Archive for the ‘নারীবাদ’ Category

একজন মেয়ের যখন বিয়ে হয় তখন সে সবকিছু ছেড়ে স্বামীর বাড়ীতে চলে আসে।


নারীর বড় কঠিন কাজ কষ্ট করে বড় হয় পরের ঘরে যেতে হয় পরকে আপন করতে হয়।। একজন মেয়ের যখন বিয়ে হয় তখন সে সবকিছু ছেড়ে স্বামীর বাড়ীতে চলে আসে। তাই সব আহালদের (স্বামী) উচিৎ তার আহলিয়ার (স্ত্রীর) সাথে ভাল ব্যবহার করা

সম্মানিত দ্বীন ইসলামই একমাত্র নারীদেরকে মর্যাদার আসনে আসীন করেছেন এবং সকল প্রকার অধিকার প্রদান করেছেন।


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মাঝেই নারীদের সর্বোচ্চ হক্ব ও সম্মান ঘোষিত হয়েছে সম্মানিত দ্বীন ইসলামই একমাত্র নারীদেরকে মর্যাদার আসনে আসীন করেছেন এবং সকল প্রকার অধিকার প্রদান করেছেন। শুধু তাই নয়, বরং সঠিকভাবে কন্যা সন্তান লালন-পালনের বিনিময় হিসেবে বেহেশতের ঘোষণা দিয়েছেন। পিতা-মাতার

নারীরা নারীর মতো থাকলে সকল পুরুষগন নারীদের সন্মানের চোখেই দেখবে।


নারীরা নারীর মতো থাকলে সকল পুরুষগন নারীদের সন্মানের চোখেই দেখবে। অন্য দিকে যেসব পুরুষরা ধর্ষণ করে তাদের কোনো জাত-বেদ নেই !তাদের একটাই পরিচয় তা হলো নপুংসক !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

প্রসঙ্গ সমঅধিকার!


বর্তমান সমাজে অনেকে সমঅধিকারের কথা বলে। আসলে সমাধিকার বলতে কি বুঝায় তা আমাদের বুঝতে হবে। সমঅধিকার বলতে যার যা প্রাপ্য তাকে তা দেয়া বুঝায়। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় পিঁপড়া এবং হাতি। পিঁপড়ার যতটুকু খাবার প্রয়োজন তা যদি একটি হাতি কে দেয়া

আপনার মা।


প্রতিটা মানুষের উপর দু’টি দায়িত্ব অপরিহার্য। প্রথমটি হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক উনার হক্ব আদায়। দ্বিতীয়টি হচ্ছে- বান্দার হক্ব আদায় করা। আর বান্দার হক্বের মধ্যে সবচেয়ে বড় হক্বদার হচ্ছেন মাতা ও পিতা। তবে উভয়ের মধ্যে মায়ের হক্ব অগ্রাধিকার লাভ করবে। এ প্রসঙ্গে

নারীবাদীদের’নারী স্বাধীনতা’ সন্মানীত মুসলিম নারীদের স্বাধীনতার পথে অন্তরায় ।


নারীবাদীদের’নারী স্বাধীনতা’ সন্মানীত মুসলিম নারীদের স্বাধীনতার পথে অন্তরায় । কারন নারীবাদীরা ‘নারী সবাধীনতার’ যে স্লোগান দিচ্ছে তা হোল নারী পুরুষ সকলেই সমান । কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি পুরুষকে কর্তা হিসাবে পাঠিয়েছেন । গঠনগত ভাবে , স্বভাবগত ভাবে , মানুষিক দিক

মেয়ে সন্তান জন্মগ্রহণ বোঝা নয়, বরং মহান আল্লাহপাক উনার দয়া ইহছান মুবারকঃ


আমাদের সমাজ নারীঘটিত ফিতনা-ফাসাদে জর্জরিত। সত্তর ভাগ ফিতনা-ফাসাদের মূলে যে বিষয়টি লক্ষ্যণীয় তা হলো- নারী। যার কারণে মেয়ে সন্তান জন্মগ্রহণ করলেই অধিকাংশ পিতা-মাতা বোঝা মনে করে থাকে। মূলত মেয়ে সন্তান পিতা-মাতার জন্য বোঝা নয়, বরং ইহসান। কেননা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার

সম্মানিত দ্বীন ইসলামই নারী জাতিকে দিয়েছেন একমাত্র সম্মান ও মর্যাদা


নারী ঘটিত বিভিন্ন ফিতনায় জর্জরিত ৯৭ ভাগ মুসলমানদের এই দেশ, প্রতিনিয়ত নারীটিজিং হতে শুরু করে এসিড নিক্ষেপ, সম্ভ্রমহরণ, এমনকি হত্যা পর্যন্ত করা হচ্ছে এই দেশের নারীদেরকে। কিন্তু কেন? এই বিষয়টি কি জানা আছে? মূলত তাহলো- পবিত্র দ্বীন ইসলাম যেভাবে নারীদের সম্মান

মহান আল্লাহপাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাদের মুহব্বত তালাশ কারী নারী পুরুষদের উদ্দেশ্যেঃ-


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “তারা (মহিলারা) তোমাদের আবরণ এবং তোমরা (পুরুষেরা) তাদের আবরণ। (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১৮৭) অর্থাৎ পুরুষ ও মহিলা মিলে একটি পরিবার, একে অপরের আবরণ এবং সম্পূরক। সুবহানাল্লাহ! কাজেই মহান

বেগম রোকেয়া,ও সুফিয়া কামাল নয়; বরং হযরত ফাতিমাতুজ জাহরা আলাইহাস সালাম উনার আর্দশে অনুপ্রানিত হোন৤


মোবারক হো ২০ শে জুমাদাল উখরা শরীফ, মোবারক হো! এই মহান দিন মুবারকে কায়িনাতের বুকে তাশরীফ এনেছিলেন, যিনি ত্বহীরা তয়্যিবাহ উম্মু আবীহা হযরত সাইয়্যিদাতাল নিসাঈল আলামিন হযরত ফাতিমাতুজ জাহরা আলাইহাস সালাম৤ সুবহানাল্লাহ! এই দিন মুবারক সমস্ত কায়িনাত বাসীর জন্য রহমত বরকত,

এ বছরও নাচ,গান,নাটক করে নারী দিবস পালন করেছে ৷


(সফলদের সম্মাননা: আজকের নারী পুরস্কার হাতে সফল নারীরা এবং অতিথিরাতৃতীয়বারের মতো এমন আয়োজন করলেন তাঁরা। ৮ মার্চ ‘পারসোনা-স্যাভলন ফ্রিডম আজকের নারী’ পাওয়ার্ড বাই ডাবর ভাটিকা হেয়ার অয়েল সম্মাননা দেওয়া হয়েছে নয়জন কীর্তিমতী নারীকে। ঢাকার এসিআই সেন্টারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি

হঠাও নারীবাদী ।


কবে আসবে সেই দিন? নারীবাদিত্বের বিলাপ দিন। কবে বুঝবে নারীবাদীরা ? দ্বীন ইসলাম ছাড়া জীবন বৃথা । এখন কান্না , তখন কান্না , সারা জীবন কাঁদতেই হবে। স্বামীও হারাবে, সন্তানও হারাবে পরিবার থেকে ধিকৃত হবে। মজাই বুঝি রঙ্গ করা, মজাই বুঝি