Archive for the ‘নারীবাদ’ Category

দেশের জন্য অশনি সঙ্কেত। নারী সমাজ সিগারেট থেকে ভয়ঙ্কর মাদক সেবন ও বিকি-কিনিতে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে গেছে।


মদ্যপায়ী নারীদের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে রাজধানীতে। আধুনিকতার নামে বল্গাহারা মানসিকতা এবং হিন্দি সিরিয়ালের প্রভাবে রাজধানীতে বিভিন্ন বিয়ে-শাদী, মুসলমানি, জন্মদিন এবং সামাজিক অনুষ্ঠানে এখন মদপানের আয়োজন খুবই স্বাভাবিক হয়ে পড়ছে। পুলিশের সহায়তায় এখন রাজধানীজুড়ে চলছে মদের রমরমা বাণিজ্য। তাছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রভাবেও

উম্মুল মু’মিনীন হযরত খাদিজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহে উমরী মুবারক


النبى اولى با لمؤمنين من انفسهم وازواجه امها تهم অর্থ : মু’মিনগণ উনাদের নিকট উনাদের জীবনের চেয়ে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অধিক প্রিয়। আর উনার হযরত আযওয়াজুম মুত্বহহারাহ আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন মু’মিনগণ উনাদের মাতা

বাল্য বিয়ে নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর অস্বাস্থ্যকর প্রলাপ ।


স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম বলেছে, “১৮ বছরের কমবয়সী মেয়ে শিশুর বিয়েকে উৎসাহিত করবে এমন কোনো শর্ত ‘বাল্য বিয়ে নিরোধ আইনে’ থাকবে না। স্বাস্থ্যগত বা অন্য যে কারণই হোক না কেন ১৮ বছরের নিচে বিয়ে হতে পারে না। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ নয়, এটি বন্ধ করতে

আজ তথাকথিত আন্তর্জাতিক নারী অধিকার দিবস অতিবাহিতো হলো।


সম্মানীত দ্বীন ইসলামেই নারী অধিকার সর্বোচ্চ ও সর্বশ্রেষ্ঠরূপে বাস্তবায়িত হয়েছে। কেবলমাত্র বিধর্মীয় দেশেই নারী অধিকারের জন্য আন্দোলন হতে পারে। আজ আট মার্চ তথাকথিত আন্তর্জাতিক নারী দিবস অতিবাহিতো হলো। প্রতিবছর সারা বিশ্বব্যাপী তথাকথিত প্রগতিবাদী নারীরা একটি প্রধান উপলক্ষ হিসেবে এই দিবস উদযাপন

প্রসঙ্গ: তথাকথিত আন্তর্জাতিক নারী অধিকার দিবস। সম্মানীত দ্বীন ইসলামেই নারী অধিকার সর্বোচ্চ ও সর্বশ্রেষ্ঠরূপে বাস্তবায়িত হয়েছে। কেবলমাত্র বিধর্মীয় দেশেই নারী অধিকারের জন্য আন্দোলন হতে পারে।


আট মার্চ তথাকথিত আন্তর্জাতিক নারী দিবস। প্রতিবছর সারা বিশ্বব্যাপী তথাকথিত প্রগতিবাদী নারীরা একটি প্রধান উপলক্ষ হিসেবে এই দিবস উদযাপন করে থাকে। বিশ্বের একেক প্রান্তে নারী দিবস একেক প্রকার হয়। কোথাও নারীর প্রতি সাধারণ সম্মান ও শ্রদ্ধা উদযাপনের মুখ্য বিষয় হয়, আবার

নারীর প্রতি সংহিংসতা রোধের নামে এদেশে পশ্চিমা নষ্ট কালচার প্রচলন করতে দেয়া যাবে না; ফ্ল্যাশমব নামে এসব বজ্জাতি-হুজ্জোতি বন্ধে সরকারকেই কঠোর হতে হবে


