Archive for the ‘ধর্মব্যবসায়ীদের মুখোশ’ Category

লালন নতুন কোন মতবাদের প্রবর্তক নয় পর্ব- (১)


বর্তমান বিশ্বে লালনের অনুসারী নামে পরিচিত বাউল সম্প্রদায়, তথা গাঁজা সেবনকারী একটি দল হর হামেশায় দাবী করেন যে, লালন হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খৃষ্টান ধর্ম বাদ দিয়ে নিজেই একটি নতুন ধর্ম বা মতবাদের প্রবর্তক। আর সে ধর্ম বা মতবাদটি অসাম্প্রদায়িক বাউল

সন্ত্রাসবাদের কারণ ও প্রতিকারের উপায় প্রসঙ্গ


পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার আলোকে বিশ্ব, রাষ্ট্র বা সমাজে যতদিন সাম্য, সহিষ্ণুতা আর ন্যায় প্রতিষ্ঠিত না হবে, ততদিন সন্ত্রাসবাদ ফিরে ফিরে আসবে নতুন কোনো নামে নতুন কোনোখানে। সন্ত্রাসবাদ ঠেকাতে সবার আগে দরকার ইসলামী ঐক্য ও ভ্রতৃত্ববোধ। সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে সন্ত্রাসবাদীকে সঙ্গী করে

”এখনতো চড় থাপ্পর দিচ্ছে আর কয়দিন পর মিয়ানমারের মত ধরে ধরে কোপাবে”


চেয়ারে বসে ডিউটি করায় পুলিশকে চড়-থাপ্পড়! পূজা চলাকালীন চেয়ারে বসে দায়িত্ব পালন করায় এক পুলিশ সদস্যকে চড়-থাপ্পড় দেয়ার অভিযোগে পূজা উদযাপন কমিটির এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১ টায় বন্দরের ২নং ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পূজা চলাকালীন সময়ে এ ঘটনা

গাট্টিওয়ালাতের সত্য ঘটনা


তাবলীগ জামাত তথা গাট্টা ওয়ালাদের একটি চমৎকার কাহিনী,,,, ১০/১২বছর আগের কথা।গল্পটি বর্ণনা করেন লেখকের বাবা।গল্পটি নিম্ন রুপ: আমার বাবা একদিন ইজতেমার ময়দান তথা টুঙ্গির ময়দানে গেলেন দেখতে,,তারা কি করে,,,সময় ছিল বর্ষা কাল।মাঠের অবস্হা খুব খারাপ,চারিদিকে পানি আর এঁটেল মাটির কাদাতে রাস্তা

তাবলীগ জামায়াতের শিক্ষা কত ভাগ ?


মূলত বর্তমানে প্রচলিত তাবলীগ জামায়াতে যা শিক্ষা দেয়া হয় তার মূল হচ্ছে- ছয়টি বিষয়। যেমন- (১) কলেমা, (২) নামায, (৩) ইলম ও যিকির, (৪) ইকরামুল মুসলিমীন, (৫) তাছহীতে নিয়ত, (৬) তাবলীগ বা নফরুন ফী সাবীলিল্লাহ। কলেমা শরীফ বলতে- শুধু মৌখিকভাবে শুদ্ধ

তাবলীগ সম্পর্কে কিছু তথ্য যার ব্যাখ্যা তাবলীগদের নিজেদেরও জানা নেই


১. তাবলীগরা “মুরুব্বি” শব্দটা বহুল ব্যবহৃত। তাবলীগের মুরুব্বিকে ইংরেজিতে এরা Elder বলে। আপনি কি জানেন এই মুরুব্বি বা Elder শুধু দুদল বেশি মান্য করে? ইহুদী ও তাবলীগরা। ১৯০৫ সালে ইহুদীদের “The protocol of the learned elders of Jews” বা “জ্ঞানী ইহুদী

