Archive for the ‘ধর্মব্যবসায়ীদের মুখোশ’ Category

আহমক্ব শফী তথা দেওবন্দীদের বদ আক্বিদার কিছু নমুনা :-


আহমক্ব শফী তথা দেওবন্দীদের বদ আক্বিদার কিছু নমুনা :- ********************************************* দেওবন্দী মুফতির ফতওয়া: শিব মুসলমানদের প্রথম নবি (নাউযুবিল্লাহ) ভারতের জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ (বাংলাদেশের কওমী মাদ্রাসাগুলোর গুরু) -এর নেতা মুফতি ইলিয়াস দাবি করেছে: “শিব মুসলমানদের পিতা হন,উনাকে আপনারা আদম, নবী বলতে পারেন

আলিম হতে গেলে শিক্ষক লাগবেই


আলিম হতে গেলে শিক্ষক লাগবেই।তো কাফির নালায়েক এর গুরু কে?আর কাফির নালায়েক এর পরিপুর্ন ইসলামিক জ্ঞান যদি থাকতই তাহলে সে কেন ভুল ভাল ফতোয়া দেয়? হাজারো হারাম কাজ করে ,ইহুদি নাসারার পোশাক পরে কেন? সে এতই জানে তা তার হাল এমন

যুগে যুগে উলামায়ে ‘সূ’ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার চরম ক্ষতি করেছে


যুগে যুগে উলামায়ে ‘সূ’ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার চরম ক্ষতি করেছে     শের শাহ কূরীর নিকট পরাজিত সম্রাট আকবরের পিতা হুমায়ূন যখন সপরিবারে পলায়ন করছিল তখন বর্তমান পাকিস্তানের অমরকোটে এক রাজপ্রাসাদে আকবরের জন্ম। প্রথম জীবনে লেখাপড়ার সুযোগ না পেলেও বৈরাম

ভারতের দেওবন্দীরা জাতে হিন্দু ।


ভারতের দেওবন্দীরা জাতে হিন্দু ************************** সম্প্রতি ভারতে মধ্যপ্রদেশের মাদরাসাগুলোতে যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য হিন্দুদের নাপাক গ্রন্থ গীতা বাধ্যতামূলকভাবে পড়ানোর কুফরী আদেশ জারি করেছে সেই প্রদেশের যালিম সরকার। অথচ ভারতের দেওবন্দীরা এর কোনো প্রতিবাদ তো করেনি, বরং অনেক আগে থেকেই তারা হিন্দুতোষণে বেশ

জঙ্গিবাদ হারাম নয় ‘ফরয’ বরং ‘সন্ত্রাসবাদ হারাম’। ফতোয়ায় স্বাক্ষরকারী ১লাখ কথিত আলেম স্থূলবুদ্ধিসম্পন্ন ও ভাষাজ্ঞানহীন


সম্প্রতি দেশের ধর্মব্যবসায়ী শ্রেণীর একলক্ষ স্থুলবুদ্ধিসম্পন্ন কথিত আলেম “ইসলামের নামে জঙ্গীবাদ হারাম” নামক একটি ফতোয়াতে একমত হয়ে সই-স্বাক্ষর করে খুব বাহবা কামিয়েছে। কট্টর ইসলাম বিদ্বেষী ভারতও তাদের ফতোয়ায় খুশি হয়ে বাহবা দিয়েছে। সূত্র: http://goo.gl/oL6fRl জঙ্গি শব্দটা আসলে কোত্থেকে এসেছে? একটা সময় ছিল যখন

ইনজেকশন নিলে রোজা নিশ্চিতভাবেই ভঙ্গ হবে


ইনজেকশন নিলে রোজা নিশ্চিতভাবেই ভঙ্গ হবে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন- فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ ۖوَمَن كَانَ مَرِيضًا أَوْ عَلَىٰ سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ ۗ يُرِيدُ اللَّـهُ بِكُمُ الْيُسْرَ وَلَا يُرِيدُ بِكُمُ الْعُسْرَ অর্থ : “তোমাদের মধ্যে যে লোক

