Archive for the ‘ঈদে মীলাদে হাবীবী’ Category

একটি বিশেষ ঘটনাঃ


ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লিখার ফযীলত ——————————————————————— হযরত ইমাম আবু যুরআ রহমাতুল্লাহি আলাইহি অনেক বড় মুহাদ্দিস ছিলেন। তিনি ইন্তেকাল করার পর একজন বুজুর্গ ব্যক্তি উনাকে স্বপ্ন দেখলেন যে, তিনি আসমানের উপর হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের ইমাম হয়ে নামাজ পড়াচ্ছেন। উনাকে

🌺সায়েখ আমার জ্ঞানের জ্যোতি🌺


🌺সায়েখ আমার জ্ঞানের জ্যোতি সদা বিলান হীরা মতি.. যে চায় সেই পায় চায়না যে জন নিরুপায়.. যদি করেন দয়া দান ইহসান তবে হবেরে মোর পরিত্রান… কিবা দিবা কিবা নিশি তিনি মোর ইলমী শশী… উপচে পড়া ইলম প্লাবিত সুর খোদায়ী রওশন হাবিবি

স্বয়ং যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত যিকির মুবারক, সম্মানিত আলোচনা মুবারক, সম্মানিত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক বুলন্দ থেকে বুলন্দতর করেছেন


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ. অর্থ: “আর (হে আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আমি আপনার সম্মানিত যিকির মুবারক, সম্মানিত আলোচনা মুবারক, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক বুলন্দ থেকে বুলন্দতর করেছি।” সুবহানাল্লাহ!

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের তারিখ অবশ্যই পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ; অন্য কোন তারিখ নয়


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমুল ফীল বা হস্তির বছর পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার ১২ই শরীফ তারিখে দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ মুবারক নেন। কিন্তু কিছু মুসলিম নামধারী ও কিছু নাস্তিক প্রমাণ করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে যে,

প্রতি আরবী মাসের এ মুবারক আ’দাদ শরীফ বা তারিখটি হচ্ছেন- সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেহেতু “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই

রঙ্গিন চাদরে মোড়া পৃথিবী🌿


রঙ্গিন চাদরে মোড়া পৃথিবী🌿 ———-@@——-@@——- এই সৃজনে ঘোরের মত্ম্যতায় পথযে আমার বাঁকা , মোর অন্তরের পরিবর্তন চাই হে আঁকা ! উৎসাহিত করেছেন দিবা নিশি রাসূলে খোদার বাণী, আমার ইচ্ছের মাঝে হয়না জিকির হয়না ফিকির খানি !! হেলায় ফেলায় সময় মোর গাফলতিতে

لِيَعْبُدُوْنِ (লিইয়া’বুদূন) থেকে لِيُصَلُّوْنِ (লিইউছল্লূন) পর্যন্ত ৮টি মাক্বাম মুবারক উনাদের বর্ণনা


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ, মুজাদিদ্দে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার ১৫ই যিলহজ্জ শরীফ লাইলাতুল খ¦মীস শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফালইয়াফরহূ

সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- সমস্ত পাঠ্যপুস্তকে অর্থাৎ মাদরাসা, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সর্বপ্রকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা এবং দায়িমীভাবে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ জারী করা।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মহান রসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারক করো, উনাকে সম্মান করো ও উনার ছানা-ছিফত মুবারক বা আলোচনা মুবারক করো সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ দায়েমীভাবে।’ সুবহানাল্লাহ! তাই জিন-ইনসানসহ সকল মাখলুকাতের জন্যই শুধু সাইয়্যিদু

আজকে ৬৩ দিনের ওয়াজ মাহফিলের শেষ দিন ছিল, সারা মাস ব্যাপী প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণের বিশেষ ক্ষণ ….


আব্বার কাছ থেকে আউলিয়া কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের জীবনী শুনেছিলাম ও বাস্তব উপলব্ধি করিয়েছিলেন সম্মানিত ফুরফুরা শরীফ উনার সম্মানিত পীর সাহেব তিনি বাংলাদেশে ১৯৭৬ সালের নভেম্বর বা ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে এক ওয়াজ দুয়ার মাহফিলে আসছিলেন ও মুবারক

নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই একমাত্র কুল-কায়িনাতের সকলের জন্য অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়। সার্বিকভাবে সর্বক্ষেত্রেই উনাকে অনুসরণ করা সকলের জন্যই ফরয। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছেন তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক।’ সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই

এক নজরে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বৎসর ভিত্তিক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় জীবনী মুবারক


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ. অর্থ: “আর (আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আমি আপনার সম্মানিত যিকির মুবারক, সম্মানিত আলোচনা মুবারক, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক বুলন্দ থেকে

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন- কুল-কায়িনাতের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ উনার দিন।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফযল ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের জন্য ফরয; ঈদ বা খুশি প্রকাশ