Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

ইখলাছ সম্পর্কে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র সূরা জারিয়াত শরীফ উনার ৫৬নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন যে, وَمَاخَلَقْتُ الْجِنَّ وَ الْاِنْسَ الَّا لِيَعْبُدُوْنَ. অর্থ: “আমি জিন ও ইনসান (মানুষ) সৃষ্টি করেছি একমাত্র আমার ইবাদত

বিশ্বের সবচাইতে বেশি নারী নির্যাতন এবং নারী অধিকার খর্ব করে যে সব দেশ


১. সম্ভ্রমহরণ ও শ্লীলতাহানি হয়রানি: যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ৪৫ সেকেন্ডে সম্ভ্রমহরণের শিকার হয় একজন নারী আর বছরে এই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় সাড়ে ৭ লাখে। (সূত্র: দি আগলি ট্রুথ, লেখক মাইকেল প্যারেন্টি)। আর ব্রিটেনে প্রতি ২০ জনের মধ্যে একজন নারী ধর্ষিত হয়। ২.

আপনার ইচ্ছার স্বাধীনতার কর্মফল আপনাকেই ভোগ করতে হবে


আমাদের সমাজে কিছু অশিক্ষিত অর্ধ শিক্ষিত এবং কুশিক্ষিত লোক আছে, যারা কোনো বিষয় পূর্ণ জ্ঞান অর্জন না করেই দ্বীনি বিষয় নিজেদের ভুল মতামত প্রকাশ করে নিজে এবং তাদের অনুসারীদের জাহান্নামে নিয়ে যায়। এই সব লোকেরা দ্বীন ইসলাম উনার নানা বিষয়ে নানা

নির্দিষ্ট মাযহাব মানা বা অনুসরন করা ফরয


সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে চার মাযহাব উনাদের যেকোনো একটি নির্দিষ্ট মাযহাব মানা বা অনুসরণ করা ফরয। এ বিষয়ে অকাট্ট যুক্তি ও দলীল প্রমাণ বিদ্যমান রয়েছে। তা নিম্নে আলোচনা করা হলো: সম্মানিত শরীয়ত উনার মাসয়ালাগুলি দু’প্রকার। ১। যা পবিত্র কুরআন শরীফ ও

আউওয়ালু শাফিয়িন, আউওয়ালু মুশাফ্ফায়িন, আউওয়ালু মাঁইইয়ুর্হারিক হালক্বাল জান্নাহ, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ‘বিশ্বনেতা’, ‘মহামানব’, ‘মহাপুরুষ’ ইত্যাদি শব্দ দ্বারা সম্বোধন করা প্রসঙ্গে!


لا تجعلوا دعاء الرسول بينكم كدعاء بعضكم بعضا. অর্থ: “তোমরা পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে সম্বোধন করে থাক, সেভাবে তোমাদের যিনি রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন কর না।” (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৩)

সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে কতিপয় মৌলিক আক্বীদা ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়


عقيدة (আক্বীদা) অর্থ: দৃঢ় বিশ্বাস, ধর্মমত, দ্বীনিমত। হাক্বীক্বী মু’মিন, হাক্বীক্বী মুসলমান হওয়ার জন্য সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে আক্বীদা বিশুদ্ধ হওয়া আবশ্যক। কেননা উনার মুবারক শানে বিশুদ্ধ আক্বীদাই ঈমানের মূল।

যিকরুল্লাহ, যুলখলক্বিল আযীম, যুছছিরাত্বিল মুসতাক্বীম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক উচ্চারণ বা স্মরণ করার হাক্বীক্বী আদব


لا تجعلوا دعاء الرسول بينكم كدعاء بعضكم بعضا অর্থ: তোমরা একে অপরকে যেভাবে আহ্বান করে থাকো, সেভাবে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে আহ্বান করো না। (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৩) উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার

পবিত্র ছহীহ্ হাদীছ শরীফ ও পবিত্র দ্বয়ীফ হাদীছ শরীফ উনাদের প্রসঙ্গে কিছু কথা!


মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিায়াল্লাহু তা’য়ালা আনহুমগণ উনাদের ও হযরত তাবিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের কথা, কাজ ও মৌন সম্মতিকেই পবিত্র হাদীছ শরীফ বলে।

মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত নবী হযরত ইউশা বিন নুন আলাইহিস্ সালাম উনার উপর পবিত্র ওহী মুবারক নাযিল করলেন, হে আমার নবী! আপনার উম্মতের মধ্যে ১ লক্ষ লোককে ধ্বংস করে দেয়া হবে, তাদের মধ্যে ৬০ হাজার লোক সরাসরি গুনাহে লিপ্ত (গুমরাহ)। তখন হযরত ইউশা বিন নুন আলাইহিস্ সালাম তিনি বললেন, আয় মহান আল্লাহ পাক! ৬০ হাজার লোক সরাসরি গুনাহে লিপ্ত তাই তারা ধ্বংস হওয়ার উপযুক্ত। কিন্তু বাকী ৪০ হাজার লোককে ধ্বংস করা হবে তার কি কারণ? তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, যেহেতু তারা গুনাহে লিপ্ত লোকদের সাথে মিলা-মুহব্বত ও উঠা-বসা করে এবং তাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখে এবং তাদেরকে গুনাহের কাজে বাধা দেয় না, তাই তাদেরকেসহ ধ্বংস করে দেয়া হবে এবং ধ্বংস করে দেয়া হলো। নাঊযুবিল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একজন আরেকজনের বন্ধু। মু’মিনদের মধ্যে যে ব্যক্তি বিধর্মীদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে, সে তাদের দলভুক্ত বলেই গণ্য হবে।’ নাউযুবিল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ

পবিত্র ১৯ শাওওয়াল শরীফ বিশেষ নিয়ামত লাভের বিশেষ দিন ॥ সকল মু’মিন-মু’মিনা, সালিক-সালিকার স্মরণীয় দিন


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وذكرهم بايام الله ان فى ذلك لايات لكل صبار شكور. অর্থ: “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার দিনগুলির কথা স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই উহার মধ্যে

দ্বীন ইসলাম গ্রহণ না করা পর্যন্ত কাফির-মুশরিকদের সবকিছু বাতিল ও অগ্রহণযোগ্য!


ভারতের মুসলিম শাসনামলে হিন্দুরা মুসলমান শাসকদের অধীনে চাকরি করতে চাইলে হিন্দু থেকে মুসলমান হতে হতো না। তবে হিন্দুদেরকে সেক্ষেত্রে ফারসী ভাষা শিখতে হতো এবং মুসলমানদের ন্যায় পোশাক পরতে হতো। তবে যেহেতু তারা অন্তরের দিক দিয়ে হিন্দুই থেকে যেত, সেহেতু তারা বাড়িতে

মুক্তিযুদ্ধের দলিল প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো দ্বীন ইসলাম উনার স্বার্থ বজায় রেখে!


বাংলাদেশের আলো বাতাসে হৃষ্টপুষ্ট, কিন্তু বিদেশীদের উচ্ছিষ্টভোগী কিছু নাস্তিক মহল আছে যারা প্রচার করে থাকে, ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’। এই প্রচারণার ভিত্তিতেই তারা বাংলাদেশের সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলের কথা বলে থাকে। অথচ ১৯৭১ সালে সংগঠিত মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি কখনোই ধর্মনিরপেক্ষতা ছিলো