Archive for the ‘ঈদে মীলাদুন্নবী’ Category

ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে বীরযোদ্ধা হযরত সা্লাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি’র জয়লাভের মূল রহস্য….


  ইতিহাস বলছে, সাহাবীগণ ঈদে মীলাদুন নবী পালন করতেন (https://goo.gl/i8UX7a) ইমাম মুজতাহিদগণ ঈদে মীলাদুন নবী পালন করতেন (https://goo.gl/iTtzaa) এবং মুসলিম মিল্লাতে ঈদে মীলাদুন নবী পালন হয়ে আসছিলো (https://goo.gl/N6aQLJ) কিন্তু এ অনুষ্ঠানগুলো উনারা করতেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে, পারিবারিকভাবে কিংবা জামাতবদ্ধ হয়ে। কিন্তু খিলাফত

সমস্ত কুলমাখলুকাতের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত হচ্ছেন- আমাদের নবীজি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহপাক বলেন- “তোমরা আমার নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় কর,আমি তোমাদের নিয়ামত বাড়িয়ে দিব। আর আল্লাহপাক উনার দেওয়া নিয়ামতকে যদি কেউ অস্বীকার করবে, তাহলে আল্লাহপাক তাকে এমন কঠিন শাস্তি দিবেন,যা বিশ্বজগতে আর কাউকে দিবেন না। ইন্না আ’যাবি লা শাদীদ।” সুতরাং, সমস্ত কুলমাখলুকাতের

যাদের অন্তরে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বত আছে তাদের পক্ষেই শুধুমাত্র পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালন করা সম্ভব…


  যাদের অন্তরে হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বত আছে তাদের পক্ষেই শুধুমাত্র পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ বা নবীজীর আগমন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা সম্ভব। আল্লাহ পাক বলেন, النَّبِيُّأَوْلَىٰبِالْمُؤْمِنِينَمِنْأَنفُسِهِمْ অর্থ: হযরত নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারনে খুশি প্রকাশ করা মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক…


  হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত। আর উনাকে পাওয়ার কারনে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা আল্লাহ পাকের আদেশ। মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ! আমি

ওহাবী গুরু ইবনে তাইমিয়া ও আব্দুল ওহাব নজদীর ঈদে মীলাদুন্নবীর পক্ষে ফতোয়া


বর্তমানে যারা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্ননবীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে তাদের জিজ্ঞাসা করলে তারাই স্বীকার করবে তাদের একমাত্র পছন্দনীয় ইমাম হচ্ছে ইবনে তাইমিয়া ও আব্দুল ওহাব নজদী। এরা ইমামে আযম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে শুরু করে সকল ইমাম মুস্তাহিদ আওলিয়ায়ে কিরামের বিরোধীতা

শাহ আবদুল আজিজ মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহির ঈদে মিলাদ পালন


নির্ভরযোগ্য আলেম মাওলানা হাফিজ মুহাম্মদ আব্দুল হক এলাহাবাদী মুহাজিরে মক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর স্বরচিত বিখ্যাত কিতাব “আদ-দুরুল মুনাজ্জাম ফি হুকুমে আমলে মাওলাদিন নাবীয়্যিল আযম” গ্রন্থে শায়েখ আব্দুল আযীয দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি (১১৫৭-১২৩৯ হিজরি) এর সঠিক মন্তব্যই তুলে ধরেছেন এভাবে “শায়েখ আব্দুল

হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন।


হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্নিত, عن عمر بن الخطاب رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لما أذنب آدم صلى الله عليه وسلم الذنب الذي أذنه رفع رأسه إلى العرش فقال أسألك حق

হযরত ইবরাহীম খলিলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন


হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম  মহান আল্লাহ তা’আলা এর দরবারে ফারিয়াদ জানান, “ওহে আল্লাহ পাক তাঁদের মধ্যে তাঁদের হতে এমন একজন রাসূল প্রেরণ করুন, যিনি আপনার বাণীসমূহ তাঁদেরকে পাঠ করে শুনাবেন এবং কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দিয়ে পবিত্র করবেন। নিশ্চয়ই আপনিও অতিশয়

প্রখ্যাত ইমাম-মুজতাহিদ উনাদের দৃষ্টিতে পবিত্র হারামাইন শরীফে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনের ইতিহাস।


বাতিল ফিরক্বার লোকেরা বলে থাকে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ নাকি এই সেদিন থেকে প্রচলিত হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! হারামাইন শরীফে এ দিবস পালন হতো না! নাউযুবিল্লাহ! অথচ ইতিহাস সাক্ষী- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার শুরু থেকেই হারামাইন শরীফে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন হতো।

“কোটি কন্ঠে মীলাদ শরীফ” আপনি আসছেন তো???


এক যোগে মীলাদ শরীফ হিজরী সনের রবিউল আউওয়াল মাসের ১২ তারিখ, যে পবিত্র দিনে পৃথিবীর বুকে আগমন করেন আমাদের প্রাণপ্রিয় নবীজি রসূলে পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। এই দিনটিকে উপলক্ষ্য করে, আমাদের প্রাণপ্রিয় নবীজি রসূলে পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি

হযরত ঈসা রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন


যখন ঈসা আলাইহিস সালাম বনী ইসরাইলকে বললেন, আমি আল্লাহ এর রাসূল হিসেবে তোমাদের কাছে প্রেরিত হয়েছি। তার সঙ্গে আমার সাথে যে তাওরাত এসেছে তার প্রতি আমার সমর্থন রয়েছে এবং আমার পর যে রাসূল আসবেন তার নাম হবে আহমদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া

কুল-কায়িনাতের নবী ও রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার মহিমান্বিত দিনটিই সর্বশ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে মহান, সবচেয়ে বড় ঈদের দিন। এ প্রসঙ্গে নকলী দলীল (২)


  মহান আল্লাহ পাক উনার নবী ও রসূল হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “উনার প্রতি সালাম (শান্তি বা অভিবাদন) যেদিন তিনি বিলাদত শরীফ লাভ করেন এবং যেদিন তিনি বিছালী শান মুবারক প্রকাশ