Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

ইবলীসের প্রকৃত অনুসারী এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী উরফে লা’নাতুল্লাহ নারবাসী


ইবলীস সে জিন জাতীর অর্ন্তভুক্ত। সে আবিদ, আলিম ও ওয়ায়িজই শুধু ছিল না উপরন্তু সে ছিল মুয়াল্লিমুল মালাকূত অর্থাৎ হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম উনাদের শিক্ষক। এরপরও সে কিন্তু মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নবী ও রসূল হযরত আবুল বাশার আদম ছফিউল্লাহ

সক্ষমতা না থাকার পরও ভারতের হাতে চট্টগ্রাম এবং মংলা- এ প্রধান দুই বন্দরের ট্রানজিট দিলে ধ্বংস হবে দেশের আমদানি-রফতানী।


ধ্বংস হবে বাণিজ্যিক স্থিতিশীলতা; ভারতীয় পণ্যে সয়লাব হবে বাজার। সরকারের উচিত- দেশের স্বার্থে ভারতকে আত্মঘাতী ট্রানজিট না দেয়া। গত ১৬ জানুয়ারী প্রকাশিত এক খবরে জানা গেছে, ভারত শিগগিরই চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার শুরু করবে। জানা যায়, এ ছাড়াও প্রায় ৩০০

মেধা, শ্রম দিয়ে মুসলমান ঘরের সন্তানরাই কাফির মুশরিকদের হাতকে শক্তিশালী করেছে


‘ওয়াইল্ড ওয়েস্ট’ নামে একটি কথা অনেকেই শুনেছে, যার অর্থ হলো ‘বুনো পাশ্চাত্য’। উনবিংশ শতাব্দীতে আমেরিকার টেক্সাস, আরিজোনা এসব অঞ্চলে মরুভূমির মাঝে সাদা চামড়ার খ্রিস্টানদের ছোট ছোট জনবসতি ছিলো। ঐসব অঞ্চলে আইন-কানুন বলতে কিছু ছিলো না, প্রত্যেকের সাথে থাকতো বন্দুক। কিছু হলেই

পবিত্র হাদীছ শরীফের তথ্য কারচুপি করে ডারউইন নিজের নামে চালিয়ে বিজ্ঞানী সেজেছে


হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি বললাম ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক, তিনি আমাকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বপ্রথম কোন জিনিস সৃষ্টি করছেন। তিনি বললেন, হে জাবির

ব্রিটিশ লুটেরাদের ইতিহাস কি ভুলে গেছে এ জাতি?


ইংরেজ নৌদস্যুদের লিডার ‘ক্লাইভ’ পলাশীর যুদ্ধ শেষে মীর জাফরের কাছ থেকে ২ লাখ ৩৪ হাজার পাউন্ড আত্মসাৎ করে রাতারাতি ইংল্যান্ডের শ্রেষ্ঠ ধনীতে পরিণত হয়।” (সূত্র-পি. রবার্টস, হিস্টরী অব ব্রিটিশ ইন্ডিয়া, পৃষ্ঠা ৩৮।) ১) ১৭৫৭ থেকে ১৭৬৫ সাল পর্যন্ত মাত্র কয়েক বছরে

মুক্তমনা কিংবা উদারপন্থী- সবার মাথাব্যথা শুধুই দ্বীন ইসলাম নিয়ে


সমাজে এমন কতিপয় শ্রেণীর লোক বের হয়েছে যারা নিজেদেরকে উপদারপন্থী, প্রগতীশীল, মুক্তমনা, অসাম্প্রদায়িক হিসাবে দাবী করে থাকে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এরা নিজেদেরকে মুক্তমনা হিসাবে দাবী করে থাকলেও মূলত এদের কাজই হলো- পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সম্পর্কে কটুক্তি করে এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম

আপনার সন্তান যেভাবে ইসলামবিমুখ হচ্ছে


বর্তমানে আমাদের দেশের পাঠ্যবইগুলোর বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য হলো- -বইগুলোতে হিন্দু কবি-সাহিত্যিকদের লেখা কবিতা, গল্প, রচনাকে গুরুত্বসহকারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে -তাছাড়া অহিন্দু যেসব লেখক রয়েছে তারাও কেউ নাস্তিক, কেউ নাট্যকার-অভিনেতা, কেউ ছবি-মূর্তির শিল্পী। অর্থাৎ যারা ইসলামবিমুখ তাদের লেখাকেই সিলেবাসে গুরুত্ব সহকারে অন্তর্ভুক্ত

যেভাবে এলো দ্বীন ইসলাম ব্যতিত অন্যান্য কথিত ধর্ম-বর্ণ!


দাড়বিহীন নৌকা দিক নির্দেশনাহীন, অজানা গন্তব্যের দিকে ধাবিত। আর এরকম দাড়বিহীন নৌকার যাত্রীরা তারাই যারা গন্ডমুর্খ, অথর্ব, বর্বর, অসভ্য, ভবিষ্যত ভাবনাহীন বিকৃত মস্তিকসম্পন্ন, অন্ধকার কালিমাচ্ছন্ন ভগ্ন হৃদয়ের অধিকারী হতভাগ্য কুলাঙ্গার। বোধ-জ্ঞানের বিন্দুমাত্র কারো মধ্যে থেকে থাকলে সে এরকম নৌকার আরোহী হয়না

নামাজ পড়ুন… 🌸🌿🌼🍃


আপনার জীবনে যাই ঘটুক না কেন নামাজ পড়ুন। আপনি যে পাপই করেন না কেন, যত পরিমাণই করেন না কেন, নামাজ পড়ুন। কোন অজুহাত দেখাবেন না। কোন কোন বোন এসে বলেন, ভাই, আমি তো হিজাব পরি না। আমি তাকে বলি, নামাজ পড়ুন।

” সন্ত্রাসবাদ একটি বিভ্রান্তির নাম “


সউদী আরব এবং ইসলামিক স্টেট এই দুইই সালাফি আদর্শে বিশ্বাসী রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। যে আল-কায়েদা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আইএস-এর জন্ম, সেই আল-কায়েদার জন্ম হয়েছে সউদী আরবেরই প্রত্যক্ষ্য সহযোগিতায়। সউদী আরবপন্থি সালাফিদের সাথে আল-কায়েদাপন্থি সালাফিদের প্রধান মতপার্থক্যের বিষয় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর উপস্থিতি। এভাবেই

ব্রিটিশ আমলে ইংরেজি শিখলেই কী মুসলমানরা উদ্ধার হয়ে যেতো? (১)


উপমহাদেশের, বিশেষত বাংলাদেশের প্রচলিত ইতিহাসের বইগুলোতে মুসলমানদের তাচ্ছিল্য ও হিন্দুদের প্রশংসা শুরু হয় ব্রিটিশ আমলে হিন্দুদের দ্বারা ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণ করা নিয়ে। এই এক ছুতো ধরে হিন্দু সম্প্রদায়কে শিক্ষানুরাগী, জ্ঞানী, প্রগতিশীল এসব উপাধি দিতে দিতে রীতিমতো আকাশে তুলে ফেলা হয়, আর

ক্ষুদ্র জ্ঞান দিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরতের ব্যাখ্যা না খুঁজে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আত্মসমর্পন করাই বুদ্ধির কাজ!


বিজ্ঞান জ্ঞানের বড়াই করে। জ্ঞানের কতটুকু বিজ্ঞানের কাছে আছে। বিজ্ঞান বাস্তবতার নিরিখ করে তাই ঘোষণা করে। একটি সরষে দানার মধ্যে কী করে একটি পুরা গাছের নিঁখুত বৃত্তান্ত রেকর্ড থাকে তা কী বিজ্ঞান বলবে? অলৌকিক ঘটনার ব্যাখ্যা বিজ্ঞানীদের অজানা। আসলে মহান আল্লাহ