Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

মুসলিম দেশের পাঠ্যপুস্তকে বিধর্মীদের কুফরী শিক্ষায় সয়লাব!!


মুসলিম দেশের পাঠ্যপুস্তকে বিধর্মীদের কুফরী শিক্ষায় সয়লাব!! বাংলাদেশ একটি স্বাধীন মুসলিম দেশ। এদেশ ভারত নয়, ভারতের অঙ্গরাজ্যও নয়। তাহলে এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায়, সরকারি পাঠ্যপুস্তকে কেন অমুসলিম, বিধর্মী, মূর্তিপূজারীদের অপশিক্ষায় সয়লাব? যে দেশের রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম সেদেশে শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রতিটি শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে বেশিরভাগ

দায়েমী যিকির-আযকারের ফাযায়িল-ফযীলত!


দায়েমী যিকির-আযকারের ফাযায়িল-ফযীলত! মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- فَاذْكُرُوا اللَّـهَ قِيَامًا وَقُعُودًا وَعَلَىٰ جُنُوبِكُمْ অর্থ: তোমরা দাঁড়ানো, বসা, শোয়া সর্ববস্থায় মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করো। (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৩) এখন আমরা দাঁড়িয়ে, বসে শুয়ে

মুসলমানদের নীরবতার জন্যই আজ মুসলমান নির্যাতিত!


মুসলমানদের নীরবতার জন্যই আজ মুসলমান নির্যাতিত! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা কোথাও হারাম কাজ হতে দেখলে তা হাতে বাধা দিও, হাতে বাধা দেয়ার ক্ষমতা না থাকলে

মোল্লা-মৌলভী-মাদরাসা নিয়ে বিধর্মীদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও তাদের অতীত ইতিহাস!


মোল্লা-মৌলভী-মাদরাসা নিয়ে বিধর্মীদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও তাদের অতীত ইতিহাস! ব্রিটিশ আমলের পূর্বে যখন ভারতবর্ষে মুসলিম শাসন বিদ্যমান ছিল, তখন গোটা পাক-ভারত উপমহাদেশের প্রশাসনিক ভাষা ছিল ফারসী। যে কারণে তৎকালীন সময়ে বিধর্মীরা যদি সরকারি চাকরি করতে চাইত, সেক্ষেত্রে তাদেরকে ফারসী শিখতে হতো। ফারসী

লালন শাহ নয় লালন সাঁই; বাউল ধর্ম আধ্যাত্ম নয়, দেহতত্ত্ব আর সৃষ্টিকর্তা বলতে তারা বোঝায় অন্য কিছুকে।


লালন শাহ নয় লালন সাঁই; বাউল ধর্ম আধ্যাত্ম নয়, দেহতত্ত্ব আর সৃষ্টিকর্তা বলতে তারা বোঝায় অন্য কিছুকে। ▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪ সাঁই শব্দটি স্বামী শব্দের অপভ্রংশ। যেমন হিন্দুরা তাদের একটি উপাধি গোস্বামীকে গোসাঁই বলে ডাকে। স্বামী শব্দের অর্থ গুরু, প্রভু ইত্যাদি। অশিক্ষিত এবং ইতর

একটি ভুল প্রচার নিরসন! পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক কে ?


একটি ভুল প্রচার নিরসন! পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক কে ? জানি ৯০% মুসলিম উত্তর দিবে “গিরিশ চন্দ্র সেন”। কিন্তু এটি ভুল তথ্য। সর্বপ্রথম বাংলা ভাষায় পবিত্র কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন #মাওলানা_আমীরুদ্দীন_বসুনিয়া ১৮০৮ সালে। এরপর বাংলা ভাষায় পবিত্র কুরআন

মসজিদে চেয়ারে বসে নামায পড়া বিষয়ে দলীল হিসেবে বাদশাহ শাহজাহানের ঘটনাই যথেষ্ট!


মসজিদে চেয়ারে বসে নামায পড়া বিষয়ে দলীল হিসেবে বাদশাহ শাহজাহানের ঘটনাই যথেষ্ট! বাদশাহ শাহজাহান তাঁর শাসনামলে একবার খুজলী-পাচরা, চুলকানী রোগে আক্রান্ত হলে তৎকালীন হাকীম বা ডাক্তার দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য রেশমী কাপড় পরিধানের পরামর্শ দেয়। অতঃপর বাদশাহ তার দরবারের তিনশত মুফতীর

পবিত্র ঈমান ও প্রতিবাদী চেতনা!


পবিত্র ঈমান ও প্রতিবাদী চেতনা! কিতাবে একটি ঘটনা বর্ণিত আছে। একবার এ ব্যক্তি কোনো একটি মজলিসে বসা ছিলো। তার উপস্থিতিতেই কিছু লোক সেখানে উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের নিয়ে কটূক্তিকর কিছু কথা বললো। লোকটি শুনেও না শুনার ভান করে থাকলো। অত:পর

মোগল সেনাপতির ডায়েরী প্রকাশ ও বিধর্মীদের দাবিকৃত মিথ্যা ইতিহাস ফাঁস!


মোগল সেনাপতির ডায়েরী প্রকাশ ও বিধর্মীদের দাবিকৃত মিথ্যা ইতিহাস ফাঁস! বাংলায় মোগল শাসন কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হলো, তার প্রামাণ্য ইতিহাস পাওয়া যায় ‘বাহারিস্তান-এ-গায়বী’ নামক কিতাবে। এই কিতাবটি হচ্ছে মোগল সেনাপতি মির্জা নাথানের দিনলিপি বা ডায়েরী। প্যারিসের মিউজিয়ামে যদুনাথ সরকার আকস্মিকভাবে এই কিতাবটি

যে কারণে চেয়ার-টেবিলে নামায পড়ার বিপক্ষে বলে না তারা!


যে কারণে চেয়ার-টেবিলে নামায পড়ার বিপক্ষে বলে না তারা! বর্তমানে মসজিদ কমিটিগুলোতে দেখা যায়, যে যতবেশি মসজিদে টাকা-পয়সা দেয় বা এলাকায় যে যত প্রভাবশালী তাদেরকেই কমিটির সভাপতি-সেক্রেটারী করা হয়। এ কারণে দেখা যায়, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাতো বটেই পাড়ার বড় বড় সন্ত্রাসীদেরকেও

ভারতীয় পণ্যদ্রব্যগুলো সন্দেহযুক্ত, এগুলো বর্জন করা উচিত!


ভারতীয় পণ্যদ্রব্যগুলো সন্দেহযুক্ত, এগুলো বর্জন করা উচিত! ভারতে গরুকে কথিত দেবতা মান্যকারীরা নিয়মিত গো-মূত্র পান করে। জয়রাম সিঙ্ঘাল বহু বছর ধরে গো-মূত্র পান করে এসেছে সে দাবী করে, গো-মূত্র শুধু রোগ থেকে মুক্তই করে না, এটি পূণ্যের কাজও বটে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!

ক্রীতদাস সাহস হারিয়ে ক্রীতদাসই থেকে যায়!


ক্রীতদাস সাহস হারিয়ে ক্রীতদাসই থেকে যায়! আমি ক্রীতদাস। ত্রীতদাসের যেমন নিজের ইচ্ছা বলে কিছু নাই, অধিকাংশ মানুষের বেলা তাই। সাধারণ ক্রীতদাসের সাথে মানুষের একটু পার্থক্য আছে। ক্রীতদাসের মালিক তার ভরণ-পোষণ করে থাকে এবং ক্রীতদাস তার মালিকের হুকুমের গোলাম হয়ে থাকে। আর