Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

নির্দিষ্ট মাযহাব মানা বা অনুসরন করা ফরয


সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে চার মাযহাব উনাদের যেকোনো একটি নির্দিষ্ট মাযহাব মানা বা অনুসরণ করা ফরয। এ বিষয়ে অকাট্ট যুক্তি ও দলীল প্রমাণ বিদ্যমান রয়েছে। তা নিম্নে আলোচনা করা হলো: সম্মানিত শরীয়ত উনার মাসয়ালাগুলি দু’প্রকার। ১। যা পবিত্র কুরআন শরীফ ও

আউওয়ালু শাফিয়িন, আউওয়ালু মুশাফ্ফায়িন, আউওয়ালু মাঁইইয়ুর্হারিক হালক্বাল জান্নাহ, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ‘বিশ্বনেতা’, ‘মহামানব’, ‘মহাপুরুষ’ ইত্যাদি শব্দ দ্বারা সম্বোধন করা প্রসঙ্গে!


لا تجعلوا دعاء الرسول بينكم كدعاء بعضكم بعضا. অর্থ: “তোমরা পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে সম্বোধন করে থাক, সেভাবে তোমাদের যিনি রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন কর না।” (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৩)

সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে কতিপয় মৌলিক আক্বীদা ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়


عقيدة (আক্বীদা) অর্থ: দৃঢ় বিশ্বাস, ধর্মমত, দ্বীনিমত। হাক্বীক্বী মু’মিন, হাক্বীক্বী মুসলমান হওয়ার জন্য সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে আক্বীদা বিশুদ্ধ হওয়া আবশ্যক। কেননা উনার মুবারক শানে বিশুদ্ধ আক্বীদাই ঈমানের মূল।

যিকরুল্লাহ, যুলখলক্বিল আযীম, যুছছিরাত্বিল মুসতাক্বীম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক উচ্চারণ বা স্মরণ করার হাক্বীক্বী আদব


لا تجعلوا دعاء الرسول بينكم كدعاء بعضكم بعضا অর্থ: তোমরা একে অপরকে যেভাবে আহ্বান করে থাকো, সেভাবে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে আহ্বান করো না। (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৩) উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার

পবিত্র ছহীহ্ হাদীছ শরীফ ও পবিত্র দ্বয়ীফ হাদীছ শরীফ উনাদের প্রসঙ্গে কিছু কথা!


মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিায়াল্লাহু তা’য়ালা আনহুমগণ উনাদের ও হযরত তাবিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের কথা, কাজ ও মৌন সম্মতিকেই পবিত্র হাদীছ শরীফ বলে।

মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত নবী হযরত ইউশা বিন নুন আলাইহিস্ সালাম উনার উপর পবিত্র ওহী মুবারক নাযিল করলেন, হে আমার নবী! আপনার উম্মতের মধ্যে ১ লক্ষ লোককে ধ্বংস করে দেয়া হবে, তাদের মধ্যে ৬০ হাজার লোক সরাসরি গুনাহে লিপ্ত (গুমরাহ)। তখন হযরত ইউশা বিন নুন আলাইহিস্ সালাম তিনি বললেন, আয় মহান আল্লাহ পাক! ৬০ হাজার লোক সরাসরি গুনাহে লিপ্ত তাই তারা ধ্বংস হওয়ার উপযুক্ত। কিন্তু বাকী ৪০ হাজার লোককে ধ্বংস করা হবে তার কি কারণ? তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, যেহেতু তারা গুনাহে লিপ্ত লোকদের সাথে মিলা-মুহব্বত ও উঠা-বসা করে এবং তাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখে এবং তাদেরকে গুনাহের কাজে বাধা দেয় না, তাই তাদেরকেসহ ধ্বংস করে দেয়া হবে এবং ধ্বংস করে দেয়া হলো। নাঊযুবিল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একজন আরেকজনের বন্ধু। মু’মিনদের মধ্যে যে ব্যক্তি বিধর্মীদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে, সে তাদের দলভুক্ত বলেই গণ্য হবে।’ নাউযুবিল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ

Is Investing In Real Estate Your Very Best Option


Is Investing In Real Estate Your Very Best Option? You hear about it everywhere! Every news program is talking about it. What is it? It’s the so called “burst” of the real estate bubble. True, if you are an investor that

দ্বীন ইসলাম গ্রহণ না করা পর্যন্ত কাফির-মুশরিকদের সবকিছু বাতিল ও অগ্রহণযোগ্য!


ভারতের মুসলিম শাসনামলে হিন্দুরা মুসলমান শাসকদের অধীনে চাকরি করতে চাইলে হিন্দু থেকে মুসলমান হতে হতো না। তবে হিন্দুদেরকে সেক্ষেত্রে ফারসী ভাষা শিখতে হতো এবং মুসলমানদের ন্যায় পোশাক পরতে হতো। তবে যেহেতু তারা অন্তরের দিক দিয়ে হিন্দুই থেকে যেত, সেহেতু তারা বাড়িতে

মুক্তিযুদ্ধের দলিল প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো দ্বীন ইসলাম উনার স্বার্থ বজায় রেখে!


বাংলাদেশের আলো বাতাসে হৃষ্টপুষ্ট, কিন্তু বিদেশীদের উচ্ছিষ্টভোগী কিছু নাস্তিক মহল আছে যারা প্রচার করে থাকে, ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’। এই প্রচারণার ভিত্তিতেই তারা বাংলাদেশের সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলের কথা বলে থাকে। অথচ ১৯৭১ সালে সংগঠিত মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি কখনোই ধর্মনিরপেক্ষতা ছিলো

কথিত ‘সংস্কৃতি চর্চা’ আরও বিপদ ডেকে আনছে!


শিক্ষার্থীদেরকে সন্ত্রাসবাদ বিমুখ করার লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (হারাম) সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়ানো হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে সরকার। কিন্তু সরকারের এই সিদ্ধান্ত প্রকৃতপক্ষে বাস্তবসম্মত নয়, বরং বাস্তবতার নীরিখে হওয়া উচিত ছিলো বিপরীত। অর্থাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ দেশের সর্বস্তরে সংস্কৃতির নামে হারাম কর্মকা- তুলে দিয়ে সঠিক

মৌলবাদ কি? মৌলবাদী কারা?


মৌল ও বাদ শব্দ দুটির সন্ধি হচ্ছে মৌলবাদ। সংসদ বাংলা অভিধানে মৌল শব্দের অর্থ হচ্ছে, মূল সম্বন্ধীয়, মূল হতে উৎপন্ন, আদিম। আর ‘বাদ’ শব্দের অর্থ হচ্ছে, মত (মতবাদ), তত্ত্ব ইত্যাদি। আভিধানিক অর্থে মৌলবাদ হচ্ছে, প্রাচীন ধর্মীয় শাস্ত্রবিধির প্রতি অন্ধ বিশ্বাস। মৌলবাদী

থিউরি অব ‘প্রপাগান্ডা এ্যান্ড ‘ইল্যুশন অফ ট্রুথ’: সুন্নতি বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে যেভাবে অপপ্রচার চালানো হয়েছে এবং হচ্ছে!


ইহুদী-নাছারা নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী প্রপাগান্ডা ও ইল্যুশন অফ ট্রুথ ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ সত্য-মিথ্যা যাচাই-বাছাই করতে পারছে না। মিথ্যার গোলক ধাঁধাঁয় সাধারণরা খাচ্ছে হাবুডুবু। এই লেখাটির মাধ্যমে আমরা ইহুদী-নাছারাদের ছড়ানো ‘প্রপাগান্ডা ও ইল্যুশন অফ ট্রুথ’ বিষয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব।