পদ্ধতি বা নিয়মে মহান আল্লাহ পাক উনার শ্রেষ্ঠতম রসূল, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শানে দায়িমীভাবে ছানা-ছিফত মুবারক করতে হবে সে ব্যাপারে কাউকে কোনরূপ চিন্তা-ফিকির করার কোনই প্রয়োজন

সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী উনাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে সুসংবাদ।


সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী উনাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে সুসংবাদ। কেননা স্বয়ং সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সরাসরি তা তদারকি মুবারক করে থাকেন وعد الله الذين امنوا وعملوا الصالحات لـهم

আজ সম্মানিত ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ।


সম্মানিত ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ। যা কুল-কায়িনাতের সকল রাত ও দিনের চেয়েও লক্ষ-কোটিগুণ বেশি মর্যদাসম্পন্ন ও ফযীলতপূর্ণ রাত ও দিন মুবারক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সুমহান সম্মানার্থে মাহফিল করা, সাধ্যমত খরচ করা ফরযে আইন এবং সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম ইবাদত


খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন, يَا ايُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءتْكُم مَّوْعِظَة مّن رَّبّكُمْ وَشِفَاء لّمَا فِى الصُّدُورِ وَهُدًى وَرَحْمَة لّلْمُؤْمِنِينَ .قُلْ بِفَضْلِ اللّهِ وَبِرَحْمَتِه فَبِذلِكَ فَلْيَفْرَحُواْ هُوَ خَيْر مّمَّا يَجْمَعُونَ অর্থ

৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশের মুসলিম সরকার হিসেবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনের জন্য সরকারের কোন উদ্যোগ আছে কি?


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফদ্বল মুবারক ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’

বালা-মুছিবত ও দারিদ্র্যমুক্ত হওয়ার এবং পরকালে নাজাতের উসীলা লাভের সর্বোৎকৃষ্ট ও সহজ আমল


মুসলিম বিশ্বে যিনি সবচেয়ে বেশি কিতাব লিখেছেন, যিনি হিজরী দশম শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ও ইমাম, সুলত্বানুল আরিফীন হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “যখন কোনো মুসলমান নিজ বাড়িতে পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ তথা পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী উনাদেরকে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই শাফায়াত মুবারক করবেন


পরকালে মানুষের মুক্তিতে শাফায়াত বা সুপারিশ করবে কে? হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ব্যতিত আর কেউ কি মানুষের জন্য সুপারিশ করতে পারবে? শাফায়াতের একচ্ছত্র ক্ষমতাই বা কার? এককথায় মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত বান্দাগণ উনারাই শাফায়াতপ্রাপ্ত এবং শাফায়াত করার অনুমতি প্রাপ্ত।