Archive for the ‘বাংলাদেশ’ Category

যারা কুরবানীর হাটকে ‘অবৈধ’ ‘অবৈধ’ বলে চেঁচাচ্ছে, এদের চিনে রাখুন…


এই দেশটাকে মনে হয় তাদের কাছে ইজারা দেয়া হয়েছে। দেশপ্রেম যেন তাদের উথলে উঠছে। যখন রাজধানীর বুকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালগুলোতে আসা যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে বৈশাখী মেলা হয়, হিন্দুদের রথযাত্রা হয়, গণজাগরণ মঞ্চ হয়, তখন তাদের এই দেশপ্রেম কোথায় থাকে?

মুসলিম শাসনামলে বাংলায় এবং উত্তরভারতে দেশবিভাগের আগপর্যন্ত শিক্ষিত হিন্দুদের সংস্কৃতি ছিল ‘মুসলমানী সংস্কৃতি’


মুসলিম শাসনের সময়ে বাংলাদেশে শিক্ষিত হিন্দুদের সংস্কৃতি নিয়ে প্রাবন্ধিক নীরদ সি চৌধুরী তার রচিত ‘আত্মঘাতী বাঙালী’ গ্রন্থে মন্তব্য করেছে- “বাঙালি হিন্দু পুরুষ ইংরেজ রাজত্বের আগে একমাত্র মুসলমান নবাবের কর্মচারী হইলে মুসলমানী পোষাক পরিত, উহা অন্দরে লইয়া যাওয়া হইত না। বাহিরে বৈঠকখানার

ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের উৎসব স্থানগুলিতে নিরাপত্তা দেয়া হলেও কুরবানীর পশু ব্যবসায়ীদের জন্য এবং কুরবানীর হাটে ন্যূনতম নিরাপত্তাও নেই কেন? কুরবানীর হাটকে কেন্দ্র করে ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি কেন? কুরবানী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হবে।


ইতোমধ্যেই পবিত্র কুরবানীর ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ঢাকায় আসতে শুরু করেছে কুরবানীর পশু। শুধু রাজধানী ঢাকায় নয়, এছাড়াও সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর হাট থেকে গরু যাচ্ছে দেশের বড়-বড় শহরেও। সেই গরু ধীরে ধীরে ঢুকছে পশুর স্থায়ী হাটগুলোয়। দীর্ঘ এই পথে

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উপলক্ষে ঢাকা শহরে প্রত্যেক পাড়া-মহল্লায় পশুর হাট দরকার


সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে প্রতিবছরই কুরবানীর পশুর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু কুরবানীর হাটের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে না। এতে করে প্রতিবারই মুসলমানরা অত্যন্ত দুর্ভোগ ও বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। মাত্র কয়েক দিনে লক্ষ লক্ষ গরু-ছাগল আনা নেয়া, বিক্রি ইত্যাদি কাজকে আরো সুন্দরভাবে ব্যবস্থাপনা

পৃথিবীর অনেক দেশে পবিত্র কুরবানী উনার মতো মৌলিক ও পবিত্র দ্বীন ইসলামী কাজ মুসলমানরা পালন করতে পারছে না। যেমন, ভারতে সব প্রদেশেই পবিত্র কুরবানী বন্ধ করতে চাচ্ছে। এছাড়া সমস্ত পৃথিবীতেই ইহুদী, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, হিন্দু অর্থাৎ সব বিধর্মীদের দেশেই বিধর্মীরা পবিত্র কুরবানী উনাকে নিষিদ্ধ করতে চাচ্ছে এবং চরমভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। নাউজুবিল্লাহ! আর এখন খোদ ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশ বাংলাদেশেও একের পর এক পবিত্র কুরবানী বিরোধী ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! অতএব, গোটা মুসলিম বিশ্বের সমস্ত মুসলমানদেরকেই এজন্য যথাযথ প্রতিবাদী হতে হবে। পবিত্র কুরবানী বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত নস্যাত করে দিতে হবে।


‘কুরবানী’ শব্দটি এসেছে ‘কুরব’ শব্দ থেকে। যার অর্থ নৈকট্য, সান্নিধ্য ও নিকটবর্তী হওয়া। পবিত্র কুরবানীর মাধ্যমে কোনো কিছু মহান আল্লাহ পাক উনার নামে নিবেদিত করে উনার নিকটবর্তী হওয়া। পবিত্র কুরবানী উনার গুরুত্ব ও ফযীলত সম্পর্কে বহু পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ১১ দফা দাবিতে- আওয়ামী ওলামা লীগসহ সমমনা ১৩ ইসলামী দলের বিশাল মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত


