Archive for the ‘পরামর্শ’ Category

পবিত্র রমদ্বান শরীফ মাস হচ্ছে শাহরুন আযীম তথা সম্মানিত মাস।


  মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস হচ্ছে শাহরুন আযীম অর্থাৎ মহা সম্মানিত মাস। এ মাস উনার প্রথম দশ দিন রহমত, দ্বিতীয় দশ দিন মাগফিরাত ও তৃতীয় দশ দিন নাযাতের।সুবহানাল্লাহ! তাই প্রত্যেকের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার পবিত্রতা রক্ষা ও হক্ব যথাযথ

যারা সম্মানিত রমদ্বান শরীফ উনারকে সম্মান করবে,তাকে মহান আল্লাহপাক জান্নাত দিয়ে এবং জাহান্নাম থেকে নাযাত দিয়ে সম্মানিত করবেন।


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ মাস রমাদ্বান শরীফ উনাকে সম্মান করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে পবিত্র জান্নাত দিয়ে এবং জাহান্নাম থেকে নাযাত দিয়ে সম্মানিত করবেন।’

বর্তমান যামানার তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা কি হাক্বীকতে বু্দ্ধিজীবি?


মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি যদি কারো কল্যাণ চান, তবে তাকে দ্বীনের ছহীহ সমঝ (ছহীহ বুঝ, প্রকৃত জ্ঞান গরীমা) দান

প্রকৃত ওলীআল্লাহ উনাদের কিভাবে চিনবেন? উনাদের বৈশিষ্ট্য কেমন হবে?


ওলী আল্লাহ উনাদের – মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে আল্লাহ পাক উনার ওলীগন হারাম/নাজায়িয কাজতো দূরের কথা একটা মাকরূহ তানযীহি আমলও করেন না। বিদয়াত এবং দৃষ্টকটু কাজতো দূরের কথা একটা মুস্তাহাব সুন্নতও ত্যাগ করেন না। আর এটাই উনাদের সবচাইতে বড় কারামত। সুবহানাল্লাহ্! অথচ

মেয়ে সন্তান জন্মগ্রহণ বোঝা নয়, বরং মহান আল্লাহপাক উনার দয়া ইহছান মুবারকঃ-


আমাদের সমাজ নারীঘটিত ফিতনা-ফাসাদে জর্জরিত। সত্তর ভাগ ফিতনা-ফাসাদের মূলে যে বিষয়টি লক্ষ্যণীয় তা হলো- নারী। যার কারণে মেয়ে সন্তান জন্মগ্রহণ করলেই অধিকাংশ পিতা-মাতা বোঝা মনে করে থাকে। মূলত মেয়ে সন্তান পিতা-মাতার জন্য বোঝা নয়, বরং ইহসান। কেননা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার

পবিত্র রোজা রেখেছেন? তরকারী রান্না করার সময় লবন কিভাবে দেখবেন? সম্মানিত শরীয়ত উনার মাসয়ালা কি?


মূলত, পবিত্র ও সম্মানিত দ্বীন ইসলাম হচ্ছে পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা, যেখানে বান্দা-বান্দীর জীবন চালনার ক্ষেত্রে সম্মানিত শরীয়ত সম্মতভাবে রয়েছে প্রত্যেকটি সমস্যার সুন্দর সমাধান, যেমন কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে ভিজা শুখনা এমন কোন কিছু বাকী নাই যা সম্মানিত দ্বীন

হাই, হ্যালো! শব্দটি মুসলমানদের সালাম কে কেড়ে নিয়েছে।


মোবাইলে রিং বাজলেই হ্যালো। কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সম্বোধন হয় এই যে,হাই হ্যালো! আপনাকেই বলছি।ফেস বুকে পিএম করে বলে হাই হ্যালো, স্কুল, মাদরাসার সিলেবাসভুক্ত ইংরেজি বই খুললেও দেখা যাবে ঐবষষড়, এড়ড়ফ সড়ৎহরহম।এছাড়া. অভিজাত এলাকার ছেলেমেয়েগুলো আরো একটু স্ট্যান্ডার্ড শব্দ ব্যবহার করে

আমাদের দেশের দালাল মিডিয়া আর সুশীল সমাজ যখন কোন কিছু নিয়ে লাফায় তখন বুঝতে হবে তার পিছনে খারাপ উদ্দেশ্য আছে!


বাঙালি যখন সত্য কথা বলে তখন বুঝতে হবে পেছনে কোনো অসৎ উদ্দেশ্য আছে। আমাদের দেশের দালাল মিডিয়া আর সুশীল সমাজ যখন কোন কিছু নিয়ে ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মত লাফায় তখন বুঝতে হবে তার পিছনে খারাপ উদ্দেশ্য আছে! উদাহরণ শিক্ষক শ্যা–মল

তারা কান ছিড়ে কুকুরকে দিলেও বাংলাদেশের মানুষের কিছুই যায় আসেনা !!!!!


শিক্ষক নামের কলঙ্ক শ্যা — মল কান্তির অনুসারী সুশীলদের সস্তা ন্যাকামী মার্কা নাটক দেখে বান্দরও বিলাইয়ের কান ধরল !!!!, তারা কান ছিড়ে কুকুরকে দিলেও বাংলাদেশের মানুষের কিছুই যায় আসেনা !!!!!

ধর্ম অবমাননাকারীদ‌ের শাস্তি মৃত্যুদন্ড হব‌ে না ক‌েনো?


বাংলাদ‌েশে মানবতা বিরোধী অপরাধ‌ের শাস্তি যদ‌ি মৃত্যুদন্ড হয়; তাহল‌ে ধর্ম অবমাননাকারীদ‌ের শাস্তি মৃত্যুদন্ড হব‌ে না ক‌েনো?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী !! কোঠার ভাবে বাংলাদেশ বিরোধী সকল চক্রান্ত নস্যাত করুন !!!


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী !! কোঠার ভাবে বাংলাদেশ বিরোধী সকল চক্রান্ত নস্যাত করুন !!! রক্তের দামে কেনা এই বাংলাদেশকে বিদেশী শকুনদের ছোবল থেকে রক্ষা করুন! !

রাস্তার পাশে দাঁড়ানো কুকুরদের ঘেউ ঘেউ আওয়াজ শুনে দাঁড়িয়ে গেলে আপনি পথ চলতে পারবেন না।


রাস্তার পাশে দাঁড়ানো কুকুরদের ঘেউ ঘেউ আওয়াজ শুনে দাঁড়িয়ে গেলে আপনি পথ চলতে পারবেন না। ওদেরকে তাড়াতে গেলে কিছুটা পিছে হটে আবারও ঘেউ ঘেউ করবে। আপনার সময় ও শ্রম দুটো ই বৃথা যাবে। তাই ওটাকে গুরুত্ব না দিয়ে আপনার পথে আপনি