Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

৪ঠা রবীউল আউওয়াল শরীফ মুবারক হো!


  হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন যে, উনার সম্মানিত পিতা ইন্তেকালের সময়ে বারবার বলছিলেন, “আমি আমার অন্তরে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত অনুভব করছি।” সুবহানাল্লাহ! পিতার ঐ কথাটি তিনি তখন ফিকির করেননি। কিন্তু পরে চিন্তা করে

সুমহান ৩রা রবীউল আউওয়াল শরীফ মুবারক হো!


এক লোক নিজেকে মোটামুটি পরহেজগার মনে করত। কিন্তু তার আক্বীদা ছিল যে, দ্বীন ইসলাম উনার তৃতীয় খলিফা, হযরত উছমান যুন্নুরাইন আলাইহিস সালাম তিনি ইহুদী ছিলেন। নাউযুবিল্লাহ! এই বিষয়টা সেই সময়ের একজন প্রখ্যাত ওলীআল্লাহ উনার কর্ণগোচর হল। তিনি লোকটিকে ডেকে পাঠালেন। সে

আহলান সাহলান ইয়া শাহরুল আযম!


আজকের সন্ধ্যায় তারাই আকাশে চাঁদ খুঁজেছেন, তাদের কণ্ঠই তাকবীরে মুখরিত হয়েছে, তারাই খুশি প্রকাশ করেছেন; যারা হাক্বীকিভাবেই, সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার প্রতীক্ষায় ছিলেন। সারাবছর ব্যাপী যে মহান মাসের জন্য হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

বড় জানতে ইচ্ছা করে,আমাদের দেশের লোকদের কাছে-


নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গুরুত্ব বেশি ? নাকি ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মতুর্জার গুরুত্ব বেশি? গত তিন দিন আগে বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট টীমের অধিনাক মাশরাফি বিন মর্তুজার সাথে মারমুখি আচরন করায় অনলাইন অফলাইন ছিলো রণক্ষেত্র। জনগন দাবি করলো – মাশরাফি

যুগে যুগে উলামায়ে ‘সূ’রা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার চরম ক্ষতি করেছে


শের শাহ শূরীর নিকট পরাজিত সম্রাট আকবরের পিতা সম্রাট হুমায়ূন যখন সপরিবারে পলায়ন করছিল, তখন বর্তমান পাকিস্তানের অমরকোটে এক রাজপ্রাসাদে আকবরের জন্ম। প্রথম জীবনে লেখাপড়ার সুযোগ না পেলেও বৈরাম খাঁর নিকট যুদ্ধ বিদ্যায় হাতেখড়ি তার। অপরিণত বয়সেই তাকে সাম্রাজ্যের দায়িত্ব নিতে

বাংলাদেশের হিন্দুরা বিদেশে যোগাযোগ শুরু করে দিয়েছে,


অঞ্জন বাইদ্যা নামক এক হিন্দু রংপুর ইস্যু নিয়ে লেখা মেসেজ করেছে- ১) নরেন্দ্র মোদি ২) ডোনাল্ড ট্র্যাম্প ৩) ভ্লাদিমির পুতিন ৪) ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৫) ভারতীয় সামরিক গ্রুপ- ৩৬০ ডিগ্রি ৬) বিজেপি ৭) মুসলিমের বিরুদ্ধে এক হওয়ার জন্য তৈরী আন্তর্জাতিক গ্রুপ ৮)

হিজরী ও শামসী ক্যালেন্ডারই মুসলমানদের অনুসরণ করা উচিত


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি চন্দ্র ও সূর্যের ঘূর্ণন বা আবর্তনের সাথে রাত-দিনের বা তারিখের পরিবর্তনের বিষয়টি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। যার কারণে চন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী-প্রবর্তন করা হয়েছে হিজরী সন ও ক্যালেন্ডার। আর সূর্যের হিসাব অনুযায়ী প্রবর্তন করা হয়েছে

যেসব পত্রিকা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মুখালিফ সেগুলোকে বর্জন করুন


মুনাফিক লাদেন, আইএস, তালেবান, সউদী ওহাবী শাসক বা তার সমগোত্রীয়রা কি বলছে সে সমস্ত অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রাসঙ্গিক কথাগুলো বেশি বেশি লেখালেখি করে থাকে এক শ্রেণীর পত্রিকা। ইহুদী-নাছারা সর্বাবস্থায় চায় কি করে মুসলমানদের ক্ষতি করা যায়। বর্তমান কালের মুসলমানদের ঈমানের জযবা, ঈমানী

পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ- সকল মুসলমানসহ সব মুসলিম দেশের সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথ মর্যাদার সাথে পালন করা


বিশ্বের সকল মুসলমানসহ সমস্ত মুসলিম দেশের সরকারের উচিত যিনি পবিত্র ঈমান উনার মূল এবং সমস্ত মাখলুকাতের জন্য রহমত ও নাজাতের কারণ আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অকল্পনীয় ও

আধুনিক তুরস্কের কথিত প্রতিষ্ঠাতা কাট্টা কাফির ও নাস্তিক কামাল পাশা লা’নতুল্লাহি আলাইহি ছিলো ইহুদীদের গোলাম


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা তোমাদের শত্রু হিসেবে প্রথমত পাবে ইহুদীদের। অতঃপর মুশরিকদের।” অভিশপ্ত জাতি ইহুদীরা ক্বিয়ামত পর্যন্ত ছলেবলে কৌশলে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতি সাধন করার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে

ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিপূর্ণ সাদৃশ্য মুবারক


খাদিমু রসূলিল্লাহ হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা মুবারক করেন, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে অধিক সাদৃশ্যতা আর কারো ছিল

মহান আল্লাহ পাক উনাকে তুমি বলে সম্বোধন করা জায়েয হবে না


এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يٰايُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تُحِلُّوْ ا شَعَائِرِ اللهِ অর্থ: “হে ঈমানদারগণ তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সমূহকে অসম্মান করো না।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২) পবিত্র হাদীছ