নৌদস্যুর জাত ব্রিটিশ বেনিয়াদের পাচাটা গোলাম অভিশপ্ত ইবনে ওহাব নজদীর নিকৃষ্ট চেহারা


পবিত্র কা’বা শরীফ উনার পূর্ব দিকের একটি মরুময় ঘৃণিত অঞ্চলকে নজদ বলে। এ অঞ্চলের অধিকাংশ অধিবাসীরা মহান আল্লাহ পাক উনার গযবপ্রাপ্ত এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অভিশপ্ত। পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ

কওমী গুরু মুফতী অামিনীর কাছে ঈদে মীলাদুন্নবী হারাম, খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন করা আরাম


প্রধানমন্ত্রীরা নেতৃত্বে বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি দিন দিন উজ্জ্বল হচ্ছে । _মুফতী ফজলুল হক আমীনি।স্টাফ রিপোর্টার : প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে গতকাল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইসলামী ঐক্যজোটোর চেয়ারম্যান মুফতী ফজলুল হক আমীনি এমপি তার সাথে সাক্ষাত করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে

দ্বীনি মেহনত‎দেওবন্দীদের আসল চেহারা – তাবলীগকে ‘নিরীহ’ বলে মনে করা আর সাপকে দড়ি ভেবে ভুল করা একই কথা


আমাদের দেশে তাবলীগীদের ‘নিরীহ’ বলে ধারণা করে থাকে অনেকেই। তাদের কথিত ইজতিমায় ক্ষমতাসীন দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রধান ও নেতাকর্মীরা শরীক হয়। তাবলীগীদের আস্তানায় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের যোগদানের সচিত্র খবর বিভিন্ন পত্র-পত্রিকাতে ফলাও করে প্রকাশিত হয়, টিভি মিডিয়ায় তা দেখানো হয়। ফলশ্রুতিতে

শুনুন শুনুন মহাজন! শুনুন দিয়া মন! মসজিদ নাপাক করা তাবলীগের কাহিনী করি গো বর্ণন…………


১) ছয় উছূলী তাবলীগের লোকজন মসজিদের মধ্যে অবস্থান নেয়। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে ঘুমের মধ্যে তো সবার স্বপ্ন (!) একরকম থাকে না। আর তাই দলবেধে মসজিদে ঘুমিয়ে এই গোষ্ঠীটি দ্বারা হরহামেশাই নাপাকি ছড়িয়ে থাকে। ( বি:দ্র: মসজিদে ইতিক্বাফের নিয়ত ছাড়া থাকা জায়িজ নেই)

বিশ্বের সব মুসলমানকে প্রচলিত ছয় উছূল ভিত্তিক চিল্লাওয়ালা তাবলীগ জামাত হতে সাবধান ও দূরে থাকতে হবে


ঈমান অতি সূক্ষ্ম ও স্পর্শকাতর বিষয়। ঈমান মূলতঃ বিশুদ্ধ আক্বীদা ও আমলের উপর নির্ভরশীল। কাজেই বাতিল ৭২ ফিরকার সাথে উঠা-বসা ও সম্পর্ক রাখার কারণে অশুদ্ধ কুফরীমূলক আক্বীদায় বিশ্বাস করা ও আমলের দ্বারাও তাৎক্ষণিকভাবে ঈমান ও আমল নষ্ট হয়ে যায়। মহান আল্লাহ

JE SUIS TABLEEG গাট্রিওয়ালাদের চিল্লা নিয়ে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যাচার। নাউযুবিল্লাহ


প্রচলিত তাবলীগ জামায়াতের লোকেরা বলে থাকে যে, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম “গারে হেরায়” চিল্লা দেয়ার উসীলাই পবিত্র কুরআন শরীফ ও নুবুওওয়ত প্রাপ্ত হয়েছেন | যেমন এ প্রসঙ্গে তাদের কিতাবে বিবৃত হয়েছে- “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৪০ দিন