Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

মহিলাদের জন্য উত্তম আমল হলো ‘পর্দানশীন’ থাকা!


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মহিলারা পর্দার সাথে থাকবে। কেননা যখন তারা বের হয় তখন শয়তান উঁকিঝুঁকি দিতে থাকে।” অর্থাৎ তাদের দ্বারা কোনো পাপ কাজ সংঘটিত করানো যায় কিনা এ চেষ্টা করতে থাকে। নাঊযুবিল্লাহ! পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার

অল্প বয়সে বিয়ে হলে অনেক অসুবিধা (!) কিন্তু সুবিধা কি?


অল্প বয়সে বিয়ে হলে নানান অসুবিধা হয় বলে প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু অল্প বয়সে বিয়ে হলে যে অনেক সুবিধা হয়, সেটার ফিরিস্তি কিন্তু প্রচার করা হয় না। যেমন ধরুন- একটা ছেলে ও একটা মেয়ের অল্প বয়সে বিয়ে হলো। এতে তাদের সন্তানটি

ভেঙে যাচ্ছে সমাজ, ভেঙে যাচ্ছে পরিবার, নেপথ্যে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন


প্রচলিত সমাজের মতে, মানুষের মৌলিক চাহিদা হলো- অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা। কিন্তু দ্বীন ইসলামে আরও একটি মৌলিক চাহিদা আছে, সেটা হলো- বিবাহ। কিন্তু মানুষের অন্যতম এই মৌলিক চাহিদাকে বাদ দিয়েছে চক্রান্তকারী ইসলবিরোধীগোষ্ঠীরা। কারন তারা যেমন নিজেরাও ব্যভিচার ও বেহায়াপনার

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওজা শরীফ উনার মধ্যে- পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠকের নাম ও পিতার নামসহ পেশ করা হয়


হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি আমার পবিত্র রওজা শরীফ উনার মাঝে একজন হযরত

ইখলাছ সম্পর্কে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র সূরা জারিয়াত শরীফ উনার ৫৬নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন যে, وَمَاخَلَقْتُ الْجِنَّ وَ الْاِنْسَ الَّا لِيَعْبُدُوْنَ. অর্থ: “আমি জিন ও ইনসান (মানুষ) সৃষ্টি করেছি একমাত্র আমার ইবাদত

বিশ্বের সবচাইতে বেশি নারী নির্যাতন এবং নারী অধিকার খর্ব করে যে সব দেশ


১. সম্ভ্রমহরণ ও শ্লীলতাহানি হয়রানি: যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ৪৫ সেকেন্ডে সম্ভ্রমহরণের শিকার হয় একজন নারী আর বছরে এই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় সাড়ে ৭ লাখে। (সূত্র: দি আগলি ট্রুথ, লেখক মাইকেল প্যারেন্টি)। আর ব্রিটেনে প্রতি ২০ জনের মধ্যে একজন নারী ধর্ষিত হয়। ২.

আপনার ইচ্ছার স্বাধীনতার কর্মফল আপনাকেই ভোগ করতে হবে


আমাদের সমাজে কিছু অশিক্ষিত অর্ধ শিক্ষিত এবং কুশিক্ষিত লোক আছে, যারা কোনো বিষয় পূর্ণ জ্ঞান অর্জন না করেই দ্বীনি বিষয় নিজেদের ভুল মতামত প্রকাশ করে নিজে এবং তাদের অনুসারীদের জাহান্নামে নিয়ে যায়। এই সব লোকেরা দ্বীন ইসলাম উনার নানা বিষয়ে নানা

নির্দিষ্ট মাযহাব মানা বা অনুসরন করা ফরয


সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে চার মাযহাব উনাদের যেকোনো একটি নির্দিষ্ট মাযহাব মানা বা অনুসরণ করা ফরয। এ বিষয়ে অকাট্ট যুক্তি ও দলীল প্রমাণ বিদ্যমান রয়েছে। তা নিম্নে আলোচনা করা হলো: সম্মানিত শরীয়ত উনার মাসয়ালাগুলি দু’প্রকার। ১। যা পবিত্র কুরআন শরীফ ও

আউওয়ালু শাফিয়িন, আউওয়ালু মুশাফ্ফায়িন, আউওয়ালু মাঁইইয়ুর্হারিক হালক্বাল জান্নাহ, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ‘বিশ্বনেতা’, ‘মহামানব’, ‘মহাপুরুষ’ ইত্যাদি শব্দ দ্বারা সম্বোধন করা প্রসঙ্গে!


لا تجعلوا دعاء الرسول بينكم كدعاء بعضكم بعضا. অর্থ: “তোমরা পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে সম্বোধন করে থাক, সেভাবে তোমাদের যিনি রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন কর না।” (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৩)

সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে কতিপয় মৌলিক আক্বীদা ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়


عقيدة (আক্বীদা) অর্থ: দৃঢ় বিশ্বাস, ধর্মমত, দ্বীনিমত। হাক্বীক্বী মু’মিন, হাক্বীক্বী মুসলমান হওয়ার জন্য সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে আক্বীদা বিশুদ্ধ হওয়া আবশ্যক। কেননা উনার মুবারক শানে বিশুদ্ধ আক্বীদাই ঈমানের মূল।

যিকরুল্লাহ, যুলখলক্বিল আযীম, যুছছিরাত্বিল মুসতাক্বীম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক উচ্চারণ বা স্মরণ করার হাক্বীক্বী আদব


لا تجعلوا دعاء الرسول بينكم كدعاء بعضكم بعضا অর্থ: তোমরা একে অপরকে যেভাবে আহ্বান করে থাকো, সেভাবে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে আহ্বান করো না। (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৩) উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার

পবিত্র ছহীহ্ হাদীছ শরীফ ও পবিত্র দ্বয়ীফ হাদীছ শরীফ উনাদের প্রসঙ্গে কিছু কথা!


মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিায়াল্লাহু তা’য়ালা আনহুমগণ উনাদের ও হযরত তাবিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের কথা, কাজ ও মৌন সম্মতিকেই পবিত্র হাদীছ শরীফ বলে।