Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

ভ্যালেন্টাইন ডে থেকে মুসলমানদের অবশ্যই মুক্ত হতে হবে


নতুন নতুন ফাঁদে ফেলে মুসলমানদেরকে বিপদগামী করার জন্য ইহুদী-মুশরিক, নাছারা তথা সকল বিধর্মীদের কু-পরিকল্পনার অন্তঃ নেই। বিভিন্ন বিচিত্র ধরণের উপায়ে, কৌশলে তারা বিভিন্ন দিবস চালু করেছে। আর এর জন্য তারা ব্যবহার করছে মিডিয়া বা সংবাদ মাধ্যমগুলোকে। মুসলমানদের আকর্ষিত করার জন্য তারা

প্রসঙ্গ ভ্যালেন্টাইন ডে: মুসলমান কেন বিধর্মীদের দিবস পালন করবে?


গোটা বাঙালি মুসলিম জাতি একটা ভয়ঙ্কর মহামারি ব্যাধিতে ভুগছে। রোগটা একটা মানসিক ব্যাধি, নাম যার ‘হীনম্মন্যতা’। এই রোগে বেশি আক্রান্ত এদেশের কথিত আঁতেল সমাজ অর্থাৎ তথাকথিত বুদ্ধিজীবী ও সুশীল সমাজ। এদেরকে ব্যবহার করে বিধর্মী-নাস্তিকরা নানাবিধ অপসংস্কৃতির প্রচলন করিয়ে আমাদের যুব সমাজকে

আপনার সন্তান স্কুলে গিয়ে কি পড়ছে, কি শিখছে- সেটা দেখা আপনার ঈমানী দায়িত্ব


আপনি আপনার সন্তানকে স্কুল-কলেজে পাঠিয়ে শিক্ষিত(!) বানাচ্ছেন- এই আশা নিয়ে আপনি তার জন্য কতই না কষ্ট করছেন। তার জন্য কত শত টাকা-পয়সা খরচ করছেন। তার নিয়মিত স্কুলে যাওয়া তদারকি করছেন, পড়াশুনা ঠিকমত করছে কিনা সেটাও দেখাশুনা করছেন। ভালো কথা! কিন্তু আপনি

ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস পালন করা সম্পূর্ণরূপে হারাম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ولا تطع الكافرين والمنافقين অর্থ: ‘তোমরা কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করো না’। যারা ভ্যালেন্টাইন ডে পালন করবে তারা কুফরী করবে। আর তাদের হাশর-নশর ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের সাথেই হবে। কারণ, ইসলামের দৃষ্টিতে মুসলমানদের জন্য ভ্যালেন্টাইন

প্রতিদিন বারবার পড়ার মধ্যে অবশ্যই লক্ষ-কোটি শিক্ষা রয়ে গেছে


একটি বিশেষ বাক্য বা কথা কমবেশি প্রায় আমরা সবাই জানি। ‘মহান আল্লাহ পাক উনার কোনো কাজই হিকমত থেকে খালি নয়’। এ বাক্যটি ঈমানদার-মুসলমান মাত্রই বিশ্বাস করেন। আমরা প্রতিদিন প্রতি রাকয়াতের শুরুতেই যে একটি বিশেষ সূরা শরীফ পাঠ করে থাকি উনার নাম

‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ ঈমান ধ্বংসের একটি পাঁয়তারার নাম


সংবাদ মাধ্যমগুলো খ্রিস্টান, মুশরিকদের অনুষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশেও প্রচার-প্রসারে উঠেপড়ে লেগেছে। কথিত ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ হচ্ছে সে রকম নোংরা অপসংস্কৃতির আরেকটি নাম। এদেশে তথাকথিত ভালোবাসা দিবস প্রচলনকারী হলো- কাট্টা ইসলামবিদ্বেষী ও নাস্তিক ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার প্রাক্তন মালিক শফিক রেহমান। সে ‘যায়যায়দিন পত্রিকার মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে

জগতসমূহের শ্রেষ্ঠ নিয়ামত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- لئن شكرتم لا زيد نكم ولئن كفرتم ان عذابى لشديد. “তোমরা যদি আমার নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করো, তাহলে তোমাদের উপর আমার নিয়ামত আরো বহুগুণে বাড়িয়ে দিবো। আর যদি আমার নিয়ামত পাওয়ার পর অস্বীকার করে

শিক্ষামন্ত্রী নিজেই প্রশ্নফাঁসে জড়িত ?????????