নারী প্রতি সহিংসতা রোধের নামে রাস্তায় রাস্তায় নেচে-গেয়ে ফ্ল্যাশমব করছে একটি সংগঠন। জাতিসংঘের কার্যক্রম হিসেবে ১৬ দিনব্যাপী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সংগঠনটির ছেলে-মেয়েরা। তারা নেচে-গেয়ে ফ্ল্যাশমব করে গণসচেতনতা(!) তৈরি করছে। যে কোনো সুস্থ ও স্বাভাবিক চিন্তাশীল ব্যক্তিও এটাকে কা-জ্ঞানহীন ও বেহায়াপনা বলতে

বেপর্দার কারণে নারী তার চেহারার সৌন্দর্য হারায়


চল্লিশোর্ধ্ব এক জোড়া পুরুষ-মহিলা একত্র দাঁড় করালে দেখা যায় পুরুষটি নারীটির চেয়ে দেখতে সুন্দর। অথচ নারী জাতিকে মহান আল্লাহ পাক তিনি আকষর্ণীয় করে সৃষ্টি করেছেন। পবিত্র কুরআন শরীফ উনাদের মধ্যে এমনই বর্ণনা রয়েছে। এ কারণেই নারী দেহে চর্বির মাত্রা পুরুষের চেয়ে

উম্মুল উমাম মায়ের বিপুল শ্রমে, দেশে যুগান্তর আসিল ক্রমে।


এখনও গভীর তমসা রাতি বিশ্ব ভুবনে নিভিছে বাতি ! মানুষ না দেখি আবাসভূমে, সবাই মগন গভীর ঘুমে। কত জাতি আজ হেলার ভরে , মানুষ রূপে বসতি করে। বিশ্ব বুকে নিশান গাথি , বসেছে সবলে আসন পাতি। নিজ ধনমান নিজ বিভব ,

বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠান কি বাংলার বাঙালিদের?


বর্তমানে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে এমন কিছু কর্মকান্ড করা হচ্ছে যা কখনোই পূর্ববর্তী সময়ে বাঙালীরা করেনি; বরং এর অধিকাংশই বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় মূল্যবোধের সাথে প্রচণ্ডভাবে সাংঘর্ষিক। পহেলা বৈশাখের নামে বা নববর্ষ উদযাপনের নামে যুবক-যুবতী, কিশোর-কিশোরীদেরকে অশ্লীলতা ও বেহায়াপনার প্রশিক্ষণ দেওয়া

৯৭ ভাগ মুসলমানদের দেশে মহিলাদের কর্তৃক এই ন্যক্কারজনক হারাম খেলাধুলার আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাই


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “ইহুদী-নাছারা তথা আহলে কিতাবদের মধ্যে অনেকেই প্রতি হিংসাবশতঃ চায় যে, মুসলমান হওয়ার পর তোমাদের কোনো রকমে কাফির বানিয়ে দিতে।” নাউযুবিল্লাহ! কাজেই আমরা ৯৭ ভাগ মুসলমানদের দেশে

সম্মানিত দ্বীন ইসলামই নারী জাতিকে দিয়েছেন একমাত্র সম্মান ও মর্যাদা


নারী ঘটিত বিভিন্ন ফিতনায় জর্জরিত ৯৭ ভাগ মুসলমানদের এই দেশ, প্রতিনিয়ত নারীটিজিং হতে শুরু করে এসিড নিক্ষেপ, সম্ভ্রমহরণ, এমনকি হত্যা পর্যন্ত করা হচ্ছে এই দেশের নারীদেরকে। কিন্তু কেন? এই বিষয়টি কি জানা আছে? মূলত তাহলো- পবিত্র দ্বীন ইসলাম যেভাবে নারীদের সম্মান

সম্মানি দ্বীন ইসলাম নারীদের হক সংরক্ষণ করেছেন অধিকার দিয়েছেন, সেখানে কাফিরদের তথা কথিত প্রবর্তিত “বিশ্ব নারী অবমাননা দিবস” কেন ?


  আগামী কাল  ৮ মার্চ । কথিত নারী দিবস নামক কাফিরদের প্রথাকে নারিরা পালন করে খুব আত্বতৃপ্তি বোধ করবে৤ আর  নারী স্বাধীনতার শরগোল কে আরো মজবুত করার জন্য ইসলাম বিরোধী কথাও বলে মুসলমান নারীরা  নিজেদের ঈমান আক্বীদাকে ধ্বংস করে দিবে। (নাউযুবিল্লাহ)