Archive for the ‘বিতর্ক’ Category

এদেশের মুসলমানরা আর কতদিন হিন্দুঘেঁষা মিডিয়ার (দালাল সাংবাদিকদের) তৈরি রবীন্দ্র ঠগীয় গোলকধাঁধাঁয় ঘুরপাক খাবে?


রবীন্দ্র ঠগ ব্রিটিশদের সহযোগী দালাল ছিল, যা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু যা অধিকাংশ লোকই জানে না, তা হলো- ব্রিটিশরা তাদের এই দালালটির খ্যাতি-বৃদ্ধির জন্য নিয়োগ করেছিল কিছু এজেন্ট তথা ভাড়াটে লেখকদের। সেসব সাদা চামড়ার এজেন্টরা রবীন্দ্রের নামে প্রচলিত ইংরেজি লেখাগুলো লিখে

ইংরেজি লিটারেচার পড়ে অজন্মা/বেজন্মা হওয়া যায়; মানুষ হওয়া যায় না।


  অনেকে মনে করে- ইংরেজিতে অনার্স/হনার্স বা মাস্টার্স পড়লে  বা ইংরেজিতে কথা বলতে পারলে জাতে উঠতে পরবে। তাই তারা অহঙ্কারে  বুকটা ফুলিয়ে চলে।  ধরাকে সরা জ্ঞান করে এরূপ আহমকরা। অথচ  ইংরেজি লিটারেচার পড়ে অতি সহজে অজন্মা/বেজন্মা হওয়া যায়; কিন্তু মানুষ হওয়া

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ১১ দফা দাবিতে- আওয়ামী ওলামা লীগসহ সমমনা ১৩ ইসলামী দলের বিশাল মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত


(১). মীর কাসেমসহ কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী সরকারকে দেশ ও জাতীর পক্ষ থেকে তথা দ্বীনপ্রাণ মুসলমান ও আলিম উলামাদের পক্ষ থেকে আন্তরিক মোবারকবাদ। বাংলার ইহুদী রাজাকার সাঈদীরও ফাঁসির ব্যবস্থা করতে হবে। (২). বশহীদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

গরু কুরবানীর বিরোধিতাকারী চক্রের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নিয়ে সরকারকে প্রমাণ করতে হবে- তারা গৌরগোবিন্দের উত্তরসূরি নয়?


গরু কুরবানীর বিরোধিতাকারী গৌরগোবিন্দের ইতিহাস কি দেশের সরকারি কর্মকতারা ভুলে গেছে? তাদের কি মনে নেই- কিভাবে গরু কুরবানীর বিরোধিতা করতে গিয়ে হযরত শাহজালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট অপদস্ত ও নাস্তানাবুদ হয়েছিলো যালিম হিন্দু গৌরগোবিন্দ? সেই গৌরগোবিন্দের চেলা-চামুন্ডাদের পবিত্র কুরবানী বন্ধের অপতৎপরতা

দাড়িঁ রেখে, টুপি পড়ে মাদরাসায় পড়া ছাত্ররা নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শার্ট-প্যান্ট, স্যুট-কোর্ট, টাই পরা ছাত্ররাও এখন উচু স্তরের সন্ত্রাসী হয় !!!!


ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদের বিস্তার যে শুধু মাদরাসাকে ঘিরে হচ্ছে না, তার প্রমাণ অতীতেও দেখা গেছে৷ গুলশানের রেস্তোরাঁয় হামলার ঘটনা তারপরও বিস্ময় জাগিয়েছে৷ বিশ্লেষকরা বলছেন, বিস্তার রোধে এখনি পদক্ষেপ নেয়া দরকার৷ গুলশানের রেস্তোরাঁর যে পাঁচ হামলাকারীর ছবি তথাকথিত ইসলামিক স্টেট বা আইএস-এর

রোযা অবস্থায় ইনজেকশন বা স্যালাইন ইনজেকশন নিলে রোযা ভঙ্গ হয়


অনেক ডাক্তার ও মালানারা বলে থাকে যে, “রোযা অবস্থায় ইনজেকশন বা স্যালাইন ইনজেকশন নিলেও রোযা ভঙ্গ হয়না” তাদের এ বক্তব্য সম্পূর্ণই ভুল, জিহালতপূর্ণ । কেননা, তারা তাদের উক্ত বক্তব্যের স্বপক্ষে নির্ভরযোগ্য একটি দলীলও পেশ করতে পারবেনা। পক্ষান্তরে রোযা অবস্থায় যে কোন

বর্তমান যামানার তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা কি হাক্বীকতে বু্দ্ধিজীবি?


মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি যদি কারো কল্যাণ চান, তবে তাকে দ্বীনের ছহীহ সমঝ (ছহীহ বুঝ, প্রকৃত জ্ঞান গরীমা) দান

ধর্মান্ধতা আর নাস্তিকতা এই দুইটাই আমাদের বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ধান্দার বিষয় !


ধর্মান্ধতা আর নাস্তিকতা এই দুইটাই আমাদের বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ধান্দার বিষয় ! এ দুই যেন মুদ্রার এ পিঠ ওপিঠ।

আমাদের বাংগালী জাতি কখনও জাতে উঠবেনা। এটা হতাশার !!


আমাদের বাংগালী জাতি কখনও জাতে উঠবেনা। এটা হতাশার কথা না। এটা ফ্যাক্ট!!! কয় দিন আগে তনু মরল, এখন আবার “মল কান্তি” নামের শিক্ষককে নিয়ে কান ধরার ন্যাকামী ! পরশু মরবে দাস বা অন্য কেউ হিন্দু ব্লগার । অবাক লাগেনা আজকাল। আমাদের

আল্লাহকে নিয়ে যাঁরা কটূক্তি করেছেন, তাঁদের শাস্তি দেওয়ার জন্য আমি ক্ষমা চাইব না।’


নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য বলেন, ‘ধর্মকে নিয়ে কটাক্ষ করায় তাকে (শ্যামল কান্তি) এ শাস্তি দিয়েছি। এখানে প্রায় পাঁচ হাজার লোক জড়ো হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিল। সে জনরোষ থেকে তাকে বাঁচানোর জন্য এ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাই ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই আসে

ধর্ম অবমাননা কারী যতবড় শিক্ষক-ই হোক না কেন, তাকে শিক্ষক সন্মোধন করা যায় না,


শ্যামল কান্তি ভক্তর ভাল লোক নয় । বর্তমানের আলোচিত ইস্যু হচ্ছে, ধর্ম অবমাননা । ধর্ম অবমাননা কারী যতবড় শিক্ষক-ই হোক না কেন, তাকে শিক্ষক সন্মোধন করা যায় না, শিক্ষক হিসেবে সন্মান করা যায় না । শিক্ষক একজন ছাত্র/ছাত্রীকে জ্ঞানী ও মহান

একজন বেহাইয়া শিক্ষিক ধর্ষণ করলে কি পুরা বাংলাদেশ সেই ধর্ষনের ভারও কি সারা বাংলাদেশ নিবে?????


একজন বেহাইয়া শিক্ষকের উপর হাত তুলা মানে সারা বাংলাদেশের উপর হাত তুলা… এই যদি হয়.. তাহলে একজন বেহাইয়া শিক্ষিক ধর্ষণ করলে কি পুরা বাংলাদেশ সেই ধর্ষনের ভারও কি সারা বাংলাদেশ নিবে????? দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।” হয়ত, এমপি নিজের ক্ষমতাবলে কাজটা করেছেন। কিন্তু,