Archive for the ‘উদ্যোগ’ Category

হাই, হ্যালো! শব্দটি মুসলমানদের সালাম কে কেড়ে নিয়েছে।


মোবাইলে রিং বাজলেই হ্যালো। কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সম্বোধন হয় এই যে,হাই হ্যালো! আপনাকেই বলছি।ফেস বুকে পিএম করে বলে হাই হ্যালো, স্কুল, মাদরাসার সিলেবাসভুক্ত ইংরেজি বই খুললেও দেখা যাবে ঐবষষড়, এড়ড়ফ সড়ৎহরহম।এছাড়া. অভিজাত এলাকার ছেলেমেয়েগুলো আরো একটু স্ট্যান্ডার্ড শব্দ ব্যবহার করে

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন শুধু মাত্র শ্রেষ্ঠ আমল নয়, বরং বালা-মুছীবত থেকে মুক্তি পাওয়ার অন্যতম রহমত স্বরূপ.


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! নিশ্চয়ই আমি আপনাকে প্রেরণ করেছি সাক্ষ্যদাতা, সুসংবাদ দাতা ও ভয়প্রদর্শনকারী হিসেবে এ কারণে যে, তোমরা মহান আল্লাহ পাক ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি

যে সকল হিন্দু ও নাস্তিকরা মুসলমানদের নবী ; ইসলাম ধর্ম ও কুরআন নিয়ে খারাপ কথা লিখে / বলে তাদেরকে জবাই করে প্রকা‌শ্যে কে‌টে টুক‌রো টু‌ক‌রো কুকুর কে খাওয়া‌নো দরকার !


ধর্ম কে নিয়ে অবমাননা করার প্রতিবাদ করতে হলে , এই ফেছবুকে like আর comment এর ভিতরেই ধর্ম অবমাননার বিষয়টাকে না রেখে সবাই মিলে কিভাবে এই সকল বিদেশীদের দালালদেরকে ধরা যায় সেই ব্যবস্তাই করুন। তারপর ওদেরকে এমন একটি শিক্ষা দিন যা দেখে

প্রসঙ্গ সমঅধিকার!


বর্তমান সমাজে অনেকে সমঅধিকারের কথা বলে। আসলে সমাধিকার বলতে কি বুঝায় তা আমাদের বুঝতে হবে। সমঅধিকার বলতে যার যা প্রাপ্য তাকে তা দেয়া বুঝায়। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় পিঁপড়া এবং হাতি। পিঁপড়ার যতটুকু খাবার প্রয়োজন তা যদি একটি হাতি কে দেয়া

১লা বৈশাখ উপলক্ষে সরকারী বোনাস বাতিল করা হোক৤


১লা বৈশাখ হলো কাফির মুশরিকদের রীতি নীতি৤ এটা মুসলমানদের কোন উৎসব বা রীতি নীতি নয়, তাই ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে ১লা বৈশাখের বোনাস দেওয়া সরকারের জন্য কখনো প্রযোজ্য নয়৤ এই উপলক্ষে বোনাস দেওয়া মানে তাদের পুজা কে সমর্থন করা৤তাদের সাথে শিরিক

প্রশ্নপত্রে ইসলামবিদ্বেষ ও মুসলমান শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অপরাধে প্রশ্ন তৈরিকারী, অনুমোদনকারী ও সংশ্লিষ্ট সকলের গ্রেফতার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে


বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ২৯৫ক এবং ২৯৮ অনুযায়ী অন্যের ধর্মানুভূতিতে আঘাত হানা একটি দ-নীয় অপরাধ। সে মোতাবেক পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে যারা ইসলামবিদ্বেষী প্রশ্ন ঢুকালো, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অবমাননা করলো এবং মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানলো তাদের অপরাধের বিচার করতে হবে।

প্রসঙ্গ: সাম্প্রতিক সময়ের মুসলিমবিদ্বেষ॥ মুসলমানদের উচিত ঐক্যবদ্ধ হয়ে শত্রুদের সম্পর্কে সচেতন হওয়া


বর্তমানে সারা বিশ্বে মুসলমানদের আতঙ্কবাদী তথা টেরটিস্ট হিসেবে আখ্যায়িত করে যুলুম-নির্যাতন করা নিত্যান্ত স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। দৈনন্দিন জীবনযাপন, সমাজ, পরিবেশ সবকিছুতেই মুসলমানদের আতঙ্কবাদী হিসেবে আখ্যায়িত করে মুসলমানদেরকে বিশ্বের দরজায় একটি নব্য শঙ্কা হিসেবে তৈরি করে তোলা হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায়

মেয়ে সন্তান জন্মগ্রহণ বোঝা নয়, বরং মহান আল্লাহপাক উনার দয়া ইহছান মুবারকঃ


আমাদের সমাজ নারীঘটিত ফিতনা-ফাসাদে জর্জরিত। সত্তর ভাগ ফিতনা-ফাসাদের মূলে যে বিষয়টি লক্ষ্যণীয় তা হলো- নারী। যার কারণে মেয়ে সন্তান জন্মগ্রহণ করলেই অধিকাংশ পিতা-মাতা বোঝা মনে করে থাকে। মূলত মেয়ে সন্তান পিতা-মাতার জন্য বোঝা নয়, বরং ইহসান। কেননা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার

বিধর্মীদের নিয়ম-নীতি পালন করা হারাম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি পবিত্র দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো ধর্ম অনুসরণ-অনুকরণ করবে, তার থেকে তা গ্রহণ করা হবে না। সে অবশ্যই পরকালে ক্ষতিগ্রস্থ হবে অর্থাৎ জাহান্নামী হবে। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত

কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক মহান আল্লাহ পাক উনার উপর পূর্ণ আস্থা এবং বিশ্বাস রাখা ফরয; তাই সরকারকে সংবিধানে বিষয়টি পুনঃস্থাপন করতে হবে।


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “এক মু’মিন আরেক মু’মিনের জন্য আয়নাস্বরূপ।”বর্তমান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকার সাধারণ নির্বাচনের পূর্বে বাংলাদেশের শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান উনাদের নিকট ওয়াদা করেছিল- তারা ক্ষমতায় আসলে

সম্মানিত দ্বীন ইসলামই নারী জাতিকে দিয়েছেন একমাত্র সম্মান ও মর্যাদা


নারী ঘটিত বিভিন্ন ফিতনায় জর্জরিত ৯৭ ভাগ মুসলমানদের এই দেশ, প্রতিনিয়ত নারীটিজিং হতে শুরু করে এসিড নিক্ষেপ, সম্ভ্রমহরণ, এমনকি হত্যা পর্যন্ত করা হচ্ছে এই দেশের নারীদেরকে। কিন্তু কেন? এই বিষয়টি কি জানা আছে? মূলত তাহলো- পবিত্র দ্বীন ইসলাম যেভাবে নারীদের সম্মান

আপনি জানেন কি ?আপনার অজান্তেই সংবিধান থেকে আল্লাহপাক উনার উপর আস্থা উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে!


একজন মুসলমান সে সবসময় সর্বঅবস্থায় খলিক মালিক রব মহান আল্লাহপাক উনার উপর ভরসা করবে আস্থা রাখবে সেটােই স্বাভাবিক৤ কিন্তু আপনি একজন মুসলমান আপনার দেশ ও মুসলিম দেশ যা বিশ্বের মধ্যে মুসলিম দেশ হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান, তাহলে এই দেশের সংবিধান থেকে