Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

যে ব্যক্তি আহলে বাইত আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বতে ইন্তিকাল করবে তার কবর হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা সর্বদায় যিয়ারতে মশগুল থাকবেন


এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عن حضرة جرير بن عبد الله البجلى رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الا و من مات على حب ال (سيدنا حضرة) مـحمد صلى الله

মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত সিলসিলা মুবারক এবং ইলমে তাছাউফ উনার সম্মানিত সিলসিলা মুবারক উনাদের মধ্যে পার্থক্য


ইলমে তাছাউফ উনার সম্মানিত সিলসিলা মুবারক: একজন ওলীআল্লাহ তিনি উনার সম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার পূর্বে উনার সম্মানিত মূল নিয়ামত মুবারক উনার খাছ মুরীদকে হাদিয়া করে যান। তিনি আবার উনার খাছ মুরীদকে, তিনি আবার উনার খাছ মুরীদকে। এইভাবে ইলমে তাছাউফ

সাইয়্যিদাতুন নিসায়িল আলামীন উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত পবিত্রতা মুবারক


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্রতা মুবারক সম্পর্কে স্বয়ং যিনি খ¦ালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, اِنَّـمَا يُرِيْدُ اللهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ اَهْلَ الْبَيْتِ وَيُـطَـهِّـرَكُمْ تَطْهِيْرًا. অর্থ: “হে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত

পবিত্রতম আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্রতম মুহব্বত হাছিলের জন্য প্রত্যেক মুসলমান সন্তানদেরকে আদব শিক্ষা দেয়া ফরয


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত হয়েছেন, عن حضرة علي كرم الله وجهه عليه السلام قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أدِّبُوا أوْلادَكُمْ على ثلاثِ خِصالٍ حُبَّ نَبِيِّكُمْ وَحُبَّ أهْلِ بَيْتِهِ وقِراءَةِ القُراٰنِ الكريـم . অর্থ: হযরত কাররামাল্লাহু

মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের এবং আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মধ্যে পার্থক্য


এটি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেকে মনে করে থাকে যে, যিনি আওলাদে রসূল তিনিই আহলু বাইত শরীফ। আওলাদে রসূল এবং আহলু বাইত শরীফ উনাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। নাঊযুবিল্লাহ! আবার অনেকে মনে করে থাকে যে, আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত হাদিয়া আশার আলাইহাস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক


পরিচিতি মুবারক: সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত হাদিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নাম মুবারক হচ্ছেন হযরত উম্মে হাবীবা বিনতে আবি সুফিয়ান আলাইহাস সালাম। তিনি কুরাইশ গোত্রের উমাইয়া শাখার অন্তর্ভূক্ত। হযরত হাবীবাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার মেয়ের নাম, সেজন্য

মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত শান মুবারকসমূহ অত্যন্ত সূক্ষ্ম থেকেও সূক্ষ্মতর


আরবী ক্বাওয়ায়িদ বা ব্যাকরণ অনুযায়ীاَهْلُ بَيْتٍ (আহলু বাইত) মুরাক্কাবে ইদ্বাফী হয়েছে। অর্থাৎ اَهْلُ (আহাল) শব্দ মুবারকখানা হচ্ছেন মুদ্বাফ আর بَيْتٍ (বাইত) শব্দ মুবারকখানা হচ্ছেন মুদ্বাফ ইলাইহ। اَهْلُ (আহাল) শব্দ মুবারক উনার অর্থ মুবারক হচ্ছেন অধিবাসী, পরিবার-পরিজন, লোকজন, বাসিন্দা, সদস্য, আত্মীয়-স্বজন ইত্যাদি।

প্রশাসনের মধ্যে ইসলামবিদ্বেষীদের অনুপ্রবেশ সরকারের জন্য বুমেরাং হবে


সম্প্রতি কিছু ইসলামবিদ্বেষীদের নড়াচড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিদেশী এজেন্ট গণমাধ্যম আর কিছু গ্রন্থ প্রকাশনা সংস্থার উপর ভর করে এসব অবাঞ্চিত মহল এদেশে নাস্তিক্যবাদ, সমকামিতা, নারী স্বাধীনতা আর প্রগতিশীলতার নামে বেপরোয়াভাবে ইসলামবিদ্বেষমূলক কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। এরা মুসলমান সমাজে বাস করে, মুসলমানদেরটা খেয়ে-পরে

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে তাজদীদ মুবারক


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, لَّا تَجْعَلُوا دُعَاءَ الرَّسُولِ بَيْنَكُمْ كَدُعَاءِ بَعْضِكُم بَعْضًا অর্থ: “তোমরা পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে সম্বোধন করো, সেভাবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন করো না।” (পবিত্র সূরা নূর: আয়াত

শনাক্তকরণে আঙ্গুলের ব্যবহারের দলীল


শুনে আশ্চর্য হবেন শনাক্তকরণে আঙ্গুলের ব্যবহারের দলীল রয়েছে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে – أَيَحْسَبُ الْإِنسَانُ أَلَّن نَجْمَعَ عِظَامَهُ “মানুষ কি মনে করে যে, আমি তার অস্থিগুলি একত্রিত করতে পারব না?” এই পবিত্র আয়াত

মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই সাক্ষ্য দিচ্ছেন- মুসলমানদের চিরশত্রু বেদ্বীন-বদদ্বীনরা মুসলমানদের প্রকাশ্যে ও গোপনে ক্ষতিসাধনে লিপ্ত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يٰاَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لا تَتَّخِذُوا بِطَانَةً مِّن دُونِكُمْ لا يَأْلُونَكُمْ خَبَالا وَدُّوا مَا عَنِتُّمْ قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاءُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ وَمَا تُخْفِي صُدُورُهُمْ أَكْبَرُ قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الْآيَاتِ إِن كُنتُمْ تَعْقِلُونَ অর্থ: হে মু’মিনগণ! আপনারা

একটি পর্যালোচনা: ‘আমার সোনার বাংলা’ নামক গীতিকা হিন্দুদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য লিখিত!


আমার সোনার বাংলা বাংলাদেশের কথিত জাতীয় সঙ্গীত হলেও এর রচনার মূলে ছিল রবীন্দ্রের মুসলিম বিদ্বেষী মনোভাব এবং বাংলাদেশ সৃষ্টির বিরুদ্ধাচরন। ১৯০৫ ঈসায়ী সালে বঙ্গভঙ্গ আইনের দ্বারা বাংলা প্রদেশকে ভাগ করে পূর্ব বাংলা এবং পশ্চিম বাংলা নামে দুটি প্রদেশে রূপান্তর করা হয়।