Archive for the ‘গণতন্ত্র’ Category

আসল সন্ত্রাসী কারা? মুসলমানরা, নাকি কাফিররা?


১. হিটলার ১ কোটি ১০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিলো। সে কিন্তু মুসলিম ছিলো না, ছিলো খ্রিস্টান। ২. জোসেফ স্টালিন ২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও মুসলমান ছিলো না। নাস্তিক দাবি করতো। ৩. মাওসেতুং দেড় থেকে ২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও

মুনাফিক ধ্বংসের জন্য বদ-দোয়া করুন প্রতিনিয়ত


হে দেশপ্রেমিক মুসলমান! নিজের প্রিয় দ্বীন- পবিত্র ইসলামের অস্তিত্ব রক্ষায় সবাই মহান আল্লাহ পাকের শাহী দরবারে হাত তুলুন- গুমরাহ শাসক, মুনাফিক, ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। গুমরাহ শাসক ও মুনাফিকরা এবার দেশের মাদরাসা শিক্ষা থেকে ‘জিহাদ বিষয়ক অধ্যায়’ বাদ দিয়ে ২০১৮ সালের বই ছাপাচ্ছে।

রকেট/ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে পথপ্রদর্শক টিপু সুলতান। পরে ওই প্রযুক্তিই গ্রহণ করে ইউরোপীয়রা


মহীশূরের মহান মুসলিম শাসক ও বৈজ্ঞানিক টিপু সুলতানের প্রশংসা করে উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুদের তোপের মুখে ভারতের রাষ্ট্রপতি। যা ভারতীয় অসাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার ‘উজ্জ্বল’ দৃষ্টান্ত। কিন্তু কথায় বলে- ‘সত্য চেপে রাখা যায় না’। উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুরা যতই হিংসা প্রকাশ করুক সত্য প্রকাশ হবেই

খেলার অন্তরালের খেলা


ক্রিকেট-ফুটবল-হকি (অর্থাৎ যাবতীয় খেল-তামাশা), গান-বাজনা, নাটক-সিনেমা-টিভি, অভিনয়-মডেলিং ইত্যাদির মানে  হলো:- জুয়া, মদ, অবৈধ নারী সম্ভোগ, অবৈধ অর্থ, লুচ্চা, লম্পট, পতিতা, বেহায়া, বদ-চরিত্র, মারামারি, খুনাখুনি, সন্ত্রাস ইত্যাদি। দেশপ্রেমিক হলে তা বুঝতো দেশের কর্ণধাররা। কিন্তু তারা বিভ্রান্ত, মুনাফিক ও দালাল হওয়ায় উল্টো বলে-

খেলাধুলা ও যৌনতা পরিপূরক


ক্রিকেট-ফুটবলারদের (অর্থাৎ খেলোয়ারদের) যৌন কুকীর্তি নতুন কিছু নয়৷ ফুটবল/ক্রিকেট আর যৌনতা যেন সেলিব্রিটি খেলোয়াড়দের জীবনে আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে রয়েছে৷ পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, যে প্লেয়ার যত বড়, তার যৌন কুকীর্তি ততটাই বেশি৷ ফুটবল-ক্রিকেট সংস্কৃতির (অর্থাৎ খেলাধুলার) সঙ্গে যেন পরিপূরক হয়ে গিয়েছে খোলোয়ারদের

গনতন্ত্র ১৬ (২৯/৮/২০১৭)


“”ঐ দেখা যায়, গনতন্ত্র। ঐ আমাদের, ধর্মনিরপেক্ষতা। ঐ খানেতে বাস করে, বিশাল মানবতা।”” সত্যি, আজ এই হাস্যকর বাস্তবতার সম্মুখীন অামরা। যে গনতন্ত্র নিজেকে জনগনের শাষন হিসাবে দাবি করে, এবং আইনের শাষনের প্রতিভূ হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠীত করতে চায়, সেই গনতন্ত্রের আজ একি

গণতন্ত্রের বাজেট অকল্পনীয় একটা ধোঁকাবাজি।


গণতন্ত্রের বাজেট অকল্পনীয় একটা ধোঁকাবাজি। এই মাত্র ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা হলো আর এতেই এক শ্রেণীর জাহেল লোক ও দালাল মিডিয়া চেঁচামেচি করে যে- ঘাটতির বাজেট, উচ্চাভিলাষী বাজেট, বাস্তবায়ন সম্ভব নয় ইত্যাদি ইত্যাদি। হ্যাঁ, ধোঁকাবাজ গণতন্ত্রীরা বাজেটে কিছু

সরি, কী সত্য যেন বলে ফেললাম!


