Archive for the ‘জানা-অজানা’ Category

## সুফী গন্দের নিয়ে কেনো এতো প্রলাপ!!!!


#‪#‎আফসুস‬ !! সুফিবাদের কথা বলতে গিয়ে কেউ নিরেপেক্ষ থাকতে পারে না!!! কেবল ভন্ডদেরকে এনে দাড় করায়। সুফীবাদের ইতিহাস বলতে গিয়ে এসব ভন্ডদের আনা কিন্তু ঠিক হলো না। নিজামুদ্দিন আউলিয়া উনার কথাও সবাই জানে । তিনি ভন্ড ছিলেন না, আল্লাহ পাক উনার

ইসলামই একমাত্র আধুনিকতায়, সভ্যতায় ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রাচুর্যতায় পূর্ণ দ্বীন|-


পবিত্র ইসলাম সর্বকালের জন্য, সর্বযুগের জন্য এমনকি ক্বিয়ামত পর্যন্ত আধুনিক। কেউ যদি পরিপূর্ণ ইসলাম উনার সৌন্দর্য অবলোকন করে তাহলে মুসলমানতো অবশ্যই, বরং অনেক কাফির মুশরিকও মুগ্ধ হবে এবং ইসলাম গ্রহণ করবে। এ যাবৎ যত অমুসলিম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে তারা পবিত্র

#‪#‎সন্ত্রাস‬ বাদ কাফির মুশরিকদের ধর্ম।


আপনার সন্তান ধার্মিক হচ্ছে কি না সেই যত্ন করুন, যদি দেখেন বেশী বেশী আড্ডা , গান বাজনা, পার্টি, নাটক সিনামা নিয়ে ব্যস্ত, তবে বুঝবেন কিছুদিনের মধ্যে সে হতাশা গ্রস্থ হয়ে পরবে, তার পর ড্রাগ নিতে শুরু করবে। এবং এই সুযোগে তাদেরকে

হাত তালি দেয়া যাবে কি?


হাত তালি দেয়া যাবে কি? ******************** বর্তমানে সৌদি ওহাবী বাদশার মজলিসে, লা-মাযহাবী সালাফীদের মিটিং এ, দেওবন্দীদের অনুষ্ঠানে, জাকির নায়েকের মজমাতে, জামাত শিবিরের প্রোগ্রামে কোন কিছুতে খুশি প্রকাশ করে সকলকে হাত তালি দিতে দেখা যায়। আসুন আমরা হাত তালি দেয়ার শরীয়তের ফয়সালাটা

ইংরেজি সাত দিনের নামের রহস্য ॥ হীনম্মন্যতা পরিহার করে মুসলমানদের উচিত প্রতিটি ক্ষেত্রে আরবী সাতদিনের নাম ব্যবহার করা।


ইংরেজি সাত দিনের নামের রহস্য ॥ হীনম্মন্যতা পরিহার করে মুসলমানদের উচিত প্রতিটি ক্ষেত্রে আরবী সাতদিনের নাম ব্যবহার করা। *****************************************************************************************************   ইংরেজি সাতদিনের নামগুলো এসেছে কাফির-মুশরিকদের দেবদেবী ও তাদের নিজস্ব চিন্তা-সংস্কৃতি থেকে। যেমন, কাফির-মুশরিকদের কল্পিত দেবতা ও ডিনের স্ত্রী ফ্রিগের নাম অনুসারে

বাত্বিল ফির্কার মুখোশ উন্মোচন-


বাত্বিল ফির্কার মুখোশ উন্মোচন- ************************* প্রসঙ্গঃইতিহাসের জঘন্যতমখারেজী ওহাহী দেওবন্দী ফির্কা ********************************************* বিষয়ঃদেওবন্দী মালানারাই পাপাত্মা গান্ধীকে ‘মহাত্মা’ উপাধি দিয়েছিল, পাপাত্মা গান্ধীকে তুষ্ট করতে গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে কুফরী ফতওয়া জারি করেছিল। শুধু তাই নয়, দেওবন্দীরা এটিও ঘোষণা দিয়েছিল যে, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর

