Archive for the ‘বাংলাদেশ’ Category

সুমহান সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ সম্পর্কে জাতীয় পতাকা বিধিমালা- ১৯৭২ কি বলে?


জাতীয় পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২-এর একটি অংশে বর্ণিত, নিম্নলিখিত দিবস এবং উপলক্ষসমূহে বাংলাদেশের সমস্ত সরকারি, বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনসমূহের প্রাঙ্গণে এবং কনস্যুলার কেন্দ্রসমূহে নিম্নবর্ণিতভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করতে হবে: ক) মহানবীর বিলাদত শরীফ দিবস (ঈদ-ই-মীলাদে হাবীবী) খ) ২৬

প্রসঙ্গ : দেশব্যাপী গুগলের ছবি সংগ্রহ আধুনিকায়নের নামে আমরা গিনিপিক হতে চাই না


পারমাণবিক শক্তিধর একমাত্র মুসলিম দেশ পাকিস্তান। শান্তি-শৃংখলার সাথেই পাকিস্তানবাসী দিনাতিপাত করছিলো। কিন্তু তথাকথিত আধুনিকায়ন তাদের ইতমিনান কেড়ে নিলো। ডিজিটালাইজড করতে দেশব্যাপী ছবি সংগ্রহ করা হয়। এক্ষেত্রে সে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে শুরু করে পার্বত্য অঞ্চল সব কিছুরই ভিডিও করা হয় এবং

দেশের শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরী! আপনি কি জানেন- পাঠ্যবইগুলোর কারণেই আপনার সন্তান ইসলামবিমুখ হচ্ছে


বর্তমানে আমাদের দেশের পাঠ্যবইগুলোর বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য হলো- -বইগুলোতে হিন্দু কবি-সাহিত্যিকদের লেখা কবিতা, গল্প, রচনাকে গুরুত্বসহকারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে -তাছাড়া অহিন্দু যেসব লেখক রয়েছে তারাও কেউ নাস্তিক, কেউ নাট্যকার-অভিনেতা, কেউ ছবি-মূর্তির শিল্পী। অর্থাৎ যারা ইসলামবিমুখ তাদের লেখাকেই সিলেবাসে গুরুত্ব সহকারে অন্তর্ভুক্ত

রফিকুল ইসলাম জসিম কাব্যগ্রন্থ আলোচনা


>[সাপ্তাহিক কবিতা : (প্রেম সংখ্যা) রফিকুল ইসলাম জসিম , ফেসবুক কর্তৃক মুদ্রিত ও প্রকাশিত] i এক মুঠো ভালোবাসা রফিকুল ইসলাম জসিম . ভালোবাসা দিয়ে তুমি দাও, রাঙিয়ে তোমার মনে আঙিনায় সাঁজিয়ে রাখি। এসো না তুমি মনের ঘরে যতন করে, তোমায় রেখেছি

ইসলামী মূল্যবোধ, আদর্শ ও ইতিহাস থেকে ভালো শাসক হওয়ার শিক্ষা নিতে হবে


  সারা পৃথিবীর ইতিহাসে ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবে সুবিখ্যাতদের অন্যতম একজন হলেন খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত উমর ইবনে আব্দুল আযীয রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার দায়িত্ব গ্রহণের পর সে সময়কার অন্যতম শ্রেষ্ঠ তাবে’য়ী আমরুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত সাইয়্যিদুনা হযরত হাসান বসরী

বাল্যবিবাহ মুক্ত জেলা উপজেলা ঘোষণা করার অন্তরালে আসল রহস্য কি?


ইদানীং পত্র-পত্রিকা-মিডিয়াতে একটি সংবাদ খুব হাইলাইট করে প্রচার করা হয়। সেটা হলো- আজ অমুক জেলা, কাল অমুক উপজেলা কিংবা ইউনিয়নকে বাল্যবিবাহ মুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম বিষয়ে জাহিল প্রশাসন এবং বিদেশী বিজাতি এনজিও গং খুব তৎপরতার সাথে জেলা,

পথ যেন না হয় মৃত্যুর, পথ যেন হয় শান্তির’—এই স্লোগান “নিরাপদ সড়ক চাই।


১৬ই সেপ্টেম্বর রোজ শুক্রবার সকাল ৯:৪৫ মিনিটের সময় নব বধুকে বরন করতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ইহলোক ত্যাগ করে আমরা সবাইকে হতভম্ব করে না ফেরার দেশে চলে গেলেন আবু সুফিয়ান। কমলগঞ্জের হারালো মেধাবী সাহসী সন্তান উলামায়ে দেওবন্দ এর উত্তরসূরি, আকাবীর ও

