Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

মাহে শাওওয়াল শরীফ উনার আইয়ামুল্লাহ শরীফ:


৫ মাহে শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪০ ১ শাওওয়াল শরীফ: ঈদে বিলাদতে সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম। এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর। ০৪ শাওওয়াল শরীফ: ঈদে বিলাদতে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম। ১৪ শাওওয়াল শরীফ: ঈদে বিলাদতে হযরত মুজাদ্দিদে

সম্মানিত শায়েখ তথা ওলীআল্লাহ উনার নিকট বাইয়াত হওয়া ফরজ


এখন তো মহাসম্মানিত হাবীব মহাসম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি সরাসরি আমাদের মধ্যে নেই। তাই এখন উনার যিনি বা তারা ওয়ারিছ, নায়েবে নবী, ওয়ারাছাতুল আম্বিয়া, ওলীআল্লাহ উনারা যাঁরা আছেন উনাদেরকেই অনুসরন করতে হবে। মহান আল্লাহ

বাল্যবিবাহ নিয়ে নিজের মত পেশ করার আগে সতর্ক হোন!


নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিছবাতুল আযীমাহ মুবারক হয় স্বয়ং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশে। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক

পবিত্র হাদীছ শরীফ মুতাবিক বিধর্মী ও কাফিরদের প্রশংসা করা নাজায়িজ!


ফাসিকদের প্রশংসা প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যখন কোন ফাসিক লোকের প্রশংসা করা হয় তখন মহান আল্লাহ পাক এতোটা অসন্তুষ্ট হন যে, পবিত্র আরশে আযীম উনার খুঁটিগুলো (ভয়ে) প্রকম্পিত হতে থাকে।” ফাসিক কাকে বলে? ফাসিক হচ্ছে ঐ

পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মূল শিক্ষাই হচ্ছে- তাক্বওয়া। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অধিক সম্মানিত যে ব্যক্তি অধিক মুত্তাক্বী। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মূল শিক্ষাই হচ্ছে- তাক্বওয়া। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মাধ্যমে অর্জিত তাক্বওয়া

” খাদিজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনার ফাযায়িল-ফযিলত মুবারক “


আনুষ্ঠানিকভাবে ওহী নাযিল মুবারক নাযিল হওয়া শুরু হলে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রথম উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে অবহিত করেন। তিনিই সর্বপ্রথম পবিত্র ইসলাম গ্রহণ করেন। হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, উম্মুল মু’মিনীন

আপনাকেই বলছি! দুনিয়ার বাড়ি-ঘরতো করা হলো, আখিরাতের বাড়ি-ঘর করা হয়েছে কি?


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন সম্মানিত মিরাজ শরীফে তাশরীফ মুবারক নেন তখন দেখলেন একটি মনোরম বালাখানা তৈরি হচ্ছে; কিন্তু হঠাৎ কাজ বন্ধ হয়ে গেল। তখন বিষয়টি উম্মতদেরকে অবহিত

” পবিত্র সূরা আল ক্বদর শরীফ উনার ছহীহ তরজমা বা ব্যাখ্যা “


” পবিত্র সূরা আল ক্বদর শরীফ উনার ছহীহ তরজমা বা ব্যাখ্যা “ পবিত্র আয়াত শরীফ : ৫, পবিত্র রুকু মুবারক : ১ পবিত্র মক্কা শরীফ উনার বরকতময় স্থানে নাযিল করেছেন। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে এই পবিত্র সূরা মুবারক ৯৭ তম

লাইলাতুল কদর মহান বরকতময় রাত।


লাইলাতুল কদর মহান বরকতময় রাত! এ রাতেই হিদায়েতের বাণী নিয়ে পবিত্র আল কুরআন নাযিল হয়েছিল। পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে এ রাতের ফযীলত অনেক বর্ণনা করা হয়েছে। মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেছেন। “কদর রজনী হাজার মাস

প্রতারণার ফাঁদে নাগরিক জীবন। সরকারের নজরদারী নেই।


রকমফের প্রতারণা বন্ধে সম্মানিত ইসলামী আদর্শ বিস্তারের বিকল্প নেই। কী শহর, কী গ্রাম- চারদিকেই প্রতারণার ফাঁদ পাতা। একের পর এক প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। পদে পদে প্রতারিত হয়ে সর্বস¦ খোয়াচ্ছে সহজ সরল মানুষ। সমাজে চলতি পথে প্রতারণার এমনি জাল বিছানো যে,

সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম এবং হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের নাম মুবারক উনার সাথে “আলাইহিস সালাম” ব্যবহারের অকাট্য দলীল!


হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ও হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের নাম মুবারক উনার সাথে “আলাইহিস সালাম” লিখলে ওহাবী, সালাফী ও খারেজীরা বিভিন্ন চু-চেরা করে থাকে। অথচ ‘আলাইহিস সালাম’ লেখা শিয়াদের বৈশিষ্ট নয় বরং আলাইহিস সালাম লেখা পবিত্র

পরকীয়ার কুফল, শাস্তি দুনিয়াতে ও আখেরাতে!


প্রতিদিনই স্বামীর হাতে স্ত্রী, স্ত্রীর হাতে স্বামী, সন্তানের হাতে পিতা-মাতা এবং পিতা-মাতার হাতে সন্তানের প্রাণ হরণের ঘটনা ঘটছে। বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি, ভেঙে যাচ্ছে সংসার। কোনো না কোনোদিন এর শেষ পরিণতি হচ্ছে নৃশংস ঘটনার মধ্য দিয়ে। আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে পারিবারিক কলহ। আমাদের সমাজে