Archive for the ‘ঈদে মীলাদুন্নবী’ Category

প্রখ্যাত মুসলিম ইতিহাসবিদের লিখনিতে ঈদে মিলাদুন্নবি ।


১. ৭ম শতকের ইতিহাসবিদ শায়েখ আবু আল আব্বাস আল আযাফি এবং আবু আল কাসিম আল আযাফি ( সার্জারির জনক )  তাঁদের কিতাব আল দুরর আল মুনাজ্জাম কিতাবে লিখেন – ” মক্কা শরিফে ঈদে মিলাদুননবির দিন ধার্মিক ওমরাহ হজ্জ্বযাত্রী  এবং পর্যটকেরা দেখতেন

আজ থেকে প্রায় ১২০০ বছর পুর্বেও ঈদে মিলাদে হাবীবি পালিত হত।


হিজরি ৩য় শতকের মক্কা শরীফের মুসলিম ইতিহাসবিদ আল আজরাকী ( মৃত্যু ২১৯ হিঃ/৮৩৪ খৃঃ) উনার “আল মক্কাহ”ভলি ২ , ১৬০ পৃঃ উল্লেখ করেন ” হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেখানে বিলাদতি শান প্রকাশ করেন সেখানে নামাজ আদায় হত” কোরআনের স্কলার

বাদশাহ মুজাফরের পুর্ব থেকেই ঈদে মিলাদে হাবীবির প্রচলন ছিল ।


  ১. আজ থেকে প্রায় ৯০০ বছর পুর্বে ওমর বিন মুল্লা মুহম্মদ মউসুলি রহমতুল্লাহি আলাইহি ঈদে মিলাদে হাবীবি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিবসকে নিয়মিতভাবে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে জারী রাখার প্রচলন চালু করেন । উনার অনুসরনে ইসলামের অমর সিপাহসালার সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি

ঈদে মীলাদুন্নবীর ইতিহাস


১. হযরত আল্লামা মোল্লা আলী কারী রহমতুল্লাহি আলাইহি বর্ননা করেন – “মদিনাবাসী ঈদে মিলাদুন্নবীতে খুবই আগ্রহ ,উৎসাহ ও আনন্দের সহিত এ দিবস উদযাপন করতেন “। মাওরিদ আর রাওয়ী ফি মাওলিদ আন নাবী – পৃ-২৯ ২. হযরত ইবনে যাওজী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন

আজ থেকে প্রায় ১৩০০ বছর পুর্বে আব্বাসীয় খিলাফতে ঈদে মিলাদে হাবিবী পালন হত।


আব্বাসীয় খিলাফতের খলীফা হারুন অর রশীদের আম্মা আল খায়যুরান(মৃত্যু ১৭২ হিজরি ২য় শতক /৭৮৯ খৃষ্টাব্দ – ৮ম শতক)হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত মুবারকের স্থানে ইবাদত বন্দেগী করার জন্য উন্মুক্ত করে দেন।যেখানে মুসলমানগণ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করলে নিশ্চিত জান্নাতী হওয়ার দলীল…………


  ঈদে আযম, ঈদে আকবর, সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন এক মহান আমল, এমন এক ঈদ, যদি কোন মানুষ এই ঈদ পালন করে অবশ্যই সে প্রতিদান পাবেই পাবে !! মানুষের সমগ্র জীবনের অনেক আমল থাকে, সে আমল

সমগ্র পৃথিবীতে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাতীয় ভাবে পালন হতো তার প্রমাণ


  সমগ্র বিশ্বে এক নামে স্বীকৃত একজন মুহাদ্দিস হচ্ছেন হযরত মোল্লা আলী ক্বারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি। আজ থেকে পাঁচশত বছর পূর্বে উনার জন্ম। তিনি ইলমে হাদীসের জ্ঞান অর্জন করতে মক্কা শরীফ শরীফ মদীনা শরীফ সব স্থানে ভ্রমন করেন। সকল মাদ্রাসায় পঠিত এবং

কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি যদি আপনাকে সৃষ্টি না করতাম; তবে আসমান-যমীন, লওহ-কলম কোনো কিছুই সৃষ্টি করতাম না।’ সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ কিভাবে পালন করব?


  উত্তর :- এর উত্তর স্বয়ং মহান আল্লাহপাক তিনি বলে দিয়েছেন পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মাঝে।যেমন-“মহান আল্লাহপাক তিনি বলেন-তোমরা আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত করো,সম্মান করো,তা’যীম- তাকরীম করো,ছানা-ছিফত করো,প্রসংশা করো।”সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ এই আয়াত শরীফ উনার পরিপূর্ণ মেছদাক হয়ে

ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে বীরযোদ্ধা হযরত সা্লাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি’র জয়লাভের মূল রহস্য….


  ইতিহাস বলছে, সাহাবীগণ ঈদে মীলাদুন নবী পালন করতেন (https://goo.gl/i8UX7a) ইমাম মুজতাহিদগণ ঈদে মীলাদুন নবী পালন করতেন (https://goo.gl/iTtzaa) এবং মুসলিম মিল্লাতে ঈদে মীলাদুন নবী পালন হয়ে আসছিলো (https://goo.gl/N6aQLJ) কিন্তু এ অনুষ্ঠানগুলো উনারা করতেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে, পারিবারিকভাবে কিংবা জামাতবদ্ধ হয়ে। কিন্তু খিলাফত

সমস্ত কুলমাখলুকাতের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত হচ্ছেন- আমাদের নবীজি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহপাক বলেন- “তোমরা আমার নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় কর,আমি তোমাদের নিয়ামত বাড়িয়ে দিব। আর আল্লাহপাক উনার দেওয়া নিয়ামতকে যদি কেউ অস্বীকার করবে, তাহলে আল্লাহপাক তাকে এমন কঠিন শাস্তি দিবেন,যা বিশ্বজগতে আর কাউকে দিবেন না। ইন্না আ’যাবি লা শাদীদ।” সুতরাং, সমস্ত কুলমাখলুকাতের

যাদের অন্তরে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বত আছে তাদের পক্ষেই শুধুমাত্র পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালন করা সম্ভব…


  যাদের অন্তরে হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বত আছে তাদের পক্ষেই শুধুমাত্র পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ বা নবীজীর আগমন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা সম্ভব। আল্লাহ পাক বলেন, النَّبِيُّأَوْلَىٰبِالْمُؤْمِنِينَمِنْأَنفُسِهِمْ অর্থ: হযরত নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম