Archive for the ‘ঈদে মীলাদুন্নবী’ Category

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই হচ্ছেন পবিত্র ঈমান; তাই উনার শান মুবারকে বিন্দুতম চু-চেরা করে কেউ ঈমানদার থাকতে পারে না


পবিত্র ঈমান উনার মূলই হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। উনার প্রতি পরিপূর্ণ পবিত্র ঈমান না আনা পর্যন্ত, পরিপূর্ণ হুসনে যন বা সুধারণা পোষণ না করা পর্যন্ত, উনাকে সবচেয়ে মুহব্বত

মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম মহাপবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ উনাদের সম্মানার্থে আখাছছুল খাছ বিষয় সম্পর্কে বিশেষ ইন্তেজামে-মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম মহাপবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ উনাদের সম্মানার্থে আখাছছুল খাছ বিষয় সম্পর্কে বিশেষ ইন্তেজামে-মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম মহাপবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ উনাদের সম্মানার্থে আখাছছুল খাছ বিষয় সম্পর্কে বিশেষ ইন্তেজামে-মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম মহাপবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ উনাদের সম্মানার্থে আখাছছুল খাছ বিষয় সম্পর্কে বিশেষ ইন্তেজামে-মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম মহাপবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ উনাদের সম্মানার্থে আখাছছুল খাছ বিষয় সম্পর্কে বিশেষ ইন্তেজামে ৬৩ দিনব্যাপী মাহফিল


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফযল মুবারক ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রহমত মুবারক হিসেবে আপনাকে লাভ করার কারণে বিশ্ববাসী যেন খুশি মুবারক

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার তরতীব


সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম ওয়া ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার তরতীব সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন- “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!

সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- আসন্ন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফসহ মুসলমানদের প্রতিটি বিশেষ বিশেষ দিবস উপলক্ষ্যে অস্বচ্ছল মুসলমানদেরকে সর্বক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আর্থিক সহযোগিতা করা।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা নেক কাজে ও পরহেযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। বদ কাজে অর্থাৎ পাপে ও শত্রুতায় পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না।’ রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম ও ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশের সরকার কোনো বছরই মুসলমানদের বিশেষ ফযীলতপূর্ণ দিন

সরকারের বোনাস-ভাতা দেয়ার উদ্দেশ্য কি হওয়া উচিত?


সরকার বিভিন্ন উৎসব উপলক্ষে চাকুরিজীবীদের বোনাসসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেয়। উদ্দেশ্য হচ্ছে চাকুরিজীবিরা যাতে উৎসবটি ভালভাবে উৎযাপন করতে পারে। বাংলাদেশের ৯৮% মানুষ মুসলমান। সেই হিসেবে সরকারের বোনাসসহ যাবতীয় কার্যক্রম মুসলিমকেন্দ্রিক অর্থাৎ মুসলমানদের সাথে সংশ্লিষ্ট উৎসবকে কেন্দ্র করে হওয়া উচিত। লেখা বাহুল্য, মুসলমানদের

কুল-কায়িনাতের সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফ উনাকে মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ হিসেবে উদযাপন করা। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। সুবহানাল্লাহ! আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেহেতু “মহাসম্মানিত

প্রতিটি শ্রেণীতে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অন্তর্ভুক্ত চাই


“হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তারা যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে ‘ফযল ও রহমত’ পেয়েছে সে জন্য তারা যেনো খুশি প্রকাশ করে। নিশ্চয় তাদের এ খুশি প্রকাশ করাটা তাদের সমস্ত সঞ্চয়ের থেকে উত্তম।” সুবহানাল্লাহ!

কায়িনাতজুড়ে মহান আল্লাহ পাক উনার মুবারক নির্দেশে পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালন


বিশ্বসমাদৃত “আননি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম” কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, সাইয়্যিদাতুল উম্মাহাত, মালিকাতুল জান্নাহ, হাবীবাতুল্লাহ, সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশকালে আমি দেখতে পেলাম,

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার পরিচয়


সমস্ত ছলাত ও সালাম নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। যিনি সমগ্র কায়িনাতের মূল বা উৎস। উনার মুবারক শানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ورفعنا لك ذكرك. অর্থ: “আমি আপনার সুমহান মর্যাদাকে বুলন্দ

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওজা শরীফ উনার মধ্যে- পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠকের নাম ও পিতার নামসহ পেশ করা হয়


হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি আমার পবিত্র রওজা শরীফ উনার মাঝে একজন হযরত

কুফরী বিজড়িত অন্তরই বিশুদ্ধ বিষয় নিয়ে চু-চেরা করে


চোখে যে রংয়ের চশমা পড়া হয়, প্রকৃতির রংটা তাদের কাছে সেই চশমার রংয়েই রূপান্তরিত হয়। ঠিক তেমনি যাদের অন্তরে কুফরী বিদ্যমান, যারা বিশুদ্ধ আকীদার নয় এবং যারা বাতিল ফিরকার অন্তর্ভূক্ত তাদেরকেই দেখা যাচ্ছে প্রতিষ্ঠিত বিশুদ্ধ বিষয়গুলো নিয়ে চু-চেরা করছে, বিতর্কের জম্ম

সায়েখ আমার জ্ঞানের জ্যোতি


  সায়েখ আমার জ্ঞানের জ্যোতি সদা বিলান হীরা মতি.. যে চায় সেই পায় চায়না যে জন নিরুপায়.. যদি করেন দয়া দান ইহসান তবে হবেরে মোর পরিত্রান… কিবা দিবা কিবা নিশি তিনি মোর ইলমী শশী… উপচে পড়া ইলম প্লাবিত সুর খোদায়ী রওশন