Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

সঙ্গদোষ


সঙ্গদোষে পড়ে কম্বল খায় লাঠির মার, কম্বল তবু নির্দোষ গায়ে ধুলাবালি তার। সঙ্গদোষে লোহাও ভাসে লোহার ধর্ম তা নয়, কর্দমা আর কস্তুরিতে চলছে সুবাস প্রণয়। সঙ্গদোষে যাবজ্জীবন কষ্টভোগের গ্লানি, সঙ্ঘজীবী মানুষ তবু সঙ্গের হানাহানি।

অনেক দিন পরে আগমন


অনেক দিন পরে আজ আমার আবার সবুজের দেশে আগমন হলো, ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে ভালোই হতো।

সুন্নত মুবারক উনার বিরোধিতাকারীরাই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতাকারী এবং তারা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনারও বিরোধিতাকারী


হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুয়াত্তা শরীফ উনার মধ্যে বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদের জন্য দুটি পবিত্র নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি, এই দুটি

খালিক্ব হিসেবে মহান আল্লাহ পাক তিনি একক। আর মাখলূক্বাতের মধ্যে বা মাখলূক্ব হিসেবে নূরে মুজসসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একক। সুবহানাল্লাহ!


পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমি গুপ্ত বা পুশিদা ছিলাম। অত:পর আমার মুহব্বত বা ইচ্ছা হলো যে, আমি পরিচিত হই তখন পরিচয় লাভের উদ্দেশ্যে আমি সৃষ্টির যিনি মূল (আমার

পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিয়াম শরীফ পাঠ কমে যাওয়ার কারণেই মানুষ রহমত বরকত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে


মুসলিম সমাজে পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ উপলক্ষে সমবেত হওয়া, দুরূদ শরীফ এবং সালাম শরীফ উনাদের মাহফিল করা সেই সালফে সালেহীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরও আগে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের যামানা হতেই চলে আসছে। সুবহানাল্লাহ! সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশের

ব্যক্তির জন্যই রাষ্ট্র; কিন্তু রাষ্ট্রের জন্য ব্যক্তি নয়। আর দ্বীনদার বা ধর্মপ্রাণ ব্যক্তির জন্য দ্বীন বা ধর্মটাই সবচেয়ে বড়।


পবিত্র ‘ইসলাম’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শান্তি। পবিত্র ‘ইসলাম’ই পেরেছে এবং পারে যমীনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে। পবিত্র ইসলাম উনার বাইরে কোথাও শান্তি পাওয়া যায়নি এবং যাবেও না। কাজেই শরয়ী পর্দা পালনই শান্তি স্থাপন করতে পারবে। শরয়ী পর্দার অভাবেই আজ সবদিকেই শুধু অশান্তি

মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তির কারণ নিয়ে যারা প্রশ্ন তোলে তারা ইতিহাস জ্ঞানশূন্য


সমাজে নামধারী অনেক মুসলমান আছে, যারা ইসলাম সম্পর্কে তো কিছু জানেই না, ইতিহাস সম্পর্কেও ধারণা নেই। এ শ্রেণীর লোকগুলো সাধরণত দুনিয়াদার (টাকার মোহে অন্ধ) হয়ে থাকে। ইতিহাস ও ইসলামী শিক্ষায় অজ্ঞতার কারণে মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি নিয়ে এরা প্রায় সময়ই এমন কথা

পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাঝে পবিত্র ‘মীলাদ’ শব্দ মুবারক উনার ব্যবহার


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ব্যবহৃত মীলাদ শব্দ মুবারক : মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وَسَلَامٌ عَلَيْهِ يَوْمَ وُلِدَ وَيَوْمَ يَـمُوْتُ وَيَوْمَ يُبْعَثُ حَيًّا অর্থ : “আর (হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম) উনার প্রতি সালাম (অবারিত শান্তি) যেদিন তিনি পবিত্র

পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে একটি বিশেষ দিন ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’


‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ বলতে পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ বুধবার উনাকে বলা হয়। পবিত্র ছফর শরীফ মাস ব্যতীত আর কোনো মাস উনার শেষ আরবিয়া বা বুধবারকে ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ বলা হয় না। যেমন ‘আশূরা’ শব্দটি আরবী

ক্বওমীদের ‘শুকরিয়া মাহফিল’: আ. শফীগংদের কুফরী প্রকাশের আনুষ্ঠানিকতা মাত্র


যে খবরটা নিয়ে এ লেখার অবতারনা; খবরটি হলো- ‘ক্বওমী মাদরাসাকে সরকারী সনদ দেয়ার আইন পাস হওয়ায় খুশি হয়ে শুকরিয়া স্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্বওমীদের গুরু আ. শফীগং রাজধানীতে একটি শুকরিয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানটি হবে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী জনসভার মাঠে। সেখানে প্রধান

বিদয়াত-শিরকের ফতুয়া কই? ৫ই মে’র ‘শহীদ দিবস’ আর বেগানা মহিলার ‘শুকরিয়া মাহফিল’


ধর্মব্যবসায়ীরা সারাজীবন বলে এসেছে, আল্লাহ ছাড়া আর কারও শুকরিয়া করা শিরক, বেদয়াত। কিন্তু মহান আল্লাহপাক উনার কুদরত- এখন সেই ধর্মব্যবসায়ীরাই জনগণের সামনে খোলা ময়দানে ফাসেক-ফুজ্জার, দুনিয়াদার ও বেগানা মহিলাদের ‘শুকরিয়া’ আদায় করছে। নাউযুবিল্লাহ! ধর্মব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ হলো কওমী, দেওবন্দী, খারেজীরা।

ধর্মব্যবসায়ীদের কুফরী যখন উপচে পড়ে…


প্রতি বছরই দুই বার উলামায়ে সূ’রা তাদের কুফরীকে আরও বেশি উগড়ে দিয়ে জাহান্নামের আরও নিকবর্তী হয়। প্রথমবার যখন সম্মানিত সাইয়্যিদুশ শুহূর পবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ মাস আসেন তখন তারা এই বলে কাফির হয় যে, পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