Archive for the ‘গণতন্ত্র’ Category

জনগণ গণতন্ত্রের রঙ্গিন চশমায় শুধু ঘুঘু দেখে কিন্তু ঘুঘুর ফাঁদ দেখে না


সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি ছিলো, ‘দেশে পবিত্র কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন পাশ হবে না।’ অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে কোনো কিছু এদেশে চলবে না। দেশের ৯৮ ভাগ মুসলিম জনগোষ্ঠীর দ্বীনি সেন্টিমেন্টকে পুঁজি করে এসব মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে এখন একের

বিজাতীয় পন্থায় দ্বীন ইসলাম কায়িম করার অলীক স্বপ্ন 


ক্ষমতালোভী ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘সূ’রা গণতন্ত্র করে। তাদের যুক্তি হচ্ছে- গণতন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় গিয়ে তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিধিবিধান জারি করবে। তারা হারাম নারী নেতৃত্ব মেনে থাকে। এক্ষেত্রে তারা ধোঁকাপূর্ণভাবে বলে থাকে- পবিত্র দ্বীন ইসলাম কায়িমের জন্য সাময়িক সময়ের জন্য এটা

গণতন্ত্র হলো সকল হারাম কাজের মূল


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হালাল স্পষ্ট, হারাম স্পষ্ট। আর উছূলের কিতাব উনার মধ্যে রয়েছে, হালাল থেকে হালালই বের হয় আর হারাম থেকে হারামই বের হয়। এখন এই গণতন্ত্রের মূলে রয়েছে হারাম। যেটা আমরা দেখতে পাই, এ গণতন্ত্রের

নানা প্রলোভনে উত্তরাঞ্চল এবং পার্বত্যাঞ্চলের জনগোষ্ঠীকে খ্রিষ্টান বানাচ্ছে বৈদেশিক বিভিন্ন এনজিও।


বাংলাদেশে খ্রিষ্টান জনগোষ্ঠী বৃদ্ধি করে আলাদা খ্রিষ্টান রাষ্ট্র তৈরীর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে এনজিওগুলো। বিষয়টি অদূর ভবিষ্যতে গভীর শঙ্কার। রহস্যজনক কারণে নীরব সরকার। —————- একদিকে উত্তরাঞ্চল অপরদিকে পার্বত্য এলাকাকে ঘিরে এনজিও এবং আন্তর্জাতিক খ্রিস্টান লবি খ্রিস্টীয় সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ধর্ম প্রচারের লক্ষ্যে

What does Bangladesh really need right now?


“Bangladesh” has been a frequent word for last few years in world politics, be it the Rohingya issue or the newly discovered unthinkable amount of natural gas resource (goo.gl/49Ucmq). One way or the other, Bangladesh is going to encounter the league

মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে, মুক্তি হয়নি


ব্র্রিটিশ শাসনকে আমরা পরাধীনতা কেন বলি? অথবা একথাই বা কেন বলি যে পাকিস্তান আমাদের নির্যাতন করেছে? কারণ একটাই, তা হলো তারা আমাদের সম্পদ নিজেদের দেশে নিয়ে গিয়েছে, আমাদেরকে ব্যবহার করে নিজেদের দেশের উন্নয়ন করেছে; সোজা বাংলায়, আমাদের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খেয়েছে।

আসল সন্ত্রাসী কারা? মুসলমানরা, নাকি কাফিররা?


১. হিটলার ১ কোটি ১০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিলো। সে কিন্তু মুসলিম ছিলো না, ছিলো খ্রিস্টান। ২. জোসেফ স্টালিন ২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও মুসলমান ছিলো না। নাস্তিক দাবি করতো। ৩. মাওসেতুং দেড় থেকে ২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও

মুনাফিক ধ্বংসের জন্য বদ-দোয়া করুন প্রতিনিয়ত


হে দেশপ্রেমিক মুসলমান! নিজের প্রিয় দ্বীন- পবিত্র ইসলামের অস্তিত্ব রক্ষায় সবাই মহান আল্লাহ পাকের শাহী দরবারে হাত তুলুন- গুমরাহ শাসক, মুনাফিক, ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। গুমরাহ শাসক ও মুনাফিকরা এবার দেশের মাদরাসা শিক্ষা থেকে ‘জিহাদ বিষয়ক অধ্যায়’ বাদ দিয়ে ২০১৮ সালের বই ছাপাচ্ছে।

রকেট/ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে পথপ্রদর্শক টিপু সুলতান। পরে ওই প্রযুক্তিই গ্রহণ করে ইউরোপীয়রা


মহীশূরের মহান মুসলিম শাসক ও বৈজ্ঞানিক টিপু সুলতানের প্রশংসা করে উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুদের তোপের মুখে ভারতের রাষ্ট্রপতি। যা ভারতীয় অসাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার ‘উজ্জ্বল’ দৃষ্টান্ত। কিন্তু কথায় বলে- ‘সত্য চেপে রাখা যায় না’। উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুরা যতই হিংসা প্রকাশ করুক সত্য প্রকাশ হবেই

খেলার অন্তরালের খেলা


ক্রিকেট-ফুটবল-হকি (অর্থাৎ যাবতীয় খেল-তামাশা), গান-বাজনা, নাটক-সিনেমা-টিভি, অভিনয়-মডেলিং ইত্যাদির মানে  হলো:- জুয়া, মদ, অবৈধ নারী সম্ভোগ, অবৈধ অর্থ, লুচ্চা, লম্পট, পতিতা, বেহায়া, বদ-চরিত্র, মারামারি, খুনাখুনি, সন্ত্রাস ইত্যাদি। দেশপ্রেমিক হলে তা বুঝতো দেশের কর্ণধাররা। কিন্তু তারা বিভ্রান্ত, মুনাফিক ও দালাল হওয়ায় উল্টো বলে-

খেলাধুলা ও যৌনতা পরিপূরক


ক্রিকেট-ফুটবলারদের (অর্থাৎ খেলোয়ারদের) যৌন কুকীর্তি নতুন কিছু নয়৷ ফুটবল/ক্রিকেট আর যৌনতা যেন সেলিব্রিটি খেলোয়াড়দের জীবনে আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে রয়েছে৷ পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, যে প্লেয়ার যত বড়, তার যৌন কুকীর্তি ততটাই বেশি৷ ফুটবল-ক্রিকেট সংস্কৃতির (অর্থাৎ খেলাধুলার) সঙ্গে যেন পরিপূরক হয়ে গিয়েছে খোলোয়ারদের

গনতন্ত্র ১৬ (২৯/৮/২০১৭)


“”ঐ দেখা যায়, গনতন্ত্র। ঐ আমাদের, ধর্মনিরপেক্ষতা। ঐ খানেতে বাস করে, বিশাল মানবতা।”” সত্যি, আজ এই হাস্যকর বাস্তবতার সম্মুখীন অামরা। যে গনতন্ত্র নিজেকে জনগনের শাষন হিসাবে দাবি করে, এবং আইনের শাষনের প্রতিভূ হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠীত করতে চায়, সেই গনতন্ত্রের আজ একি