Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

অবশেষে মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার তাজদীদী প্রভাবে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের সুমহান দিবস ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপনের ঘোষণা দিলো সউদী ওহাবী সরকার


ওহাবীদের আক্বীদা বিশ্বাসই হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহিমান্বিত শান-মান মুবারকের খিলাফ বলা। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উসীলা দিয়ে দুআ করা যাবে না। নাউযুবিল্লাহ! অন্যান্য সম্মানিত ব্যক্তিদের মতোই উনার

যে বা যারা সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ কাজ করে, তাদেরকে অনুসরণ করা জায়িয নেই। তারা অনুসরণের অযোগ্য


আমরা প্রত্যেকেই কাউকে না কাউকে অনুসরণ করে থাকি। তবে বাজার দরে সবাইকে অনুসরণ করা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম, সম্মানিত শরীয়ত উনার সম্পূর্ণ খিলাফ ও গুনাহের কাজও বটে। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সম্মানিত কালাম পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক

আসমাউর রিজাল, জারাহ ওয়াত তা’দীল, উছুলে হাদীছ শরীফ উনার অপব্যাখ্যা করে অসংখ্য ছহীহ হাদীছ শরীফ উনাকে জাল বলছে ওহাবী সালাফীরা।


জারাহ করার বিষয়ে পূর্ণ ইলিম ছাড়া নফসানিয়াত প্রকাশ পেলে বুখারী শরীফ মুসলিম শরীফসহ অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার কিতাবেও জারাহ হয়ে যাবে: হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ইমরান ইবনে হিত্তান সূত্রে পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন। অথচ ইমরান ইবনে হিত্তান

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার বেমেছাল সম্মানিত তা‘য়াল্লুক-নিসবত মুবারক


মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত শান মুবারক-এ আখাচ্ছুল খাছ বিশেষ তিনখানা সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ, যেই সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফসমূহ মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম

সাইয়্যিদুনা মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আমি আপনার আলোচনা বা সম্মান মুবারক উনাকে বুলন্দ করেছি।” মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার

হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে মুহব্বত করা সম্ভব হবে


(হে হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনি (বান্দা-বান্দি, উম্মতদেরকে) জানিয়ে দিন বা বলে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান বা বিনিময় চাচ্ছি না আর তোমাদের পক্ষে তা দেওয়া কস্মিন কালেও সম্ভব নয়। তবে তোমাদের দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে আমার যারা

সিরিয়াস কৌতুক


উগান্ডার মহারানী বেরিয়েছেন শিকারে। তিনি তাঁর মন্ত্রীদের জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আজকে আবহাওয়ার পূর্বাভাস কী? ঝড়বৃষ্টি কি হবে?’ মন্ত্রীরা বলল, ‘জি না, আজ আবহাওয়া অত্যন্ত চমৎকার। ঝড়বৃষ্টি হওয়ার কোন সম্ভবনা নাই।’ রানী শিকারে চলেছেন। পথে দেখা একজন ধোপার সঙ্গে। রানীকে সে বলল, ‘মহারানী,

রতের যে গ্রামের মেয়েদের প্রধান পেশা অনৈতিক কাজ; পরিবারের পুরুষরা তাদের দালাল!


ভারতে বসবাসরত মুসলিম নারীরা যালিম ও সন্ত্রাসী মুশরিকদের দ্বারা যেভাবে নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। যারফলে খোদায়ী গযবে তারা নিজেরাই বর্তমানে কঠিনভাবে পর্যদুস্ত। রাজস্থান ভারতের একটি গ্রাম। রাজধানী দিল্লি থেকে এই গ্রামের দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার। এই গ্রামের অধিকাংশ মেয়েই

‘ভালোবাসা দিবস’ নামক অপসংস্কৃতি তো সংবিধানের সাথেও সাংঘর্ষিক


সংবিধানের ২৩নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘রাষ্ট্র জনগণের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার রক্ষণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’ সংবিধানের ১৫(গ) ধারায় বলা হয়েছে, “যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার।” সংবিধানের ১৮(১) ধারায় বলা আছে, “মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার

রাজাকার ধর্মব্যবসায়ী আর নাস্তিকরা স্বাধীনতা ব্যবসায়ী


রাজাকার আর নাস্তিকদের মধ্যে একটি গভীর মিল রয়েছে। হা হলো, এরা এদের অপকর্ম ঢাকতে তাদের খোলসটি বিক্রি করে দেয়। যেমন রাজাকাররা ১৯৭১-এ তাদের খুন-সম্ভ্রমহরণ এবং লুন্ঠনের অপকর্ম ঢাকতে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাদের বিক্রি করে। এদের বলা হয় ধর্মব্যবসায়ী, যারা সৃষ্টির নিকৃষ্ট

বিধর্মীরা মুসলমানদের খাদিম…


বিধর্মীদের আবিষ্কৃত তৈরিকৃত যন্ত্রপাতি, আসবাব ইত্যাদি ব্যবহার নিয়ে অনেকেই মুসলমানদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে থাকে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যেহেতু মুসলমানদের জন্য কাফির-মুশরিক তথা তাবৎ বিধর্মী অমুসলিমদের সাথে কোনো প্রকার মিল-মুহব্বত

বেহায়াপনা উসকে দেয়া এবং ঈমান কেড়ে নেয়াই ভ্যালেন্টাইন দিবসের উদ্দেশ্য


ভ্যালেন্টাইন ডে পালনের মাধ্যমে মুসলমান একদিক থেকে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার নির্দেশ অমান্য করছে, বেপর্দা হচ্ছে আবার কাফির-মুশরিকদের রছম-রেওয়াজ পালনের দ্বারা ঈমান হারাচ্ছে। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যদি কেউ কোনো মেয়েকে বিয়ে করার ইচ্ছা পোষণ করে থাকে,