Archive for the ‘বাংলাদেশ’ Category

পবিত্র কুরবানীতে বাধা দিলে লা’নতগ্রস্ত হতে হবে


যিনি খালিক্ব মালিক রব আল্লাহ পাক তনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “তোমরা নেক কাজে পরস্পরকে সহায়তা করো, পাপ ও বদকাজের মধ্যে সহায়তা করো না।” সুগভীর তাৎপর্যপুর্ণ এই মহান নির্দেশ মুবারক মুসলমান মাত্রেরই জানা রয়েছে। তবে ফিকিরের বিষয়

৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে মুসলমানের সংজ্ঞা কতজন মুসলমান জানে? প্রকৃত মুসলমান না হয়ে শুধু বাহ্যিক মুসলমান দাবি কী অন্যায় নয়? মুসলমান মাত্রই পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশ করতে হবে।


সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত পবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক। সরকারি হিসেবে দেশের মুসলমানের সংখ্যা নব্বইভাগ

পবিত্র কুরবানী নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও কতিপয় পরিবেশবাদীদের এ সমস্ত অযৌক্তিক চিন্তাধারার ফলে কি হবে?


সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে পবিত্র ঈদুল আজহায় রাস্তা, গলিসহ যত্রতত্র সম্মানিত পশু জবাই বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে দেশের ৩২৩ পৌরসভা ও ১১ সিটি করপোরেশনকে নির্দেশনা দেয়া হয়। নাউযুবিল্লাহ! যুক্তি হিসেবে তারা ময়লা-আবর্জনা ও যানজটের

ঢাকা শহরের মতো জনবহুল শহরে নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে হবে- এটা একটি হাস্যকর সিদ্ধান্ত


বাঙালি মুসলমানদের শত-সহস্র বছরের ঐতিহ্য হচ্ছে ‘ঘরে ঘরে কুরবানী’। কুরবানীর ঈদ বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে গরুর হাট, মুসল্লিদের তাকবীর ধ্বনি সম্বলিত পশু কুরবানী, ঘটা করে গোশত ভাগাভাগি এবং বিতরণ, চামড়া বিতরণ, ঘরে ঘরে গোশত দিয়ে তৈরি হরেক রকম খাবারের সুবাস।

দেশের স্বার্থ ক্ষুন্নকারী ও পরিবেশ ধ্বংসকারী রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চাই না, সুন্দরবন চাই


* রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২০১ কোটি ডলার। এর ৭০ শতাংশ ব্যাংক ঋণ নেয়া হবে (৭০ ভাগ ঋণের সুদ টানা এবং ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব বাংলাদেশের)। ১৫ শতাংশ অর্থ দেবে পিডিবি এবং বাকি ১৫ শতাংশ দেবে ভারতের এনটিপিসি।

##রবী ঠাকুরের সম্প্রদায়ভুক্ত পরিচয়


ঢাকা কলেজের বাংলার শিক্ষক সোহেল হাসান গালিব তার এক প্রবন্ধে মজহার সাহেবের রবী ঠাকুরের সম্প্রদায়ভুক্ত পরিচয়ের মুল্যায়নে বলেন; “এ কথার সমর্থন রবীন্দ্রনাথের জবানেও মিলবে : […] আমি নিজের গৃহ নির্মাণ করিতেছি বলিয়া কি সকলে বলিবে, আমি হৃদয়ের সংকীর্ণতাবশত পরের সহিত স্বতন্ত্র

# পঁচাত্তরের ১৫ অগাস্ট। ভোররাত।——-সেই রাতে যা ঘটেছিল


# ===••••======= “আমি প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিব বলছি …”। “তোরা কী চাস? কোথায় নিয়ে যাবি আমাকে?” বঙ্গবন্ধু তার কথা শেষ করতে পারেননি। বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতা থেকে কলঙ্কিত সেই রাতের কথা সংকলিত করেছেন সুমন মাহবুব। পঁচাত্তরের ১৫ অগাস্ট। ভোররাত। ধানমণ্ডির বাড়িটি আক্রান্ত হওয়ার

জোরসে উঠুক তাকবীরের আওয়াজ


———————– শাহী হেরেমের ইলাহী নাজ আওলাদে শাহযাদী ছানী আপনি হক্বের সওগাত জানি মহা আনন্দ ধরণীতে আজ। কোমল দেহ, কোমল সাজ কোমলতা চায় দিশেহারা উম্মত হে আওলাদে রসূল, দিন হিম্মত ঘোচাতে আজ বাতিলের রাজ। হে খোদ মাহবুবী তাজ রহমত রয় আপনার শীরে

## ইংরেজ শোষণের প্রাথমিক পর্যায়– ২য় পর্ব।


শোষণের চিরস্থায়ীকরণ এক দিকে লুণ্ঠন অন্যদিকে দুর্ভিক্ষ।একদিকে না খেয়ে মানুষ মারা যাচ্ছে অন্যদিকে একশ্রেণীর বাঙালী বৃটিশের দালালী করে ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’ হয়ে গেছে।কিন্তু সেই টাকা খরচ করার জায়গা পাচ্ছিলনা। ১৭৯৩ সালের ৬ই মার্চ লর্ড কর্ণওয়ালিস ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির লন্ডনস্থ ডিরেক্টরদের কাছে

## ইংরেজ শোষণের প্রাথমিক পর্যায়-১ম পর্ব।


  পলাশীর পরবর্তী মানুষের অবর্ণনীয় যাতনার কথা লিখিত আছে বিভিন্ন কবিদের কবিতায়, পুঁথিতে। যেহেতু সেসময় রাষ্ট্রীয় ও মুসলমানদের সাহিত্যিক ভাষা ছিল ফার্সি, সেসব শোকগাথা নিয়ে রচিত অধিকাংশ রচনাই ফার্সি বা উর্দুতে। উর্দুতে এমন একটি কবিতার ধারার নাম ছিল SHAHR-ASHOB (Lament for

##জমিদারি শোষণের স্মৃতি ও চিরস্থায়ী যন্ত্রণার বন্দোবস্ত


  গোঁড়ার কথা “ইংরেজ আমলের গোড়ার দিকে, আঠার শতকের মধ্যে কলকাতা শহরে যে সমস্ত কৃতি ব্যক্তি তাদের পরিবারের আভিজাত্যের ভিত প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তারা অধিকাংশই তার রসদ (টাকা) সংগ্রহ করেছিলেন বড় বড় ইংরেজ রাজপুরুষ ও ব্যবসায়ীদের দেওয়ানি করে।এক পুরুষের দেওয়ানি করে তারা

নিউ ইয়র্কে ইমামসহ দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা এবং একটি কাল্পনিক কাহানি


আজ বাংলাদেশে একজন গির্জার ফাদার সহ দুই জন আমেরিকান কে গুলি করে মেরে ফেলা হয়েছে। ঘটনার সাথে সাথে সকল রাজনীতিক সরকারী দল, বিরোধী দল, তৃতীয় দল, বাম দল, ডান দল, আম দল, ভাদা দল, পাদা দল, আদা দল, শুশীল সমাজ সকলেই