Archive for the ‘ঈদে মীলাদে হাবীবী’ Category

“সুন্নতকে ইহানত করা কুফরী।”


সুন্নতকে অস্বীকার করা এবং সেটাকে বিদয়াত বলে অভিহিত করা শক্ত কুফরী আর যে কুফরী করে সে কাফির হয়ে যায়। যেমন, হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক

সুন্নতেই উম্মত, সুন্নতেই জান্নাত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, وان تطيعوه تهتدوا. অর্থ: এবং তোমরা উনার (রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনুগত্য করলেই হিদায়েত বা সৎপথ পাবে। (সূরা নূর/৫৪) সুন্নতেই উম্মত, সুন্নতেই জান্নাত, সুন্নতের অনুসরণই সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত। কারণ এই নিয়ামতের সাথেই হিদায়েত বিজড়িত

সুন্নতকে অস্বীকার করা যাবে না


সুন্নতের অনুসরণ ছাড়া কোন বান্দার জন্য আল্লাহ পাক ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি পাওয়া সম্ভব নয়। যেমন, কুরআন শরীফের “সূরা আলে ইমরান”-এর ৩১নং আয়াত শরীফে ইরশাদ হয়েছে, قل ان كنتم تحبون الله فاتبعونى يحببكم الله ويغفر لكم

রহমতুল্লিল আলামীন


মহান আল্লাহ পাক সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্ নাবিয়্যীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিচয় দিতে গিয়ে ইরশাদ মুবারক করেন , وما ارسلنك الا رحمة للعلمين. “হে আমার হাবীব! আমি আপনাকে রহমতুল্লিল আলামীন বা সকল সৃষ্টির জন্য রহমতরূপে প্রেরণ

অ্যাস্ট্রোনমারদের গবেষণায় নির্ভুলভাবে প্রমাণ হয় ১২ই রবিউল আউয়াল-ই হচ্ছে নবীজির আগমণ (জন্ম) এর দিন


অ্যাস্ট্রোনমারদের গবেষণায় নির্ভুলভাবে প্রমাণ হয় ১২ই রবিউল আউয়াল-ই হচ্ছে নবীজির আগমণ (জন্ম) এর দিন নবীজির বিদায় গ্রহণের দিন ছিলো: হিজরী সন: ১১ হিজরীর ১২ই রবিউল আউয়াল ঈসায়ী সন: ৬৩২ সাল, ৮ই জুন বার: সোমবার **(১ নং দ্রষ্টব্য দেখুন) Back Calculation করে

একমাত্র মনোনীত দ্বীন হলো ইসলাম


মহান আল্লাহ্ পাক কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ করেন, ان الدين عند الله السلام. অর্থঃ-“নিশ্চয়ই আল্লাহ্ পাকের নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হলো ইসলাম।” (সুরা আলে ইমরান/১৯)   আর এ প্রসঙ্গেই মহান আল্লাহ্ পাক অন্য আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ করেছেন, ومن

বাহ্যিক পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শরীর মুবারকের পরিচর্যা ও বাহ্যিক পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। শরীর মুবারকের পরিচর্যার ক্ষেত্রে গুরুত্ব প্রদানঃ রসূলুল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ শরীর মুবারক-এর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সর্বদা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সদা

শিশুদের সাথে ব্যবহার


হযরত আনাছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, “নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ্ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন শিশুদের নিকট দিয়ে হেঁটে যেতেন তখন শিশুদের সালাম দিতেন।” (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত) হযরত আয়েশা ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম বলেন, “কোন এক সময় এক বেদুঈন হুজুর পাক

সর্ব প্রথম সুপারিশকারী


  হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন যে, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া, তাফসীরে কালামে ইলাহী হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, “আমি সর্ব প্রথম সুপারিশকারী হব। আর সর্ব প্রথম আমার সুপারিশই গ্রহণ করা হবে।” সুবহানাল্লাহ (মুসলিম শরীফ)

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে পোষ্ট নং-০৩ (‘নওরোজ’ বা নববর্ষ ও ‘মিহিরজান’ নামক ২টি কুফরী দিবস বাতিল করে মুসলমানদের জন্য ইয়াওমুল আদ্বহা ও ইয়াওমুল ফিতরের ঘোষণা)


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَدِمَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ وَلَـهُمْ يَوْمَانِ يَلْعَبُوْنَ فِيْهِمَا فَقَالَ‏ مَا هٰذَانِ الْيَوْمَانِ‏،‏ قَالُوا كُنَّا نَلْعَبُ فِيْهِمَا فِي الْـجَاهِلِيَّةِ،‏ فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে পোষ্ট নং-০২(ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার জন্য হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ওয়াদা মুবারক করেছেন)


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার জন্য হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পক্ষ থেকে ওয়াদা মুবারক নিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وَاِذْ اَخَذَ اللهُ مِيْثَاقَ النَّبِيّـِيْنَ لَمَا اٰتَيْتُكُم

মহান আল্লাহ পাক উনার কর্তৃক পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اِنَّ اللهَ وَمَلَا ئِكَتَ يُصَلُّوْنَ عَلَى النَّبِيّ ۚ يَا اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلّمُوْا تَسْلِيْمًا অর্থ : “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন,