Archive for the ‘বিতর্ক’ Category

বাংলাদেশের পাঠ্যবইগুলোতে ঈমান নষ্টের বীজ


দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা কঠিন এক অবস্থার সম্মুখীন। দেশের প্রধান জনগোষ্ঠি ৯৮ ভাগ মুসলমানদের চাওয়া পাওয়া অধিকারকে চরমভাবে অবজ্ঞা করে সম্পূর্ণ ইসলামবিরোধী একটি শিক্ষানীতিতে চলছে সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থা। শিশু শ্রেণী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সিলেবাস, পাঠ্যপুস্তক সবকিছুতেই অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে প্রবেশ

গোল্ডেন রাইসের অবতারণা


বাংলাদেশে ২০১৮ অর্থাৎ এবছরই বাণিজ্যিকভাবে জেনেটিক্যালি মোডিফাইড ধান “গোল্ডেন রাইস” উৎপাদন শুরু হবে। এ নিয়ে দেশব্যাপী বিতর্কের শেষ নেই। সবাই একে প্রাণঘাতী, সর্বনাশা, ষড়যন্ত্রের ফসল ইত্যাদি নামে আখ্যা দিচ্ছেন। কিন্তু কিভাবে এই গোল্ডেন রাইসের উৎপত্তি হলো আর কিভাবে সেটা আমাদের দেশে পৌঁছালো সেটা

মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনা বাহিনীর লুটপাটের ইতিহাস ও সাহায্যের স্বরূপ


(সঙ্কলিত পোস্ট)- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তি বাহিনী যখন দেশের ৯৫-৯৯ শতাংশ অঞ্চল মুক্ত করে ফেলেছিল, ঠিক তখন ৩রা ডিসেম্বর ভারতীয় আরদালী বাহিনী লুটপাট করার জন্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তারা ১৬ ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ জুড়ে নজির বিহীন লুটপাট চালিয়েছিলো। ৯৩ হাজার

পহেলা মে: ইহুদী-নাছারাদের একটি সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা তোমাদের রব উনার হুকুম বা আদেশের প্রতি দৃঢ় থাকো। কোনো অবস্থাতেই গুনাহগার ও কাফিরদের অনুসরণ করো না।’ ‘পহেলা মে’ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালিত হওয়ার নেপথ্যেও রয়েছে এই ইহুদী-নাছারা ও মুশরিকদের সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র।

কথিত মে দিবস বা তথাকথিত শ্রমিক দিবস আদৌ শ্রমিক স্বার্থ সংরক্ষণ করেনি বা করতে পারেনি এবং পারবেও না


পবিত্র দ্বীন ইসলাম মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে একমাত্র মনোনীত দ্বীন। আর পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কখনো বিজাতীয় নিয়মনীতি, তর্জ-তরীক্বার কোনোরূপ স্থান নেই। বিধায় মুসলমানগণ কখনো বিজাতীয় রীতিনীতি, তর্জ-তরীক্বায় ১লা মে দিবস বা তথাকথিত শ্রমিক দিবস পালনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ

সন্ত্রাসবাদের কারণ ও প্রতিকারের উপায় প্রসঙ্গ


পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার আলোকে বিশ্ব, রাষ্ট্র বা সমাজে যতদিন সাম্য, সহিষ্ণুতা আর ন্যায় প্রতিষ্ঠিত না হবে, ততদিন সন্ত্রাসবাদ ফিরে ফিরে আসবে নতুন কোনো নামে নতুন কোনোখানে। সন্ত্রাসবাদ ঠেকাতে সবার আগে দরকার ইসলামী ঐক্য ও ভ্রতৃত্ববোধ। সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে সন্ত্রাসবাদীকে সঙ্গী করে

সরকার সার্কুলার জারী করেছে সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মঙ্গলশোভাযাত্রার নামে হিন্দুদের পূজার অনুষ্ঠান করতে, নাউযু‌বিল্লাহ! নাউযু‌বিল্লাহ! নাউযু‌বিল্লাহ!


