Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

প্রতি মহল্লায় পবিত্র কুরবানীর হাট থাকা আবশ্যক


আমাদের দেশের শতকরা ৯৮ ভাগ লোক মুসলমান। আর পবিত্র কুরবানী একটি সম্মাানিত আমল। পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে পবিত্র কুরবানী উনার ফাযায়িল-ফযীলত স¤পর্কে অনেক বর্ণনা রয়েছে। কুরবানীদাতা অনেক নেকী হাছিল করে থাকেন । সুবহানাল্লাহ! আবার এই নেক

মুসলমানদের জন্য একমাত্র অনুসরণীয় সৌর বর্ষপঞ্জি হচ্ছে ‘আত তাক্বউইমুশ শামসী’; গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার নয়


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক যিনি বানিয়েছেন সূর্যকে উজ্জ্বল আলোকময় করে আর চাঁদকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে। অতঃপর নির্ধারণ করেছেন এর জন্য মঞ্জিলসমূহ যাতে তোমরা চিনতে পারো বছরগুলোর সংখ্যা

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি মুবারক পাওয়া যায়


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, اَحِبُّوْا اَهْلَ بَيْتِىْ لِحُبِّيْ . অর্থ: তোমরা আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সম্মানিত মুহাব্বতে।” সুবহানাল্লাহ! এখন দেখা যায় যে, সম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস

তারাওতো রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী!! তাহলে উপজাতিরা কি করে ‘কোটা’ সুবিধা পাচ্ছে?


সরকারী আমলারা বারবার ঘোষণা দিয়ে বেড়াচ্ছে- ‘যারা যুদ্ধাপরাধী রাজাকার ও স্বাধীনতাবিরোধী তাদের সন্তান ও বংশধরদেরকে কোন সরকারী সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে না।’ এ সকল আমলাদের নিকট প্রশ্ন হলো- তাহলে ১৯৭১ সালে যে উপজাতিরা তাদের নেতা ত্রিদিবের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলো

পবিত্র কুরবানীর স্পট নির্দিষ্ট করা, সরকার পতনের ফাঁদ নয়তো?


বর্তমান সরকারের পতন ঘটনানোর জন্য বিদেশী শক্তিগুলো অনেক দিন ধরেই চক্রান্ত করে যাচ্ছে, কিন্তু তাদের প্রায় চক্রান্ত এখন পর্যন্ত বিফল। সম্প্রতি সরকারের একটি মহল থেকে পবিত্র কুরবানী স্পট নির্দিষ্ট করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। অথচ এ ধরনের সিদ্ধান্ত জনবহুল বাংলাদেশে বড়

২% বিধর্মীদের জন্য সরকারি অনুদান বনাম ৯৮% মুসলমানের পবিত্র কুরবানীর জন্য সরকারি অনুদান


১.৫ শতাংশ বিধর্মীর পূজা পালনে ৯৮% মুসলমানের দেয়া ট্যাক্সের টাকা থেকে যদি সরকারি অনুদান দেয়া সরকারের নিরপেক্ষ নীতি হয়ে থাকে, তবে ৯৮% মুসলমানের প্রদেয় টাকা থেকে গরিব মুসলমানের পবিত্র কুরবানী করার জন্য অনুদান দেয়াটা সরকারের নিরপেক্ষ নীতির মধ্যে পড়ে কিনা? যদি

কানজুস: যারা নিজেদের মূলই ফউত করে ফেলে


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “বখিল মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু, যদিও সে আবিদ হোক না কেন। আর ছখী মহান আল্লাহ পাক উনার বন্ধু যদিও সে ফাসিক হোক না কেন।” এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ব্যাখ্যায় হযরত মুহাদ্দিসীনে

মুয়াদ্দিব চূড়ান্ত পরীক্ষা-১৪৩৯ হিজরী (ভূগোল ও পরিবেশ)


মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা মুয়াদ্দিব চূড়ান্ত পরীক্ষা-১৪৩৯হিজরী বিষয়- ভূগোল ও পরিবেশ সময়: ৩ ঘন্টা পূর্ণমান-১০০ ১. সঠিক উত্তরটি খাতায় লিখুন- ১×১০=১০ (১) পৃথিবীর সম্মানিত নিরাপত্তা দানকারী উনারা কোন সম্মানিত ব্যক্তিগণ? (ক) হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম (খ) ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম

পবিত্র কুরবানী নিয়ে কোন পদক্ষেপ নেয়ার পূর্বে সরকারকে ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে হবে


সরকারী আমলারা ইসলামবিদ্বেষীদের প্ররোচনায় পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট কমানো, ঢাকা শহরের বাইরে জনশূন্য এলাকায় হাট বসানো, পরিচ্ছন্নতার মিথ্যা অজুহাতে কুরবানীর পশু জবাইয়ের স্থান নির্দিষ্ট করার মতো জঘন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই পদক্ষেপের কারণে এদেশের মুসলমানরা পবিত্র কুরবানী করতে সমস্যার সম্মুখীন হবে,

পবিত্র হজ্জে মাবরূর কাকে বলে- সে বিষয়টিই হাজী ছাহেবদের অজানা


‘মাবরূর’ শব্দের অর্থ হলো- পবিত্র, কবুলকৃত, নেকীতে পূর্ণ, মর্যাদাসম্পন্ন। সুতরাং পবিত্র হজ্জে মাবরূর বলতে ওই পবিত্র হজ্জকে বুঝানো হয়েছে, যার মধ্যে কোনো রকম বেপর্দা, বেহায়াপনা, অশ্লীল-অশালীন, ছবি, সিসিটিভি ইত্যাদি শরীয়তবিরোধী কাজ সম্পৃক্ত হয়নি। যে পবিত্র হজ্জ শুধুমাত্র নেক কাজের সংমিশ্রণে সম্পাদিত

আছ-ছফফুল খমীছ বার্ষিক পরীক্ষা-১৪৩৯ হিজরী (গণিত)


মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা বার্ষিক পরীক্ষা-১৪৩৯ হিজরী বিষয়: সাধারণ গণিত আছ-ছফফুল খমীছ সময়: ২ঘন্টা পূর্ণমান: ৫০ ১। সঠিক উত্তরটি খাতায় লিখুন- ১×১০=১০ (১) কোনটি অক্ষর প্রতীক? (ক) ক (খ) ৪ (গ) + (ঘ) % (২) ২০ এর গুণিতক কোনটি? (ক) ১০

বাঁচতে চাইলে খালিছ ইস্তিগফার-তওবা করুন


গণতন্ত্রের কারণে সরকারের নীতি নির্ধারণকারী, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে নিম্ন শ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারী পর্যন্ত প্রায় সকলেই প্রতিযোগিতামূলকভাবে চুরি ডাকাতি, ছিনতাই, রাহজানী, খুনখারাবি ইত্যাদি অপরাধ অপকর্মে লিপ্ত। নাউযুবিল্লাহ! অপরাধ নিয়ন্ত্রণকারী সংগঠন, প্রশাসন ইত্যাদি কোন কাজই আসছে না। যাকে যে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে