Archive for the ‘ঈদে মীলাদুন্নবী’ Category

সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ। যা আসতে আর মাত্র ১২ দিন বাকি।সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফদ্বল ও রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’ সুবহানাল্লাহ! আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ

১৫’শ ঈসায়ী সালেও এই উপমহাদেশে জাতীয়ভাবে জাঁকজমকভাবে পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা হতো।


বাংলার প্রথম নবাব মুর্শিদকুলী খাঁর সময় এই আমল এত ব্যাপকভাবে পালন হতো যে বাদশা মালেক মুজাফর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার চাইতেও বেশি রাজকীয়ভাবে সেটাই মনে হয়। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত “বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস” বইয়ের ২য় খন্ডে ১৯৭ পৃষ্ঠায় তাকালে আমরা

মহাসম্মানিত ‘রবীউল আউওয়াল শরীফ’ মাস সন্নিকটে, মুসলমানরা কি এবারও গাফেল থাকবে ?


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি যদি আপনাকে সৃষ্টি না করতাম; তবে আসমান-যমীন, লওহ-কলম কোনো কিছুই সৃষ্টি করতাম না।’ সুবহানাল্লাহ! স্বাভাবিক নিয়মে দেখা যায়, একজন মানুষ আরেকজন

পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার তারতীবের একাল-সেকাল


অনেকেই বলে থাকে- আগে কি মীলাদ শরীফ ছিল? এখন যেভাবে পড়া হয় সেভাবে কি পড়া হতো? হযরত ছাহাবা আজমাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা কি পবিত্র মীলাদ শরীফ পড়েছেন? উনারা কি পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ (শ্রেষ্ঠ দিনসমূহের মধ্যে যেদিন শ্রেষ্ঠতম) শরীফ অর্থাৎ পবিত্র

নাজাতের সহজ পদ্ধতি হচ্ছে- পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা


সাধ্য-সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করে প্রত্যেক মুসলমানই নাজাত চায়, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুবারক সন্তুষ্টি চায়, রহমত চায়। আর পবিত্র নাজাত, মুবারক সন্তুষ্টির সহজ মাধ্যম হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক

পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিয়ে লিখিত কয়েকটি বিখ্যাত কিতাবের নাম


ইদানীং সাইয়্যিদে ঈদে আকবর ওয়া ঈদে আ’যম পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উনার নাম শুনলে কিছু লোক বিদয়াত বিদয়াত বলে চিৎকার করে, কিতাবে নেই, পূর্বের কোনো আউলিয়াগণ করেননি ইত্যাদি ইত্যাদি নানা মিথ্যা কথা

অ্যাস্ট্রোনমারদের গবেষণায় নির্ভুলভাবে প্রমাণ হয় ১২ই রবিউল আউয়াল-ই হচ্ছে নবীজির আগমণ (জন্ম) এর দিন


অ্যাস্ট্রোনমারদের গবেষণায় নির্ভুলভাবে প্রমাণ হয় ১২ই রবিউল আউয়াল-ই হচ্ছে নবীজির আগমণ (জন্ম) এর দিন নবীজির বিদায় গ্রহণের দিন ছিলো: হিজরী সন: ১১ হিজরীর ১২ই রবিউল আউয়াল ঈসায়ী সন: ৬৩২ সাল, ৮ই জুন বার: সোমবার **(১ নং দ্রষ্টব্য দেখুন) Back Calculation করে

ওহী ব্যতীত


কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ হয়েছে, وما ينطق عن الهوى ان هو الاوحى يوحى. অর্থঃ- “তিনি (হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওহী ব্যতীত নিজের থেকে মনগড়া কোন কথা বলেন না।” (সুরা নজম/৩,৪)

রহমতুল্লিল আলামীন


মহান আল্লাহ পাক সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্ নাবিয়্যীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিচয় দিতে গিয়ে ইরশাদ মুবারক করেন , وما ارسلنك الا رحمة للعلمين. “হে আমার হাবীব! আমি আপনাকে রহমতুল্লিল আলামীন বা সকল সৃষ্টির জন্য রহমতরূপে প্রেরণ

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিদায়ের দিন ইবলিশ খুশি হয়েছিল’, কথাটি কতটুকু কুরআন শরীফ, সুন্নাহ শরীফ সম্মত?


  কথাটি মোটেও কুরআন শরীফ সুন্নাহ শরীফ সম্মত নয়। কুরআন শরীফ, সুন্নাহ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত প্রত্যেক নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিলাদত শরীফ, বিছাল শরীফ উম্মতদের জন্য কল্যাণকর। কেননা আল্লাহপাক প্রত্যক নবী, প্রত্যক রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নির্দিষ্ট দায়িত্ব দিয়ে দুনিয়ার পাঠিয়েছেন।

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে পোষ্ট নং-০৩ (‘নওরোজ’ বা নববর্ষ ও ‘মিহিরজান’ নামক ২টি কুফরী দিবস বাতিল করে মুসলমানদের জন্য ইয়াওমুল আদ্বহা ও ইয়াওমুল ফিতরের ঘোষণা)


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَدِمَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ وَلَـهُمْ يَوْمَانِ يَلْعَبُوْنَ فِيْهِمَا فَقَالَ‏ مَا هٰذَانِ الْيَوْمَانِ‏،‏ قَالُوا كُنَّا نَلْعَبُ فِيْهِمَا فِي الْـجَاهِلِيَّةِ،‏ فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে পোষ্ট নং-০২(ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার জন্য হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ওয়াদা মুবারক করেছেন)


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার জন্য হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পক্ষ থেকে ওয়াদা মুবারক নিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وَاِذْ اَخَذَ اللهُ مِيْثَاقَ النَّبِيّـِيْنَ لَمَا اٰتَيْتُكُم