শেষ মুঘল বাদশাহ বাহাদুর শাহ জাফর থেকে ইন্দিরা গান্ধী: যেকোনো শাসকগোষ্ঠীর নির্বংশ হওয়ার জন্য কুরবানীর বিরোধিতা করাটাই যথেষ্ট (১)


আমাদের পাক-ভারত উপমহাদেশে এমন বহু শাসক রয়েছে, যাদের পতন হয়েছে কুরবানীর বিরোধিতা করার কারণে। গরু কুরবানীর বিরোধী শাসকদের মধ্যে হিন্দু যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে ‘উলামায়ে সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ীদের দ্বারা বিভ্রান্ত মুসলমান শাসকগোষ্ঠী। তাদের সবাইকেই ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়েছে, কিন্তু হিন্দুর চেয়ে মুসলমান

এদেশ থেকে পবিত্র কুরবানী নয়, বরং যারা পবিত্র কুরবানীর বিরোধিতাকারী, অপ্রপ্রচারকারী ও চক্রান্তকারী তারাই দেশ থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ! দেশের কোটি কোটি মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব হলো- দ্বীন ইসলাম উনার যেকোনো বিষয় নিয়ে যারাই চক্রান্ত করবে, অপপ্রচার করবে তাদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ করা। ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশের সরকার ও প্রশাসনের মনে রাখতে হবে- সংখ্যাগুরু মুসলিমদের স্বার্থ ও অধিকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া- সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব ও কর্তব্য


রাজধানীতে কুরবানীর হাট বসেছে। পবিত্র কুরবানীর প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীরাও তাদের অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারা তাদের শত শত এজেন্ট মাঠে নামিয়ে দিয়েছে, দেখো কোথায় কোথায় স্কুল মাঠে কুরবানীর পশুর হাট বসেছে, কোথায় রাস্তার পাশে, হাসপাতালের পাশে হাট বসেছে, কোথায় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া

সরকারী কর্মকর্তাদেরকে স্মরণ রাখতে হবে যে, তাদের জন্য সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার কোনো আদেশ ও নিষেধের উপর হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার নেই।


প্রতি বছরই পবিত্র কুরবানীর সময় নানা অযুহাতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করে কিছু ইসলাম বিদ্বেষী মহল। তাই প্রতি বছরের মতো এবারেও পবিত্র কুরবানীতে বাধা সৃষ্টি করতে কিছু ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে পড়েছে প্রশাসন। তার মধ্যে একটি হচ্ছে পরিবেশ দুষণের মিথ্যা অজুহাতে

ইসলাম বিরোধী তর্জ-তরীক্বা প্রত্যাহার করে মুসলমানদেরকে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ মুতাবিক কুরবানী করার সুযোগ দিন


  বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকারের সম্মানিত কুরবানী ও ইসলাম বিদ্বেষী অপপ্রচার তাদের খুদ কুঁড়া লোভী কিছু পত্র-পত্রিকা ও টেলিভিশন চ্যানেলের ভাঙ্গা ও বিরক্তিকর রেকর্ড মুসলিম জনগণ ও মতের তোয়াক্কা না করে একটানা প্রচার করেই চলেছে। সরকারি ও চিহ্নিত বেসরকারি মহলের কুরবানীবিদ্বেষী ডামাঢোলের

কুরবানী নিয়ে মেয়রের বিতর্কিত পদক্ষেপ: এত প্রতিবাদ হচ্ছে, তারপরও সরকারের নির্লিপ্ততা রহস্যজনক


নিজের কিছু স্বার্থ আদায়ের জন্য মানুষ কতই না ভান ধরে, কতভাবে কাকুতি করে, তারপরও নিজের স্বার্থ উদ্ধার করাই চাই চাই। সবচাইতে আশ্চর্য হতে হয় তখন- যখন স্বার্থ আদায়কারী ব্যক্তি অকৃতজ্ঞের মতো উপকারীকে অস্বীকার করে বসে। আমাদের দেশের সরকারের আচরণকে অনেকেই এর