৯৮ভাগমুসলমা‌নের এই দেশের সরকার সাহস পেল কি করে সরকার সার্কুলার জারী করেছে সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মঙ্গলশোভাযাত্রার নামে হিন্দুদের পূজার অনুষ্ঠান করতে, নাউযু‌বিল্লাহ! নাউযু‌বিল্লাহ! নাউযু‌বিল্লাহ! মুসলমানরা কি সবাই সরকা‌রের ম‌তো হিন্দু হ‌য়ে‌ গে‌ছে? হিন্দু‌দের খু‌শি‌তে সরকার খু‌শি। হিন্দুদের কা‌ছে সরকা‌রের বি‌বেক

মঙ্গল শোভাযাত্রাকে সার্বজনীন করার সুযোগ নেই: অধ্যাপক মাহবুব


সরকার শিক্ষা সিলেবাসে নাস্তিক্যবাদী চিন্তা চেতনার বাস্তবায়ন করতে না পেরে নাস্তিক্যাবাদীদের সন্তুষ্ট করতেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মঙ্গল শোভাযাত্রাসহ পহেলা বৈশাখ উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু নাস্তিক্যবাদী সিলেবাস যেমন এদেশের ইসলামপ্রিয় মুসলমান মেনে নেয় নি, তেমন মঙ্গলশোভা যাত্রার নির্দেশও তারা মানবে না। গতকাল আওয়ার

নাস্তিক,জাহেল,দাজ্জালে কাযযাব,কাফিরদের পাচাটা গোলাম মাহমুদ হাসান নামক এক জাহান্নামের কীটের মুরতাদের শাস্তি নিয়ে জঘন্য মিথ্যাচার এবং তাঁর জবাব


  এই মালউন মাহমুদ হাসান বাংলাদেশে নাস্তিকদের প্রথম মাদার ব্লগসাইট মুক্তমনার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং মুক্তমনার উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সদস্য (মুক্তমনায় তার পরিচয় দেখুন- http://bit.ly/2lQj3j9)। তার আইডি নাম- ফতেমোল্লা। সে বিডিনিউজে মুরতাদের শাস্তি নিয়ে নিজের মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে ইসলামকে বিকৃত করেছে। এরপুর্বে

শুধুমাত্র কাফিররাই মৌলবাদী; মুসলমানরা নয়


তাবৎ বিধর্মীরা শাব্দিক অর্থে মৌলবাদী। কোনো মুসলমানই কস্মিনকালেও মৌলবাদী নয়। মৌলবাদীরা- গোঁড়া, অন্ধ, অসভ্য, বর্বর, হিংস্র, উগ্র, আগ্রাসী, যালিম, কুসংস্কারাচ্ছন্ন হয়। যেমন মৌলবাদী খ্রিস্টানরা তথা আগ্রাসী ক্রুসেডার খ্রিস্টানরা মুসলিম বিশ্বে তান্ডব চালিয়েছে, এখনো চালিয়ে যাচ্ছে। মৌলবাদীরা ভয়ঙ্কর প্রকৃতির সন্ত্রাসী। মৌলবাদী কাফির-বেদ্বীনদের

এদেশের মুসলমানরা আর কতদিন হিন্দুঘেঁষা মিডিয়ার (দালাল সাংবাদিকদের) তৈরি রবীন্দ্র ঠগীয় গোলকধাঁধাঁয় ঘুরপাক খাবে?


রবীন্দ্র ঠগ ব্রিটিশদের সহযোগী দালাল ছিল, যা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু যা অধিকাংশ লোকই জানে না, তা হলো- ব্রিটিশরা তাদের এই দালালটির খ্যাতি-বৃদ্ধির জন্য নিয়োগ করেছিল কিছু এজেন্ট তথা ভাড়াটে লেখকদের। সেসব সাদা চামড়ার এজেন্টরা রবীন্দ্রের নামে প্রচলিত ইংরেজি লেখাগুলো লিখে

ইংরেজি লিটারেচার পড়ে অজন্মা/বেজন্মা হওয়া যায়; মানুষ হওয়া যায় না।


  অনেকে মনে করে- ইংরেজিতে অনার্স/হনার্স বা মাস্টার্স পড়লে  বা ইংরেজিতে কথা বলতে পারলে জাতে উঠতে পরবে। তাই তারা অহঙ্কারে  বুকটা ফুলিয়ে চলে।  ধরাকে সরা জ্ঞান করে এরূপ আহমকরা। অথচ  ইংরেজি লিটারেচার পড়ে অতি সহজে অজন্মা/বেজন্মা হওয়া যায়; কিন্তু মানুষ হওয়া