ভারতের দেওবন্দীরা জাতে হিন্দু ।


ভারতের দেওবন্দীরা জাতে হিন্দু । ************************* সম্প্রতি ভারতে মধ্যপ্রদেশের মাদরাসাগুলোতে যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য হিন্দুদের নাপাক গ্রন্থ গীতা বাধ্যতামূলকভাবে পড়ানোর কুফরী আদেশ জারি করেছে সেই প্রদেশের যালিম সরকার। অথচ ভারতের দেওবন্দীরা এর কোনো প্রতিবাদ তো করেনি, বরং অনেক আগে থেকেই তারা হিন্দুতোষণে

দেওবন্দীরা চরম শ্রেণীর গুমরাহ ও বিভ্রান্ত তাদের কিছু ভয়ঙ্কর আক্বীদা নিম্নে দেয়া হলো।


দেওবন্দীরা চরম শ্রেণীর গুমরাহ ও বিভ্রান্ত তাদের কিছু ভয়ঙ্কর আক্বীদা নিম্নে দেয়া হলো। ******************************************************************** ১। আল্লাহ (পাক তিনি) মিথ্যা বলতে পারেন। নাঊযুবিল্লাহ! (রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী, ফতওয়া রশিদিয়া, ১ম খ-, পৃষ্ঠা ১৯, তালিফাত রশীদিয়া, কিতাবুল আক্বাঈদ অধ্যায় পৃষ্ঠা ৯৮, খলীল আহমদ আম্বেটী-

ফোন রিসিভ করার শরীয়তসম্মত পদ্ধতি


আমরা ফোন রিসিভ করার সময় বলি ‘হ্যালো’। কিন্তু আমরা জানি কি ফোনে ‘হ্যালো’ বলার প্রচলন কিভাবে হয়েছিল? ‘হ্যালো’ একটি মেয়ের নাম। মার্গারেট * ছিল টেলিফোনের আধুনিকায়নকারী গ্রাহামবেলের প্রেমিকা। গ্রাহাম বেল টেলিফোনের পরীক্ষা চালানোর জন্য তার প্রেমিকাকে ফোন দিয়ে তার নাম উচ্চারণ

পবিত্র পর্দা পালনে ও সুন্নত মুবারক অনুসরণে হযরত ফারুকে আযম আলাইহিস সালাম।


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, একবার আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত উমর ফারুক আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার সম্মানিত মেয়ে, উম্মুল মু’মিনীন হযরত হাফসা আলাইহাস সালাম উনার সাথে একত্রে একটি রুমে বসে কিছু বিষয় আলাপ-আলোচনা করতেছিলেন। এমন সময় আমীরুল

আসুন আমরা পিতা মাতার হক্ব আদায় করার বিশেষ ব্যাবস্থা অবলম্বন করি।


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ভাবার্থ হলো- “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ব্যতীত অন্য কারো ইবাদত করো না। আর পিতা-মাতা উনাদের সাথে সদাচরণ করবে। উনাদের মধ্য থেকে

চন্দ্র বিদারন বা শাক্বুল কামার;নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার শ্রেষ্ট মুজিজা শরীফ ও ইলবে গয়িব উনার সুস্পষ্ট প্রমানঃ-


আল্লামা হযরত শরফুদ্দীন বুসরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একজন খ্যাতনামা মুহাদ্দিছ, ঐতিহাসিক ও ছূফী সাধক ছিলেন। উনার রচিত ক্বছীদায়ে বুরদা শরীফ বা ‘নবী প্রশস্তি’ কাব্য গ্রন্থখানি মুসলিম জাহানে এবং আলিম সমাজে উচ্চ প্রশংসিত কিতাব হিসেবে বিবেচিত ও পরিচিত। উক্ত গ্রন্থের বিভিন্ন ভাষ্য