Archive for the ‘জানতে চাই’ Category

১ লা রজবুল হারাম শরীফ হযরত আবু রসূলিনা ও উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস


সময়টি ছিল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের ৮ মাস ১২ দিন পূর্বে মহাসম্মানিত রজবুল হারাম শরীফ উনার পহেলা তারিখ লাইলাতুল জুমুয়াহ শরীফ। এই মহাসম্মাণিত দিনে সাইয়্যিদুনা হযরত যবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম ও

হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে সংশ্লিষ্ট আইয়্যামিল্লাহ শরীফ পালনের ফযীলত !


হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে সংশ্লিষ্ট বিশেষ রাত্রি মুবারকগুলোর ফযীলত কতটুকু? কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, শবে বরাত ও শবে ক্বদরের রাতে খাছ রহমত বর্ষিত হয়। উক্ত খাছ রহমত হরিণের উপর পরলে মৃগনাভী পয়দা হয়, মাছের উপর পরলে আম্বর পয়দা

ইসলামী লেবাস ও আধুনিক বিজ্ঞান


সাদা কাপড় সাধারণত সর্বপ্রকার আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করে থাকে। তীব্র গরম মওসুমে সাদা লেবাস গরম হয়ে যায় না।কেননা তা গরমকে অাকর্ষণ করে না। অপরদিকে তীব্র শীতের মওসুমে ঠান্ডার কারণে তা শীতলও হয়ে যায় না। হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফের দিন আল্লাহপাক উনার খুশি প্রকাশ!


হাবীবুুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সময় তথা জন্ম গ্রহনের সময়, মহান আল্লাহপাক কতটা খুশি মুবারক প্রকাশ করেছেন, তা কারো পক্ষে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।তবে হাদীস শরীফে সামাণ্যই এসেছে। যেমন, হযরত জিবরীল

সাহাবীগণ উনারা ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেছেন


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যখন হিজরত মুবারক করে মদীনা শরীফ পৌছলেন, তখন মদিনা শরীফের আনসার সাহাবীগণ খুশি হয়ে ‘ত্বলায়াল বাদরু আলাইনা মিন সানিয়াতিল বিদা’ এই ক্বাসিদা শরীফটি সমুচ্চস্বরে পাঠ করে নবীজী

পহেলা রবিউল আউয়াল শরীফ, সম্মাণিত হিজরত মুবারক দিবস


মুসলিম জাতির মাঝে কে আছে যে হযরত আবু আইয়ূব আল-আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নাম জানে না? উনার সুনাম, খ্যাতি, মর্যাদা, মর্তবা আল্লাহপাক এবং উনার রাসূল শাহীদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমুন্নত করেছেন সমগ্র বিশ্বে। উনার মর্যাদা, খ্যাতি বৃদ্ধির অন্যতম কারন,

নামাযে যতটুকু খুশু-খুজু প্রয়োজন !


বান্দা নামাজ পড়ে অথচ তা থেকে তার জন্য ছয় ভাগে এক ও দশ ভাগের এক অংশও লিখিত হয় না। কেবল ততটুকুই লেখা হয়,যতটুকু সে বুঝে শুনে পড়ে। -নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। যে ব্যক্তি খুশু সহকারে নামাজ

বিষয়: ক্বাযা নামায 


সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী প্রত্যেক ফরয ও ওয়াজিব নামাযের জন্য সময় নির্দিষ্ট আছে। সেই নির্দিষ্ট সময়ে নামায আদায় না করে পরে সেই নামায আদায় করাকে ক্বাযা নামায বলা হয়। বিশেষ কোন কারণ ব্যতীত ফরয বা ওয়াজিব নামায নির্দিষ্ট সময়ে আদায় না করা

হযরত কুতুবুদ্দীন আইবেক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জীবনি সংক্ষেপে


  তিনি যখন ছোট ছিলেন জৈনিক সওদাগর তুর্কিস্থান থেকে নিশাপুর নিয়ে আসে।এবং উনাকে কাজী ফখরুদ্দীন ইবনে আব্দুল আজীজের কাছে বিক্রি করে দেয়। কাজী সাহেব ছিলেন হযরত ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি উনার বংশধর। কাজীসাব উনাকে কৃতদাসের মত রাখলেন না বরং পুত্রসুলভ ব্যবহার

২৭ শে জিলহজ্জ শরীফ হযরত উমর ফারুক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার শাহাদাত মুবারক গ্রহণ দিবস


আমর বিন মাইমুন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, যেদিন সকালে হযরত উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু আহত হন, সেদিন সকালে আমি উনার সাথে দাঁড়ানো ছিলাম। আমাদের দুজনের মাঝে হযরত আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন। আর তখন ছিল পবিত্র ফজরের সময়। তিনি

উসমানী সাম্রাজ্যের সামাজিক শিষ্টাচার


  বাকির খাতা পরিশোধ =========== উসমানি সুলতানদের সুদীর্ঘ শাসনামলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আর্থিক সচ্ছলতা ছিল। বড় বড় শহরের ধনী ও বিত্তবান মানুষের সংখ্যা ছিল অনেক। সমাজের উচ্চবিত্তের লোকেরা সাধ্যেমতো গরিব ও অসহায় শ্রেনীর মানুষের পাশে দাড়াতেন। অনেক বিত্তবান ব্যক্তি গোপনে বিভিন্ন

উসমানী সম্রাজ্যের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি


খেলাফতে রাশেদা, খেলাফতে উমাইয়া, আব্বাসীদের পর উসমানী খেলাফত ব্যবস্থার উত্থান। সুদীর্ঘ ৬২৪ বছর ধরে টিকে ছিল এই খেলাফত ব্যবস্থা। পৃথিবীর ইতিহাসে উসমানী সম্রাজ্যের মত সুবিস্তৃত পরিধি ও দীর্ঘমেয়াদী ইসলামী খেলাফত মুসলিমদের ভাগ্যে জোটে নি। উসমানী সম্রাজ্যের সোনালী যুগে যত দূর পর্যন্ত