সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

Archive for the ‘ঈদে মীলাদে হাবীবী’ Category

নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফের দিন আল্লাহপাক উনার খুশি প্রকাশ!


হাবীবুুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সময় তথা জন্ম গ্রহনের সময়, মহান আল্লাহপাক কতটা খুশি মুবারক প্রকাশ করেছেন, তা কারো পক্ষে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।তবে হাদীস শরীফে সামাণ্যই এসেছে। যেমন, হযরত জিবরীল

সাহাবীগণ উনারা ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেছেন


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যখন হিজরত মুবারক করে মদীনা শরীফ পৌছলেন, তখন মদিনা শরীফের আনসার সাহাবীগণ খুশি হয়ে ‘ত্বলায়াল বাদরু আলাইনা মিন সানিয়াতিল বিদা’ এই ক্বাসিদা শরীফটি সমুচ্চস্বরে পাঠ করে নবীজী

পহেলা রবিউল আউয়াল শরীফ, সম্মাণিত হিজরত মুবারক দিবস


মুসলিম জাতির মাঝে কে আছে যে হযরত আবু আইয়ূব আল-আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নাম জানে না? উনার সুনাম, খ্যাতি, মর্যাদা, মর্তবা আল্লাহপাক এবং উনার রাসূল শাহীদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমুন্নত করেছেন সমগ্র বিশ্বে। উনার মর্যাদা, খ্যাতি বৃদ্ধির অন্যতম কারন,

ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন নিয়ে ওহাবীদের চুরি ধরা পড়েছে..


ইমাম আবু নুয়াইম আসবাহানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘দালায়েলুন নবুওওয়াত’ থেকে “নিয়ামত” শব্দ বাদ দিয়ে ভয়ানক তাহরীফ করলো ওহাবীরা। মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে বিষয়টা গোড়া থেকে আবার পড়ুন। আপনাদের সুবিধার্থে আবার আলোচনা করছি- কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, يَسْتَبْشِرُونَ

সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ। যা আসতে আর মাত্র ১২ দিন বাকি।সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফদ্বল ও রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’ সুবহানাল্লাহ! আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ

১৫’শ ঈসায়ী সালেও এই উপমহাদেশে জাতীয়ভাবে জাঁকজমকভাবে পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা হতো।


বাংলার প্রথম নবাব মুর্শিদকুলী খাঁর সময় এই আমল এত ব্যাপকভাবে পালন হতো যে বাদশা মালেক মুজাফর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার চাইতেও বেশি রাজকীয়ভাবে সেটাই মনে হয়। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত “বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস” বইয়ের ২য় খন্ডে ১৯৭ পৃষ্ঠায় তাকালে আমরা

মহাসম্মানিত ‘রবীউল আউওয়াল শরীফ’ মাস সন্নিকটে, মুসলমানরা কি এবারও গাফেল থাকবে ?


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি যদি আপনাকে সৃষ্টি না করতাম; তবে আসমান-যমীন, লওহ-কলম কোনো কিছুই সৃষ্টি করতাম না।’ সুবহানাল্লাহ! স্বাভাবিক নিয়মে দেখা যায়, একজন মানুষ আরেকজন

পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার তারতীবের একাল-সেকাল


অনেকেই বলে থাকে- আগে কি মীলাদ শরীফ ছিল? এখন যেভাবে পড়া হয় সেভাবে কি পড়া হতো? হযরত ছাহাবা আজমাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা কি পবিত্র মীলাদ শরীফ পড়েছেন? উনারা কি পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ (শ্রেষ্ঠ দিনসমূহের মধ্যে যেদিন শ্রেষ্ঠতম) শরীফ অর্থাৎ পবিত্র

পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিয়ে লিখিত কয়েকটি বিখ্যাত কিতাবের নাম


ইদানীং সাইয়্যিদে ঈদে আকবর ওয়া ঈদে আ’যম পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উনার নাম শুনলে কিছু লোক বিদয়াত বিদয়াত বলে চিৎকার করে, কিতাবে নেই, পূর্বের কোনো আউলিয়াগণ করেননি ইত্যাদি ইত্যাদি নানা মিথ্যা কথা

উম্মুহাতুল মুমিনীন উনা‌দের সম্প‌র্কে জ্ঞান অর্জন করা সমস্ত মুসলমান‌দের জন্য ফরয ওয়া‌জিব


আমা‌দের প্রিয় নবী‌জি উনার সম্মা‌নিতা আজওয়াজুন মুতাহহারাতুন তথা সম্মা‌নিতা জীবন সঙ্গী‌নি উনারা হ‌লেন উম্মুহাতুল মু‌মিনীন তথা সমস্ত কা‌য়িনা‌তের মাতা। উনারা সমস্ত কা‌য়িনাতবাসীর জন্য উসওয়াতুন হাসনাহ তথা আর্দশ মুবারক। অথচ উনা‌দের সম্প‌র্কে কয়জন মুসলমান বা জা‌নে? উনা‌দের‌কে মহান আল্লাহপাক কত সম্মা‌নিত ক‌রে‌ছেন

হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নিজেদের মতো বাশার বলা কাট্টা কুফরী


কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, আল্লাহ পাক রোয আযলে অর্থাৎ সৃষ্টির শুরুতে সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালামগণের কাছ থেকে ওয়াদা নিলেন এই শর্তে যে, “আমি আপনাদেরকে কিতাব ও হিকমত দান করবো অতঃপর আমার যিনি হাবীব যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু

“সুন্নতকে ইহানত করা কুফরী।”


সুন্নতকে অস্বীকার করা এবং সেটাকে বিদয়াত বলে অভিহিত করা শক্ত কুফরী আর যে কুফরী করে সে কাফির হয়ে যায়। যেমন, হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক