Archive for the ‘ঈদে মীলাদুন্নবী’ Category

সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস যথাযথভাবে পালন করার জন্য যাবতীয় আঞ্জাম দেয়া সকল মুসলমানদের দায়িত্ব-কর্তব্য


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাই ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মু’মিনে কামিল হতে পারবে না; যতক্ষণ পর্যন্ত না তার পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি এবং অন্যান্য সকল মানুষ অপেক্ষা আমাকে বেশি মুহব্বত করবে”। সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সুমহান সম্মানার্থে মাহফিল করা, সাধ্যমত খরচ করা ফরয এবং সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম ইবাদত


খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন, يَا ايُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءتْكُم مَّوْعِظَة مّن رَّبّكُمْ وَشِفَاء لّمَا فِى الصُّدُورِ وَهُدًى وَرَحْمَة لّلْمُؤْمِنِينَ .قُلْ بِفَضْلِ اللّهِ وَبِرَحْمَتِه فَبِذلِكَ فَلْيَفْرَحُواْ هُوَ خَيْر مّمَّا يَجْمَعُونَ অর্থ

সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ ও পবিত্র মীলাদ শরীফ-ক্বিয়াম শরীফ সর্বত্র জারী করার গুরুত্ব ও ফযীলত


পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার লুগাতী বা আভিধানিক অর্থ বিলাদত (জন্ম) শরীফ উনার সময়। আর ইছতিলাহী বা ব্যবহারিক অর্থ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি

সমস্ত ইবাদত থেকে ‘খইর’ তথা সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত হচ্ছেন মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন


মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনের গুরুত্ব এত বেশি হওয়ার কারণ হচ্ছে যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- هُوَ خَيْرٌ مِّمَّا يَجْمَعُونَ অর্থাৎ কায়িনাতবাসী, জিন-ইনসান, খাছ করে মানবজাতি যত ইবাদত করুক

উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল হাদিয়াহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় নসবনামাহ মুবারক


সাইয়্যিদাতু নিসায়ি ‘আলাল ‘আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা’ বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল হাদিয়াহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নসব মুবারকগত দিক থেকে সম্মানিত কুরাইশ বংশীয়। সুবহানাল্লাহ! উনার মহাসম্মানিত পিতা হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত

ইতিহাসে এই প্রথম, নজিরবিহীন, অভূতপূর্ব, আশ্চর্যজনক, কিংবদন্তী, বিস্ময়কর ঘটনা…..


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজূর পাক হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রশংসা মুবারক বর্ণনা করে সারা বিশ্বজুড়ে অনেক মাহফিল হয়। কোনটি হয় ১ দিন কোনটি হয় ২ দিন কোনটি হয় ৭দিন কোনটি বা হয় ৩০ দিনব্যাপী। কিন্তু সারা বছর এমনকি

মুসলমানদের নাজাতের সর্বোত্তম উপায়- পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা


সাধ্য-সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করে প্রত্যেক মুসলমানই নাজাত চায়, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুবারক সন্তুষ্টি চায়, রহমত চায়। আর পবিত্র নাজাত, মুবারক সন্তুষ্টির সহজ মাধ্যম হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক

যারা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতা করে তারা নিঃসন্দেহে উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী অর্থাৎ গুমরাহ বা বিভ্রান্ত।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ফযল-করম মুবারক এবং মহাসম্মানিত রহমত মুবারক হিসেবে উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মান-মর্যাদা ও গুরুত্ব বুঝতে- চলো যাই রাজারবাগ দরবার শরীফ দলে দলে


পুঁথিগত শিক্ষা দ্বারা কখনো পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানার্জন হয় না। কেননা বই বা পুস্তক দেখে যদি শিক্ষার্জন করা যেতো তাহলে মাদরাসা, মক্তব, স্কুল, কলেজ, মহাবিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি ইত্যাদি বিদ্যাপীঠ স্থাপনের প্রয়োজন হতো না। প্রত্যেক ছাত্ররাই লাইব্রেরী থেকে বই-পুস্তক ক্রয় করে পড়ালেখা করতে পারতো। কিন্তু

পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিয়াম শরীফ পাঠ কমে যাওয়ার কারণেই মানুষ রহমত বরকত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে


মুসলিম সমাজে পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিয়াম শরীফ উপলক্ষে সমবেত হওয়া, দুরূদ শরীফ এবং সালাম শরীফ উনাদের মাহফিল করা সেই সালফে সালেহীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরও আগে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের যামানা হতেই চলে আসছে। সুবহানাল্লাহ! সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশের

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা বান্দা-বান্দী ও উম্মতের জন্য ফরয হওয়ার প্রমাণ


উছুলে ফিক্বাহর সমস্ত কিতাবেই উল্লেখ আছে যে- اَلْاَمْرُ لِلْوُجُوْبِ অর্থাৎ আদেশসূচক বাক্য দ্বারা সাধারণত ফরয-ওয়াজিব সাব্যস্ত হয়ে থাকে। (উছূলুল বাযদুবী, উছূলুশ শাশী, আল মানার, নূরুল আনওয়ার) যেমন- পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- اَقِيْمُوا الصَّلٰوةَ অর্থাৎ “তোমরা নামায আদায়

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারীর জন্য শুভ সংবাদ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “হযরত আবু দ্বারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আমির আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার গৃহে উপস্থিত