Archive for the ‘ঈদে মীলাদে হাবীবী’ Category

মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই সর্বপ্রথম পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেন। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করেন। ’ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ নতুন

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারণে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে সমগ্র জগতের জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরন করেছি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া ১০৭) সমগ্র জগতে রহমত হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন,ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ বিরোধীরা কিতাব থেকে দলীল মুছে ফেলছে!!


হাফিজে হাদীছ হযরত আবু নুয়াইম আসবাহানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘দালায়েলুন নবুওওয়াত’ কিতাব থেকে “নিয়ামত” শব্দ বাদ দিয়ে ভয়ানক তাহরীফ করলো ওহাবীরা। মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে বিষয়টা গোড়া থেকে আবার আলোচনা করা প্রয়োজন। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনে সীমাহীন ফযীলত, বুযুর্গী, সম্মান হাছিল


বর্ণিত রয়েছে, খলীফা হারুনুর রশীদের খিলাফতকালে বছরা শহরে এক যুবক ছিল। সে নিজের নফসের প্রতি যুলুমকারী ছিল অর্থাৎ সে নানা পাপাচারে লিপ্ত ছিল। তার অপকর্মের কারণে শহরবাসীর চোখে সে ঘৃণিত ও সমালোচিত ছিল। তবে তার একটা উত্তম আমল হচ্ছে যখন সম্মানিত

সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ পুরো মাসব্যাপী ছুটি মুসলমানদের ঈমানী দাবি


পবিত্র কালিমা শরীফ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উনার সবটুকুই স্বীকার করলে তবেই ঈমানদার। আর এ পবিত্র কালিমা শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার নাম মুবারক উনার সাথে উনারই নাম মুবারক সংযুক্ত যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল

নাজাতের সর্বশ্রেষ্ঠ উত্তম উসীলা পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি উম্মতদেরকে বলে দিন মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল ও রহমত লাভ করার কারণে তারা যেন আনন্দ, খুশি প্রকাশ করে।”

পবিত্র ১২ই শরীফ উপলক্ষে বিশ্বের সকল দেশের প্রত্যেক সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো ১২টি বিষয় পালন করা ও জারী করা


আসন্ন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অর্থাৎ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ পবিত্র ১২ই শরীফ উপলক্ষে বিশ্বের সকল দেশের প্রত্যেক সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো ১২টি বিষয় পালন করা ও জারী করা ১.

সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস যথাযথভাবে পালন করার জন্য যাবতীয় আঞ্জাম দেয়া সকল মুসলমানদের দায়িত্ব-কর্তব্য


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাই ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মু’মিনে কামিল হতে পারবে না; যতক্ষণ পর্যন্ত না তার পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি এবং অন্যান্য সকল মানুষ অপেক্ষা আমাকে বেশি মুহব্বত করবে”। সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সুমহান সম্মানার্থে মাহফিল করা, সাধ্যমত খরচ করা ফরয এবং সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম ইবাদত


খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন, يَا ايُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءتْكُم مَّوْعِظَة مّن رَّبّكُمْ وَشِفَاء لّمَا فِى الصُّدُورِ وَهُدًى وَرَحْمَة لّلْمُؤْمِنِينَ .قُلْ بِفَضْلِ اللّهِ وَبِرَحْمَتِه فَبِذلِكَ فَلْيَفْرَحُواْ هُوَ خَيْر مّمَّا يَجْمَعُونَ অর্থ

সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ ও পবিত্র মীলাদ শরীফ-ক্বিয়াম শরীফ সর্বত্র জারী করার গুরুত্ব ও ফযীলত


পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার লুগাতী বা আভিধানিক অর্থ বিলাদত (জন্ম) শরীফ উনার সময়। আর ইছতিলাহী বা ব্যবহারিক অর্থ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি

সমস্ত ইবাদত থেকে ‘খইর’ তথা সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত হচ্ছেন মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন


মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনের গুরুত্ব এত বেশি হওয়ার কারণ হচ্ছে যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- هُوَ خَيْرٌ مِّمَّا يَجْمَعُونَ অর্থাৎ কায়িনাতবাসী, জিন-ইনসান, খাছ করে মানবজাতি যত ইবাদত করুক

উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল হাদিয়াহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় নসবনামাহ মুবারক


সাইয়্যিদাতু নিসায়ি ‘আলাল ‘আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা’ বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল হাদিয়াহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নসব মুবারকগত দিক থেকে সম্মানিত কুরাইশ বংশীয়। সুবহানাল্লাহ! উনার মহাসম্মানিত পিতা হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত