Archive for the ‘মহান আল্লাহ পাক উনার শান’ Category

নারীজাতিরা আজ সমঅধিকারের নামে যে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছে, সাইয়িদাতুন নিসা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনিই একমাত্র জানিয়ে দিচ্ছেন বুঝিয়ে দিচ্ছেন নারী পুরুষ কখনো এক হতে পারেনাঃ


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “তোমরা যদি নিয়ামত উনার শুকরিয়া কর তাহলে নিয়ামত উনাকে বৃদ্ধি করে দেয়া হবে।” সুবহানাল্লাহ! আর মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে সমস্ত কায়িনাতবাসীর জন্য অন্যতম মহান নিয়ামত হলেন

যেসব মুছল্লী দাঁড়িয়ে নামায পড়তে অক্ষম তারা কিভাবে নামায আদায় করবে? বসে বা দাঁড়িয়ে কোনভাবেই নামায পড়তে না পারলে তার জন্য মসজিদে জামায়াতে নামায পড়া জরুরত আছে কিনা?


: অক্ষম ও অসুস্থ ব্যক্তি কিভাবে নামায আদায় করবে তা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ও ফিক্বাহর কিতাবসমূহের মধ্যে সুস্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- عن حضرت عمران بن حصين رضى الله تعالى عنه قال كانت بى

পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ হলো মহান আল্লাহ পাক উনার মাসঃ


খালিক্ব মালিক রব আল্লাহ পাক সুবহানাহূ ওয়া তায়ালা তিনি এবং কুল-কায়িনাতের নবী ও রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের ঘোষণাকৃত চারটি হারাম বা সম্মানিত মাস উনাদের মধ্যে একটি হলো পবিত্র

মহান মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান কারামত মুবারক!


মুজাদ্দিদে আ’যম উনার ছোহবত মুবারকে এসে ফুল থেকে কয়েক লক্ষ কোটি টাকা আয় এবং কোটি লোকের কর্মসংস্থান সম্ভব। ইনশাআল্লাহ! খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদসি মুবারকে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমার হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম (বন্ধু)

মেয়ে সন্তানের ফযীলতসমূহ


হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ঐ মহিলা বরকতময়ী যার প্রথম সন্তান মেয়ে হয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে ইচ্ছা মেয়ে দেন আর যাকে

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করে বা শুনে উনার প্রতি যারা পবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করে না তাদের জন্য ধ্বংস ও জাহান্নাম অবধারিত


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ প্রিয়তম হাবীব। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মুহব্বতেই তামাম কায়িনাত সৃষ্টি করেন। উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক উনাদেরকে অনেক উঁচু করেছেন। অর্থাৎ এক কথায়

মহান আল্লাহ পাক উনার গণনায় ছফর শরীফ মাস পবিত্র


  মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আসমান-যমীনের সৃষ্টির শুরু থেকে গণনা হিসেবে মাসের সংখ্যা ১২টি। তন্মধ্যে ৪টি হচ্ছে হারাম বা পবিত্র মাস। এটা সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান। সুতরাং তোমরা এ মাসগুলোতে নিজেদের প্রতি

জান্নাতের নিয়ামত কি নতুন প্রজন্মের মুসলমানরা জানে?


  বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি একদিন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আরজি করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- আমাদেরকে জান্নাতের বিবরণ দান করুন। তখন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর

মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহ (৩)


দুইজন লোক গাড়িতে বসে আলোচনা করছেন। বহুবিধ আলোচনা- অর্থনীতি, রাজনীতি কোনোটাই বাদ যায়নি। ট্রাফিক জ্যামে বসে চলছে এসব মতবিনিময়মূলক আলোচনা। কানে আসছিল তাদের কথাগুলো। কখনো শুনছিলাম, কখনো এড়িয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎই একজনের কথা এসে তীব্রভাবে আমার কানে বিঁধলো। তিনি বলছেন, সেই ২০০৪

মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহ (১)


  সারা বিশ্বের কাফির-বেদ্বীনগুলা একজোট হয়ে নিরীহ নিরস্ত্র সরলপ্রাণ মুসলমানদের প্রতি যুলুম করে যাচ্ছে। এমন কোনো দেশ নেই যেখানে মুসলমানরা শান্তিতে আছে। কাফির-বেদ্বীনগুলোয় মুসলমানদেরকে তাদের দেশ-ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে দেশান্তরিত করছে। কাফির-বেদ্বীনরা দেশান্তরিত মুসলমানদেরকে মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য করছে। ধনসম্পদের মালিকানা হরণ

হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে এবং হযরত আবনাউ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে সম্মানিত লক্বব মুবারক দ্বারা সম্বোধন করার ব্যাপারে মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার এক অনন্য বেমেছাল মহাসম্মানিত তাজদীদ মুবারক


মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি শুধু মুজাদ্দিদই নন; বরং তিনি হচ্ছেন পূর্বের এবং পরের সমস্ত মুজাদ্দিদগণ উনাদের সাইয়্যিদ। সুবহানাল্লাহ! উনার বেমেছাল তাজদীদ মুবারকসমূহই উনার সেই শ্রেষ্ঠত্ব মুবারক উনার পরিচায়ক। যেখানে

জান্নাতের নিয়ামত কি নতুন প্রজন্মের মুসলমানরা জানে?


বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি একদিন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আরজি করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- আমাদেরকে জান্নাতের বিবরণ দান করুন। তখন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক