Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

ফ্লাইংওভারের দেশ বাংলাদেশ, চালের কেজি ১০০ টাকা


আওয়ামী সরকার দেশজুড়ে ব্যাপক উন্নয়ন হাতে নিয়েছে, এমন কোন রাস্তা-চিপা নাই যেখানে ফ্লাইংওভার নির্মাণ করতেছে না। অতিসম্প্রতি রাজধানীতে শুরু হতে যাচ্ছে ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। ঢাকার যেসব এলাকায় ফ্লাইংওভার আছে, এই এক্সপ্রেসওয়ে তার উপর দিয়ে যাবে। এই এক্সপ্রেসওয়ে আবার

আধুনিকায়নের নামে আমরা গিনিপিক হতে চাই না


পারমাণবিক শক্তিধর একমাত্র মুসলিম দেশ পাকিস্তান। শান্তি-শৃংখলার সাথেই পাকিস্তানবাসী দিনাতিপাত করছিলো। কিন্তু তথাকথিত আধুনিকায়ন তাদের ইতমিনান কেড়ে নিলো। ডিজিটালাইজড করতে দেশব্যাপী ছবি সংগ্রহ করা হয়। এক্ষেত্রে সে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে শুরু করে পার্বত্য অঞ্চল সব কিছুরই ভিডিও করা হয় এবং

কিতাব পরিচিতি: বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম


বানাত শব্দের অর্থ কন্যা, আর ছালিছা অর্থ হচ্ছে তৃতীয়া। অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত কন্যা সন্তান উনাদের মধ্যে যিনি তৃতীয়া হযরত উম্মু কুলছুম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক শানে লিখিত হয়েছে এই কিতাবখানি। প্রকাশ করেছেন

নেক সুরতে ধোকা অর্থাৎ মুসলমানদের কাফের বানানোর জামাত হচ্ছে- তাবলীগ জামাত


আজ থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে প্রচলিত ছয় উছুলি তাবলীগ জামাত আবিষ্কার করেছিলো তাবলীগ বিজ্ঞানী মালানা ইলিয়াস। সেই তাবলীগ জামাতের কার্যক্রম ও আমল বাহ্যিক ছুরতে নেক আমল মনে হলেও তাদের আক্বীদার (বিশ্বাসের) মধ্যে রয়ে গেছে ভয়াবহ কুফরি। (উল্লেখ্য, মুসলমান-কাফির নিরূপন হয়

সম্মানিত খায়রুল কুরনে পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবীল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের দলীল


খলীফা হারুনুর রশীদের যামানায় পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করার জন্য এক ব্যক্তি ওলী আল্লাহ হিসাবে আখ্যায়িত হলেন। সুবহানাল্লাহ। আল্লামা সাইয়্যিদ আবু বকর মক্কী আদ দিময়াতী আশ শাফেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত: ১৩০২ হিজরী) উনার বিখ্যাত “ইয়নাতুল ত্বলেবীন” কিতাবে বর্ণনা করেন, أنه كان

পিতা-মাতা উনাদের প্রতি সন্তানের কর্তব্য


মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালাম পাক উনার পবিত্র সূরা বনী ইসরাইল শরীফ উনার ২৩ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের রব তায়ালা তিনি আদেশ মুবারক দিয়েছেন যে, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার ব্যতীত কারো ইবাদত

সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উপলক্ষে খরচ করুন… ইহকালীন ও পরকালীন সমস্ত কামিয়াবী হাসিল করুন!


মূলে কিন্তু সেই চিরাচরিত সাবান-ই! কিন্তু কালক্রমে তার কতরূপই আমাদের ঘরবাড়িতে শোভা পাচ্ছে! কাপড় ধোয়া, বাসন ধোয়া, মেঝে ধোয়া, শরীর ধোয়া, মুখ ধোয়া, চুল ধোয়া, হাত ধোয়া, পা ধোয়া থেকে শুরু করে মহিলা, পুরুষ, বাচ্চা, বুড়া সবার জন্য আলাদা আলাদা নামে

মুসলমান উনাদের জন্য ফরয হচ্ছে- হারাম বিষয়গুলো হতে বিরত থাকা ও শরয়ী পর্দা পালন করা


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘দাইয়্যূছ কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ নাউযুবিল্লাহ! মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ‘যে ব্যক্তি পর্দা করে না ও অধীনস্থদের পর্দায় রাখে না, সে দাইয়্যূছ।’ টিভি চ্যানেল, ছবি, সিনেমা,

হাদীছ শরীফে রয়েছে স্বয়ং আখেরী রসূল হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম “মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করতে সাহাবীদের আদেশ করেছেন।


বিখ্যাত ইমাম ইবনে আছীর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিশ্ব বিখ্যাত কিতাব “উসদুল গবা ফি মা’রিফাতিস সাহাবা” যা দারু কুতুব আল ইলমিয়া থেকে প্রকাশিত এর ১ম খন্ড ১২৭ পৃষ্ঠায় লেখা আছে, حَدَّثَنَ حَضْرَتْ مَكْحُوْلْ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ اَنَّ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ

অবশ্যই সে বিশ্বের সবচাইতে ঘৃণিতদের একজন!


সাহিত্যিক মোতাহার হোসেন চৌধুরী শান্তি নিকেতনে রবীন্দ্রকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তোমার লেখায় ইসলাম ও বিশ্বনবী সম্পর্কে কোনো কথা লেখা নেই কেনো? উত্তরে রবীন্দ্র বলেছিলো, “কোরআন পড়তে শুরু করেছিলুম কিন্তু বেশিদূর এগুতে পারিনি আর তোমাদের রসুলের জীবন চরিতও ভালো লাগেনি।” (তথ্যসূত্র: বিত-া, লেখক

উচ্চ শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে কাট্টা নাস্তিকের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা। এখনো কি এই কুফরী শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের সময় হলো না।


অনার্স প্রথমবর্ষের রশিদুল ইসলাম শেখ ও মাহবুবুর রহমানের লেখা ‘লোক প্রশাসন ও বাংলাদেশ’ বইয়ের ১৪৫ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়, “মাওসেতুং-এর যোগ্য নেতৃত্বের গুণে দুর্দশা পীড়িত চীন আজ মহাচীনে পরিণত হয়েছে।” এই লজ্জা আমরা কোথায় রাখি! এই নাস্তিক মাওসেতুং লংমার্চ করে উইঘুরিস্থানের

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত সিলসিলা মুবারক বর্তমান সময় পর্যন্ত যেভাবে এসেছেন এবং ক্বিয়ামত পর্যন্ত যেভাবে জারি থাকবেন


এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে তিনটি স্তর মুবারক রয়েছেন। উনাদের মধ্যে প্রথম স্তর মুবারক-এ হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম তিনি