একটি সূত্র দ্বারা প্রমাণিত হয়, শিক্ষামন্ত্রী নিজেই প্রশ্নফাঁসে জড়িত এবং অবশ্যই সেটা কারও কাছ থেকে পাওয়া টাকার বিনিময়ে হয়। সূত্রটা হলো- কেন এ বছর থেকে সব বোর্ডে এক প্রশ্নে পরীক্ষা হচ্ছে ? হয়ত বলবেন- ১) শিক্ষার্থীদের ফলাফলের তারতম্য দূর করা, ২)

ইসলামের দৃষ্টিতে মুসলমানদের জন্য ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস পালন করা সম্পূর্ণরূপে হারাম


তথাকথিত ভালোবাসা দিবস পালন মূলত অভালোবাসা তথা নোংরামীর বিস্তার ঘটায়। পাশ্চাত্যে ভালোবাসা দিবস প্রচলনের পেছনে ছিলো ব্যবসায়ীদের স্বার্থ। পাশাপাশি এদেশে তা প্রবর্তনের পেছনে আছে পাশ্চাত্য গোলাম শফিক রেহমান ও ইহুদী খ্রিস্টানদের সুদূরপ্রসারী ইসলাম বিরোধী স্বার্থ। পশ্চিমাদের খাছ গোলাম, মুনাফিক শফিক রেহমান

সয়াবিন তেল ও সাদা চিনির নামে কি খাচ্ছি ?


টিভিতে বিজ্ঞাপন দিচ্ছে, স্বচ্ছ সয়াবিন তেল। এত স্বচ্ছ আপনি বাপের জন্মেও দেখেননি। স্বচ্ছ সয়াবিন তেলের মধ্যে খারাপ কিছু আছে, সেটাও আপনার মনে আসতে পারে না। একইভাবে সাদা চিনি, এত ফ্রেস, দেখতেই ভালো লাগে। বর্তমানে তীর, ফ্রেশ, প্রাণ বিভিন্ন কোম্পানি এসব স্বচ্ছ

প্রকাশ্যেই হচ্ছে ইসলামবিদ্বেষী কাজ- প্রতিবাদ না করার পরিণতি কখনোই ভালো নয়


কিতাবে একটি ঘটনা বর্ণিত আছে। একবার এ ব্যক্তি কোনো একটি মজলিসে বসা ছিলো। তার উপস্থিতিতেই কিছু লোক সেখানে উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের নিয়ে কটূক্তিকর কিছু কথা বললো। লোকটি শুনেও না শুনার ভান করে থাকলো। অত:পর সে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়ার

আসমাউর রিজাল, জারাহ ওয়াত তা’দীল, উছুলে হাদীছ শরীফ উনার অপব্যাখ্যা করে অসংখ্য ছহীহ হাদীছ শরীফ উনাকে জাল বলছে ওহাবী সালাফীরা।


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ইমামদের ব্যাবহৃত পারিভাষিক ভাষা সমূহের পার্থক্য: হাফিয ইবনে কাছীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, বিশেষ বিশেষ ইমাম উনাদের বিশেষ বিশেষ পরিভাষা রয়েছে, সেগুলো জেনে রাখা আবশ্যক। (ইখতেছারু উলুমিল হাদীছ ১০৫ পৃষ্ঠা) সকল ইমাম উনাদের ব্যবহৃত পরিভাষা একই রকম