Archive for the ‘বাংলাদেশ’ Category

‘পবিত্র কুরবানী উনার পশুর হাটের কারণে যানজট হয়’- এটা মিথ্যা কথা


সম্প্রতি একটি মহল অপপ্রচার করছে, পবিত্র কুরবানী উনার পশুর হাটের কারণে যানজট হয়। নাউযুবিল্লাহ! তারা যানজট এড়াতে হাটগুলোকে ঢাকার বাইরে নিয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ! প্রকৃতপক্ষে ‘পবিত্র কুরবানী উনার পশুর হাটের কারণে যানজট হয়’ এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। কারণ সারা বছর তো গরুর

পুটি মাছ যে দেশে রুই কাতলার চেয়ে বেশি দামী; সে দেশ বসবাস অযোগ্য


দেশটা কী তাহলে হীরক রাজার দেশে পরিণত হলো? পাঠক! আপনাদের নিশ্চয়ই দুই বন্ধুর হীরক রাজার দেশ ভ্রমণের সেই কাহিনী মনে আছে। ঘি আর তেলের দাম সমান দেখে এই যুক্তিহীন দেশ থেকে পালিয়ে এক বন্ধু প্রাণে রক্ষা পায়। অন্য বন্ধু সস্তা ঘি

গরু কুরবানীর বিরোধিতাকারী চক্রের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নিয়ে সরকারকে প্রমাণ করতে হবে- তারা গৌরগোবিন্দের উত্তরসূরি নয়?


গরু কুরবানীর বিরোধিতাকারী গৌরগোবিন্দের ইতিহাস কি দেশের সরকারি কর্মকতারা ভুলে গেছে? তাদের কি মনে নেই- কিভাবে গরু কুরবানীর বিরোধিতা করতে গিয়ে হযরত শাহজালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট অপদস্ত ও নাস্তানাবুদ হয়েছিলো যালিম হিন্দু গৌরগোবিন্দ? সেই গৌরগোবিন্দের চেলা-চামুন্ডাদের পবিত্র কুরবানী বন্ধের অপতৎপরতা

পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদেরকে রুখে দেয়া হোক


যারা পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্র করে থাকে তাদের থেকে সাবধান। কেননা তারা মুসলমানদের চরম শত্রু। যারা পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্র করে থাকে তারাই মূলত দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধী। ৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত দেশে কি করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে, পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

‘কুরবানীর পশুর হাট কমানো’ ‘জবাইকারীর বয়স ১৮ করা’ ‘জবাইর স্থান নির্দিষ্ট করা’- কুরবানী নিয়ে সরকারের এ পরিকল্পনাগুলোর একটিও কুরবানীর পক্ষে যায় না, ইসলামী শরীয়তও এর সমর্থন করে না জনগণেরও বুঝতে বাকি নেই- এগুলো যে কুরবানীর বিরুদ্ধেই পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যমূলক ষড়যন্ত্র


ভালো হোক আর মন্দ হোক, যেকোনো প্ল্যান বা পরিকল্পনারই একটি ধারাবাহিকতা থাকে। একটি একটি করে ধাপ পেরিয়ে প্ল্যানগুলো বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করা হয়। এই ভারতীয় উপমহাদেশকে দখল করার জন্য ইংরেজ নৌদস্যুদের প্ল্যান এর একটি বড় উদাহরণ। তারা এই অঞ্চলকে দখলে নিতে

সিলেট তারাপুর জমির প্রকৃত ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়- তারাপুরের মালিক দেবোত্তর সম্পত্তি নয়, মুসলমানদের সম্পত্তি, যা জনকল্যাণে কাজে লাগাচ্ছিলেন রাগীব আলী


সিলেটের তারাপুরে ৩ হাজার পরিবারকে বাস্তুচ্যূত করা হচ্ছে। কারণ গোটা সেটা নাকি কথিত দেবোত্তর সম্পত্তি, তাই সেখানে বিশাল হাসপাতাল, বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদরাসা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ৩ হাজার পরিবারের বসতিসহ সমস্ত কিছু উচ্ছেদ করে সেটা হিন্দুদের কথিত দেবের নামে দান করা হবে।

