Archive for the ‘জানা-অজানা’ Category

অত্যাচারী, যালিম রবীন্দ্র পরিবারের কুখ্যাত ইতিহাস


কলকাতা জোড়াসাঁকো ঠাকুর বংশের প্রতিষ্ঠাতা দ্বারকানাথের দাদা নীলমণি ঠাকুর। সে প্রথমে ইংরেজদের অধীনে চাকুরী করে সাহেবদের সুনজরে পড়ে এবং উন্নতির দরজা খুলতে থাকে । এঁরা কিন্তু বরাবরই ঠাকুর পদবীধারী নয়, পূর্বে এঁরা ছিল কুশারী। পূর্বপুরুষ পঞ্চানন কুশারী যখন শ্রমিকের কাজ করতেন

রবীন্দ্রনাথের বাড়িতে নিয়মিত মুসলিমবিদ্বেষি আসর বসত


মুসলিম বিদ্বেষী বঙ্কিমচন্দ্রকে অত্যন্ত সমীহ করত রবীন্দ্রনাথ। কারণ তার জানা ছিল যে, বঙ্কিম ব্রিটিশরাজের এক নম্বর বাছাই করা ব্যক্তি। সে বঙ্কিম রচিত চরম সাম্প্রদায়িকতাদুষ্ট আনন্দমঠে রচিত ‘বন্দে মাতরম’ গানে সুর দেয় এবং নিজে গেয়ে বঙ্কিমকে শোনায় (রবীন্দ্র জীবনী, ১ম খণ্ড, পৃ.

”এখনতো চড় থাপ্পর দিচ্ছে আর কয়দিন পর মিয়ানমারের মত ধরে ধরে কোপাবে”


চেয়ারে বসে ডিউটি করায় পুলিশকে চড়-থাপ্পড়! পূজা চলাকালীন চেয়ারে বসে দায়িত্ব পালন করায় এক পুলিশ সদস্যকে চড়-থাপ্পড় দেয়ার অভিযোগে পূজা উদযাপন কমিটির এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১ টায় বন্দরের ২নং ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পূজা চলাকালীন সময়ে এ ঘটনা

বিনা খরচে বিদায় করুন এলার্জি


মানবজীবনে এলার্জি কতোটা ভয়ঙ্কর তা যিনি ভুক্তভোগী শুধু তিনিই জানেন। এর উপশমের জন্য কতোজন কতো কিছুই না করেন। তবুও সুরাহা হয় না। কতো সুস্বাদু খাবার চোখের সামনে দেখে জিহ্বাতে পানি আসলেও এলার্জি ভয়ে তা আর খাওয়া হয় না। এজন্য বছরের পর

31ST(থার্টি ফাস্ট নাইট) পালন করা হারাম!কি হবে?


অামরা কি মুসলমান?আমরা কি ঈমানদার?যদি ঈমানদার বা মুসলমান হই ,তাহলে কি করে আমরা 31ST তথা কাফির মুশরিকদের নিয়ম কানুন তর্জ ত্বরিকা গ্রহণ করতে পারি ।যে বা যাহারা থার্টি ফাস্ট নাইট পালন করবে তাদের পরিনাম হবে খুব খারাপ:::: ১.তাদের ঈমান নষ্ট হবে।

আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস ও বাংলাদেশে আরবী চর্চা


১৮ ডিসেম্বর পালিত হলো আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস। ১৯৭৩ সালের এদিনে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের ২৮তম অধিবেশনে ৩১৯০নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক আরবীকে জাতিসংঘের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ১৯০তম অধিবেশনে ১৮ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস হিসেবে

এদেশের মুসলমানরা আর কতদিন হিন্দুঘেঁষা মিডিয়ার (দালাল সাংবাদিকদের) তৈরি রবীন্দ্র ঠগীয় গোলকধাঁধাঁয় ঘুরপাক খাবে?


রবীন্দ্র ঠগ ব্রিটিশদের সহযোগী দালাল ছিল, যা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু যা অধিকাংশ লোকই জানে না, তা হলো- ব্রিটিশরা তাদের এই দালালটির খ্যাতি-বৃদ্ধির জন্য নিয়োগ করেছিল কিছু এজেন্ট তথা ভাড়াটে লেখকদের। সেসব সাদা চামড়ার এজেন্টরা রবীন্দ্রের নামে প্রচলিত ইংরেজি লেখাগুলো লিখে

কে সন্ত্রাসী? মুসলমান নাকি কাফিররা??


আজকাল নাস্তিকরা খুব ভাব ধরে, দাবি করে- তারা খুব নিরীহ, কখনোই কারো কোনো ক্ষতি করেনি। মুসলমানরা নাকি খারাপ, মুসলমানরা নাকি সন্ত্রাসী। নাউযুবিল্লাহ! অথচ ইতিহাস কিন্তু বলে ভিন্ন কথা। ইতিহাস বলে, নাস্তিকরা যখনই কোনো দেশের ক্ষমতায় গেছে, কিংবা আক্রমণের সুযোগ পেয়েছে, তারা

কে সন্ত্রাসী? মুসলমান নাকি কাফিররা??


আজকাল নাস্তিকরা খুব ভাব ধরে, দাবি করে- তারা খুব নিরীহ, কখনোই কারো কোনো ক্ষতি করেনি। মুসলমানরা নাকি খারাপ, মুসলমানরা নাকি সন্ত্রাসী। নাউযুবিল্লাহ! অথচ ইতিহাস কিন্তু বলে ভিন্ন কথা। ইতিহাস বলে, নাস্তিকরা যখনই কোনো দেশের ক্ষমতায় গেছে, কিংবা আক্রমণের সুযোগ পেয়েছে, তারা

মুনাফিকদের চিনে নিন’


মুনাফিকদের চিনে নিন’     আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে সেখানে রহমত উনার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রবেশ করেন না।” অথচ অনেক এলাকার মসজিদ উনার প্রবেশদ্বারেই রয়েছে

সন্ত্রাসী ইহুদীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের নিকৃষ্ট দালাল সউদী ওহাবী বাদশাহদের গোঁমর ফাঁস!


বহুদিন যাবৎ মুসলিম অধ্যুষিত ফিলিস্তিনে ধারাবাহিক গণহত্যা চালাচ্ছে সন্ত্রাসী ইহুদীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল। সর্বশেষ ২০১৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে তারা আরো একধাপ এগিয়ে মুসলিম নিধন অভিযানে নামে। নৃশংস এই গণহত্যা সবার চোখের সামনে ঘটলেও, এর বিরুদ্ধে বলার মত যেন কেউ নেই!

যেভাবে মাইনাস টু ফর্মুলার বাস্তবায়ন


মুসলমান উনাদের জান, মাল, দ্বীন, ঈমান-আমল ইত্যাদীর শত্রু ইহুদী, মুশরিক ও নাছারারা। এই শত্রুরা সবসময় চায় এবং ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করে কি করে, মুসলমান উনাদের ক্ষতি করা যায়, ধন-সম্পদ লুণ্ঠন করা যায়, যুলুম-নির্যাতন করা যায়, শহীদ করা যায়, সর্বোপরি মুসলমান উনাদের