পবিত্র দ্বীন ইসলামের আলোকে বিশ্ব, রাষ্ট্র বা সমাজে যতদিন সাম্য, সহিষ্ণুতা আর ন্যায় প্রতিষ্ঠিত না হবে, ততদিন সন্ত্রাসবাদ ফিরে ফিরে আসবে নতুন কোনো নামে নতুন কোনোখানে। সন্ত্রাসবাদ ঠেকাতে সবার আগে দরকার ইসলামী ঐক্য ও ভ্রতৃত্ববোধ। সন্ত্রাসবাদীকে সঙ্গী করে রাজনৈতিক কাটাকাটি বা

সর্বস্তরে দুর্নীতি


দুর্নীতিতে দেশ,বিভাগ,জেলা,উপজেলা,ইউনিয়ন,গ্রাম,মহল্লা,পরিবার ছেয়ে গিয়েছে। ১.মনে করেন আপনি ভাল কোন স্কুলে পড়তে চান,পকেটে টাকা আছে,,,তাহলেই কোন কথা নেই।।। ২.কলেজে পড়বেন সেখানেও ৩.বিশ্ববিদ্যালয়ে ও ৪.মহল্লায় কোন কালভাট বা ব্রিজেও দুর্নীতি,,,,চাঁদা চাই ৫.ভাল ব্যবসা করবেন,, চাঁদা চাই ৬.কোন সমস্যায় তথাকথিত পাতি নেতার কাছে গেলে,

কুরবানির হাট কমানো, কুরবানির স্থান নির্দিষ্ট এগুলো স্পষ্ট ষড়যন্ত্র!!!


হাট কমিয়ে মুসলমান দের কষ্ট বাড়িয়ে দেয়া, পরিচ্ছন্নতার নাম দিয়ে জবাইয়ের স্থান নির্দিষ্ট করা, এভাবে বিভিন্ন প্রকার অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করা, এগুলো স্পষ্ট  ষড়যন্ত্র। যা বর্তমান সরকারের মাধ্যমে কায়িম করা হচ্ছে।এতে দেশে অস্থিতিশীল  পরিবেশ তৈরি হচ্ছে, আওয়ামীলীগ সরকারের সমালোচনায়  সামাজিক মাধ্যমগুলোতে

দাড়িঁ রেখে, টুপি পড়ে মাদরাসায় পড়া ছাত্ররা নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শার্ট-প্যান্ট, স্যুট-কোর্ট, টাই পরা ছাত্ররাও এখন উচু স্তরের সন্ত্রাসী হয় !!!!


ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদের বিস্তার যে শুধু মাদরাসাকে ঘিরে হচ্ছে না, তার প্রমাণ অতীতেও দেখা গেছে৷ গুলশানের রেস্তোরাঁয় হামলার ঘটনা তারপরও বিস্ময় জাগিয়েছে৷ বিশ্লেষকরা বলছেন, বিস্তার রোধে এখনি পদক্ষেপ নেয়া দরকার৷ গুলশানের রেস্তোরাঁর যে পাঁচ হামলাকারীর ছবি তথাকথিত ইসলামিক স্টেট বা আইএস-এর

শুধু টিভির লাইসেন্স বাতিল করলে হবে না, ইনুর মন্ত্রীত্বও বাতিল করতে হবে


সৈয়দ আশরাফ কয়েকদিন আগে মন্তব্য করেছিল- ইনুকে মন্ত্রীত্ব দেয়ার প্রায়শ্চিত্ত আওয়ামী লীগকে ‘আজীবন’ করতে হবে। তারই প্রতিফলন দেখা গেল গতকাল গুলশান হামলায় মিডিয়ার ভূমিকায়। এই হামলাকে কেন্দ্র করে এদেশের মিডিয়াগুলো বিশ্বব্যাপী প্রচার করলো, হামলাকারীরা ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হামলা করেছে। এই প্রচারের