সালাফীরা অবমাননাকর কথায় নাস্তিকদেরও হার মানালো


সালাফীরা যে ইহুদীদের এজেন্ট এ কথা আর নতুন করে বলার অবকাশ নাই। সালাফী আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ যেকিনা শুদ্ধ করে কুরআন শরীফও তেলাওয়াত করতে পারে না, এই কাজ্জাবটা আমাদের প্রানের চাইতে প্রিয় নবী হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং উম্মুল মু’মীনিন

নূরে মুজসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক উনার সমতুল্য হিসেবে সাব্যস্ত করার বেয়াদবীমূলক বক্তব্য ও তার দাঁতভাঙ্গা জবাব


নাস্তিকদের আপত্তি : কুরানে বার বার উল্লেখ আছে যে একজন মুসলিমকে অবশ্যই আল্লাহ এবং মুহম্মদ দুজনের আদেশই মান্য করে চলতে হবে (Quran 8:1, 8:20-21, 3:132, 33:31, 4:13, 4:80, 33:36, 4:14, 4:42, 58:20)! এতে কি আল্লাহ আর মুহম্মদকে সমতুল্য হিসেবে বোঝাচ্ছে না?

ধর্মব্যবসায়ীদের ভুল ফতোয়ায় ইনজেকশন নিয়ে রোজা ভঙ্গ করছে কোটি কোটি মানুষ


রোজার মাসে সবার সবচাইতে একটা মাসয়ালা বেশি জানার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। সেটা হচ্ছে অসুস্থ যারা আছেন তারা ইঞ্জেকশন/ সেলাইন নিলে রোজা ভঙ্গ হবে কিনা? এই মাসায়ালার সর্বপ্রথম ভুল তাহক্বীক করে কোটি কোটি মানুষের রোজা ভঙ্গের গুনাহ বহন করে যাচ্ছে দেওবন্দী আশরাফ

শয়তোনের অনুসারিরা কি তারাবীহর নামাজ ২০ রাকাত মানতে পারবে?


হযরত উমর রদ্বিয়াল্লাহু আনহু যে পথে চলতেন শয়তান ভয়ে সে পথে ছেড়ে অন্য পথে চলতো। তদ্রূপ শয়তানের দোসর সালাফীরাও হযরত উমর রদ্বিয়াল্লাহু আনহু যে আমল করার আদেশ করেছেন, সে পথে না চলে ভিন্ন পথে চলবে এটাই স্বাভাবিক। কেন বললাম এ কথা

সালাফীরা মিথ্যাচার করতে গিয়ে এবার মুসায়লামাতুল কাযযাবকে হানাফী বানালো


হাদীস শরীফে আছে, আখেরী যামানার কিছু মিথ্যাবাদী দাজ্জালের চেলা বের হবে। এরা এমন সব কথা বলবে তোমরাও শোন নাই তোমাদের বাপ দাদাও শোনে নাই। তাদের থেকে দূরে থাকো এবং তাদেরকে দূরে রাখো। তাহলে তারা তোমাদের ফিৎনায় ফেলতে পারবে না গোমরাহ করতে

তারবীহর নামাজ ৮ রাকাত দাবি কারীদের বক্তব্য খন্ডন


লা-মাযহাবী সালাফীরা ৮ রাকায়াত তারাবীহর কথা বলে থাকে। অথচ তাদের এ বক্তব্যের পিছনে কোন দুর্বল দলীলও নেই। আসুন আমরা লা-মাযহাবীদের কথিত ৮ রাকায়াত তারাবীহের পক্ষে মনগড়া দলিলসমূহ খন্ডন করি : সালাফীদের প্রথম দলিল : عن أبي سلمة بن عبد الرحمن أنه