সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় মুসলিম সন্তানরা কি শিখছে? “আধুনিকতার নামে বেহায়াপানা নয় কি?”


বর্তমান সমাজে শিক্ষা ব্যবস্থাকে এতটাই বাড়াবাড়ি পর্যায়ে নেয়া হয়েছে যে, বেপর্দা-বেহায়াপানাকে শিক্ষার অংশ হিসেবে ধরা হচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ! অথচ এটা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ। প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার এই অবনতির মূল কারণ হচ্ছে পাঠ্যপুস্তকগুলো। যেখানে শালীনতার কোন প্রকাশ

দুনিয়ার ” রিযিক পৃথিবীতে আসার পূর্বেই দান করা হয়েছে; কিন্তু পরকালের পাথেয় অর্জন করতে হবে দুনিয়া থেকেই “


পার্থিব জীবন-যাপন করতে অর্থের যেমন প্রয়োজন, তেমনি পরকালে মিযানে হিসাব নিকাশে ছওয়াব প্রয়োজন। এই দুনিয়ায় অর্থ উপার্জনের ব্যবস্থা থাকলেও আখিরাতে ছওয়াব অর্জনের ব্যবস্থা নেই। এই পৃথিবীতেই অর্থ এবং ছওয়াব অর্জন করতে হবে। যারা পরকালের বিষয়টায় উদাসীন তাদের দুঃখের সীমা থাকবে না।

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারীর জন্য শুভ সংবাদ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “হযরত আবু দ্বারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আমির আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার গৃহে উপস্থিত

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অস্বীকার করলে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে


পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত ঈসা রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি দোয়া করেছিলেন, “আয় আল্লাহ পাক! আয় আমাদের রব! আমাদের জন্য আপনি আসমান হতে (বেহেশতী খাদ্যের) খাদ্যসহ একটি খাঞ্চা নাযিল করুন। খাঞ্চা নাযিলের উপলক্ষটি অর্থাৎ খাদ্যসহ খাঞ্চাটি যেদিন

মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পছন্দনীয় ও পবিত্র মাস হচ্ছেন ছফর শরীফ মাস


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আসমান-যমীনের সৃষ্টির শুরু থেকে গণনা হিসেবে মাসের সংখ্যা ১২টি। তন্মধ্যে ৪টি হচ্ছে হারাম বা পবিত্র মাস। এটা সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান। সুতরাং তোমরা এ মাসগুলোতে নিজেদের প্রতি যুলুম

‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ পালন করা- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত


মহান আল্লাহ পাক উনার মা’রিফাত-মুহব্বতে দগ্ধীভূত ব্যক্তি তথা মুসলমানগণ উনারা যে দিনটিকে মা’রিফাত-মুহব্বত লাভের উসীলা সাব্যস্ত করে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অনুসরণে যুগ যুগ ধরে পালন করে আসছেন সেই মুবারক দিনটি ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ হিসেবে মশহুর।

” নাফরমানী ও গোলামী “


বিশ্বখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা এই বাংলার প্রাচুর্যতা দেখে বলেছিলেন- ‘জান্নাতের দরজা’। এই ‘জান্নাতের দরজা’কে করায়ত্ত করার জন্য কাফিরদের ছিলো ব্যাপক খায়েশ। কিন্তু এদেশের মুসলমানদের ঈমানী জোশ আর জযবার কাছে তারা পরাস্ত হয়েছে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এক সময় মুসলমানরা মহান আল্লাহ

বর্তমান কুফরী শিক্ষানীতি পরিবর্তনে সরকারকে বাধ্য করতে হবে


রাশিয়ায় কমুনিস্টরা ক্ষমতা দখল করেই প্রথম যে কাজটি করেছিলো সেটি ছিলো- সম্পূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। কমুনিস্টরা নতুন শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা পর্যন্ত বেশ কয়েকবছর তাদের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখে। এরপর তারা কমুনিজমকে শিক্ষার মূল পাঠ্য করে সেভাবেই পাঠ্যপুস্তকগুলো রচনা করে। কমুনিজমকে বাধ্যতামূলক

অশুভ বা কুলক্ষণ বিশ্বাস করা কুফরী


ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

অতিসত্বর সুন্নতী বাল্যবিবাহ বিরোধী আইন উঠিয়ে নেয়া হোক


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে নিহিত রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২১) এতদ্বসত্ত্বেও ব্রিটিশ কুচক্রীদের

প্রসঙ্গ: মসজিদে চেয়ারে বসে নামায প্রসঙ্গে ইফা’র ফতওয়া পরিবর্তন


‘মসজিদে চেয়ারে বসে নামায আদায় জায়িয নেই’ মর্মে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দেয়া ফতওয়ায় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হওয়ার এক দিনের মাথায় তা অস্বীকার করেছে সংগঠনটি। এভাবে ফতওয়া ঘুরিয়ে ফেলার কারণ সম্পর্কে জানা যায়, বর্তমান সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী এই চেয়ারে বসে নামায আদায় করার

বুড়িগঙ্গার তীরে পবিত্র মসজিদসমূহকে ‘অবৈধ মসজিদ’ বলার সাহস ওদের কে দিলো?


শত শত ড্রেন-নর্দমা দিয়ে রাজধানীর কোটি মানুষের পয়ঃবর্জ্য, হাসপাতাল, কল-কারখানাগুলোর বিষাক্ত বর্জ্য, হাজারীবাগের ট্যানারীর বিষাক্ত বর্জ্যসহ বিভিন্ন বর্জ্য-আবর্জনা নদীতে পড়ে নদী দূষিত হচ্ছে যুগ যুগ ধরে। যা নিয়ে কারো কোনো কথা নেই। নদীর তীরে সরকারি জায়গা দখল করে ক্ষমতাসীনদের দলীয় কার্যালয়,