Archive for the ‘বিভাগবিহীন’ Category

ছিঃ রবীন্দ্র! তোমার বংশপরিচয় এমন?


তথাকথিত ‘বিশ্বকবি’ রবীন্দ্র ঠগের পরিবারকে ‘জমিদার’ হিসেবেই কিছু বইয়ে লেখা হয়। এই রবীন্দ্র পরিবারের প্রশংসায় একশ্রেণীর লোকদের বাড়াবাড়িও লক্ষ্যণীয়। কিন্তু ‘অতিভক্তি চোরের লক্ষণ’ এই বাক্যটির মতোই এসব অতিভক্তি প্রকাশের পিছনে যে রবীন্দ্রদের বিশাল কলঙ্কিত অধ্যায় আড়াল করাই মুখ্য উদ্দেশ্য সেটা হুজুগে

ত্বাহিরা, আউওয়ালুল মু’মীনা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল বৈশিষ্ট্য মুবারক


মহান রব্বুল আলামীন তিনি স্বয়ং উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার শান, মান ও মর্যাদা মুবারককে বুলন্দ করেছেন এবং আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং উনার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন, ছানা-ছিফত করেছেন। কাজেই

‘মুসলমানদের পোশাক’ বলে দ্বীন ইসলাম উনার মাঝে কি নির্দিষ্ট পোশাক আছে?


সেই ছোটবেলা থেকেই প্রায়ই আমি আমার দাদাকে বলতাম- দাদা, হিন্দুরা এভাবে লুঙ্গি (ধুতি) পরে কেন? তাদের লজ্জা লাগে না? দাদা বেশি কিছু না বলে সংক্ষেপে বলতেন- হিন্দু হলে এভাবেই কাপড় পরতে হয়। এতটুকু উত্তরেই তখন ক্ষান্ত হতাম। কিন্তু এখন যদি দাদা

জান ও মাল দ্বারা অবারিত খিদমত


হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের

মাহে ছফর শরীফ উনার আইয়ামুল্লাহ শরীফসমূহ:


৩ ছফর শরীফ: নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মুমিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল হাদিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনাদের নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। ৫ ছফর শরীফ: উম্মুল মুমিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার

মুসলমানগণ কাদেরকে অনুসরণ করবে, সেটা বিধর্মী-বিজাতীরা বলার কে?


আখিরী যামানা বলে কথা। আসলে আখিরেরও আখির চলতেছে বর্তমানে। নতুবা যেখানে মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল ইজ্জত তিনি এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাঝে বলে দিয়েছেন-

পূজায় বরাদ্দকৃত টাকাগুলো কি মুসলমানদের নয়?


প্রতি বছর সরকার অমুসলিম বিধর্মীদের পূজায় কোটি কোটি টাকা ও টনে টনে চাল বরাদ্দ দিয়ে থাকে। প্রশাসনকেও কড়াভাবে নির্দেশ দিয়ে দেয়- দেশের আনাচে কানাচের ছোট বড় কোনো একটি পূজা মন্ডপও যেন এই বরাদ্দকৃত অর্থ ও চাল থেকে বঞ্চিত না হয়। বাংলাদেশের

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও সম্মানিত ঈমান


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মূলভিত্তি সম্মানিত ঈমান। সম্মানিত ঈমান ব্যতীত আমল কোনো কাজেই আসবে না। সম্মানিত ঈমান উনার কোনো একটি বিষয় অস্বীকার করলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম হতে খারিজ হয়ে যাবে। সম্মানিত ঈমান ব্যতীত যত নেক কাজই করা হোক না কেন কোনোই

তোমরা জুমুয়ার দিনকে কেনো শোকের দিন বলো না?


পবিত্রতম হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ৫টি কারণে জুমুয়ার দিনকে দিনের সাইয়্যিদ ও মহান দিন, এমনকি কুরবানীর ঈদ ও রোযার ঈদের চেয়েও বেশি মূল্যবান ও মহান। কারণগুলো হলো- ১. জুমুয়ার দিন আবুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে

অভাব মানুষের নিজের কামাই সুতরাং এটাকে তাড়াতে চাই মনোবল আর ইচ্ছা


একজন গরীব শ্রমিকের ঘরে ‘অভাব’ শব্দটি বহুল উচ্চারিত হয় আবার ধনাঢ্য পরিবারেও শোনা যায়। কি এই অভাব আর কি এর প্রতিকার। অভাব প্রত্যেকের নিজের তৈরি অভাব নিজে নিজে তৈরি হয় না। আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি করলেই অভাব এসে দাঁড়ায় তা স্বল্প

সম্প্রীতির নামে মূর্তিপূজারীদের প্রশ্রয় দেয়া মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রুদের সাথে হাত মেলানোর শামিল


স্বয়ং যিনি মানবজাতির সৃষ্টিকর্তা, মহান প্রতিপালক আল্লাহ পাক তিনি নিজেই পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মানবজাতির সবচেয়ে নিকৃষ্ট ও নাপাক শ্রেণীর পরিচয় প্রকাশ করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২৮)

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার প্রতিদান


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার উপলক্ষ্যে হযরত ছুয়াইবা আলাইহাস সালাম উনাকে আবু লাহাব আযাদ করার কারণে সারা জীবন কুফরী করা সত্ত্বেও মৃত্যুর পর প্রতিদানস্বরূপ প্রতি ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) শীতল