পবিত্র ওয়াজিব কুরবানী না করে পবিত্র কুরবানী উনার পশু বা সমপরিমাণ নগদ টাকা কৃষকদের মাঝে অথবা বন্যা, মহামারি ও ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি দুর্ঘটনায় আক্রান্ত বা দুঃস্থদেরকে দেয়া বা দিতে বলা সুস্পষ্ট নাজায়িয, হারাম ও কুফরী।


মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আজ আমি তোমাদের সম্মানিত দ্বীন উনাকে তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ করলাম, তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামতসমূহ পরিপূর্ণ করলাম এবং সম্মানিত ইসলাম উনাকে তোমাদের জন্য একমাত্র দ্বীনরূপে মনোনীত করলাম।” এ পবিত্র আয়াত

তারাপুর চা বাগান হিন্দুদের দেবোত্তর সম্পত্তি; নাকি মুসলমানদের লাখেরাজ সম্পত্তি? প্রকৃত ইতিহাস কি বলে?


  লাখেরাজ সম্পত্তি বলা হয় নিষ্কর বা শুল্ক মুক্ত ভূমিকে। মুসলিম শাসন আমলে মুসলিম শাসকগণ কর্তৃক এ অঞ্চলের মুসলিম ছূফী-দরবেশ ও আলিম-উলামা উনাদেরকে প্রশাসনের তরফ থেকে নিষ্কর অর্থাৎ বিনা খাজনায় হাজার হাজার বিঘা সম্পত্তি দেয়া হতো; যাতে করে উনারা নির্বিঘ্নে ইসলামী

মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে কমপক্ষে বয়স ১৮ হতে হবে…!!


মোবাইলফোন এখন ছোট-বড়, ছেলে-মেয়ে সবাই ব্যবহার করে। মোবাইলফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহারও সর্বত্র। ইন্টারনেটের এই অবাধ ব্যবহারে দেশের উঠতি বয়সের শিশু, কিশোর, যুবক থেকে শুরু করে সকলেই যে পর্নো দেখা, অশ্লীল ছবি-ভিডিও দেখাসহ নানা রকম বেহায়াপনায় যুক্ত হচ্ছে সেটা কারোই অজানা নয়। শুধু

গরু জবাই নিয়ে বাড়াবাড়ি; শেষ কোথায়


গত বছর ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুরবানীর পশুর হাট কমানো হয়েছে এবং শহরের বাইরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে; কুরবানীর পশুর হাট বসাতে বিলম্ব করেছে; তথাকথিত অ্যানথ্রাক্সের মিথ্যা প্রচারণা চালিয়েছে; পশু মোটাতাজাকরণ ও পশুর রক্ত পরীক্ষার বিষয়ে কুরবানী দাতাদের বিভ্রান্ত করা হয়েছে, পশু জবেহ করার স্থান

৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তারা ইহুদী, মুশরিক, নাছারা অর্থাৎ বেদ্বীন-বদদ্বীনদের সুস্পষ্ট প্ররোচনায় ও উস্কানিতেই মুসলমান উনাদের ওয়াজিব ইবাদত পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। নাউজুবিল্লাহ!


প্রতি বছরই পবিত্র কুরবানীর সময় নানা অজুহাতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করে কিছু ইসলামবিদ্বেষী মহল। তাই প্রতি বছরের মতো এবারেও পবিত্র কুরবানীতে বাধা সৃষ্টি করতে কিছু ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে পড়েছে সরকারি প্রশাসন। তার মধ্যে একটি হচ্ছে- যানজটের মিথ্যা অজুহাতে পবিত্র

পবিত্র কুরবানী মহান আল্লাহ পাক উনার শিয়ার বা নিদর্শন; পবিত্র কুরবানী নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছে তাদের ধ্বংস অনিবার্য


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যারা মহান আল্লাহ পাক উনার শিয়ার তথা নিদর্শন মুবারক উনাদের ইহানত (অবজ্ঞা) করবে, তারা হালাক (ধ্বংস) হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র কুরবানী হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র শিয়ার