Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার যে কোন বিষয়ে কার ফতওয়া সঠিক ও গ্রহন করা ফরয ও কার ফতওয়া গ্রহন করা হারাম?


পবিত্র ক্বুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনার আলোকে দুই জনের ফতওয়ার সাথে বিপরীত বা পরস্পর বিরোধী হলে, তাদের দুই জনের বাহ্যিক আমলকে যাঁচাই করা ও তল্লাশী করা ফরয। তা হলো:- ১। প্রথমেই তাদের দুই জনের, কে ফাসিক ও কে মুত্তাক্বী এটা

বাল্যবিবাহমুক্ত এলাকা ঘোষণা করার আসল রহস্য কি? 


ইদানীং পত্র-পত্রিকা-মিডিয়াতে একটি সংবাদ খুব হাইলাইট করে প্রচার করা হয়। সেটা হলো- আজ অমুক জেলা, কাল অমুক উপজেলা কিংবা ইউনিয়নকে বাল্যবিবাহ মুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম বিষয়ে জাহিল প্রশাসন এবং বিদেশী বিজাতি এনজিও গং খুব তৎপরতার সাথে জেলা,

কাম, ক্রোধ ও লোভ এই তিনটি রিপু বা স্বভাব মানুষকে অন্ধ করে বিপথে বা ধ্বংসের দিকে পরিচালনা করে।


কাম, ক্রোধ ও লোভ এই তিনটি রিপু বা স্বভাব মানুষকে অন্ধ করে বিপথে বা ধ্বংসের দিকে পরিচালনা করে। এই তিন মহা শত্রু যা মানুষের নিজের মধ্যেই পালিত হয়। তাই অবশ্যই কমপক্ষে নিয়ন্ত্রণ এবং বেশির পক্ষে এই রিপুগুলো ত্যাগ করতে হবে। মানুষের

স্রষ্টা ছাড়া সৃষ্টি!


মানুষ স্বভাবগতভাবেই ধার্মিক, সে ধর্ম ছাড়া স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেনা। যেমন সে স্বভাবগতভাবেই সামাজিক, সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একাকী বসবাস করতে পারেনা, সামাজিকতা ও ধার্মিকতা মানুষের স্বভাবজাত ব্যাপার। এজন্য যারা ঈমানের দৌলত ও দৃঢ়বিশ্বাসের শীতলতা থেকে বঞ্চিত, তাদের জীবনের প্রকৃত

সরকারকে অবশ্যই ১লা বৈশাখের সরকারি ছুটি বাতিল করতে হবে


বাংলাদেশ শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ। তাই এই দেশে পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রাধান্য পাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবে তার বিপরীত দেখা যাচ্ছে। পহেলা বৈশাখ আসলেই সারাদেশে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই একাকার হয়ে উৎসব পালন করে বেড়ায়। তখন দেখে বুঝবার

জনসংখ্যার নিম্নহার সমস্যায় ভুগছে বেশ কয়েকটি দেশ


বর্তমানে জনসংখ্যার নিম্নহার সমস্যায় ভুগছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, যেমন জার্মানি, লাটভিয়া। জাপানের নিম্ন জন্মহার তো এখন সরকারের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ১৯৫০ সালে চীনের জন্মহার ছিল ব্যাপক। ফলে জনসংখ্যা ৫০ কোটি থেকে বেড়ে ১৪০ কোটিতে পৌঁছে যায়। এরপর জন্মহার কমাতে

পূজা-পার্বণের সময় এদের ‘মানবতা’ কোথায় থাকে? 


বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৯৮ ভাগই হচ্ছে মুসলমান। এ কারণে এদেশের সংবিধানে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে রাষ্ট্রদ্বীন হিসেবে বহাল রাখা হয়েছে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও উপজাতি সবমিলে রয়েছে মাত্র ২ ভাগ। ওদের যে কোনো কল্পিত ধর্মীয় উৎসবের সময় দেখা যায় সরকার স্বয়ং

ফিতনাবাজ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীরাই মহিলাদেরকে মসজিদে জামায়াতে নামায পড়ানোর জন্য উৎসাহিত করে


মুসলিম মহিলাদের জন্য যেকোনো প্রকারের নামায জামায়াতের সাথে আদায় করার জন্য মসজিদ বা ঈদগাহে গমন করা সম্মানিত ইসলামী শরীয়া অনুযায়ী কবীরা গুনাহ ও কুফরী। এই আমলে মহিলাদের জন্য বিন্দু পরিমাণ নেকীতো নেই; বরং কঠিন কবীরা গুনাহ হবে। কারণ উম্মুল মু’মিনীন আছ

প্রসঙ্গ: শহীদ আসাদ দিবস শহীদদের স্মরণে মূর্তি-ভাস্কর্য, স্মৃতিসৌধ, শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন -ইসলামী শরীয়ত কী বলে? 


আমাদের দেশে প্রতি বছর ২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ দিবস পালন করা হয়ে থাকে। ১৯৬৯ সালের এই দিনে পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খান সরকারের বিরুদ্ধে এ দেশের ছাত্রসমাজের ১১-দফা কর্মসূচির মিছিলে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হয় ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি

পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠকালে সালাম পেশ করার তরতীব 


পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠকালে সালাম দাঁড়িয়েই দিতে হবে। এটাই মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারক এবং মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশ মুবারক। যেমন: পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- إِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَه يُصَلُّوْنَ

দেশে সরকারিভাবে সব নাগরিকের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করতে হবে 


মুসলমানের জান-মাল রক্ষা করা যেমন ফরয, তেমনি তা রক্ষার জন্য জিহাদী যোগ্যতাও অর্জন করা জরুরী। পবিত্র মুসলিম শরীফ’ ও ‘মুসনদে আহমদ শরীফ’ উনাদের মধ্যে রয়েছে- হযরত সালমান ইবনে আকওয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে

সঙ্গদোষ


সঙ্গদোষে পড়ে কম্বল খায় লাঠির মার, কম্বল তবু নির্দোষ গায়ে ধুলাবালি তার। সঙ্গদোষে লোহাও ভাসে লোহার ধর্ম তা নয়, কর্দমা আর কস্তুরিতে চলছে সুবাস প্রণয়। সঙ্গদোষে যাবজ্জীবন কষ্টভোগের গ্লানি, সঙ্ঘজীবী মানুষ তবু সঙ্গের হানাহানি।