(১). মীর কাসেমসহ কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী সরকারকে দেশ ও জাতীর পক্ষ থেকে তথা দ্বীনপ্রাণ মুসলমান ও আলিম উলামাদের পক্ষ থেকে আন্তরিক মোবারকবাদ। বাংলার ইহুদী রাজাকার সাঈদীরও ফাঁসির ব্যবস্থা করতে হবে। (২). বশহীদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে কুরবানীর হাট বসার স্বাধীনতা দিতে হবে, অনুনমোদিত হাটকে ‘অবৈধ হাট’ বলা যাবেনা বরং প্রতিটি হাটে পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা সরকার ও প্রশাসনের দায়িত্ব


চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেছে, ‘যত রাজনৈতিক তদবির আসুক, অবৈধভাবে জেলা এবং নগরীতে কোন গরুর হাট বসতে দেয়া হবেনা। সড়ক-মহাসড়কে এবং গ্রামে ‘অবৈধভাবে’ গরুর হাট বসলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের পাশাপাশি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শক্ত হাতে নস্যাৎ করা হোক কুরবানীর বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র। বন্ধ করা হোক কুরবানীর নামে যত সব শয়তানী। ‘পবিত্র কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন পাস হবে না’- এ প্রতিশ্রুতির সরকারের জন্য ত্বরিৎ ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরী।


সৃষ্টির শুরু হতে যে চারটি মাসকে মহাপবিত্রতা দান করা হয়েছে তার মধ্যে পবিত্র যিলহজ্জ মাস অন্যতম। যা পবিত্র হারাম মাস ও পবিত্র কুরবানী করার মাস হিসেবে সমাদৃত। কুরবানী শব্দটি এসেছে ‘কুরব’ থেকে; যার অর্থ- নৈকট্য, সান্নিধ্য ও নিকটবর্তী হওয়া। কুরবানী করার

বাংলাদেশ নিয়ে আগ্রাসী শক্তিগুলোর শীতল যুদ্ধ! বাংলাদেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ ভারতের, চীনকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের। জন্ কেরির ৯ ঘণ্টার সফর একটা উদাহরণ। কৌশলে ভুল করলে বাংলাদেশ চরম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অগ্রগতির ভরকেন্দ্রকে ঘিরে আবর্তিত হয়। একসময় বিশ্বে প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র ছিল ইউরোপ। পরে তা যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরের পর বর্তমানে তা এশিয়ায়, বিশেষতঃ বাংলাদেশের দিকে চলে এসেছে। এশিয়া ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিশেষ করে বাংলাদেশেরও সম্পদ, জনশক্তি

নির্দিষ্ট স্থানে পশু কুরবানী একটি হাস্যকর সিদ্ধান্ত, যা প্রশাসন ও শাসক গোষ্ঠীর জনবিচ্ছিন্নতা এবং অপরিণামদর্শিতার প্রমাণ দেয়। বাস্তব প্রেক্ষাপট ও গাণিতিক হিসাব মতে, নির্দিষ্ট স্থানে পশু কুরবানী, ইমাম ও কসাই নির্দিষ্ট করে কুরবানী করা সম্পূর্ণরূপে বাস্তবতাবিবর্জত এবং অসম্ভব একটি বিষয়। সরকারকে অবশ্যই এসব হঠকারী সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।


সরকারি প্রশাসন পশু জবাইয়ের স্থান, ইমাম ও কসাই নির্ধারণ করে দিয়ে বলেছে এসব নির্দিষ্ট স্পটে কুরবানী করার জন্য। সরকারি প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত মুসলমানগণ উনাদের উপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। সরকারি প্রশাসন যেসব তথ্য-উপাত্ত এবং হিসাব দিয়েছে তা বাস্তবায়ন

সরকারের উচিত তাদের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা গৌরগোবিন্দের চেলা-চামুন্ডারা যারা কুরবানীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া


যারা পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্র করে থাকে তাদের থেকে সাবধান। কেননা তারা মুসলমানদের চরম শত্রু। যারা পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্র করে থাকে তারাই মূলত দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধী। ৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত দেশে কি করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে, পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

পবিত্র কুরবানীর সম্মান-মর্যাদা রক্ষা করা মুসলমানদের উপর ফরয দেশের কোটি কোটি মুসলমান বেঁচে থাকতে- পবিত্র কুরবানীর উপর হস্তক্ষেপ কখনোই বরদাশত করা হবে না মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদে কুরবানীবিরোধী সর্ব প্রকার ষড়যন্ত্র ও ষড়যন্ত্রকারীরা নিশ্চিহ্ন হবেই হবে। ইনশাআল্লাহ


একটি দুটি নয়, ধারাবাহিকভাবে এক এক করে তারা এগুচ্ছে। বুঝাই যাচ্ছে, তারা প্লান করে পরিকল্পনা করেই কাজগুলো করছে। প্রথমে তারা কুরবানীর পশুতে বিষ আছে, অ্যানথ্যাক্স আছে ইত্যাদি বলে বলে মানুষের মনে কুরবানীর গরু ছাগল নিয়ে ভীতি ছড়ানো শুরু করে। তার সাথে