Archive for the ‘কবিতা’ Category

……..সুবাহানআল্লাহ


🌺শুক্রিয়া বেশুমার শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র কলি.. কে তুমি যাও পোস্টার লিফলেটের মুহব্বতে অলি গলি… রিজানুল গায়েব পেশে খেদমতে সাথে আল্লাহ পাক উনার ওলি..!! ……..সুবাহানআল্লাহ https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=687273008869890&id=100027615900409

সায়েখ আমার জ্ঞানের জ্যোতি


  সায়েখ আমার জ্ঞানের জ্যোতি সদা বিলান হীরা মতি.. যে চায় সেই পায় চায়না যে জন নিরুপায়.. যদি করেন দয়া দান ইহসান তবে হবেরে মোর পরিত্রান… কিবা দিবা কিবা নিশি তিনি মোর ইলমী শশী… উপচে পড়া ইলম প্লাবিত সুর খোদায়ী রওশন

বাংলা সাহিত্যের কিছু বিখ্যাত ইসলামিক কবিতা


বাংলা সাহিত্যের কিছু বিখ্যাত ইসলামিক কবিতা পাঞ্জেরি – ফররুখ আহমদ রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি? এখনো তোমার আসমান ভরা মেঘে? সেতারা, হেলাল এখনো ওঠেনি জেগে? তুমি মাস্তলে, আমি দাঁড় টানি ভুলে; অসীম কুয়াশা জাগে শূন্যতা ঘেরি। রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি?

বাংলা কবিতায় ছন্দের ব্যবহার


আজ কাল কবিতা লেখা মানুষের কাছে একটা খেলা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেখা যাচ্ছে, কেউ একটু লেখা পড়া শিখেই মনের মাধুরী মিশিয়ে কবিতা লেখা শুরু করে দিচ্ছে। কি লিখছে নিজেও বুঝতে পারছে না। আবার এদিকে, নিজেকে কাজী নজরুল ইসলাম ভেবে বসে আছে। কিন্তু,

রাতের আঁধার ভেদে এক আরশী জ্যোৎস্নার প্রকাশ


রাতের আঁধার ভেদে এক আরশী জ্যোৎস্নার প্রকাশ স্নিগ্ধ মায়ার আবরণে তেজস্বী কিরণের আভাস। কাউছার লুটিয়ে পড়ে চুমে আপনার পাক কদম হে শাহযাদী ছানী আপনায় স্বাগতম । নীল আকাশ ছেড়ে পাখি খুঁজে ফিরে নীড়ের ছায়া কবিতার বাণী খুঁজে ছন্দ সুরের মায়া ঘন

আপনি জানেন কি “গাযওয়াতুল হিন্দ” কি? এর সম্পর্কে কে ভবিষ্যৎবানী করেছিলেন?


গাযওয়াতুল হিন্দ বা হিন্দুস্থানের যুদ্ধ হাদীস শরিফে বর্নিত আছে উগ্রবাদী, মৌলবাদী, হিন্দুদের ধ্বংসকারী গাযওয়াতুল হিন্দ অত্যাসন্ন ও অবশ্বাম্ভাবী। সারা পৃথিবীতে সবচে’ বড় জিহাদ যেটা হবে সেটা হবে হিন্দুস্তান তথা ভারতের মুশরিকদের সাথে। এই জিহাদে যাঁরা শরীক থাকবেন, উপস্থিত থাকবেন, অংশ গ্রহণ

রহমত বাটেন আক্বা শাহযাদা


রহমানী ছিফতে রহমত বাটেন আক্বা শাহযাদা মাদানী নূরে রওশন করেন তাশরীফে মাওলা শাহেন শাহে মামদূহ সাইয়্যিদী মানজুর সুলত্বানুল ক্বাওনাইন নূরুন আলা নূর ॥ ইলাহী তায়ালা ইলান করেন সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ আজ হাবীবে খোদা আয়োজন করেন সাইয়্যিদুল আ’সইয়াদ আজ ঈদের আনন্দে মুখরিত জাহান

শানে হয়রত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম


মোদের মালিকা, ছানী মালিকা মোদের মালিকা, শাহী মালিকা নিছবতে নছবে, সিরতে-ছূরতে ক্বায়িম-মাক্বামে আপনি কুবরা আম্মাজান মামদূহজী উনার মধ্যমণি সাইয়্যিদাহ আম্মাজীর নয়নের মণি মোদের শাহযাদী, ছানি শাহযাদী মোদের শাহযাদী, নূরী শাহযাদী। ইলিম আমলে, সুন্নাহ পালনে আপনি যে শ্রেষ্ঠা, আপনি যে শ্রেষ্ঠা ইলাহী

শানে হয়রত আর-রবি‘আ আলাইহাস সালাম


খোদায়ী রহমত হয়ে তাশরীফ কায়িনায় নূরে হাবীবী সাইয়্যিদা নববী হুজরায় রব্বানা করেন ফালইয়াফরহূ শানে হাবীবী নাওয়াসী মামদূহু আর-রবি‘আ আর-রবি‘আ আর-রবি‘আ আলাইহাস সালাম আর-রবি‘আ আর-রবি‘আ আর-রবি‘আ আলাইহাস সালাম রসূলী পেয়ারা খোদায়ী হুসনা, নিয়ামত বাটেন সদা নূরে জামিলা জান্নাতের মালিকা শাহ নাওয়াসী ত্বহিরা,

কসম


  আমি মায়ের বদলে মাসি কিনতে পারবো না। আমি হীরার বদলে কাচ কুড়াতে পারবো না। আমি দাদীকে দিদা বলতে পারবো না। আমি পানির বদলে জলপান করতে পারবো না। … আমি শেরে বাঙলার বদলে মহাত্মা গান্ধীকে নিতে পারবো না। আমি ভাসানীর বদলে

মুজাদ্দিদে আলফে ছানী নূরে নূরানী


আলফে ছানী, আলফে ছানী, আলফে ছানী ॥মুজাদ্দিদে আলফে ছানী, নূরে নূরানী ॥   হাজার চৌত্রিশ হিজরীর ছফর মাসেতে, বিছাল শরীফ উনার দীদারে ইলাহীতে ॥ সেদিন ছিল ছফর মাসের শেষ বুধবার, আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ রসূলে আলা উনার ॥ বিদায় নিলেন নায়েবে

হাবীবী ঐ ইশকে মোরা


হাবীবী ঐ ইশকে মোরা গরক হবো অবিরত , ধন্য হবে জীবন মোদের দুঃখ হবে পরাভুত । তাই সকলে মহব্বতে পড়ি রাসুলের নাত , বাতিল আছে যত ধরনীর বুকে , হবে সব কুপোকাত ।