Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

হিন্দুরা দেশকে ‘মা’ বলে ডাকে, এর অর্থ কি? একদা হিন্দুরা ভারতবর্ষকে ‘মা’ ডেকে তার সম্ভ্রমহানি করার সমূহ ব্যবস্থা করেছিল


একাত্তরের চরমপত্র অনুষ্ঠানের পাঠক ও প্রখ্যাত সাংবাদিক এমআর আখতার মুকুল তার রচিত ‘কোলকাতা কেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবী’ গ্রন্থে তার ছাত্রজীবনের হিন্দু সহপাঠীদের নিয়ে কিছু স্মৃতি তুলে ধরেছেন। হিন্দুদের বঙ্গভঙ্গ বদকারী সন্ত্রাসী আন্দোলনের পক্ষ ছিল না মুসলমান, বরং ছিল বঙ্গভঙ্গের পক্ষে। ফলশ্রুতিতে এই হিন্দুরা

কোনো রোগই সংক্রামক বা ছোঁয়াচে নয়, তবে ইচ্ছা না হলে কোনো বিশেষ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে খাওয়া-দাওয়া ও এক সাথে অবস্থান নাও করতে পারে


কোনো রোগকে সংক্রামক বা ছোঁয়াচে মনে করা যাবে না। প্রথম ব্যক্তি যেভাবে আক্রান্ত হয় অপরাপর লোকেরাও সেভাবেই আক্রান্ত হয়ে থাকে। সম্মানিত দ্বীনি ইলম উনার অভাবে এবং বেদ্বীন-বদ্বীনদের সাথে মেলামেশার কারণে এই জল্পনা-কল্পনা ও বদ ধারণাগুলো সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে। একই কারণে সম্মানিত

পবিত্র ছফর শরীফ মাস বরকত, রহমত ও রহস্যময় এক মাস


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার পক্ষ থেকে বান্দার প্রতি গণনার সুবিধার্থে দান করা ১২টি মাস উনাদের মধ্যে পবিত্র ছফর শরীফ মাস অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। এ পবিত্র মাস অবারিত রহমত, বরকত, সাকীনা ও মাগফিরাত দ্বারা বেষ্টিত। সুবহানাল্লাহ! এক নজরে পবিত্র ছফর শরীফ

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে যে দেশে, এলাকায় বা অঞ্চলে খুশি প্রকাশ করে পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা হয়, খাদ্যের আয়োজন করা হয়; সে এলাকা খোদায়ী আযাব-গযব ও বালা-মুছীবত থেকে রক্ষা পায়


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে তামাম আলম ও মাখলুকাতের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি।” সুবহানাল্লাহ! পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে যে দেশে, এলাকায় বা অঞ্চলে খুশি প্রকাশ করে পবিত্র মীলাদ

হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনের রাতে সংঘটিত ঘটনা।


হাদীছ শরীফ-এ এসেছে, عن حضرت عروة رضى الله تعالى عنه ان نفرا من قريش منهم ورقة بن نوفل، وزيد بن عمرو بن نفيل، وعبيد الله بن جحش، وعثمان بن الحويرث كانوا عند صنم لهم يجتمعون اليه، فدخلوا عليه ليلة فراوه مكبوبا

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ তারিখ ১২ রবিউল আউয়াল। এটাই সহীহ মত।


সহীহ হাদীস শরীফে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফের তারিখ,বার, মাস সবই বর্ণনা করা আছে। হাফিজে হাদীস হযরত আবু বকর ইবনে আবী শায়বা রহমাতুল্লাহি আলাইহি যেটা বিশুদ্ধ সনদে হাদীস শরীফে বর্ননা করেন- حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ،

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অবশ্যই পবিত্র ইলমে গইব উনার অধিকারী।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমাকে মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব বিষয়ের সমস্ত পবিত্র ইলম মুবারক হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক

পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে একটি বিশেষ দিন‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’


‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ বলতে পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ বুধবার উনাকে বলা হয়। পবিত্র ছফর শরীফ মাস ব্যতীত আর কোনো মাস উনার শেষ আরবিয়া বা বুধবারকে ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ বলা হয় না। যেমন ‘আশূরা’ শব্দটি আরবী

দেশে সরকারিভাবে সব নাগরিকের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করতে হবে


মুসলমানের জান-মাল রক্ষা করা যেমন ফরয, তেমনি তা রক্ষার জন্য জিহাদী যোগ্যতাও অর্জন করা জরুরী। পবিত্র মুসলিম শরীফ’ ও ‘মুসনদে আহমদ শরীফ’ উনাদের মধ্যে রয়েছে- হযরত সালমান ইবনে আকওয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে

পেঁচার মধ্যে কুলক্ষণের কিছু নেই


পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াহ উনাদের আক্বীদাহ হলো, “অশুভ বা কুলক্ষণ বলতে কিছু নেই, তবে সুলক্ষণ বা শুভ বিষয় রয়েছে।” তাই পেঁচার মধ্যে কুলক্ষণের কিছু নেই। অতএব, পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনাকে

মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পছন্দনীয় ও পবিত্র মাস হচ্ছেন ছফর শরীফ মাস


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আসমান-যমীনের সৃষ্টির শুরু থেকে গণনা হিসেবে মাসের সংখ্যা ১২টি। তন্মধ্যে ৪টি হচ্ছে হারাম বা পবিত্র মাস। এটা সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান। সুতরাং তোমরা এ মাসগুলোতে নিজেদের প্রতি যুলুম

মায়ানমার : বাংলাদেশের নিরবতা যাকে বেপরোয়া করেছে


মায়ানমার সরকার বলেছে, “ত্রাণের টাকার লোভে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের ফেরত দিচ্ছে না।” তাদের দাবি- তারা নাকি রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে চায়, কিন্তু আশঙ্কা করছে- ত্রাণের টাকার লোভে বাংলাদেশ তাদের ফেরত দিতে চাইবে না। (http://bit.ly/2h4rPdb) ১) বেশ অনেক বছর আগে থেকেই মায়ানমার রোহিঙ্গাদের মিথ্যা