Archive for the ‘জানতে চাই’ Category

পহেলা রবিউল আউয়াল শরীফ, সম্মাণিত হিজরত মুবারক দিবস


মুসলিম জাতির মাঝে কে আছে যে হযরত আবু আইয়ূব আল-আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নাম জানে না? উনার সুনাম, খ্যাতি, মর্যাদা, মর্তবা আল্লাহপাক এবং উনার রাসূল শাহীদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমুন্নত করেছেন সমগ্র বিশ্বে। উনার মর্যাদা, খ্যাতি বৃদ্ধির অন্যতম কারন,

নামাযে যতটুকু খুশু-খুজু প্রয়োজন !


বান্দা নামাজ পড়ে অথচ তা থেকে তার জন্য ছয় ভাগে এক ও দশ ভাগের এক অংশও লিখিত হয় না। কেবল ততটুকুই লেখা হয়,যতটুকু সে বুঝে শুনে পড়ে। -নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। যে ব্যক্তি খুশু সহকারে নামাজ

বিষয়: ক্বাযা নামায 


সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী প্রত্যেক ফরয ও ওয়াজিব নামাযের জন্য সময় নির্দিষ্ট আছে। সেই নির্দিষ্ট সময়ে নামায আদায় না করে পরে সেই নামায আদায় করাকে ক্বাযা নামায বলা হয়। বিশেষ কোন কারণ ব্যতীত ফরয বা ওয়াজিব নামায নির্দিষ্ট সময়ে আদায় না করা

হযরত কুতুবুদ্দীন আইবেক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জীবনি সংক্ষেপে


  তিনি যখন ছোট ছিলেন জৈনিক সওদাগর তুর্কিস্থান থেকে নিশাপুর নিয়ে আসে।এবং উনাকে কাজী ফখরুদ্দীন ইবনে আব্দুল আজীজের কাছে বিক্রি করে দেয়। কাজী সাহেব ছিলেন হযরত ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি উনার বংশধর। কাজীসাব উনাকে কৃতদাসের মত রাখলেন না বরং পুত্রসুলভ ব্যবহার

২৭ শে জিলহজ্জ শরীফ হযরত উমর ফারুক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার শাহাদাত মুবারক গ্রহণ দিবস


আমর বিন মাইমুন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, যেদিন সকালে হযরত উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু আহত হন, সেদিন সকালে আমি উনার সাথে দাঁড়ানো ছিলাম। আমাদের দুজনের মাঝে হযরত আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন। আর তখন ছিল পবিত্র ফজরের সময়। তিনি

উসমানী সাম্রাজ্যের সামাজিক শিষ্টাচার


  বাকির খাতা পরিশোধ =========== উসমানি সুলতানদের সুদীর্ঘ শাসনামলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আর্থিক সচ্ছলতা ছিল। বড় বড় শহরের ধনী ও বিত্তবান মানুষের সংখ্যা ছিল অনেক। সমাজের উচ্চবিত্তের লোকেরা সাধ্যেমতো গরিব ও অসহায় শ্রেনীর মানুষের পাশে দাড়াতেন। অনেক বিত্তবান ব্যক্তি গোপনে বিভিন্ন

উসমানী সম্রাজ্যের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি


খেলাফতে রাশেদা, খেলাফতে উমাইয়া, আব্বাসীদের পর উসমানী খেলাফত ব্যবস্থার উত্থান। সুদীর্ঘ ৬২৪ বছর ধরে টিকে ছিল এই খেলাফত ব্যবস্থা। পৃথিবীর ইতিহাসে উসমানী সম্রাজ্যের মত সুবিস্তৃত পরিধি ও দীর্ঘমেয়াদী ইসলামী খেলাফত মুসলিমদের ভাগ্যে জোটে নি। উসমানী সম্রাজ্যের সোনালী যুগে যত দূর পর্যন্ত

উসমানীয় সুলতানদের স্বভাব চরিত্র


সাম্রাজ্য শাসন ও নানা ধরনের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পাশাপাশি বিদ্রোহ দমন এবং নতুন নতুন রাজ্য জয়ের সামরিক নেতৃত্ব দিতেন ওসমান সুলতানরা। ফলে দিনরাত তাদের সময় কাটতে ভীষণ ব্যস্ততায়। রাজা-মহারাজা, সুলতানদের জীবনে এটি স্বাভাবিক নিয়ম। তবে মানুষ হিসেবে প্রত্যেকে ভালোলাগা থাকে ওসমানী

সানকি ইয়াদিম (ধরো আমি খেয়েছি) মসজিদ !


জামে সানকি ইয়াদিম। বাংলায় ‘ধরো আমি খেয়েছি’ মসজিদ। এমন অদ্ভুত নামের এই মসজিদটি ইস্তাম্বুল শহরের ফাতেহ এলাকায় অবস্থিত। উসমানী শাসনামলে ১৭ শতকে ইস্তাম্বুল শহরের ফাতেহ এলাকায় বাস করতেন এক হতদরিদ্র মুসলমান। উনার নাম খায়রুদ্দিন আফেন্দী। পথে-ঘাটে ঘুরে বেড়াতেন তিনি।মাঝে মধ্যে বাজারের

অল্প বয়সে বিয়ে হলে অনেক সুবিধা (!) কিন্তু অসুবিধা কি ?


  অল্প বয়সে বিয়ে হলে নানান অসুবিধা হয় বলে প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু অল্প বয়সে বিয়ে হলে যে অনেক সুবিধা হয়, সেটার ফিরিস্তি কিন্তু প্রচার করা হয় না। যেমন ধরুন- একটা ছেলে ও একটা মেয়ের অল্প বয়সে বিয়ে হলো। এতে তাদের

শিশুদের মুহব্বতের তরীকা


“কোন এক সময় এক বেদুঈন রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট এসে বললো, ‘ইয়া রসূলাল্লাহ্, ইয়া হাবীবাল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কি শিশুদের চুমু দেন? আমি তো কখনো শিশুদের চুমু দেই না।’ জবাবে খাইরুল আলম, হাবীবাল্লাহ্ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু

নানা প্রলোভনে উত্তরাঞ্চল এবং পার্বত্যাঞ্চলের জনগোষ্ঠীকে খ্রিষ্টান বানাচ্ছে বৈদেশিক বিভিন্ন এনজিও।


বাংলাদেশে খ্রিষ্টান জনগোষ্ঠী বৃদ্ধি করে আলাদা খ্রিষ্টান রাষ্ট্র তৈরীর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে এনজিওগুলো। বিষয়টি অদূর ভবিষ্যতে গভীর শঙ্কার। রহস্যজনক কারণে নীরব সরকার। —————- একদিকে উত্তরাঞ্চল অপরদিকে পার্বত্য এলাকাকে ঘিরে এনজিও এবং আন্তর্জাতিক খ্রিস্টান লবি খ্রিস্টীয় সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ধর্ম প্রচারের লক্ষ্যে