Archive for the ‘ধর্মব্যবসায়ীদের মুখোশ’ Category

গাট্টিওয়ালাতের সত্য ঘটনা


তাবলীগ জামাত তথা গাট্টা ওয়ালাদের একটি চমৎকার কাহিনী,,,, ১০/১২বছর আগের কথা।গল্পটি বর্ণনা করেন লেখকের বাবা।গল্পটি নিম্ন রুপ: আমার বাবা একদিন ইজতেমার ময়দান তথা টুঙ্গির ময়দানে গেলেন দেখতে,,তারা কি করে,,,সময় ছিল বর্ষা কাল।মাঠের অবস্হা খুব খারাপ,চারিদিকে পানি আর এঁটেল মাটির কাদাতে রাস্তা

তাবলীগ জামায়াতের শিক্ষা কত ভাগ ?


মূলত বর্তমানে প্রচলিত তাবলীগ জামায়াতে যা শিক্ষা দেয়া হয় তার মূল হচ্ছে- ছয়টি বিষয়। যেমন- (১) কলেমা, (২) নামায, (৩) ইলম ও যিকির, (৪) ইকরামুল মুসলিমীন, (৫) তাছহীতে নিয়ত, (৬) তাবলীগ বা নফরুন ফী সাবীলিল্লাহ। কলেমা শরীফ বলতে- শুধু মৌখিকভাবে শুদ্ধ

তাবলীগ সম্পর্কে কিছু তথ্য যার ব্যাখ্যা তাবলীগদের নিজেদেরও জানা নেই


১. তাবলীগরা “মুরুব্বি” শব্দটা বহুল ব্যবহৃত। তাবলীগের মুরুব্বিকে ইংরেজিতে এরা Elder বলে। আপনি কি জানেন এই মুরুব্বি বা Elder শুধু দুদল বেশি মান্য করে? ইহুদী ও তাবলীগরা। ১৯০৫ সালে ইহুদীদের “The protocol of the learned elders of Jews” বা “জ্ঞানী ইহুদী

নৌদস্যুর জাত ব্রিটিশ বেনিয়াদের পাচাটা গোলাম অভিশপ্ত ইবনে ওহাব নজদীর নিকৃষ্ট চেহারা


পবিত্র কা’বা শরীফ উনার পূর্ব দিকের একটি মরুময় ঘৃণিত অঞ্চলকে নজদ বলে। এ অঞ্চলের অধিকাংশ অধিবাসীরা মহান আল্লাহ পাক উনার গযবপ্রাপ্ত এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অভিশপ্ত। পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ

কওমী গুরু মুফতী অামিনীর কাছে ঈদে মীলাদুন্নবী হারাম, খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন করা আরাম


প্রধানমন্ত্রীরা নেতৃত্বে বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি দিন দিন উজ্জ্বল হচ্ছে । _মুফতী ফজলুল হক আমীনি।স্টাফ রিপোর্টার : প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে গতকাল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইসলামী ঐক্যজোটোর চেয়ারম্যান মুফতী ফজলুল হক আমীনি এমপি তার সাথে সাক্ষাত করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে

দ্বীনি মেহনত‎দেওবন্দীদের আসল চেহারা – তাবলীগকে ‘নিরীহ’ বলে মনে করা আর সাপকে দড়ি ভেবে ভুল করা একই কথা


আমাদের দেশে তাবলীগীদের ‘নিরীহ’ বলে ধারণা করে থাকে অনেকেই। তাদের কথিত ইজতিমায় ক্ষমতাসীন দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রধান ও নেতাকর্মীরা শরীক হয়। তাবলীগীদের আস্তানায় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের যোগদানের সচিত্র খবর বিভিন্ন পত্র-পত্রিকাতে ফলাও করে প্রকাশিত হয়, টিভি মিডিয়ায় তা দেখানো হয়। ফলশ্রুতিতে

শুনুন শুনুন মহাজন! শুনুন দিয়া মন! মসজিদ নাপাক করা তাবলীগের কাহিনী করি গো বর্ণন…………


১) ছয় উছূলী তাবলীগের লোকজন মসজিদের মধ্যে অবস্থান নেয়। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে ঘুমের মধ্যে তো সবার স্বপ্ন (!) একরকম থাকে না। আর তাই দলবেধে মসজিদে ঘুমিয়ে এই গোষ্ঠীটি দ্বারা হরহামেশাই নাপাকি ছড়িয়ে থাকে। ( বি:দ্র: মসজিদে ইতিক্বাফের নিয়ত ছাড়া থাকা জায়িজ নেই)

বিশ্বের সব মুসলমানকে প্রচলিত ছয় উছূল ভিত্তিক চিল্লাওয়ালা তাবলীগ জামাত হতে সাবধান ও দূরে থাকতে হবে


ঈমান অতি সূক্ষ্ম ও স্পর্শকাতর বিষয়। ঈমান মূলতঃ বিশুদ্ধ আক্বীদা ও আমলের উপর নির্ভরশীল। কাজেই বাতিল ৭২ ফিরকার সাথে উঠা-বসা ও সম্পর্ক রাখার কারণে অশুদ্ধ কুফরীমূলক আক্বীদায় বিশ্বাস করা ও আমলের দ্বারাও তাৎক্ষণিকভাবে ঈমান ও আমল নষ্ট হয়ে যায়। মহান আল্লাহ

JE SUIS TABLEEG গাট্রিওয়ালাদের চিল্লা নিয়ে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যাচার। নাউযুবিল্লাহ


প্রচলিত তাবলীগ জামায়াতের লোকেরা বলে থাকে যে, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম “গারে হেরায়” চিল্লা দেয়ার উসীলাই পবিত্র কুরআন শরীফ ও নুবুওওয়ত প্রাপ্ত হয়েছেন | যেমন এ প্রসঙ্গে তাদের কিতাবে বিবৃত হয়েছে- “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৪০ দিন

ওহাবী গুরু ইবনে তাইমিয়া ও আব্দুল ওহাব নজদীর ঈদে মীলাদুন্নবীর পক্ষে ফতোয়া


বর্তমানে যারা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্ননবীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে তাদের জিজ্ঞাসা করলে তারাই স্বীকার করবে তাদের একমাত্র পছন্দনীয় ইমাম হচ্ছে ইবনে তাইমিয়া ও আব্দুল ওহাব নজদী। এরা ইমামে আযম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে শুরু করে সকল ইমাম মুস্তাহিদ আওলিয়ায়ে কিরামের বিরোধীতা

”আবারও হিন্দুরা নিজেরাই মন্দির ভেঙ্গে মুসলমানদের উপর দায় চাপিয়ে দিচ্ছে”


ঝালকাঠি শহরের কালীবাড়ি মন্দিরে হামলার নেপথ‌্যে পাশের ‘বারোচালা বাজারের’ জমি নিয়ে চাল বিক্রেতাদের একটি দল ও মন্দির কমিটির বিরোধ কাজ করেছে বলে উঠে এসেছে দুই পক্ষের কথায়। মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রণব কুমার নাথ ভানু বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বুধবার রাতে

বাতিল ফিরকা সম্পর্কে জানুন


  হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে, একটি দল ব্যতীত ৭২টি দলই জাহান্নামে যাবে। তখন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যে একটি দল নাযাতপ্রাপ্ত, সে দলটি কোন দল?